What do you think?


চণ্ড রাজার বলি
প্রায় একযুগ আগের ঘটনা। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপকে অগ্রাহ্য করে আমরা কজন বন্ধুবান্ধব মিলে হানা দিয়েছিলাম মধ্য-পুর্ব ভারতের এক নিবিড় অরণ্যভূমে। সেখানেই খোঁজ মিলেছিল বিচিত্র উন্মাদবৎ এক ব্যাক্তির। লোকটিকে স্থানীয়েরা সাক্ষাৎ মৃত্যুদুত বিবেচনায় ভয়ে ভক্তিতে এড়িয়ে চলাই পছন্দ করত, তবে আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা নিতান্তই মুর্খের মতো এর সঙ্গে অহেতুক দ্বন্দে জড়িয়ে পড়েছিলাম। আমার শহুরে শিক্ষিত বন্ধুরা যথারিতি লোকটিকে পাগল, ভন্ড, জোচ্চোর ট্যাগ্ দিয়ে উড়িয়ে দিতে দেরি করেনি। আমার ব্যাক্তিগত মতও অবশ্য ওদের থেকে বিশেষ ভিন্নরকমের ছিল না, কিন্তু এরপরেই আমাদের চারপাশে এমন সব বিচিত্র প্রতিকূল ঘটনা প্রবাহের শুরু হল, বুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা হয়না। সেবার ভ্রমণ অসম্পুর্ন রেখেই তড়িঘড়ি আমাদের পাততাড়ি গোটাতে হয়েছিল। আজ সেই বিপদসংকুল মহারণ্য থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করে সেদিনের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে যতই অবাস্তব ভেবে যুক্তির জাল সাজাবার চেষ্টা করি না কেন, মনের কোনে যে দাগটা তৈরি হয়ে গেছে, সেটা বোধহয় আর মোছা যাবে না। আমাদের চেনা ছকের পৃথিবীর বাইরে আরেকটা প্যারালাল জগতের অস্তিত্বের হদিশ।
208 pages, Hardcover
Published May 1, 2021
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
May 20, 2026
ছিমছাম ও অলংকরণ-সমৃদ্ধ এই হার্ডকভার বইটি পড়া হল। এতে আছে একটিই উপন্যাস। তার বিষয়বস্তু অকাল্ট হরর হলেও রাজনৈতিক ও অন্য নানা বিষয়ও তাতে এসেছে।
পরিমিত, পরিশীলিত, অথচ গতিময় গদ্যে লেখা উপন্যাসটি পড়তে বেশ লাগল। দীর্ঘদিন ওডিশা-বাসের সুবাদে কাহিনিতে উল্লিখিত নানা স্থানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিদেরও ঝালিয়ে নেওয়া গেল।
বইটির মধ্যে বেশ কিছু ভয়োৎপাদক দৃশ্য ও বিবরণ আছে। শেষদিকে, ক্লাইম্যাক্সটুকু আসার আগে গল্পের গতি অনেকটাই শ্লথ হয়ে যাওয়াটা ভালো লাগেনি। বইকে লম্বা করার জন্য এইরকম বেশ কিছু জায়গা স্পষ্টভাবেই চোখে পড়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে এই সুলিখিত উপন্যাসটি বেশ উপভোগ করলাম।
অলমিতি।
পরিমিত, পরিশীলিত, অথচ গতিময় গদ্যে লেখা উপন্যাসটি পড়তে বেশ লাগল। দীর্ঘদিন ওডিশা-বাসের সুবাদে কাহিনিতে উল্লিখিত নানা স্থানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিদেরও ঝালিয়ে নেওয়া গেল।
বইটির মধ্যে বেশ কিছু ভয়োৎপাদক দৃশ্য ও বিবরণ আছে। শেষদিকে, ক্লাইম্যাক্সটুকু আসার আগে গল্পের গতি অনেকটাই শ্লথ হয়ে যাওয়াটা ভালো লাগেনি। বইকে লম্বা করার জন্য এইরকম বেশ কিছু জায়গা স্পষ্টভাবেই চোখে পড়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে এই সুলিখিত উপন্যাসটি বেশ উপভোগ করলাম।
অলমিতি।
April 18, 2026
সঞ্জয় ভট্টাচার্যের লেখা " চন্ডরাজার বলি " নামের চমৎকার একটা হরর উপন্যাস মাত্রই পড়ে শেষ করলাম।
এই লেখকের লেখা আমি আগে কখনো পড়িনি,তাই পড়ার আগে প্রত্যাশাও তেমন ছিলো না। কিন্তু পড়ার পর বলতে দ্বিধা নেই,আমার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভালো লেগেছে বইটা।
বইটা ভালো লাগার প্রথম কারণ– লিখনশৈলী। সঞ্জয় ভট্টাচার্যের লেখা অত্যন্ত নির্মেদ ও সাবলীল। কোথাও কোন বাহুল্যদোষ নেই,যেখানে যতটুকু বর্ণনা থাকার কথা ততটুকুই আছে। গল্পের গতি শুরু থেকে শেষ অবধি ভারসাম্য বজায় রেখেছে,অন্তত আমার মনে হয়নি গল্পটা মাঝপথে কোথাও ঝুলে গেছে।
দ্বিতীয় কারন– লেখকের গল্প বলার ধরণ। শুধুমাত্র এটার জন্যই আমার চোখ বইয়ের পাতার সাথে চুম্বকের মতো সেঁটে ছিলো। একবার পড়া শুরু করলে হাত থেকে আর নামানো সম্ভব হচ্ছিল না। ঘটনার ঘনঘটায় উত্তেজনা আর সাসপেন্স দুটোই টের পেয়েছি,সেক্ষেত্রে লেখক বেশ ভালোভাবেই সফল হয়েছেন বলে মনে করি।
উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে চন্ডরাজা নামক এক প্রাচীন অপদেবতাকে কেন্দ্র করে। চন্ডরাজার ব্যাকস্টোরিটা যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং ছিলো,তবে কলেবরে সেটা তুলনামূলকভাবে ছোট ছিল। আরেকটু বড় হলে বোধহয় মন্দ হতো না।
বইয়ের প্লট শুধু চন্ডরাজাকে কেন্দ্র করেই এগোয়নি,নকশাল ও ইঁদুরদেরও বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বইটাতে। বিশেষ করে ইঁদুরের বিষয়টা এইচ পি লাভক্র্যাফটের একটা ছোটগল্পের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল।
নেগেটিভ দিক বলতে গেলে বলবো,কাহিনীতে সেই অর্থে কোন টুইস্ট বা চমক নেই(অবশ্য সব কাহিনীতেই যে টুইস্ট থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই)। চন্ডরাজাকে বইয়ের প্রথম দিকে যেভাবে বিল্ড–আপ দিয়েছিলেন লেখক,ক্লাইম্যাক্সে তার ভূমিকা একেবারেই দুর্বল বলে মনে হলো। প্রতিপক্ষ হিসেবে চন্ডরাজাকে আরও শক্তিশালী হিসেবে দেখানো উচিত ছিলো।
আমার মতে,ক্লাইম্যাক্সটা আরও জমজমাট হতে পারতো,গল্পের শক্ত গাথুঁনি অন্তত তারই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু শেষটা কেমন যেন খুব সহজেই হয়ে গেলো। তাই বইটা শেষ করে যেরকম সন্তুষ্ট হওয়ার কথা ছিলো,সেরকম সন্তুষ্ট হতে পারলাম না।
সব মিলিয়ে,সঞ্জয় ভট্টাচার্যের লেখা " চন্ডরাজার বলি " হরর উপন্যাস হিসেবে চমৎকার। লেখকের স্বতন্ত্র লেখনশৈলী ও গল্প বলার মুন্সিয়ানা পাঠকদের ধরে রাখবে বইয়ের একদম শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত। রেকমেন্ডেড!
★পারসোনাল রেটিংঃ ৮/১০
এই লেখকের লেখা আমি আগে কখনো পড়িনি,তাই পড়ার আগে প্রত্যাশাও তেমন ছিলো না। কিন্তু পড়ার পর বলতে দ্বিধা নেই,আমার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভালো লেগেছে বইটা।
বইটা ভালো লাগার প্রথম কারণ– লিখনশৈলী। সঞ্জয় ভট্টাচার্যের লেখা অত্যন্ত নির্মেদ ও সাবলীল। কোথাও কোন বাহুল্যদোষ নেই,যেখানে যতটুকু বর্ণনা থাকার কথা ততটুকুই আছে। গল্পের গতি শুরু থেকে শেষ অবধি ভারসাম্য বজায় রেখেছে,অন্তত আমার মনে হয়নি গল্পটা মাঝপথে কোথাও ঝুলে গেছে।
দ্বিতীয় কারন– লেখকের গল্প বলার ধরণ। শুধুমাত্র এটার জন্যই আমার চোখ বইয়ের পাতার সাথে চুম্বকের মতো সেঁটে ছিলো। একবার পড়া শুরু করলে হাত থেকে আর নামানো সম্ভব হচ্ছিল না। ঘটনার ঘনঘটায় উত্তেজনা আর সাসপেন্স দুটোই টের পেয়েছি,সেক্ষেত্রে লেখক বেশ ভালোভাবেই সফল হয়েছেন বলে মনে করি।
উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে চন্ডরাজা নামক এক প্রাচীন অপদেবতাকে কেন্দ্র করে। চন্ডরাজার ব্যাকস্টোরিটা যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং ছিলো,তবে কলেবরে সেটা তুলনামূলকভাবে ছোট ছিল। আরেকটু বড় হলে বোধহয় মন্দ হতো না।
বইয়ের প্লট শুধু চন্ডরাজাকে কেন্দ্র করেই এগোয়নি,নকশাল ও ইঁদুরদেরও বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বইটাতে। বিশেষ করে ইঁদুরের বিষয়টা এইচ পি লাভক্র্যাফটের একটা ছোটগল্পের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল।
নেগেটিভ দিক বলতে গেলে বলবো,কাহিনীতে সেই অর্থে কোন টুইস্ট বা চমক নেই(অবশ্য সব কাহিনীতেই যে টুইস্ট থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই)। চন্ডরাজাকে বইয়ের প্রথম দিকে যেভাবে বিল্ড–আপ দিয়েছিলেন লেখক,ক্লাইম্যাক্সে তার ভূমিকা একেবারেই দুর্বল বলে মনে হলো। প্রতিপক্ষ হিসেবে চন্ডরাজাকে আরও শক্তিশালী হিসেবে দেখানো উচিত ছিলো।
আমার মতে,ক্লাইম্যাক্সটা আরও জমজমাট হতে পারতো,গল্পের শক্ত গাথুঁনি অন্তত তারই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু শেষটা কেমন যেন খুব সহজেই হয়ে গেলো। তাই বইটা শেষ করে যেরকম সন্তুষ্ট হওয়ার কথা ছিলো,সেরকম সন্তুষ্ট হতে পারলাম না।
সব মিলিয়ে,সঞ্জয় ভট্টাচার্যের লেখা " চন্ডরাজার বলি " হরর উপন্যাস হিসেবে চমৎকার। লেখকের স্বতন্ত্র লেখনশৈলী ও গল্প বলার মুন্সিয়ানা পাঠকদের ধরে রাখবে বইয়ের একদম শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত। রেকমেন্ডেড!
★পারসোনাল রেটিংঃ ৮/১০
November 29, 2025
কখনো দাবা খেলেছেন ? দাবা খেলতে খেলতে যেমন প্রতি টা মুহূর্ত রোমাঞ্চ অনুভব করেন , ঠিক তেমন ই রোমাঞ্চ রয়েছে সঞ্জয় ভট্টাচার্য এর লেখা " চন্ড রাজার বলি " নামক বইতে | লেখকের দুটো অপ্রকাশিত গল্প এর আগে সানডে সাসপেন্স এ শুনেছি আর তখন থেকেই লেখকের লেখার উপর আকর্ষণ অনুভব করেছি | তাই যখন জানতে পারলাম যে বুক ফার্ম থেকে লেখকের একটি বই প্রকাশিত হয়েছে তখন আর দেরি না করি অর্ডার করে ফেলি , আর বই টা কাল হাতে পাবার পর থেকে গোগ্রাসে পড়া শুরু করি | বই টার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক যে ভাবে গল্প টা লেখক সাজিয়েছেন , একটা করে রহস্য তৈরী করেছেন আর পরবর্তী কালে সেই রহস্য উন্মোচন করেছেন | বই টা তন্ত্র মন্ত্র বিষয় নিয়ে হলেও , আর পাঁচ টা বই এর থেকে অনেক আলাদা , তার প্রধান কারণ এর নৃশংসতা আর সাইকো হররর এর ঘনঘটা | লাভ ক্র্যাফট যারা পড়েছেন তারা জানেন "মূষিক বা ইঁদুর " বিদেশী সাহিত্যে এক ভয়ঙ্কর জীব | লেখক যে সেই বিষয় টি কে তার গল্পে ব্যবহার করেছেন সেটা খুব ই ভালো লেগেছে | আর ভালো লেগেছে লেখকের আনকম্প্রমাইজিং attitude , যেটা যেখানে দরকার সেটা সেখানেই আছে | তবে একটা জায়গা আমাকে একটু অবাক করেছে , সেটা হলো বই এর চরিত্র গুলো খুব সহজ ভাবে কুসংস্কার গুলো মেনে নিচ্ছে , আরো মনে হয় একটু ডিলেম্মা থাকলে ভালো লাগতো | বই টির প্রচ্ছদ , পেজ সত্যি কোয়ালিটি খুব ভালো কোয়ালিটির |
December 28, 2021
Death, Destruction, and the supernatural …a heady cocktail of an adventure with a multi layered story…The writing style has a lot of room for improvement ..it does seem the author is trying too hard in certain places. Terrible editing and absolute lack of grammar and spell check.
Overall a more than decent attempt at a first book. Looking forward to more from the same author.
Overall a more than decent attempt at a first book. Looking forward to more from the same author.
March 6, 2026
এই ঘরানার বইগুলোর মধ্যে এটি নিঃসন্দেহে একটি উৎকৃষ্ট মানের লেখা। গল্পটি মোটের উপর বেশ ভালো লেগেছে। সঞ্জয় বাবুর লেখনির যে স্বতন্ত্র আকর্ষণ ও চমক রয়েছে, তা তাঁর অন্যান্য গল্প পড়েও আগে উপলব্ধি করেছি।
তবে গল্পের শেষটা যেন একটু সহজভাবেই মিটে গেল বলে মনে হয়েছে। শেষটা আর একটু চমকপ্রদ বা গভীর করা হলে গল্পটি আরও বেশি প্রভাব ফেলতে পারত।
তবে গল্পের শেষটা যেন একটু সহজভাবেই মিটে গেল বলে মনে হয়েছে। শেষটা আর একটু চমকপ্রদ বা গভীর করা হলে গল্পটি আরও বেশি প্রভাব ফেলতে পারত।
October 8, 2025
ওড়িশার ঢেঙ্কানলের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠককে টেনে রাখার উপযুক্ত, লেখনী ঝরঝরে, মেদহীন, সাবলীল, শুধু শেষটায় রুদ্রপ্রসাদ ও কথকের এমন করুন পরিণতি আশা করিনি। একবার পড়ে দেখা যেতেই পারে।
December 20, 2025
এ গল্প উড়িষ্যার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক মন্দিরকে ঘিরে যেখানে উপাসক বিশেষ বিধিতে উপাসনা করে চণ্ডের। চণ্ড হিন্দু ধর্মের কোনো পরিচিত দেব দেবী নয়। গল্পের কথক জয়ন্ত তার বন্ধু তপনের কাছে জানতে পারে এই মন্দিরের কথা ... তারপর ঠিক কী ঘটে? সেই গল্প ই আছে এ বইয়ে।
February 21, 2026
প্রতিটা মুহুর্তে আমি রোমাঞ্চ অনুভব করেছি গল্পটা পড়তে পড়তে | এই প্রথম আমি এরকম supernatural কোনো গল্প পড়লাম | গল্পটিকে অযথা টেনে টুনে বড় করার কোনো চেষ্টা করা হয়নি , 150 পাতার এই গল্পে প্রত্যেকটা পাতায় রয়েছে suspense and mystery | একদম শেষদিকটা একটু rushed লেগেছে | Highly recommended 🔥
October 24, 2025
A nice take on folk Lore, thriller and mild horror. Definitely a good read.
September 30, 2026
Valo legeche
Displaying 1 - 10 of 10 reviews










