প্রায় একযুগ আগের ঘটনা। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপকে অগ্রাহ্য করে আমরা কজন বন্ধুবান্ধব মিলে হানা দিয়েছিলাম মধ্য-পুর্ব ভারতের এক নিবিড় অরণ্যভূমে। সেখানেই খোঁজ মিলেছিল বিচিত্র উন্মাদবৎ এক ব্যাক্তির। লোকটিকে স্থানীয়েরা সাক্ষাৎ মৃত্যুদুত বিবেচনায় ভয়ে ভক্তিতে এড়িয়ে চলাই পছন্দ করত, তবে আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা নিতান্তই মুর্খের মতো এর সঙ্গে অহেতুক দ্বন্দে জড়িয়ে পড়েছিলাম। আমার শহুরে শিক্ষিত বন্ধুরা যথারিতি লোকটিকে পাগল, ভন্ড, জোচ্চোর ট্যাগ্ দিয়ে উড়িয়ে দিতে দেরি করেনি। আমার ব্যাক্তিগত মতও অবশ্য ওদের থেকে বিশেষ ভিন্নরকমের ছিল না, কিন্তু এরপরেই আমাদের চারপাশে এমন সব বিচিত্র প্রতিকূল ঘটনা প্রবাহের শুরু হল, বুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা হয়না। সেবার ভ্রমণ অসম্পুর্ন রেখেই তড়িঘড়ি আমাদের পাততাড়ি গোটাতে হয়েছিল। আজ সেই বিপদসংকুল মহারণ্য থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করে সেদিনের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে যতই অবাস্তব ভেবে যুক্তির জাল সাজাবার চেষ্টা করি না কেন, মনের কোনে যে দাগটা তৈরি হয়ে গেছে, সেটা বোধহয় আর মোছা যাবে না। আমাদের চেনা ছকের পৃথিবীর বাইরে আরেকটা প্যারালাল জগতের অস্তিত্বের হদিশ।
কখনো দাবা খেলেছেন ? দাবা খেলতে খেলতে যেমন প্রতি টা মুহূর্ত রোমাঞ্চ অনুভব করেন , ঠিক তেমন ই রোমাঞ্চ রয়েছে সঞ্জয় ভট্টাচার্য এর লেখা " চন্ড রাজার বলি " নামক বইতে | লেখকের দুটো অপ্রকাশিত গল্প এর আগে সানডে সাসপেন্স এ শুনেছি আর তখন থেকেই লেখকের লেখার উপর আকর্ষণ অনুভব করেছি | তাই যখন জানতে পারলাম যে বুক ফার্ম থেকে লেখকের একটি বই প্রকাশিত হয়েছে তখন আর দেরি না করি অর্ডার করে ফেলি , আর বই টা কাল হাতে পাবার পর থেকে গোগ্রাসে পড়া শুরু করি | বই টার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক যে ভাবে গল্প টা লেখক সাজিয়েছেন , একটা করে রহস্য তৈরী করেছেন আর পরবর্তী কালে সেই রহস্য উন্মোচন করেছেন | বই টা তন্ত্র মন্ত্র বিষয় নিয়ে হলেও , আর পাঁচ টা বই এর থেকে অনেক আলাদা , তার প্রধান কারণ এর নৃশংসতা আর সাইকো হররর এর ঘনঘটা | লাভ ক্র্যাফট যারা পড়েছেন তারা জানেন "মূষিক বা ইঁদুর " বিদেশী সাহিত্যে এক ভয়ঙ্কর জীব | লেখক যে সেই বিষয় টি কে তার গল্পে ব্যবহার করেছেন সেটা খুব ই ভালো লেগেছে | আর ভালো লেগেছে লেখকের আনকম্প্রমাইজিং attitude , যেটা যেখানে দরকার সেটা সেখানেই আছে | তবে একটা জায়গা আমাকে একটু অবাক করেছে , সেটা হলো বই এর চরিত্র গুলো খুব সহজ ভাবে কুসংস্কার গুলো মেনে নিচ্ছে , আরো মনে হয় একটু ডিলেম্মা থাকলে ভালো লাগতো | বই টির প্রচ্ছদ , পেজ সত্যি কোয়ালিটি খুব ভালো কোয়ালিটির |
Death, Destruction, and the supernatural …a heady cocktail of an adventure with a multi layered story…The writing style has a lot of room for improvement ..it does seem the author is trying too hard in certain places. Terrible editing and absolute lack of grammar and spell check.
Overall a more than decent attempt at a first book. Looking forward to more from the same author.
ওড়িশার ঢেঙ্কানলের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠককে টেনে রাখার উপযুক্ত, লেখনী ঝরঝরে, মেদহীন, সাবলীল, শুধু শেষটায় রুদ্রপ্রসাদ ও কথকের এমন করুন পরিণতি আশা করিনি। একবার পড়ে দেখা যেতেই পারে।
এ গল্প উড়িষ্যার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক মন্দিরকে ঘিরে যেখানে উপাসক বিশেষ বিধিতে উপাসনা করে চণ্ডের। চণ্ড হিন্দু ধর্মের কোনো পরিচিত দেব দেবী নয়। গল্পের কথক জয়ন্ত তার বন্ধু তপনের কাছে জানতে পারে এই মন্দিরের কথা ... তারপর ঠিক কী ঘটে? সেই গল্প ই আছে এ বইয়ে।