থ্রিলার পাঠকদের আসর গ্রুপটি থ্রিলার সাহিত্যে এর আসন আরও দৃঢ় ও প্রভাবময় করার জন্য যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে তন্মধ্যে "থ্রিলার জার্নাল" ম্যাগাজিন প্রকাশ অন্যতম। দুই বাংলার লেখকদের নিয়ে থ্রিলার, হরর, কল্পবিজ্ঞান এবং ফ্যান্টাসি জনরার মিশেলে একে একে তিনটি সংখ্যা প্রকাশ করেছি আমরা। মৌলিক গল্প থেকে শুরু করে অনুবাদ, ফিচার, থ্রিলার কাব্য, গল্পধাঁধা, আর্টওয়ার্ক কী নেই এতে! তবে এবারের এই বিশেষ সংখ্যাটিকে আমরা সাজিয়েছি শুধুমাত্র মৌলিক ও অনুবাদ গল্পে।
আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে এবারের জার্নাল। প্রত্যেকটা গল্প দারুন ছিল। দুই দিন ধরে বেশ সময় নিয়ে পড়েছি সব গল্পগুলো। যেই গল্পগুলো রয়েছে এবারের জার্নালে: (নভেলেট) জ্যমেয় ভু - তানজীম রহমান - দারুন গল্প এবং শেষের অংশ বেশ চমকপ্রদ ছিল। (নভেলেট) মেমোরি ম্যাট্রিক্স - প্রদীপ্ত দে - এবারের জার্নালে আমার প্রিয় গল্পগুলির মধ্যে অন্যতম এটি। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বেশ মজা পেয়েই পড়েছি। অল উই ওয়ান্ট ইজ ইওর শিট - জাহিদ হোসেন - ভালো গল্প এবং আইডিয়া টা বেশ ইউনিক। মুশকিল আসান™ - নাবিল মুহতাসিম - এবারের জার্নালে আমার সব থেকে প্রিয় গল্প। শেষের অংশ টা পরে বেশ দারুন লেগেছে। লিপ্সা - বাপ্পী খান -চমৎকার গল্প। এবারের জার্নালে আমার প্রিয় গল্পগুলির মধ্যে অন্যতম। অসাধারণ গল্প, তার সাথে চমকপ্রদ লেখনভঙ্গি। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে গল্পটি। মস্তক - নেওয়াজ নাবিদ - দারুন ছিল, প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বেশ থ্রিল পেয়েছি। প্রোশোকি - সালেহ আহমেদ মুবিন - ছোট গল্প হিসেবে বেশ ভালো লেগেছে। নরাদ - আলী ওয়াহাব সৌহার্দ্য - গল্পটি ভালো লেগেছে। শিহরণ - আবরার আবীর - লেখকের বর্ণনা দারুন ছিল। এরকম ঘটনা হয়তো আমাদের দেশে নিত্যদিন ঘটে। একটি লিবিয়ান অপহরণ - মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা - ভালো লেগেছে , গল্পটিতে যেন বাস্তবতা ফুটে উঠেছে। তন্ত্র পুতুল - ফাইয়াজ ইফতি - ভৌতিক পরিবেশের সাথে দারুন থ্রিলিং ছিল। (ধারাবাহিক উপন্যাস) অলাতচক্রম (বাকশালীনের বন্দি) (২য় পর্ব) - সিদ্দিক আহমেদ - এক কথায় বলবো চমৎকার লেগেছে, লেখকের চমৎকার বর্ণনাভঙ্গিতে গল্পটি পড়তে বেশ ভালো লেগেছে। (ধারাবাহিক অনুবাদ) দ্য লেফট/রাইট গেম (৪র্থ পর্ব)- নিওন টেম্পো, অনুবাদ - যারিন তাসনিম প্রমি - বেশ ভালো লেগেছে এবং দারুন স্বচ্ছ অনুবাদ। মাংসের তৈরি - টেরি বিসন, অনুবাদ - শাহেদ জামান - ভালো ছিল। স্বপ্ন - আগাথা ক্রিস্টি, অনুবাদ - দীপ্তজিৎ মিশ্র - ভালো লেগেছে এবং অনুবাদ বেশ সাবলীল।
রিভিউ: *জ্যমেয় ভু- তানজীম রহমান গল্পের মোড় কখন কোনদিকে ঘুরলো টেরই পেলাম। প্রথমে প্রেমের গল্প তারপর মিস্ট্রিয়াস আর একদম শেষে ফ্যান্টাসি। আমার এক্সপেকটেশন ছিল পিউর থ্রিলার হবে। তাই কিছুটা আশাহত হলেও শেষ আঁচড়টা বেশ ভালোই লেগেছে। রেটিং: ৩.৫/৫।
*লিপ্সা- বাপ্পী খান আমি অন্ধকার ট্রিলজির বিগ ফ্যান। সেই হিসেবে লিপ্সা বেশ আগ্রহ নিয়েই শুরু করি। আর পড়ে মন্দ লাগেনি। অন্ধকার ট্রিলজির লেখাগুলোর মতই ইনজয় করেছি। তবে রফিক শিকদারসহ আরো দুএকটা ক্যারেক্টারকেও খুব মিস করেছি লেখায়। রেটিং: ৩.৭/৫
*অল উই ওয়ান্ট ইজ ইউর শিট- জাহিদ হোসেন সত্যি বলতে সব সায়েন্স ফিকশন আমায় টানে না। আর এই জনরা থেকে একটু দূরেই থাকি সবসময়। ছোট করে বলতে গেলে গল্পটা নিয়ে তেমন আগ্রহ ছিল না। আমি শুরু করেও তেমন একটা আগ্রহ পাইনি। তবে গল্পটায় সায়েন্স ফিকশনের পাশাপাশি হিউমারেরও ছোঁয়া ছিল বেশ৷ হয়তো অনেকেরই পছন্দ হবে। রেটিং: ৩/৫
*মুশকিল আসান™- নাবিল মুহতাসিম বিষন্নতায় ঘেরা এক যুবকের গল্প। তবে এখানে আমাদের পরিচিত বিষন্নতার গল্পের পাশাপাশি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সীমাবদ্ধতাও লেখক দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আমার কাছে তাই এটা চমৎকার একটা কাজ। প্রশংসার দাবিদার। রেটিং: ৫/৫
*সপ্ন- আগাথা ক্রিস্টি- দীপ্তজিৎ মিশ্র এই গল্পটা এ্যাভারেজ ছিল। অনুবাদের মানও এ্যাভারেজ। রেটিং: ৩/৫
*শিহরণ - আবরার আবীর এই লেখককে আমি প্রকাশক হিসেবেই চিনতাম। এখন দেখি ভালো একটা গল্প লিখে বসেছেন।ছোট কিন্তু বেশ ভালো লাগলো। সামনে তার লেখা পড়ার জন্য বই গুছিয়ে রাখবো। রেটিং: ৫/৫
*অলাতচক্রম(বাকশালীনের বন্দি)- সিদ্দিক আহমেদ এটা ধারাবাহিক এক ফ্যান্টাসি গল্প। আমার দারুণ লাগছে। মিস করা ঠিক হবে না। এবার ২য় পর্ব শেষ হলো। রেটিং: ৫/৫
*মাংসের তৈরি - টেরি বিসন, শাহেদ জামান আরেকটা সায়েন্স ফিকশন। একটু গতানুগতিক মনে হলেও নেহায়েত মন্দ নয়। রেটিং: ৩/৫
*মস্তক- নেওয়াজ নাবিদ সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। সলিড ফাইভ স্টার পাওয়ার মতো আরেকটা চমৎকার গল্প। এটা মিস করা ঠিক হবে না। রেটিং: ৫/৫
*নরাদ- আলী ওয়াহাব সৌহার্দ্য লেখকের লেখাগুলো কেমন জানি অন্যরকম হয়। বিভিন্ন ধরণের ভাইব একসাথে দেয়। বেশ আগ্রহ নিয়ে শুরু করলেও এটা এ্যাভারেজই লাগলো। রেটিং: ৩.২/৫
*একটি লিবিয়ান অপহরণ - মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা এটা লিবিয়ার যে গল্প আমরা সকলেই কমবেশি জানি সেই গল্পই। এখানেও বেশ দারুণভাবেই ফুটে উঠেছে। ওদের এই গল্পগুলো বেশ ভাবায়।
রেটিং: ৪/৫
*তন্ত্র পুতুল- ফাইয়াজ ইফতি প্লট ভালোই ছিল। তবে এরকম গল্প বেশ পড়া হয়েছে বলেই হয়তো এ্যাভারেজ লাগলো। রেটিং: ৩.৫/৫
*মেমোরি ম্যাট্রিক্স - প্রদীপ্ত দে দারুণ এক সাসপেন্স থ্রিলার। বেশ ভালো। রেটিং: ৪/৫
*দ্য লেফট রাইট গেম- নিওন টেম্পা, যারিন তাসনিম প্রমি এটা আরেকটা ধারাবাহিক গল্প। আমার আগেরগুলো পড়া না থাকায় এটা শুরু করিনি।
ডেজা ভু অর্থ আগে দেখা। এ এক বিচিত্র অনুভূতি, যখন অচেনা দৃশ্যকে পরিচিত মনে হয়। কিন্তু জ্যমেয় ভু? জ্যমেয় ভু মূলত ডেজা ভু❜র বিপরীত অর্থ ধারণ করে। লেখক তানজীম রহমানের ভাষায়, ❝যখন আগে হাজার বার করা একটা কাজ, হাজার বার দেখা একটা দৃশ্যকে দেখে সম্পূর্ণ অপরিচিত লাগে, সেটাই হচ্ছে জ্যমেয় ভু।❞
কাহিনির বিস্তৃতি ছোটখাটো একটা উপন্যাসিকায় এসে ঠেকেছে। মূল চরিত্র, সুমনা এখানে জ্যমেয় ভু❜র শিকার। অ্যাড এজেন্সির যাপিত জীবনের গল্পটা লেখক তুলে ধরেছেন কল্পবিজ্ঞান আর অতিপ্রাকৃতিক আবহের মিশেলে। সমাপ্তি কিছুটা ম্লান লাগলেও নভেলেট হিসেবে ❝জ্যমেয় ভু❞ নিঃসন্দেহে একটা ভিন্নধারার অভিজ্ঞতার জানান দিয়েছে।
লিপ্সা
সিলেটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে হুবাল নামের এক অদ্ভুত লোকের সন্ধান মিলেছে। শোনা যায়, লাল চোখের এই লোকের মুখ বলতে কিছু নেই। অলৌকিক এক উপায়ে তার মুখের অংশটা চামড়ার মসৃণ আবরণে আবৃত। কিন্তু কে এই হুবাল? দেবতা নাকি পিশাচ?
আরব্য পুরাণ আর অতিপ্রাকৃতিক আবহের মিশেলে ❝লিপ্সা❞ গল্পবাঁক সংখ্যার একটি দুর্দান্ত সংযোজন। লেখক বাপ্পী খান তার ❝অন্ধকার❞ সিরিজের প্রিক্যুয়েলের খানিকটা আভাস দিয়েছেন এই গল্পে, যেখানে আধিভৌতিক সত্ত্বার তুলনায় প্রকট হয়ে ওঠে মানব সত্ত্বার চিরায়ত লিপ্সা। বিশেষত মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ট্রিবিউট জানানোর ব্যাপারটা প্রশংসনীয়।
অল উই ওয়ান্ট ইজ ইয়োর শিট
কারখানার নগরী নৃৎক্ক। সেখানকার এক বাসিন্দার নাম ৎৎৎ৬৯। কারখানাগুলো কীসের, জানে না ৎৎৎ৬৯। তবে ধারণা করতে পারে, বর্জ্য রিসাইকেল করে ব্যবহারযোগ্য কিছু একটা তৈরি হয় এখানে। অদ্ভুত সেই জিনিসের আবার চাহিদা আছে প্রচুর পরিমাণে। আর কারখানাগুলো জানান দেয়, অল উই ওয়ান্ট ইজ ইয়োর শিট।
অদ্ভুত ধাঁচের এক প্লটের ওপর দাঁড়িয়ে আছে লেখক জাহিদ হোসেনের ❝অল উই ওয়ান্ট ইজ ইয়োর শিট❞। হিউমারের সফল প্রয়োগে কল্পবিজ্ঞানের যে গল্পটা এখানে উঠে এসেছে, তার প্রতিক্রিয়া কিছুটা মিক্সড। একদিকে দারুণ আনন্দদায়ক, অন্যদিকে বিদঘুটে একটা অভিজ্ঞতার অবতারণা।
প্রোশোকি
দুপুরবেলা ঘুড়ি নিয়ে ছোটাছু��ি করতে করতে জঙ্গলে এসে পড়ে ইকরা। সেখানেই ঘটে এক রহস্যময় নারীর আগমন। সে নিজেকে অরণ্যশঙ্খিনী হিসেবে পরিচয় দেয়। অদ্ভুত কিছু কথার রেশ টানে, ❝সাবধান… মারবাসের অশনি বিচ্ছুরণ বড়ই বর্তমান। বসতির নিশ্ছিদ্র আবরণ নিরাপদ...ফিরে যাও...ফিরে যাও...❞
লেখক সালেহ আহমেদ মুবিনের ❝প্রোশোকি❞ মূলত ফ্যান্টাসি ধাঁচের পরাবাস্তব গল্প। অরণ্যশঙ্খিনীর বার্তা বরাবরই সংকটময় একটা পৃথিবীর দিকে ইঙ্গিত করে। আর ইকরা? ইকরা এখানে সমগ্র মানবসমাজের ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি। অপ্রচলিত অথচ সুন্দর কিছু শব্দের প্রয়োগে স্বল্প পরিসরের গল্পটা দারুণ উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।
স্বপ্ন
আগাথা ক্রিস্টির শর্ট স্টোরি, দ্য ড্রিমের বঙ্গানুবাদ। এবারের অভিযানের মূলে রয়েছে, স্বপ্ন। বেনেডিক্ট ফার্লের অদ্ভুত এক স্বপ্ন। প্রতি রাতে নিজেকে গুলি করার স্বপ্ন দেখেন তিনি। ঠিক রাত তিনটে বেজে আঠাশ মিনিটে। সম্মোহন, খুন নাকি অন্য কিছু? রহস্যের সমাধানে আবারও সেই বেলজিয়ান ভদ্রলোক হাজির। এরকুল পোয়ারো নামে যাকে সবাই চেনে।
বাবার নির্দেশে কারু গিয়েছিল হিংস্র ঘাঘের সাথে লড়াই করতে। ঘাঘ দেখতে কিছুটা বাঘের মতো। দুপাশে ডানা থাকায় উড়তেও পারে প্রাণীটা। যাহোক, দ্রুত গতির এই ঘাঘকে শেষমেশ বেঁধে নিয়ে আসে কারু। বাবাকে খুশি করতে চায় ছেলেটা। কিন্তু কোথায় বাবা? কারুর বাড়ি তো একদম ফাঁকা পড়ে আছে...তবে কি কারুর সময় এসে গেছে জাওলিন ভ্রমণের?
ফ্যান্টাসি আর অ্যাডভেঞ্চারের মিশেলে এগিয়ে চলেছে লেখক সিদ্দিক আহমেদের ❝অলাতচক্রম: বাকশালীনের বন্দি❞। দুটো পর্বে ছোট ছোট ঘটনার মধ্য দিয়ে মূল কাহিনির সূচনা টানা হয়েছে মাত্র। পরিপূর্ণতা পেলে এর বিস্তৃতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে, সেটা জানার জন্য অপেক্ষা করা ভারি কঠিন ব্যাপার। দুর্দান্ত চরিত্রায়ণ আর চমকপ্রদ প্লটের আভাসে আগ্রহের পারদ যে অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে।
নরাদ
ভাঙা বাড়িতে চুরি করতে এসেছে মধুনাথ। সামনের দরজায় প্রকাণ্ড তালা। সেখানে ঝুলছে সাতটা লেবু। বাধ্য হয়ে বাড়ির পিছন দিকে এগিয়ে চলে মধুনাথ। জানালার শিক টপকে ভিতরে ঢুকে পড়ে। তারপর...অজানা আতঙ্কে জমে যায়।
লেখক আলী ওয়াহাব সৌহার্দ্যের অতিপ্রাকৃতিক ধাঁচে লেখা, ❝নরাদ❞ গল্পের মূল কাহিনিটা বেশ সুন্দর। শেষাংশের পরিণতি ভালো লেগেছে বেশি।
একটি লিবিয়ান অপহরণ
অপহরণের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে মৃত্যুর। শোনা যায়, মৃত্যুকালে মানুষ তার সমগ্র জীবনের দৃশ্যপট একসাথে দেখে নেয়। তবে এদিক দিয়ে গল্পকথকের অভিজ্ঞতা কিছুটা আলাদা। তার মতে, ❝অতীতের কোনো কথাই মনে পড়েনি। আমার শুধু মনে পড়ছিল ভবিষ্যতের কথা।❞
পৃথিবীর চলার পথ কতখানি অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ থাকে, লেখক মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার ❝একটি লিবিয়ান অপহরণ❞ তার জানান দেয়। উত্তম পুরুষে লেখা এই গল্পের সাথে বাস্তব জীবনের দারুণ সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।
মেমোরি ম্যাট্রিক্স
জোভি, নিক, রুমেলা আর ভন স্কুল জীবনের বন্ধু। বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি বিষয়ের প্রতি তাদের অগাধ আগ্রহ। অবশ্য জোভি একটু বেশিই চালাক। দু মাস আগে মারা গিয়েছে ভন। আর ক্ষমতার লোভে ভনের যুগান্তকারী আবিষ্কার, মেমোরি ম্যাট্রিক্স হাতিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে ধূর্ত জোভি। কিন্তু ভনের স্ত্রী, ক্লদিয়া কী চায়? সে কেন করছে মেমোরি ম্যাট্রিক্সের সন্ধান?
সংকলনের অন্যতম চমকপ্রদ সংযুক্তি লেখক প্রদীপ্ত দে❜র ❝মেমোরি ম্যাট্রিক্স❞। কাহিনির বিস্তৃতি ডালপালা ছড়িয়ে নভেলেটের আকার ধারণ করেছে। কল্পবিজ্ঞানের আবহে লোভ, ক্রোধ কিংবা ক্ষমতার দ্বন্দ্বের এই গল্পটা দারুণ গতিশীল। অসাধারণ বর্ণনা পাঠককে শুরু থেকেই বইয়ের পাতায় আটকে রাখবে।
এছাড়াও জার্নালের অন্যান্য গল্পগুলো- মুশকিল আসান™, মাংসের তৈরি, মস্তক, তন্ত্র পুতুল এবং দ্য লেফট/রাইট গেম (#৪)।
বই : থ্রিলার জার্নাল গল্পবাঁক সংখ্যা ধরন : গল্প সংকলন প্রকাশক : থ্রিলার পাঠকদের আসর মুদ্রিত মূল্য : ৩২০ টাকা