Jump to ratings and reviews
Rate this book

তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না

Rate this book
দেশ জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এক সিরিয়াল কিলার। খুন যাচ্ছে প্রতি ছয় মাস পর পর; ভিক্টিম শুধুমাত্র নারী। মিডিয়া তোলপাড় করা এই খুনি নামকরণ হয়েছে সিক্স মান্থ কিলার নামে।
এমনই সময় ছোট্ট এক মফস্বল শহরে একের পর এক নারীর লাশ পাওয়া যেতে শুরু করল। তদন্ত কর্মকর্তা আজমল হোসেন পড়ে গেলেন মহাবিপদে। তবে কি সিক্স মান্থ সিরিয়াল কিলার তার শহরে পা রাখল?
ফিরে এলেন দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকা ইরফান খন্দকার। শহরের হতাশাগ্রস্থ ছেলে-মেয়েদের একজন রহস্যময় লোকের কাছে যেতে দেখা যাচ্ছে। যে নিজেকে দূত বলে দাবী করে। এদিকে প্রদীপ খোঁজ পায় কয়েক হাজার বছর আগের এক মিথের। হারিয়ে যাওয়া এক দেবতার গল্প, এক কলমের গল্প; যে কলমটা জীবন্ত হওয়ার অপেক্ষা করছে। এতসব রহস্যে মোড়া উপন্যাসিকার শেষে কে যেন বলে উঠল, তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না।

156 pages, Hardcover

First published October 21, 2021

1 person is currently reading
77 people want to read

About the author

Aminul Islam

15 books123 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
22 (17%)
4 stars
47 (36%)
3 stars
52 (40%)
2 stars
6 (4%)
1 star
1 (<1%)
Displaying 1 - 30 of 33 reviews
Profile Image for Rafia Rahman.
418 reviews219 followers
August 29, 2022
নাম: তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না
লেখক: আমিনুল ইসলাম
জনরা: সাইকোলজিক্যাল ক্রাইম থ্রিলার
প্রচ্ছদ: আদনান আহমেদ রিজন
প্রকাশনী: সতীর্থ
প্রথম প্রকাশ: অক্টোবর, ২০২১
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৫২
মুদ্রিত মূল্য: ২৮০/-

𝒪𝓃𝑒 𝑜𝓊𝑔𝒽𝓉 𝓉𝑜 𝒽𝑜𝓁𝒹 𝑜𝓃 𝓉𝑜 𝑜𝓃𝑒'𝓈 𝒽𝑒𝒶𝓇𝓉; 𝒻𝑜𝓇 𝒾𝒻 𝑜𝓃𝑒 𝓁𝑒𝓉𝓈 𝒾𝓉 𝑔𝑜, 𝑜𝓃𝑒 𝓈𝑜𝑜𝓃 𝓁𝑜𝓈𝑒𝓈 𝒸𝑜𝓃𝓉𝓇𝑜𝓁 𝑜𝒻 𝓉𝒽𝑒 𝒽𝑒𝒶𝒹 𝓉𝑜𝑜.
— 𝐹𝓇𝒾𝑒𝒹𝓇𝒾𝒸𝒽 𝒩𝒾𝑒𝓉𝓏𝓈𝒸𝒽𝑒

নির্জন রাস্তা দিয়ে পিকাপ ট্রাক ছুটে এসে পিছনে বস্তা ফেলে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ফেলে যাওয়া বস্তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আছে দুটো পা...

ছয়মাস পরপর দেশের বিভিন্নস্থানে পাওয়া যাচ্ছে নারীদের লাশ। তদন্ত কর্মকর্তরা হন্যে হয়ে খুঁজছে কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় পাওয়া যাচ্ছে না কোনো ক্লু। যেন খুন করার পর হাওয়ায় মিলিয়ে যায় ❝সিক্স মান্থ কিলার❞!

শান্তশিষ্ট ছোট এক মফস্বলের শহর, অপরাধ যে হয় না এমন না তবুও হোমিসাইড অফিসার আজমল হোসেনের জন্য সামাল দেওয়া কোনো ব্যাপার না। কিন্তু হঠাৎই উদয় হয়েছে এক সাইকোকিলার পাঁচ টুকরো করে কেটে রেখে যাচ্ছে নারীদেহ! তাহলে কি হানা দিয়েছে সিক্স মান্থ কিলার তার শহরে? দশদিনের ব্যবধানে দুটি লাশ! কিলারকে ধরতে রকিবকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন আজমল হোসেন। অন্যদিকে অর্কও খুঁজে ফিরছে খুনের রহস্য...

শহরের বাইরে ভাঙা এক প্যাগোডায় বসে গোপন সমাবেশ। ❝দূত❞- বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিটি অলৌকিকভাবে হতাশাগ্রস্ত ছেলেমেয়েদের শান্ত করে তোলে। শেষ সমাবেশ বদলে দেয় সব... মারা যায় নীলার বাবা! ফিরে আসে ইরফান খন্দকার দীর্ঘ পাঁচ বছর পর! ❝বিশ্বাসঘাতিনী❞- বইয়ের আদলে পাওয়া যেতে থাকে ভিক্টিমদের লাশ! অজানা আতঙ্কে কেঁপে ওঠে ফারহান-নীলা-প্রদীপ। ভুলে তারা জড়িয়ে যায়নি তো সাইকোকিলারের সাথে? প্রদীপের হাতে পড়ে অজানা এক মিথের রহস্য। বিধাতার কলম যে জীবিত হওয়ার অপেক্ষায়...

সপ্তসাম্রাজ্য-পঞ্চদেবের মিথ, কালো হুডি পড়ে হলুদ গোল স্মাইলির মুখোশ লাগিয়ে ঘুরছে এক সাইকোপ্যাথ, বার্তাবাহক বলে দাবি করা একজন দূত, জীবন থেকে পালিয়ে বেড়ানো একদল ছেলেমেয়ে, অতীতকে আঁকড়ে পড়ে থাকা আজমল হোসেন, নারীজাতির প্রতি বিদ্বেষ বুকে নিয়ে ঘোরা হোমিসাইড অফিসার রকিব, নিজের খোঁজে বের হওয়া ইরফান খন্দকার, রহস্যদ্ধারে মফস্বলে অর্কের আগমন এবং সর্বশেষে ❝বিশ্বাসঘাতিনী❞- বাঁধা পড়েছে এক সুতোয়।

সাইকোলজি, মিথ, মিস্ট্রি, ক্রাইম, থ্রিলারের মিশেলে ❝তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না ❞- তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে গেছে অপূর্ণ রয়ে যাওয়া ভালোবাসা...

❝প্রিয়তমা মারা যাওয়ার দুঃখ আর অন্যের হওয়ার যন্ত্রণা ভীষণভাবে আলাদা।❞

সাবলীল উপস্থাপনায় লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন বইয়ের চরিত্রগুলো। চরিত্রায়ন এমনভাবে করা হয়েছে যাতে ফোকাস পেয়েছে প্রতিটি চরিত্রই। কাহিনীর দিক এমনভাবে ডাইভার্ট করা হয়েছে যেন খুনি হতে পারে যে কোনো চরিত্র। দ্বিধায় পড়ে গেছিলাম কে হতে পারে খুনি। শেষে অনুমান সত্যি হওয়ার জন্য আরও ভালো লেগেছে। তবে মনে সন্দেহ ছিল খুনি দুজন নয়তো, এর উত্তরও পাওয়া যাবে একদম শেষে। অনুমান কিছু জায়গায় মিলে গেলেও আগ্রহে ভাটা পড়েনি কারণ ❝খুনের মোটিভ কী❞- এর জবাবই ধরে রেখেছে বইকে। সমাপ্তি এমনভাবে করা হয়েছে যেন শেষ হয়েও রেশ থেকে যার। আমি এখন সেই ঘোরেই আছি।

তবে কিছু প্রশ্ন আর খটকা আছে। কিছু স্পয়লার আছে বলে যারা পড়েননি তাদের না পড়ার অনুরোধ রইলো এই প্যারা। অর্ক প্রথমে যেভাবে রহস্যের খোলসা করেছে শেষের দিকে কেমন জানি খাপছাড়া লেগেছে। কেন মনে হলো না খুনি দুজন হতে পারে! পাঁচ বছর ধরে যে ছয়মাস পরপর খুন করে হঠাৎই দশদিনে দুটা করবে? প্রথম দেখায় সম্পূর্ণ অপরিচিত একজনকে আজমল হোসেন তার জীবনের এতবড় ঘটনা বলে দিলো সাথে নিলুফার পরিচয় আর ঠিকানা! আজমল হোসেনের চরিত্রের সাথে এটা বেখাপ্পা।

বইয়ে বেশকিছু বানানে ও বিরামচিহ্ন ব্যবহারে ভুল আছে। বইয়ের প্রচ্ছদও প্লট রিলেটেড, সিম্পলের মধ্যে বেশ সুন্দর। ক্রাউন সাইজের বইটার প্রোডাকশনও দারুণ।
Profile Image for Zabir Rafy.
313 reviews10 followers
October 10, 2025
লেখকের প্রথম বই পড়লাম। লিখনশৈলী এবং সংলাপ দুর্বল। ছোট কলেবরে অনেক কিছু ইমপ্লিমেন্ট করার চেষ্টা করেছেন লেখক, এপ্রোচ ভালো সন্দেহ নেই, কিন্তু এক্সিকিউশন ভালো হয়নি। বইটার একমাত্র ভালো দিক হলো বইটার প্লট।
Profile Image for Wasim Mahmud.
357 reviews29 followers
October 11, 2022
সিক্স মান্থ কিলার। ছয় মাস পর পর‌ই নেমে পড়ে সে কাজে। শিকার সারাদেশ জুড়ে থাকা নারীরা। একটি বিষয় ছাড়া কোন নির্দিষ্ট প্যাটার্ন নেই এই কিলারের। কেন করছে সে একটির পর একটি হত্যাকান্ড?

খুব সম্ভবত সিরিয়াল কিলারটি নারীবিদ্বেষী। প্রেমের মরা যাকে বলে আর কি! তবে নিজে জলে না ডুবলেও তদন্ত কর্মকর্তা আজমল হোসেনের ক্যারিয়ার প্রায় ডুবন্ত অবস্থায় পৌছে গেছে। সিক্স মান্থ কিলার তাকে এবং তাঁর টিমকে একদম ঘোল খাইয়ে ছাড়ছে।

বাংলাদেশের মফস্বল এক শহরে পাওয়া যাচ্ছে একের পর এক নারীদের ডেডবডি। ছয়মাস পরপর। অন্যদিকে হতাশাগ্রস্ত যুবক-যুবতীরা রহস্যময় এক গুরুর সন্ধান পেয়েছে। যে কিনা তাদের জীবনে সমাধান এনে দিচ্ছে। কিছু সমাধান ভালোভাবে খেয়াল করলে ভয়ানক‌ই বলা যায়।

ফারহান, নীলা এবং প্রদীপের জীবনেও আছে হতাশা। আজমল হোসেনের চিরকুমার থাকার পিছনেও আছে না পাওয়ার বেদনা। আবার ফারহানের বাবা এককালের বিখ্যাত লেখক ইরফান খন্দকার ফিরে এসেছেন নিখোঁজ অবস্থা থেকে। এবার তিনি লিখতে চান একটি থ্রিলার। কিন্তু সব ঘটনা তাঁর গল্পের সাথেই বা মিলে যাচ্ছে কেন? নাকি কেউ মিলিয়ে নিচ্ছে?

কয়েক হাজার বছর আগের মিথের সেই কলমের অস্তিত্ব কি তাহলে আছে? সাধনা করলে যে কলমের বাণী হয়ে ওঠে কল্পনা থেকে একদম বাস্তবে! রহস্যে ঘেরা এই পরিস্থিতিতে আজমল সাহেব দারস্থ হলেন 'বাটারফ্লাই ইফেক্ট' এর অর্কের। টাইমলাইন অবশ্য বাটারফ্লাই ইফেক্টের একটু আগের। ব্রিলিয়ান্ট অর্ক কি পারবে এই মহাজট খুলে প্রকৃত অপরাধীকে ধরতে?

আমিনুল ইসলামের লেখা ব‌ইয়ের মধ্যে আমার পড়া এই উপন্যাসিকাটি তৃতীয়। এখন পর্যন্ত প্রতিটি ব‌ইয়ে দেখছি উত্তরোত্তর পরিণত লেখনীর ছাপ এই লেখকের। এক‌ইসাথে পরিমিতিবোধের লক্ষণ‌ও। 'তোমার দে‌ওয়া আমার কোনো নাম ছিল না' আখ্যানে অনেক বিষয় একসাথে স্বল্প কলেবরে এনেছেন আমিনুল। প্রথমে একটু ভয় ছিল শেষ পর্যন্ত সব গুলিয়ে ফেলবেন কিনা তিনি।

তবে মিনিমালিস্ট অ্যাপ্রোচের সাথে সাথে অনেকগুলো চরিত্রের‌ প্রায় সেইম টাইপ মোটিভ, মিথ, এবং এন্ডিং এর যথাযথ কানেকশন এবং প্রয়োগ সার্থক হয়েছে বলে মনে করি। ইংরেজির সেই কথা 'লেস ইজ মোর' এর ভাবার্থ আমিনুল ইসলাম লেখালেখির ক্ষেত্রে ভালোই বুঝেন। লেখকের পরবর্তি ব‌ইসমূহ পড়ার অপেক্ষায় র‌ইলাম। ফিলার সেন্টেন্স, ফিলার ওয়ার্ড, কথায় কথায় টুইস্ট এবং সব অধ্যায়ের শেষে ক্লিফহ্যাঙ্গার না দিয়েও যে ভালো লেখা যায় তা লেখক দেখিয়ে দিয়েছেন এই গ্রন্থে।

কম আলোচিত এবং আন্ডাররেটেড লেখক আমিনুল ইসলামের প্রতি শুভেচ্ছা র‌ইল।

বুক রিভিউ

তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না

লেখক : আমিনুল ইসলাম

প্রথম প্রকাশ : অক্টোবর, ২০২১

���্রকাশনা : সতীর্থ প্রকাশনা

প্রচ্ছদ : আদনান আহমেদ রিজন

সম্পাদনা : তাহমিদ রহমান

বানান সংশোধন : তাহমিদ রহমান ও আনন্দ অধৃষ্য

জনরা : সাসপেন্স, থ্রিলার

রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
Profile Image for Anik Chowdhury.
177 reviews36 followers
June 6, 2022
কেন যেন অনেকদিন থ্রিলার পড়ি না। হাতের কাছে লেখক আমিনুল ইসলামের এই বইটা থাকার পর পড়ে ফেললাম। আমার আসলে প্রচুর গতির একটা বই পড়তে ইচ্ছিলো। আগে লেখকের 'দেজা ভ্যু' পড়ে প্রচুর গতি পেয়েছিলাম। এটিও তেমনই, জমজমাট একটি বই। জনরাতে যদিও 'দেজা ভ্যু' সাইফাই আর 'তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না' হলো ক্রাইম থ্রিলার।
কাহিনী সংক্ষেপটা বলি, দেশ জুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সিক্স মান্থ কিলার। একটি ছোট মফস্বল শহরেও শুরু হলো খুনোখুনি, সেই কিলার কী তবে এই শহরে? তাছাড়া পাঁচ বছর নিখোঁজ থাকার পর ফিরে এলেন এক ব্যাক্তি, সেই সাথে শহরে দেখা দিয়েছে দূত নামের আগন্তুকের। পরিণাম কোথায়?
এর বেশি বললে স্পয়লার হয়ে যাবে। ছোট এই উপন্যাসিকাটি এক বসাতে পড়ার মতো। তবে লেখক গতির পাশাপাশি দারুণ সব টুইস্ট রেখেছেন, 'দেজা ভ্যু' এর মতো।
Profile Image for Tasmia Tasneen Nitol.
55 reviews
April 15, 2022
সুন্দর, গোছানো। প্লট, কাহিনির বুনন সুন্দর। পুতুল নাচের পুতুলের মত সুতোয় বাঁধা আলাদা গল্পকে একসাথে নিয়ন্ত্রণ। পর পর অনেকগুলো টুইস্ট। দুই একটা আগে থেকে ধরে ফেলেছি। তবুও সবগুলোর মধ্যে যোগসূত্র খুঁজতে মনোযোগ ধরে রাখতে হয়েছে শেষ পর্যন্ত। সব মিলিয়ে সুন্দর।
Profile Image for DEHAN.
278 reviews80 followers
April 22, 2025
ভালোবাসার নারীকে না পেলে আপনি কি করবেন?
ভালোবাসার নারীকে যদি দেখেন অন্যের সংসারে দিব্যি সুখে-শান্তিতে আছে তাহলে আপনি কি করবেন?
ভালোবাসার নারী যদি প্রতারণা করে তাহলে আপনি কি করবেন?
কি করা উচিৎ? যাকে ভালোবাসেন তার তো ক্ষতি করতে পারবেন না। তাহলে?
অফিসার আজমল এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে হয়রান। ভুলার চেষ্টা করতে করতে তো জীবন এক প্রকার শেষ ই করে ফেললেন তাও এইসব হাবিজাবি প্রশ্ন তাকে ছেড়ে যায় না।
একটা উপন্যাসের গল্পের আদলে এই শহরে একের পর এক খুন কে করে যাচ্ছে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অফিসার আজমল হোসেন উপলব্ধি করে তার জীবনের যাবতীয় প্রশ্ন গুলোর বেশিরভাগ ই ছাগল মার্কা প্রশ্ন।
Profile Image for Nusrat Mahmood.
594 reviews737 followers
March 4, 2023
২.৮ তারা।
মানে পর্দার জন্য হলে বলবো চমৎকার। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের লুফে নেওয়া উচিত। বই হিসেবে কোথায় যে একটু খামতি রয়ে গেল তা সঠিকভাবে বলতে পারবো না। আমার খারাপ লাগেনি। আবার শুরুতে যতটা ভাল লাগছিলো শেষে গিয়ে ততটা জমলো না। অথচ উপকরণ সবই ছিল কিন্তু।
Profile Image for সাঈদ আনাস.
Author 7 books7 followers
January 29, 2022
বেশ বিস্তৃত প্লট নিয়ে লেখা, মনোযোগ না দিয়ে হালকাভাবে পড়লে যে কেউইই প্যাঁচ লাগিয়ে ফেলবে৷

আমিনুলের অন্যতম ভালো কাজ।
19 reviews1 follower
December 12, 2021
সারাদেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এক সিরিয়াল কিলার! প্রতি ছয় মাস পর পর দেশের ভিন্ন জায়গায় খুন হচ্ছে। ভিক্টিম প্রতিবারই একজন নারী!! কে এই সিরিয়াল কিলার? যাক ধরতে নাকানি চুবানি খেতে হচ্ছে পুরো পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে, ডিবি অফিসারদের!সবচেয়ে বড় কথা এই "সিক্স মান্থ সিরিয়াল কিলার " এর খুন করার নেই কোনো প্যাটার্ন, না আছে কোনো মোটিভ। তাহলে সে খুনগুলো করছে কেন??
পুরা ডিপার্টমেন্ট যেখানে এই রহস্যময় কিলারকে খুজতে ব্যস্ত তখনই হঠাৎ করে কয়েকদিন পর ছোট্ট এক মফস্বল শহর নিবাসগঞ্জে একের পর এক নারীর লাশ পাওয়া যেতে শুরু করল। বিপাকে পড়লেন ডিবি হোমিসাইড অফিসার আজমল হোসেন আর রকিব। এটা কি সেই "সিক্স মান্থ সিরিয়াল কিলারের" কাজ?? তাহলে কি সে তার প্যাটার্ন বদলে ফেলেছে?? সে কি এই নিবাসগঞ্জেই আছে?? নাকি এর পেছনে অন্য কারো হাত আছে??
এমতাবস্থায় ডিবির হেড নিয়াজ মোরশেদ স্যার শরণাপন্ন হলেন বিখ্যাত সিরিয়াল কিলিং কন্সাল্টেন্ট শাহরিয়ার অর্কর কাছে। অর্ক কি পারবে এই জটিল কেস টার সমধান করতে??
ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া তিন বন্ধু ফারহান, নীলা আর প্রদীপ। তাদের জীবনের হতাশা কাটাতে তারা হাজির হয় অদ্ভুত এক লোকের কাছে! লোকটি নিজেকে পরিচয় দেয় "দূত" হিসবে। এদিকে নীলার বাবা তার মার গায়ে কারণে অকারণে হাত তুলে এই কথাটা দূতকে বলার পরের দিন সকালে নীলার বাবার সিলিং এর সাথে গলায় দড়ি দেয়া লাশ পাওয়া যায়!! এটা কি নিছক আত্নহত্যা নাকি দূতের কারসাজি??ঐদিকে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর নিখোজ থাকার পর ফিরে আসে ফারহানের বাবা ইরফান খন্দকার!! এদিকে প্রদীপ সন্ধান পায় রহস্যময় এক মিথের!! হারিয়ে যাওয়া দেবী নেমিয়া, পঞ্চদেবতা আর এক কলমের গল্প সেই মিথ,যে কলমটা জীবিত হলেই নিজের হাতে নিজের ভাগ্য লিখতে পারবে সেই কলমের মালিক!!
এতসব রহস্যের মাঝে কে যেন বলে উঠল,তোমার দেয়া আমার কোনো নাম ছিল না,নাম ছিল না!!!!
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃঅনেকদিন পর সুন্দর আর ঝরঝরে একটা সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার পড়লাম!! প্রতিটি বিষয়ের ঝরঝরা বর্ণণা দেওয়া হয়েছে এই জন্য বইটা পড়তে অনেক আরামই লেগেছে। কাহিনি বা গল্পে কোনো জটিলতার আশ্র‍য় না নিয়ে খুব সাবলীলভাবে বর্ণণা করা হয়েছে,এক বসায় শেষ করার মতো বই এটি।
Profile Image for Sayeem Shams.
Author 17 books73 followers
July 13, 2022
কাহিনী জোশ! কিন্তু তাড়াহুড়ো করে, অগোছালোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই কাহিনী আরো ভাল ট্রিটমেন্ট ডিজার্ভ করে।
Profile Image for রিয়াজ সায়েম.
Author 16 books36 followers
April 9, 2022
তরুণ থ্রিলার লেখকদের মধ্যে সম্প্রতি আমিনুল ইসলামের লেখা আমাকে বেশি টানে। এর সহজ ব্যাখ্যা বোধহয় তার লেখাতে দেখা মেলে। টানটান উত্তেজনা নিয়ে কাহিনীর শেষ প্রান্তে নিয়ে পিলে চমকানোর মতো ঘটনার শতভাগ নিশ্চিত করায় তার লেখার লেখনশৈলী বলে আমি মনে করি। 'তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না' বইটি তেমন একটি বই। শুরুতে ঘটনাগুলো খাপছাড়া লাগছিলো তবে এগিয়ে নিয়ে গেছে। খাপছাড়া লাগলে যে পড়তে ইচ্ছে করে না ; তেমনটা অনুভূত হয়নি। টানা পড়ে গেছি শেষ পর্যন্ত। আর আমিনুল ইসলামের লেখনশৈলীতে ভিন্নতা আছে, সেটা শুধু তার কয়েকটা বই পড়লে ধরা পড়বে।

সমালোচনা :

বইটির মোটিফগুলো আমার কাছে স্ট্রং মনে হয়নি। এখানে মনে না হওয়ার কারণ, প্রথমে যে ব্লাস্ট নিয়ে শহরে হৈচৈ পড়ে সেরকম বড়সড় কোনো ক্রাইমকে হাজির হতে দেখা যায়নি। জাস্ট বিশ্বাসঘাতকতা। এটা আবার লেখকের লেখায় আমার অতিরিক্ত আশার ফলও হতে পারে।

আলোচনা :

সবচেয়ে মজার বিষয়টি হলো খুনীকে আমি মাঝপথে সন্দেহ করলেও লেখক শেষপ্রান্তে গিয়ে আমার ধারণাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে হতাশ করে। কিন্তু শেষে চমকিয়ে আবার ধারণকৃত খুনীকেই খুনী হিসেবে হাজির করে! এ দিকটি আমাকে বইটি পড়ার সার্থকতা ফিল আপ করে। তবে একটি প্রশ্ন থেকে যায়, আজমল হোসেন কেন নীরব ছিলেন? অর্ক যে মাপের গোয়েন্দা আমি 'বাটারফ্লাই ইফেক্ট' এ পেয়েছি তার নজরে প্রদীপের বিষয়টি আসেনি কেন? এসব প্রশ্ন নিয়ে আমাকে হয়তো পরবর্তী পার্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

এক মলাটে দুই বইয়ের মধ্যে একটি হলো ' তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না '। আমিনুল ইসলাম তার স্বাক্ষর রেখেছে এ নভেলায়। অপর মলাটের ' দেজা ভ্যু ' পাঠ শেষ করবো শীঘ্রই।

থ্রিলার ইজ অ্যা জার্নি। দিজ সেনটেন্স অ্যাবসুলেটলি রাইট ফর আমিনুল ইসলাম'স রাইটিং।

বই : তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না
লেখক : আমিনুল ইসলাম
সতীর্থ প্রকাশনা
Profile Image for Rihan Hossain.
109 reviews3 followers
November 22, 2021
"তোমার দেয়া আমার কোনো নাম ছিল না"

সুলেখক আমিনুল ইসলামের সদ্য প্রকাশিত ক্রাইম-থ্রিলার নভেলা "তোমার দেয়া আমার কোনো নাম ছিল না"। বেশ অনেকদিন পর সাবলীল আর ঝরঝরে বর্ণনার একটা বই মৌলিক থ্রিলার পড়লাম।

বইয়ের একদম শুরু থেকেই বেশ কাহিনী বেশ জমে গিয়েছিল। ছয়মাস পরপর একটা করে খুনের জন্য দায়ী "সিক্স মান্থ সিরিয়াল কিলার" নামক এক অদৃশ্য খুনীর পেছনে ছুটতে গিয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা জড়িয়ে পড়েন আরেকটি খুনের তদন্তে। কারণ? এবারের খুনটা ছয়মাসের রুটিন মেনে হয়নি এবং ঘটনাটা ঘটে যায় টানা কয়েকবার! আবার এই দুটো ঘটনায় সাসপেক্টের লিস্টও বেশ লম্বা আর আছে কিছু কমন নামও। শেষ পর্যন্ত অপরাধ বিশেষজ্ঞ অর্ক আর ডিবি'র তদন্ত টীম বেশ কাঠখড় পুড়িয়ে বের করে এই রহস্যের সমাধান। কিন্তু এরপরেও যখন দেখি যে ঘটনার এখানেই শেষ না, তখন বেশ চমকে যাই। মানব হৃদয়ের রহস্য আসলেই বেশ জটিল!
Profile Image for এশা.
140 reviews53 followers
June 21, 2022
ছোট সাইজের বই, গতিময় লেখা। গল্পে ঢুকে পড়বেন, দ্রুত পৃষ্ঠা উল্টাবেন। ~_~



বই থেকে—

•মানুষ যখন নিজেকে সান্ত্বনা দিতে চায় তখন ভাগ্যর কথা বলে।

•জীবন হলো প্রবাহমান নদীর ঢেউয়ের মতো, তরঙ্গের মতো। তরঙ্গের আছে সমপরিমান উত্থান এবং সমপরিমান পতন। যদি তোমার জীবনে উত্থান শুরু হয়, আনন্দ আসতে শুরু করে সুখের সাগরে ভাসতে শুরু করো মনে করো না এই আনন্দ চিরস্থায়ী হবে। যতটা উত্থান ঠিক ততটাই পতন, তবে তুমি খারাপ সময়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারো, সেটাকে সহজ করতে পারো। ভালো সময়ের মতো খারাপ সময় তোমার হৃদয়কে অশান্ত করে দিতে পারে, মনে হতে পারে জীবনে আর কিছুতেই কিছু আসে যায় না। জীবনের সব শেষ। এ ধারণাও পরিবর্তনশীল, সময় বদলে দিবে জীবনের গুরুত্ব, কাজের গুরুত্ব, মানুষের গুরুত্ব। জীবন এক সুন্দর সৃষ্টি, যে কোনো সুন্দর সৃষ্টিই অনেক বড়, তোমার জীবন তোমার ভাবনার থেকেও বড়।
Profile Image for Elin Ranjan Das.
88 reviews6 followers
May 9, 2022
রিভেঞ্জ মিস্ট্রি, সিরিয়াল কিলার, মিথ - বেশ কয়েক জন্রার মিশেল হয়েছে এই নভেলাতে। এটা বেশি ভালো লেগেছে। টুইস্টের পর টুইস্ট এসেছে, এতে টুইস্ট মাস্টার নাজিম উদ দৌলার কথা মনে পড়ে গেছে। মজার বিষয় এটা পড়তে গিয়েও আমার মোহায়মিনুল বাপ্পীর আরেক বই "যে শহরে গল্প লেখা বারণ" মনে পড়ে গেছে।
তবে এই নভেলার সবচেয়ে খারাপ দিক, সম্ভাবনার অপচয়। নভেলা না হয়ে ফুল নভেল হলে এটা "কাদ্যুসেয়াস" সমপর্যায়ে যেতে পারতো। মাত্র ১৫০ পেজে তাও ক্রাউন সাইজে এমন ভাল একটা প্লট বেঁধে রেখে অবিচার হয়েছে। এমন জন্রার এক্সপেরিমেন্টাল মিশেল অল্প পৃষ্ঠায় শেষ হলে হতাশা জাগে। আশা করা যায়, সিকুয়েল দিয়ে কিছুটা হলেও সুবিচার করা হবে।
Profile Image for Tamzid Rifat.
116 reviews1 follower
October 18, 2022
বইটা নিয়ে না লিখলে অন্যায় হবে আসলে! মানব মন সত্যিই বড় অদ্ভুত, এই মনেরই রহস্যের একটি দিক লেখক এই সিরিয়াল কিলিং থ্রিলার বইটিতে দেখিয়েছেন। বেশ ছোটো পরিসরেই গল্প শেষ করেছেন। লেখকের গল্প বলার ভঙ্গিমা বেশ সাবলীল ছিলো। সিরিয়াল কিলিং থ্রিলারের সাথে হিউম্যান ইমোশোনের দারুণ কম্বো ছিলো কাহিনিতে আর এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক দিক।

Happy Reading 📖
Profile Image for Habiba Kamrun.
36 reviews17 followers
August 6, 2022
শহর জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এক সিরিয়াল কিলার। প্রতি ছয় মাস পর পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় খুন হচ্ছে। প্রতিবারেই ভিক্টিম একজন নারী। মিডিয়া তোলপাড় করে তোলা খুনীকে সবাই ডাকে "সিক্স মান্থ কিলার" নামে।
এমনই সময় ছোট্ট মফস্বল শহর জামশেদপুরে একের পর এক লাশ পাওয়া যেতে শুরু করল। এবারও ভিক্টিম নারী তবে এবার খুনী বেছে নিয়েছে নতুন এক পদ্ধতি, খুন করার পর লাশকে পাঁচ টুকরো করে শহরের বিভিন্ন জায়গায় রেখে যাচ্ছে। আজমল হোসেন কেস নিয়ে পড়ে গেলেন মহাবিপদে। তবে কি সিক্স মান্থ সিরিয়াল কিলার তার শহরে পা রাখল? নাকি এসব অন্য কারো কাজ?
বাজারে এসেছে নতুন এক বই, নাম বিশ্বাসঘাতিনী। ইরফান খন্দকারের লেখা নতুন এই বইটা পাঠকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। দ্বিগুণ দাম দিয়েও কিনতে পাওয়া যাচ্ছেনা এই বই। বইটা নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা এমনকি নিউজ চ্যানেলেও আলোচনা চলছে।
ব্যাপারটা কী?

ইউনিভার্সিটির তিন বন্ধু ফারহান, নীলা এবং প্রদীপ, যারা প্রায় সন্ধায় দূত নামে এক অদ্ভুত লোকের কাছে যায়। শহরের কাছেই পরিত্যক্ত এক প্যাগোডায় তাদের সাথে আরও কিছু হতাশাগ্রস্ত ছেলেমেয়েরা মিলে একধরনের সমাবেশ বসায়। যেখানে সবাই নিজেদের দুঃখ-দুর্দশা-হতাশা এসবের ব্যাপারে কথা বলে। দূত নামক অদ্ভুত লোকটার সমাবেশে আসার পর থেকে তাদের ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধান হলেও, পুরো শহর জুড়ে যে আতঙ্ক ছড়িয়ে গেছে। এসবের মধ্যে দূতের কোনো কারসাজি নেই তো?

ঘটনাক্রমে প্রদীপ খোঁজ পায় কয়েক হাজার বছর আগের এক মিথের। হারিয়ে যাওয়া এক দেবতার গল্প, এক কলমের গল্প ; যে কলমটা জীবন্ত হওয়ার অপেক্ষা করছে। কিন্তু একটা কলম কিভাবে জীবন্ত হতে পারে? হাজার বছর আগে যুবরাজ মিরান তৈয়রের না করতে পারা অসমাপ্ত কাজটা কি আবার কেউ শুরু করার চেষ্টা করছে? একবিংশ শতাব্দীতে এসব কি আদৌ সম্ভব? যদি সম্ভব হয় তাহলে নিশ্চয়ই ভয়ানক কিছু ঘটতে চলেছে...

প্রতিটা খুনের সাথে সাথে উপরমহলে চাপ বাড়ছে অপরদিকে মিডিয়া, সব সমস্যার সমাধান হেমিসাইড ডিপার্টমেন্ট যখন হিমশিম খাচ্ছে তখন এই কেইসের জন্য রেকমেন্ড করা হলো সিরিয়াল কিলিং কনসালটেন্ট শাহরিয়ার অর্ককে। যারা বাটারফ্লাই ইফেক্ট পড়ছেন তারা নিশ্চয়ই নামটার সাথে পরিচিত, অর্ককে নিয়ে এর বাইরে আর কিছু বলবোনা। অর্ক কী খুঁজে বের করতে পারবে এই সিক্স মান্থ সিরিয়াল কিলার কে? কে-ই বা শহরের মেয়েদের খুন করে পাচটুকরো করে রেখে যাচ্ছে শহরেরই বিভিন্ন জায়গায়?

'তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না' শিরোনাম দেওয়া অর্নবের এই বিখ্যাত গান শোনেন নি এমন লোক খুব কমই আছে। এই সুন্দর রোমান্টিক গানের নামে একটা বইয়ের নাম সেটা নিশ্চয়ই রোমান্টিক ঘরনার কোনো উপন্যাস হওয়ার কথা, তাই নয়কি? কিন্তু বইটা যদি হয় সিরিয়াল কিলিং নিয়ে তাহলে ব্যাপারটা কেমন হয়? সিরিয়াল কিলিং নিয়ে লেখা কোনো বইয়ের নাম কেনো 'তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না' এটাও কিন্তু একটা রহস্য।
সিরিয়াল কিলিং কিংবা বিভিন্ন রহস্যোপন্যাস ততক্ষণ পর্যন্তই উপভোগ করা যায় যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি মূল সাসপেক্টকে ধরতে না পারছেন। একে ওকে সন্দেহ করার পর বইয়ের শেষে বইয়ের চমৎকার কোনো টুইস্ট পাওয়া যায় তখনই বইটা পড়ে মজা পাওয়া যায়। এই বইয়ের ক্ষেত্রে এই ব্যাপার টাই সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে অর্থাৎ এন্ডিং টা চমৎকার ছিলো। বইয়ের প্লট নির্বাচন, চরিত্রায়ন সবমিলিয়ে বইটা ভালো লেগেছে।
এক মলাটে দুই বই অথবা ফ্লিপ সিস্টেম যাই বলি, বইয়ের প্রোডাকশন বেশ ভালো হয়েছে । যারা সিরিয়াল কিলিং, ক্রাইম থ্রিলার পছন্দ করেন এই বইটা পড়ে দেখতে পারেন আশা করি উপভোগ্য হবে। আর যারা এই টাইপ বই পড়া শুরু করতে চাইছেন তাদের জন্য বইটা রেকমেন্ড রইলো।

সাথে ফ্লিপ আকারে আরেকটা বই যোগ করা আছে, উল্টোপাশ থেকে 'দেজা ভ্যু' নামে একটা সাইফাই নভেলা শুরু। ওই বইটাও সম্প্রতি পড়া শেষ হয়েছে, খুব শীঘ্রই রিভিউ দেওয়ার চেষ��টা করবো ।
Profile Image for Asif Islam.
12 reviews2 followers
December 3, 2021
*“তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না”*

“যা দেখা যায় তা অনেক সময়ই সত্যি হয়না”-সিরিয়াল কিলিং নিয়ে লেখা উপন্যাসগুলোতে যেনো এই লাইনটা একদম খাপে খাপ মিলে যায়।

ভালোবাসা যা মানুষকে খুব সুখী করে তোলে আবার কখনো এর জন্যই সৃষ্টি হয় বড় বড় যুদ্ধের। ভালোবাসার জন্য কতকিছুই না করে ফেলে মানুষ কখনো তার প্রেমে পাগল হয়ে কখনো বা ভালোবাসার মানুষ থেকে দূরে সরে গিয়ে কষ্টে, দুঃখে, যন্ত্রণায়। ভালোবাসা অনেকসময় মানুষকে দিয়ে অনেক কিছুই করিয়ে নেয় যা কখনো ভালো কখনো বা ভীষণ খারাপ পরিস্থিতিতে মোড় নেয়।

পর্যালোচনাঃ
ছয় মাস পর দেশে এক একটা খুন হচ্ছে ভিক্টিম শুধু নারী। খুনির নামকরন করা হয়েছে সিক্স মান্থ কিলার। কিলারের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ক্লু পাচ্ছে না হোমিসাইড। সিক্স মান্থ কিলার নিয়েই যেখানে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে হঠাৎ করেই জামশেদপুর নামক ছোট্ট শহরে আবার পাওয়া যাচ্ছে একের পর এক নারীর লাশ তবে এবার প্রত্যেকটা ভিক্টিমকে কেটে পাঁচটি টুকরো করে ফেলে যাচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তা এখানেও সিক্স মান্থ কিলারের আভাস পাচ্ছেন কিন্তু এবারও কোনো ক্লু পাচ্ছে না।

হঠাৎই আগমন ঘটে এক রহস্যময় লোকের যিনি নিজেকে ‘দূত’ বলে পরিচয় দেয়। যার কাছে ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া কিছু যুবক যুবতি আসে সমস্যা সমাধানের জন্য মনের শান্তি প্রাপ্তির জন্য। দূতের আগমনেই যেনো খুনগুলো হচ্ছে।

ইরফান খন্দকার বহু বছর নিখোঁজ থাকার পর আচমকাই নিজের ছেলের কাছে ফিরে আসেন। এসেই ছেলের চাওয়ার লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। হঠাৎ করেই বইয়ের বিক্রি বেড়ে যায়। তবে কেনই বা তার বই সবাই কিনছে হঠাৎই কি কারনে?

বইয়ে মিথেরও উল্লেখ রয়েছে কিন্তু মিথের সাথে সিরিয়াল কিলিং এর কি সম্পর্ক থাকতে পারে। কি সেই মিথ যার জন্যই বা খুনের শুরু নাকি মিথটা শুধু মিথই যার কোনো সত্যতা নেই। কেনই বা পঞ্চদেবতার সাহায্যে মানুষ তার ভাগ্যকে পরিবর্তন করতে চায়।

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
সিরিয়াল কিলিং এর সবচেয়ে আশ্চর্যকর সময় হচ্ছে এর এন্ডিং। এন্ডিং যদি তাক লাগিয়ে দেয়া না হয় তাহলে মজা কোথায়। বইয়ে লেখক সেটা বেশ সফল ভাবেই করেছেন। অনেক সাসপেক্ট থাকা স্বত্তেও শেষটা যেনো কাউকে চমকে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। তার উপর বইয়ে মিথ যোগ করে যেনো বইয়ের প্রতি আকর্ষন কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মিথটা লেখক বেশ সুন্দর ভাবেই লেখায় ফুটিয়েছেন যেটা বেশ উপভোগ্য ছিলো। চরিত্রগুলোকে বেশ ভালো ভাবেই উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বইটা যদি আরও বড় হতো তাহলে কিছু কিছু চরিত্র সম্পর্কে আরও জানা গেলে ভালো লাগতো।
লেখকের বর্ননা, শব্দচয়ন, চরিত্র গঠক, লেখনশৈলী বরাবরের মতোই দারুণ ছিলো। বেশ সুন্দরভাবে সবকিছু উপস্থাপন করেছেন।

বানান, মলাট ও বাধাইঃ
বইয়ে বেশ কিছু বানান চোখে পড়ার মতো ছিলো। আর এই বইয়ের সতীর্থের দারুণ প্রোডাকশন হয়েছে। এক মলাটে দুই বই খুব সুন্দর ভাবে কাজ করেছেন।

যারা সিরিয়াল কিলিং, তার সমাধান টাইপ বইগুলো ভালো লাগে তাদেরকে এই বইটা খুব ভালো লাগবে। যারা থ্রিলার পড়েন তারাও বইটা অবশ্যই পড়বেন দারুণ উপভোগ্য হবে। “এক মলাটে দুটো বই” দুটোই অসাধারণ সবাইকে দুটো বই-ই পড়ার জন্য রেকমেন্ড করবো।

বইঃ তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না (এক মলাটে দুই বই)
লেখকঃ আমিনুল ইসলাম
জনরাঃ সিরিয়াল কিলিং, ক্রাইম থ্রিলার
প্রকাশনাঃ সতীর্থ প্রকাশনী
মুদ্রিত মূল্য /নির্ধারিত মূল্যঃ ২৮০ টাকা
Profile Image for Rana Khan.
106 reviews
November 18, 2022
আন্ডাররেটেড বলবো নাকি প্রোমোশনের অভাব বলবো? বইটার পরিচিতি থ্রিলার পাঠক মহলে একটু কম.. কনটেন্ট হিসেবে পরিচিতি আরো বাড়া উচিত ছিল।

এই বইটা ৫ পেতে পেতে একটুর জন্য চার পেয়ে গেল।

আমিনুল ভাই, আমাদের ৫ দেওয়ার সুযোগ দিন..❤️
Profile Image for Tazmilur Rahman.
17 reviews2 followers
September 6, 2022
≣∣≣ স্পয়লার - বিহীন রিভিউ ≣∣≣

𝓙𝓾𝓼𝓽 𝓫𝓮𝓪𝓬𝓪𝓾𝓼𝓮 𝓸𝓷𝓮 𝓹𝓮𝓻𝓼𝓸𝓷 𝓬𝓸𝓶𝓶𝓲𝓽𝓼 𝓪 𝓬𝓻𝓲𝓶𝓮 𝓭𝓸𝓮𝓼𝓷'𝓽 𝓶𝓮𝓪𝓷 𝔂𝓸𝓾 𝓼𝓱𝓸𝓾𝓵𝓭 𝓽𝓱𝓻𝓸𝔀 𝓽𝓱𝓮 𝔀𝓱𝓸𝓵𝓮 𝓽𝓸𝔀𝓷 𝓲𝓷 𝓳𝓪𝓲𝓵 .
~ 𝓕𝓻𝓪𝓷𝓴 𝓢𝓸𝓷𝓷𝓮𝓻𝓫𝓮𝓻𝓰 .

কিছু কিছু বই আছে যা শেষ করার পর মনের ভিতর অনুভূত হয় ; ওহ্ মাই গড! কী পড়লাম এটা! আরো কেন বড় হলো না গল্পটা।এমন টাইপের একটি বই হচ্ছে “ তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না"।বইটা পড়ার পর আমার হৃদয়ে দাগ কেটে যায় ; অদ্ভুত এক প্রশান্তি হানা দিতে শুরু করে আমার চোখে মুখে।

আখ্যানঃ দেশ জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এক সিরিয়াল কিলার। খুন হচ্ছে প্রতি ছয় মাস পর পর; ভিক্টিম শুধুমাত্র নারী। মিডিয়া তোলপার করা এই খুনি নামকরণ হয়েছে সিক্স মান্থ কিলার নামে।

এমন সময় ছোট্ট এক মফস্বল শহরে একের পর এক নারীর লাশ পাওয়া যেতে শুরু করল। তদন্ত কর্মকর্তা আজমল হোসেন পড়ে গেলেন মহা বিপদে। তবে কী সিক্স মান্থ কিলার তার শহরে পা রাখল?

ফিরে এলেন দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকা ইরফান খন্দকার। শহরের হতাশাগ্রস্ত ছেলে-মেয়েদের একজন রহস্যময় লোকের কাছে যেতে দেখা যাচ্ছে।
যে নিজেকে দূত বলে দাবি করে। এদিকে প্রদীপ খোঁজ পায় কয়েক হাজার বছর আগের এক মিথের। হারিয়ে যাওয়া এক দেবতার গল্প,এক কলমের গল্প; যে কলমটা জীবন্ত হওয়ার অপেক্ষা করছে। এতসব রহস্যের মোড়া উপন্যাসিকার শেষে কে যেন বলে উঠল, তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না।

পাঠ–প্রতিক্রিয়াঃ বইটির প্রতিক্রিয়া শুরু করব নামলিপির মাধ্যমে। এর কারণ এই বইয়ের নামলিপিটা আমার মন কেড়ে নিতে পেরেছে। অনেক পাঠক আছেন যারা কিনা এই বইয়ের নাম দেখেই বলে দিবে বইটির জনরা রোমান্টিক। এই ধারণাটা আমি একদম ভুল বলব না কারণ বইটিতে সিরিয়াল কিলিং,ক্রাইম থ্রিল বাদেও রয়েছে সামান্য প্রেম - বিরহের কাহিনীও। তবে এককথায় বইয়ের প্রধান জনরা থ্রিলার।

বইটার নামলিপি নিয়ে আমি নিজেও প্রথমে কনফিউজড ছিলাম। এরপর যখন বইটা সম্পূর্ণ পড়ে শেষ করে ফেলি তখনই বুঝতে পারলাম বইয়ের এমন সুন্দর একটি নামকরণের কারণ সম্পর্কে।

নামলিপির রহস্যের সাথে নামলিপির প্যাটার্নটাও ছিল মন ভালো করে দেয়ার মতো। সম্পূর্ণ প্রচ্ছদ জুড়ে অধিকাংশ জায়গাই দখল করে রেখেছে নামলিপিটা। বইয়ের প্রচ্ছদে একটি ডায়েরি ও একটি কলমের আকৃতি তুলে ধরা হয়েছে। প্রচ্ছদের ডায়েরি এবং কলমের রহস্যটা হয়ত পাঠক বইটা পড়লেই অনুধাবন করতে পারবে। বইয়ের প্লট এর সাথে প্রচ্ছদের সম্পূর্ণ মিল পাওয়া না গেলেও, এখানে সামান্য মিল লক্ষনীয়।

সিরিয়াল কিলিং নিয়ে জানার আগ্রহ আমার ছোট বেলা থেকেই। সেই আগ্রহ থেকেই বইটা পড়া হলো আমার। প্রতিটা সিরিয়াল কিলারই খুন করার সময় একটা প্যাটার্ন অনুসরণ করে থাকে। তেমনি এই বইটিতেও খুনি তার খুনগুলো করে যায় ছয় মাস পর পর। এ কারণে খুনির নাম দেয়া হয় ছিক্স মান্থ কিলার। সম্পূর্ণ বই জুড়ে এই সিক্স মান্থ কিলারের রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে বইটিতে এক উত্তেজনাময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। এর জন্য অবশ্যই লেখক তার প্রশংসার দাবি রাখে।

এছাড়াও বইটিতে রয়েছে একটি মিথ। যা বইটা পড়ার সময় আকর্ষন আরো বাড়িয়ে দিয়েছিল। মিথটা লেখক খুব সুন্দর ভাবে বইয়ে তুলে ধরতে পেরেছেন, যা বেশ ভালোই উপভোগ করতে পেরেছি।
মিথটায় বলা ছিল যদি একটা কলম দিয়ে পাঁচজন বিশ্বাসঘাতকের নাম লিখে তাদের খুন করতে পারে তবে কলমটা জীবন্ত হয়ে উঠবে। কলমটা পন্ঞ্চদেবতা নামক এক প্রাচীন দেবতার উপহার।যেটা জেগে উঠার প্রহর গুনছে এখনও।

সিরিয়াল কিলিং এবং মিথটা বাদেও বইটিতে রোমান্টিকতার ছোঁয়া দিয়েছেন লেখন। যা বইটি জুড়ে ভালোই উপভোগ্য ছিল।

লেখকের প্লট নির্বাচন,গল্প লেখনী, বর্ণনাভঙ্গি বরাবরের মতোই সাবলীল ও সুন্দর। পুরো বইয়ে এসবের কোনো কমতি লক্ষ করা যায়নি ।

বইটির সম্পাদনার মান মোটামুটি ভালোই। সম্পাদনায় তেমন কোনো ঝামেলা আমার চোখে ধরা পরেনি। তবে বানানে কিছু যায়গায় ভুল চোখ এড়িয়ে যেতে পারেনি। যা বইটি পড়ার সময় পড়ার গতিকে একটু হোঁচট খাইয়ে দিয়েছিল। এসবে লেখকের কোনো দোষ নেই। সাধারণত এগুলো টাইপিং মিস্টেক এরই ফল। আশা করছি পরবর্তীতে ভূলগুলো সুধরে নেয়া হবে।

চরিত্র গঠনে লেখকের পড়া বাকী বইগুলোর চেয়ে এই বইটিকে এগিয়ে রাখব। ক্রাউন বা পকেট সাইজের বই হওয়ার পরেও তার চরিত্র সাজানোর ভঙ্গিমা আমার মন জুড়িয়ে দিয়েছে। এই বইয়ের সব চরিত্রকেই অসাধারণ ভঙ্গিমায় খুবই পারফেক্ট ভাবে উপস্থাপন করেতে পেরেছেন লেখক।

ওয়ার্নিংঃ বাটারফ্লাই ইফেক্ট বইয়ের অন্যতম প্রধান চরিত্র অর্ক এই বইয়ে থাকলেও এই বইটি পড়ার জন্য বাটারফ্লাই ইফেক্ট পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

বইটির প্রোডাকশনের ব্যাপারে মলাটের অপর বই দেজা ভ্যুতে বলেছিলাম,এখনও বলছি। বইয়ের প্রোডাকশন বরাবরের মতই দূর্দান্ত। এ দিক থেকে কোনো কমতি রাখতে দেয়নি তা বইটি হাতে নিলেই বোঝা যায়। তবে বইয়ে একটা ফিতার ব্যাবস্থা থাকলে পাঠকদের পড়তে আরো সাচ্ছন্দ্যবোধ হতো বলে মনে করি। দাবি রাখি প্রকাশনী বিষয়টি দেখবে।

🔘 বই পরিচিতিঃ

➣ বইয়ের নামঃ তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলনা ( এক মলাটে দুই বই)
➣ লেখকঃ আমিনুল ইসলাম
➣ জনরাঃ সিরিয়াল কিলার, ক্রাইম থ্রিলার
➣ প্রকাশনীঃ সতীর্থ প্রকাশনা
➣ প্রথম প্রকাশঃ অক্টোবর, ২০২১
➣ প্রচ্ছদঃ আদনান আহমেদ রিজন
➣ সম্পাদকঃ তাহমিদ রহমান
➣ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৫২
➣ নির্ধারিত মূল্যঃ ২৮০৳

লেখাঃ Tazmilur Rahman
Profile Image for Umar Faruk Akash.
38 reviews1 follower
July 7, 2023
বইঃ এক মলাটে দুই বই (তোমার দেওয়া আমার কোন নাম ছিলো না)
লেখকঃ আমিনুল ইসলাম
প্রকাশনায়ঃ সতীর্থ প্রকাশনা
প্রচ্ছদঃ আদনান আহমেদ রিজন
সম্পাদনাঃ তাহমিদ রহমান
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৫২
মুদ্রিত মূল্যঃ ২৮০/-

ফ্ল্যাপ থেকেঃ
দেশ জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এক সিরিয়াল কি*লার। খু*ন যাচ্ছে প্রতি ছয় মাস পর পর; ভিক্টিম শুধুমাত্র নারী। মিডিয়া তোলপাড় করা এই খুনি নামকরণ হয়েছে সিক্স মান্থ কি*লার নামে।
এমনই সময় ছোট্ট এক মফস্বল শহরে একের পর এক নারীর লাশ পাওয়া যেতে শুরু করল। তদন্ত কর্মকর্তা আজমল হোসেন পড়ে গেলেন মহাবিপদে। তবে কি সিক্স মান্থ সিরিয়াল কি*লার তার শহরে পা রাখল?
ফিরে এলেন দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকা ইরফান খন্দকার। শহরের হতাশাগ্রস্থ ছেলে-মেয়েদের একজন রহস্যময় লোকের কাছে যেতে দেখা যাচ্ছে। যে নিজেকে দূত বলে দাবী করে।
এদিকে প্রদীপ খোঁজ পায় কয়েক হাজার বছর আগের এক মিথের। হারিয়ে যাওয়া এক দেবতার গল্প, এক কলমের গল্প; যে কলমটা জীবন্ত হওয়ার অপেক্ষা করছে। এতসব রহস্যে মোড়া উপন্যাসিকার শেষে কে যেন বলে উঠল, তোমার
দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না!

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
ছোট সাইজের এই বইটি খুবই গতিময় ছিল। গল্পে ঢুকে পড়বেন তো দ্রুত পৃষ্ঠা উল্টাবেন। সুন্দর এবং গোছানো ছিল। প্লট, কাহিনির বুনন বেশ পরিপক্ব লেগেছে।

বইয়ের গল্পটি অনেক ভালো ছিল, বেশ বিস্তৃত ও দাপুটে একটা প্লট। বইটিতে একইসাথে রয়েছে রহস্য, রোমাঞ্চ, মিথ ও টুইস্টের দারুণ কম্বিনেশন। টানটান উত্তেজনা নিয়ে বইয়ের শেষ প্রান্তে
নিয়ে পিলে চমকানোর মতো অবস্থা হয়। খুনি কে তা আগে থেকে আচঁ করতে পারলেও শেষের চমকটা অপ্রত্যাশিত ছিলো।

লেখক বইটিতে আলাদা দু'টো একসাথে নিয়ন্ত্রণ করে পর পর অনেকগুলো টুইস্ট দিতে থাকে।

নেগেটিভ দিকঃ
এবার একটু নেগেটিভ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক।
প্রথমত আমার কাছে বইয়ের মোটিভ গুলো এতোটা স্ট্রং মনে হয়নি।
যেখানে শহরে হৈচৈ পড়ার মতো খু*ন হচ্ছে সেখানে মোটিভ গুলো আরে শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন ছিল, বলবো এখানে লেখক খানিকটা ব্যার্থ হয়েছেন।
শেষের দিকে বেশ তাড়াহুড়োর ভাব ছিল। শুরুর দিকে খানিকটা অগোছালোভাব ও কাঁচা হাতের লেখা স্পষ্ট ছিল যদিও লেখক তা বেশ ভালোভাবেই শুধরে নিয়েছেন।

সবশেষে বলি, বইয়ের প্লট মেকিং ও স্টোরি বিল্ডাপ হয়েছে সুন্দরভাবে। লিখনশৈলী ছিল অসাধারণ, এছাড়াও বইয়ের সেটিং ও থিম এনালাইসিস ছিল দারুণ। সাধারণত লেখক এসবের সমন্বয়ে একটি বই রচনা করে পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। আর লেখক সেখানেই নিজের বুদ্ধিমত্তা ও অসাধারণত্ব দেখিয়েছেন।
Profile Image for Harun Ahmed .
36 reviews1 follower
June 6, 2025
নাম: তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না
লেখক: আমিনুল ইসলাম
জনরা : সাইকোলজি ক্রাইম থ্রিলার

"প্রিয়তমা মারা যাওয়ার দুঃখ আর অন্যের হওয়ার যন্ত্রণা ভীষণ ভাবে আলাদা"

দেশজুড়ে আতংক ছড়াচ্ছে 'সিক্স মান্থ কিলার' নামে এক সিরিয়াল কিলার যার প্রধান ভিক্টিম হচ্ছে নারী।
সিক্স মান্থ কিলার নিয়েই যেখানে হিমশিম খাচ্ছিলো তদন্ত অফিসার আজমল হোসেন সেখানে হঠাৎ করে জামশেদপুর নামক ছোট শহরে আবার পাওয়া যাচ্ছে একের পর এক পাঁচ টুকরো করা নারীদের লাশ।তবে কি আবার ফিরে এলো সিক্স মান্থ কিলার?
হতাশাময় জীবন পরিবর্তনের জন্য ইউনিভার্সিটির তিন বন্ধু ফারহান, নীলা ও প্রদীপ যায় এক রহস্যময় লোকের কাছে যে নিজেকে পরিচয় দেয় 'দূত' নামে।অদ্ভুত লোকটার সমাবেশে যাওয়ার পর তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সমস্যা সমাধান হলেও সন্দেহ হয় যে পুরো শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়া আতংকের পিছনে দূতের কারসাজি নেই তো?
ঘটনাক্রমে প্রদীপ খোঁজে পায় কয়েক বছর আগের এক মিথের।হারিয়ে যাওয়া এক দেবতার গল্প। এক কলমের গল্প;যে কলম জীবন্ত হওয়ার অপেক্ষা করছে।তবে কি হাজার বছর আগের যুবরাজ মিরান তৈয়রের না করতে পারা অসমাপ্ত কাজটি আবার কেউ শুরু করার চেষ্টা করছে?
হোমিসাইড ডিপার্টমেন্ট যখন তদন্ত করে কোনো ক্লু বের করতে পারছিলো না তখন এই কেসের জন্য রেকমেন্ড করা হয় হয় সিরিয়াল কিলিং কনসালটেন্ট শাহরিয়ার অর্ককে।শাহরিয়ার অর্ক কি পারবেন সিরিয়াল কিলারকে ধরতে? বের করতে পারবেন কি খু'নের আসল রহস্য?

সাইকোলজি, মিথ,মিস্ট্রি, ক্রাইম থ্রিলারের মিশানো " তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না " তবে সব কিছু কে ছাপিয়ে গেছে অপুর্ণ ভালোবাসা

📌 পাঠপ্রতিক্রিয়া:
সিরিয়াল কিলিং এর সবচেয়ে আশ্চর্যকর সময় হচ্ছে এর এন্ডিং। এন্ডিং যদি তাক লাগিয়ে দেয়া না হয় তাহলে মজা কোথায়। বইয়ে লেখক সেটা বেশ সফল ভাবেই করেছেন। অনেক সাসপেক্ট থাকা স্বত্তেও শেষটা যেনো কাউকে চমকে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। তার উপর বইয়ে মিথ যোগ করে যেনো বইয়ের প্রতি আকর্ষন কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মিথটা লেখক বেশ সুন্দর ভাবেই লেখায় ফুটিয়েছেন যেটা বেশ উপভোগ্য ছিলো। চরিত্রগুলোকে বেশ ভালো ভাবেই উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বইটা যদি আরও বড় হতো তাহলে কিছু কিছু চরিত্র সম্পর্কে আরও জানা গেলে ভালো লাগতো।
লেখকের বর্ননা, শব্দচয়ন, চরিত্র গঠক, লেখনশৈলী বরাবরের মতোই দারুণ ছিলো। বেশ সুন্দরভাবে সবকিছু উপস্থাপন করেছেন।
Profile Image for Nobin Islam.
37 reviews
March 4, 2025


সারাদেশে যখন মেয়েরা আতঙ্কে রয়েছে খু*ন, ধ*র্ষণ, ডা*কাতির মতো ভয়াবহ অপরাধ নিয়ে; যখন বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে কয়েকবার ভাবতে হয়, সন্ধ্যার পর বাইরে থাকতে গেলে আত*ঙ্ক জাগে—ঠিক সেই সময়েই এই বইটি পাঠ্য তালিকায় যুক্ত হয়। বইটির কাহিনী সরাসরি ধ*র্ষণ বা ডা*কাতির ঘটনা নিয়ে না হলেও, এটি পুরোপুরি মেয়েদের জীবন এবং তাদের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে আবর্তিত। বইটি পড়ার পর মনে হয়, মেয়েদের ভয় পাওয়াটা অমূলক নয়, বরং এটি তাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা।

বইটির মূল প্লট একটি সিক্স মান্থ সিরিয়াল কি*লারের গল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এই কি*লারের একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন ছিল: প্রতি ছয় মাস পরপর সে একজন নারীকে খু*ন করত। খু*নের পদ্ধতিটি ছিল অত্যন্ত নৃ*শংস—প্রথমে শিকারকে গলা কা*টা হতো, তারপর দেহটিকে পাঁচ টুকরো করে পলিথিনের ব্যাগে ভরে রাখা হতো। প্রথমদিকে এই খু*নগুলো ছয় মাসের ব্যবধানে ঘটলেও, পরে এই নিয়ম ভেঙে টানা একাধিক খুনের ঘটনা ঘটে।

বইটির কাহিনী সংক্ষেপে আর বেশি না বলি, কারণ স্পয়লার দেওয়া যাবে না। তবে এটা বলতে পারি, বইটি বর্তমানে বেশ হাইপড এবং পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেক পাঠক বইটিকে পছন্দ করেছেন। আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো, বইটি আমার কাছে খুব খারাপ লাগেনি, তবে আমার প্রত্যাশা আরও বেশি ছিল।

বইটির বাইন্ডিং, সম্পাদনা এবং প্রচ্ছদ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। সম্পাদনাও বেশ পরিষ্কার এবং সুন্দর। বইটি পড়ার সময় কোনো বানান বা ভাষাগত ত্রুটি চোখে পড়েনি।

যদি আপনি থ্রিলার এবং রহস্য গল্প পছন্দ করেন, তবে এই বইটি আপনার জন্য হতে পারে। তবে যদি আপনি আরও গভীর চরিত্র বিশ্লেষণ এবং জটিল প্লট আশা করেন, তাহলে কিছুটা হতাশ হতে পারেন।

ব্যক্তিগত রেটিং: ৩.৩/৫
Profile Image for Muna Khan.
89 reviews2 followers
November 16, 2024
📖 তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিল না

- আমিনুল ইসলাম ✍🏻

এক সিরিয়াল কিলার দেশ জুড়ে ছড়াচ্ছে ভীতির সঞ্চার। প্রতি ছয় মাস পর পর খুন হচ্ছে, যেখানে ভিত্তি হিসেবে বেছে নিচ্ছে শুধুমাত্র নারীকে। মিডিয়া তোলপাড় করা এই খুনি 'সিক্স মান্থ' ইলা নামে পরিচিত লাভ করছে। ঠিক এমন সময়ে ছোট্ট এক মফস্বল শহরে একের পর এক নারীর লাশ পাওয়া যেতে শুরু করল। তদন্ত কর্মকর্তা আজমল হোসেন মারাত্মক এক বিপত্তিতে পড়ে গেলেন। তবে কি 'সিক্স মান্থ' সি এর কিলারের আগমন ঘটল তার শহরে? শুয়োরের হতাশাগ্রস্থ ছেলেমেয়েদেরকে 'দূত' বলে দাবি করা এক র সময় লোকের কাছে যেতে দেখা যাচ্ছে ইদানিং। দীর্ঘদিন নিরুদ্দেশ থাকে ফিরে এলেন আকস্মিকভাবেই। এদিকে প্রদীপ কয়েক হাজার বছর আগের এক মিথের সন্ধান পায়। হারিয়ে যাওয়া এক দেবতার গল্প, এক কলমের গল্প; যে কলমটা জীবন্ত হওয়ার অপেক্ষা করছে। এতসব রহস্যে ভরপুর উপন্যাসটির কোথাও কে যেন বলে উঠলো, ' তোমার দেওয়া আমার কোন নাম ছিল না'।

গল্পটিতে প্রতিপদে রহস্য ছিল। এই রহস্য উদ্ঘাটন এর জন্যে গল্পের শেষ অব্দি অপেক্ষা করতে হয়েছে। প্রতিবারই মনে হতে থাকে এই সেই ব্যক্তি! কিন্তু এই রহস্য জানার জন্য সম্পূর্ণ গল্পটি পড়তে হবে। এই গল্পটি সত্যিই আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। শেষ অব্দি কাটুক হিসেবে আমাকে আটকে রেখেছে।

রেটিং - ৪.২/৫ ⭐
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Zahidul.
450 reviews95 followers
December 4, 2022
পুরো দেশ জুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সিক্স মান্থ কিলার নামের এক সিরিয়াল কিলার, যে কিনা ছয় মাস পর পর নারীদের নৃশংসভাবে খুন করে। এই কেসে মাসের পর মাস লেগে থেকেও তেমন কোন সুরাহা করতে পারছে না আজমল হোসেন। এদিকে নিজেদের জীবন পরিবর্তনের আশায় এক গোপন সংঘে যোগদান করে ফারহান, প্রদীপ, নীলা সহ স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী। এখন দুই ঘটনার সাথে এক হারিয়ে যাওয়া মিথের কিরকম সম্পর্ক তা নিয়েই লেখক আমিনুল ইসলামের 'তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না' নামক গল্পটি লেখা।
-
'তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না' গল্পটি মূলত সিরিয়াল কিলিং এবং কিছুটা মিথোলজিক্যাল থ্রিলারের আদলে লেখা হয়েছে। বেশ ছোট সাইজের গল্প হওয়ায় বেশ তাড়াতাড়িই কাহিনি এগিয়েছে। গল্পে কিছু পুলিশ প্রসিডিওরাল এর ব্যপার থাকলেও ব্যপারগুলো ঠিক গুছিয়ে লেখা হয়নি বলে মনে হলো আর কিছু যায়গা খুবই সিনেমাটিক এবং অসঙ্গতিপূর্ণ মনে হয়েছে, যা বিস্তারিতভাবে বললে হয়তো বিশ্বাসযোগ্য হতো। গল্পের কাহিনি হিসেবে প্রায় সব সব চরিত্রই ঠিকঠাক, তবে এক্সট্রা অর্ডিনারি কাউকেই মনে হয়নি। এছাড়া গল্পে গান এবং মিথের ব্যবহার মোটামুটি ভালোভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে। এক কথায়, একবার পড়ার মতো মনে হয়েছে গল্পটা।
Profile Image for Zahidul  Tamim.
113 reviews5 followers
July 29, 2022
সিরিয়াল কিলিং। পুলিশ প্রসিডিউরাল। ক্রাইম থ্রিলার৷ পাজলের মতো সাজানো আপাত অসংলগ্ন কিছু ঘটনা ধীরে ধীরে মিলিত হয় একই প্রবাহে৷ হু ডান ইট ঘরানার এই থ্রিলার বইয়ে নতুন কি আছে? নতুনত্ব বলতে লেখকের লেখার স্টাইলটা আকর্ষণীয় লেগেছে।
এই টাইপের বই আমার বিশেষ পছন্দ না। জোড়পূর্বক কাহিনি চাপিয়ে রেখে পাঠককে ভুল দিশায় পাঠিয়ে একদম শেষদিকে বিগ রিভিল। থ্রিল দেওয়ার প্রচেষ্টা। অবশ্য জনরাটাই এমন। ফার্স্ট পারসনে কাহিনি লেখা হলে সেই ক্ষেত্রে এমন স্টোরিলাইন জাস্টিফায়েবল।
এয়ারপোর্ট নভেলা। এক বসাত শেষ করা যায়। পড়তে ভালোই লেগছে।
মিউটিল্যাটেড কে কয়েক জায়গায় মাল্টিলেটেদ লেখা হয়েছে। আংরেজি বানান ভুল আরকি কিছু জায়গায়।
Profile Image for Abdullah All Noman.
49 reviews
September 18, 2023
আমিনুল ভাই কখনো আমাকে হতাশ করেন না। যদিও এই বইটার নাম দেখে মনে হয়েছিলো রোমান্টিক জনরা'র বই হবে এটা। কিন্তু প্রথম অধ্যায় পড়ার পরই বুঝলাম আশায় আমার গুড়েবালি🙂🙃

প্লট মারাত্মক সুন্দর। কাহিনী অনেক সুন্দরভাবে এগিয়েছে। তবে আগে থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও এন্ডিংয়ে পরপর এরকম তিনটা টুইস্ট আসলেই আমাকে অবাক করে দিয়েছে। আর তাছাড়া পুরো বইটাতেই ছিলো টুইস্টের ছড়াছড়ি..

তবে ভালো লেগেছে একটা জিনিস যে এই প্রথম আগে থেকে করা কোনো একটা প্রেডিকশন সৌভাগ্যবশত এসে শেষে মিলে গিয়েছে🤍
Profile Image for Md. Shahedul Islam  Shawn.
194 reviews4 followers
October 15, 2023
মার্ডার মিস্ট্রির সাথে হালকা মিথলজির ছোঁয়া।।
দেশ জুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সিক্স মান্থ কিলার। একটি ছোট মফস্বল শহরেও শুরু হলো খুনোখুনি, সেই কিলার কী তবে এই শহরে? তাছাড়া পাঁচ বছর নিখোঁজ থাকার পর ফিরে এলেন এক ব্যাক্তি, সেই সাথে শহরে দেখা দিয়েছে দূত নামের আগন্তুকের।
বইটি পড়ে 'দেজা ভ্যু' সাইফাই থ্রিলারের মতোই বেগ পেয়েছি।
Profile Image for Nabila Hayath Mahi.
6 reviews3 followers
April 24, 2025
ইন্টারেস্টিং ছিল। 'বাটারফ্লাই ইফেক্ট' পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
Profile Image for Subrna Akter.
60 reviews
November 17, 2025
বইটির প্লট সুন্দর ছিল। বইয়ের প্লট বাদে আর কিছুই ভালো লাগে নি। ছোট কলরবের বই হওয়ায় শেষটা কেমন হবে তা ধারণা করে ছিলাম মাঝ পথেই। শেষের দিকে তা মিলে গেলো।
Displaying 1 - 30 of 33 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.