Jump to ratings and reviews
Rate this book

বেড়াতে যাবার সিঁড়ি

Rate this book
Berate Jabar Sinri Hardcover – 1 January 2016 Bengali Edition by SANKHA GHOSH (Author)

112 pages, Hardcover

Published January 1, 2016

Loading...
Loading...

About the author

Shankha Ghosh

132 books68 followers
Shankha Ghosh (Bengali: শঙ্খ ঘোষ; b. 1932) is a Bengali Indian poet and critic. Ghosh was born on February 6, 1932 at Chandpur of what is now Bangladesh. Shankha Ghosh is regarded one of the most prolific writers in Bengali. He got his undergraduate degree in Arts in Bengali language from the Presidency College, Kolkata in 1951 and subsequently his Master's degree from the University of Calcutta. He taught at many educational institutes, including Bangabasi College, City College (all affiliated to the University of Calcutta) and at Jadavpur University, all in Kolkata. He retired from Jadavpur University in 1992. He joined the Iowa Writer's Workshop, USA in 1960's. He has also taught Delhi University, the Indian Institute of Advanced Studies at Shimla, and at the Visva-Bharati University.
Awards:
Narsingh Das Puraskar (1977, for Muurkha baro, saamaajik nay)
Sahitya Akademi Award (1977, for Baabarer praarthanaa)
Rabindra-Puraskar (1989, for Dhum legechhe hrit kamale)
Saraswati Samman for his anthology Gandharba Kabitaguccha[1]
Sahitya Akademi Award for translation (1999, for translation of raktakalyaan)
Desikottam by Visva-Bharati (1999)
Padma Bhushan by the Government of India (2011)

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (15%)
4 stars
19 (73%)
3 stars
3 (11%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 13 of 13 reviews
Profile Image for Shotabdi.
849 reviews223 followers
March 8, 2023
ছোট্ট একটা বই। বেশ ক জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার টুকরো টুকরো গল্প। ভালো লেগেছে। বিশেষত কাশ্মীর ভ্রমণ নিয়ে যেকোন কিছু খুব ভালো লাগে। কাশ্মীরের সেই আলতাফের মতো সরল, অতিথিপরায়ণ লোকেদেরও ভালো লাগে। কিছু কিছু মানুষ এত নি:স্বার্থ কীভাবে হয় কে জানে!
বাড়িতে যাওয়ার বর্ণনাটা এত মনোহর। শঙ্খ ঘোষের কিশোরকথা, যেটাতে তাঁর কিশোরকালের আত্মকথা একত্রে সংকলিত হয়েছে, সেই বইটিও অপূর্ব সুন্দর। পড়ার স্মৃতিটা এখনো মনে জাগরুক। সেই বাড়িতে পূজোতে বেড়াতে যাওয়ার যে বিবরণ সেটা যেন ওই সময়েই নিয়ে গেল আবার। পাকশী থেকে তিন বার রেল বদল করে সারারাত স্টিমারে করে যাওয়ার পর আবার নৌকাতে করে সারাদিনভর ভ্রমণ, ফাঁকে ফাঁকে আদর্শ হিন্দু হোটেলের মতো পাইস হোটেলে খাওয়া, স্টিমারের নকল ভোঁ দিয়ে ইলিশ থেকে বঞ্চিত করা, সবশেষে বাড়ি পৌঁছানোর পর ঠাকুমার সেই স্নেহভরা অপেক্ষার অবসান-খুব ভালো লাগে এমন মায়ামায়া কাহিনী পড়তে।
প্লেন থেকে ট্রেন দুই জায়গাতেই প্রায় দৌড়ে দৌড়ে কোনমতে ভ্রমণটা বাঁচানোর অংশটুকু মজার ছিল। জার্মানিতে গিয়ে কেবল করবী গাছের চিহ্ন দিয়ে ঠিকঠাক বাসা খুঁজে বের করার পর যখন হোটেল-মোটেলের গোলমালে আত্মীয়দের সাথে দেখা হল একদিন পর-সেই অংশটুকু পড়ে না হেসে পারা যায় না।
আবার ঘাটশিলায় বিভূতিভূষণের স্মৃতিবিজড়িত স্থান ভ্রমণ বা কাশ্মীরে গিয়ে রবিঠাকুরের কিশোরকালীন স্মৃতিপূর্ণ স্থান পরিদর্শন-একজন আপাদমস্তক সাহিত্যিক যে ভ্রমণ করছেন সেটা মনে করিয়ে দেয়। একবার ভ্রমণের সময় যে তালা না মেরে চলে গেছিলেন কবিগিন্নী, আর এরপরেও যে কোন অঘটন ঘটেনি বাড়িতে, সেটা বিস্ময়কর কম নয়!
ছোট্ট ১১৩ পৃষ্ঠার বইটি পড়তে ঘণ্টাখানেকের বেশি না লাগলেও এর গল্পগুলোর রেশ বেশ কিছুদিন থেকে যাবে বলেই মনে হচ্ছে। শঙ্খ ঘোষের গদ্য যে ভীষণ ভালো সেতো আর নতুন করে বলে দিতে হয় না।
Profile Image for Samiur Rashid Abir.
225 reviews45 followers
July 4, 2023
বেড়াতে যাবার সিড়ি পড়ে অবাক হয়েছি প্রচুর। লেখকের বেড়াতে যাওয়ার কাহিনী এত নাটকীয় কেন! যেমন দরজা খোলা রেখে পনের দিন ঘুরে এসেও যখন দেখেন চুরি যায় নি কিছু, কিংবা দেওঘর ভাড়া করলেন কিন্তু উঠতেই পারলেন না কেননা চোরে এসে দরজার তালা ভেঙ্গে সব হাপিশ করে দিয়েছে। উত্তম কুমারের সাথে দেখা, জার্মানির স্টেশনে ঘুমানো, হোটেল-মোটেল একসাথে হওয়াতে ৫০৭ নম্বর রুমে গুলিয়ে ফেলা কত কি! হয়ত যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল না এত ভাল, তাই নাটকীয়তার অন্ত ছিল না। বেড়াতে যাবার সিড়ি নামক অধ্যায়টা পড়ে অবাক লেগেছে বেশ। আগেকার দিনে মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা বসে বাস কিংবা রেলের জন্য অপেক্ষা করাকে বেড়ানোর অংশ হিসেবেই ভেবে নিত। এই যুগে যা ভাবাই যায় না! তিনদিন ধরে ভ্রমণে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আগ্রহী কেউই হয়ত নাই। ছোট্ট একটা সুন্দর বই।
Profile Image for Ashik.
246 reviews59 followers
May 15, 2026
একটা বা দুইটা বেড়াতে যাওয়ার ঘটনা নয়, অনেকগুলো ছোট ছোট ঘটনা জোড়া দিয়ে এ বই। তাই একে গতানুগতিক ভ্রমণকাহিনী বলা যায় না হয়তো, বেড়াতে যাওয়ার স্মৃতিচারণ বলা যেতে পারে।
অনেকগুলো ঘটনা আছে যেখানে বেড়াতে গিয়ে লেখক বিড়ম্বনার সম্মুখীন হয়েছেন।
কখনো ভিনদেশের রেলস্টেশনে রাত কাটানো, আবার নিজ দেশে ট্রেন ধরতে না পেরে নানা কসরতে বাড়ি ফেরা, মেয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে বেড়ানো ফেলে পুলিশের জিপে করে ছুট দেওয়া।
আবার কখনো জানা যায় নিজ ঘরের দরজা খুলে রেখে দিব্যি ১৫ দিন কাটিয়ে এসেছেন বেড়ানোর নাম করে।
শঙ্খ ঘোষের স্বাদু গদ্যে এমন বিড়ম্বনার গল্পও আনন্দের খোরাক দেয়।
Profile Image for Shoroli Shilon.
187 reviews87 followers
January 12, 2023
ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে ভুল পথে এগোনো, বেড়াতে যাবার সিড়ি পেরোনো, পঞ্চাশ বছর পরে স্মৃতি রোমন্থন কিংবা কাশ্মীরের অতিপ্রাকৃত নৈসর্গিকতায় মিশে যাওয়া;

শঙ্খ ঘোষের বর্ণনায় ঠিক এমন দৃশ্যই ছিলো তার ভ্রমণকাহিনী শীর্ষক বই 'বেড়াতে যাবার সিড়ি'। পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার এ ভ্রমণকাহিনী জুড়ে রয়েছে মোট ৮ টি পৃথক পৃথক গল্প। কুষ্টিয়ার রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি, পাবনার পাকশী ব্রিজ, খুলনার চিংড়ি, বরিশালের লঞ্চের কথাও বলা হয়েছে তাতে।

বেশ গোছানো আর অল্প পাতার বই! সবমিলিয়ে মন্দ না!
Profile Image for Shuk Pakhi.
538 reviews375 followers
October 19, 2021
নানান জায়গায় বেড়ানো নিয়ে ছোট ছোট করে লিখেছেন। জার্মানী থেকে শিমুলতলা। শঙ্খবাবুর সাথে বেড়িয়ে ভাল্লাগছে।
Profile Image for Aadrita.
293 reviews241 followers
July 17, 2022
লেখকের পরিবার পরিজন নিয়ে বেড়ানোর টুকরো টুকরো আটটা গল্প নিয়ে বই। জার্মানিতে আত্মীয়ের বাড়ি খুঁজে পেতে ভোগান্তি, থাইল্যান্ডে গাড়ি নিয়ে বিপত্তি, ভারতে ট্রেন ধরতে দৌড়ানো, বহুবছর আগে ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার স্মৃতিরোমন্থন, আবার দেশভাগের পর সেই পুরনো বাড়ি দেখতে বহুবছর পর ফেরত যাওয়া, কাশ্মীরে রবীন্দ্রনাথের পদচিহ্ন অনুসরণ করে বেড়ানো সবগুলো গল্পই ছিলো উপভোগ্য। সহজ সাবলীল ভাষায় লেখা ছোট্ট ছোট্ট কাহিনীগুলো পড়ার পর এখন শেলফ থেকে মোটা একখানা ভ্রমণকাহিনী নামানোর ইচ্ছে উঁকি দিচ্ছে মাথায়।
Profile Image for Akhi Asma.
259 reviews491 followers
November 4, 2025
বেড়াতে নিশ্চয়ই সবার ভালো লাগে, কিন্তু আমার ভালো লাগে না, কারণ লম্বা জার্নি আমার একদম সহ্য হয় না। নানুবাড়ি বেড়াতে যাওয়ার সময় বইটা সঙ্গে নিয়েছিলাম। ছোট্ট বই, টুক করে পড়ে ফেললাম! শঙ্খ ঘোষের গদ্যের ভাষা এতটাই সুন্দর আর সহজ যে, ক্লান্তিকর ভ্রমণের বর্ণনাও উপভোগ্য হয়ে উঠেছিল।
বইটার নামকরণের কারণও বেশ মজার—তিনি কিভাবে একের পর এক ট্রেন বদল করে, কখনও স্টিমার, কখনও লঞ্চ, কখনও নৌকায় চেপে পুজোর ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যেতেন, সেই গল্পই যেন একেকটা সিঁড়ি। তারপর আছে কাশ্মীরে গিয়ে রবীন্দ্রনাথকে খুঁজে বেড়ানো, কিংবা জার্মানিতে করবী ফুলের গাছ খুঁজতে গিয়ে ভুল স্টেশনে নেমে পড়ার কাহিনি—সবটাই এমনভাবে লেখা যে মনে হয় আমিও তার সঙ্গে ভ্রমণে আছি।

আমার লং জার্নি ভালো না লাগলেও, একা একা হেঁটে বেড়াতে ভালো লাগে। মজার ব্যাপার হলো, শঙ্খ ঘোষ বইটা উৎসর্গ করেছেন এমন একজনকে যে একা একা ঘুরে বেড়ায়। বইটার সঙ্গে আমার সময়ও খারাপ কাটেনি। বরং মনে হয়েছে, আমি নিজেই যেন বেড়াতে বেরিয়েছি, কেবল গন্তব্যটা ছিল শব্দের ভিতরে।
Profile Image for Kripasindhu  Joy.
640 reviews3 followers
October 10, 2025
শঙ্খ ঘোষের ভ্রমনকাহিনিগুলো চিরাচরিত পদ্ধতির ভ্রমণকথার মতো নয়। একেবারে সাধারণ ঘটনাগুলোকেও অসাধারণ করে তুলেছেন এখানে।

যখন লেখক পূজায় বাড়ি আসেন কিংবা কাশ্মীর অথবা দূরের জার্মানিতে যান, মনে হয় তার সাথেই আছি।
Profile Image for Asif Khan Ullash.
150 reviews10 followers
December 8, 2023
কবিদের লেখা গদ্য এত্ত সুস্বাদু হয় কেন!
এর আগে শঙ্খ ঘোষের আত্মজৈবনিক উপন্যাস ত্রয়ী পড়েছিলাম, খুব ভালো লেগেছিল। এছাড়া ভাস্কর চক্রবর্তী, মণীন্দ্র গুপ্তের লেখা পড়েও মুগ্ধ হয়েছি।

বেড়াতে যাবার সিঁড়ী বইটি লেখা হয়েছে দেশে-বিদেশে বেড়ানোর আটটি মুখরোচক কাহিনী নিয়ে। পরিপূর্ণ ভ্রমনকাহিনী বলা যাবে না; ভ্রমণের সময়ের টুকরো টুকরো স্মৃতিচারণ বলা যেতে পারে। প্রতিটি ঘটনাই একটু হলেও অদ্ভুত; সম্ভবত অদ্ভুত বলেই তারা এই সংকলনে স্থান পেয়েছে।
Displaying 1 - 13 of 13 reviews