ঘাটের রূপকথা আর গলির গোলকধাঁধার গল্পের মধ্যেই জেগে আছে বেনারস। একটা শহর, যার ভাঁজের ভিতর ভাঁজ, যেন কালোয়াতী মুন্সিয়ানা। মালাইয়ো আর মালপোর গুপ্ত জগত, কচুরি আর জিলিপির প্রাতরাশ, লবঙ্গ-লতিকা আর রাজরতন পানের আড়ালে থাকা দর্শনকে বুঝে ওঠার জন্য একটা জীবন যথেষ্ট নয়। জীবনের শুরুর অনেকগুলো বছর কেটেছে যে শহরের আলো-বাতাসে, তার অন্তরাত্মাকে উপলব্ধি করার এই যাত্রায় পারিবারিক চিত্রপটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মিষ্টি নিমপাতার অন্তর্তদন্ত, মন্দিরের বিশেষ তিথির হেঁশেলনামা। কৈশোরিক হরমোনে শিহরণস্মৃতি নিয়ে আছেন এক বিদেশিনী, যাঁর হাত ধরে খুঁজে বেড়ানো বিস্মৃত এক চিত্রকরের আঁকা 'অন্তর্ঝাল রহস্য'-এর মান্ধাতা শহর। মদনপুরার শিক কাবাবে বেনারসের সাংস্কৃতিক হদিশে আঁকা হয় বিস্মরণ রাগের গুলদস্তা। সিদ্ধি আর ভাঙের থেকেও বড় যাদু লেখা হয় এই শহরের ঘিয়ের পাকে, শিশিরের স্রোতে। যাদুকরেরা দুধ আঁজলা করে তুলে বলে যাচ্ছেন, যতেক কবিতার কথা, হালুইকরেরা তুলি নাড়ছেন শহরের গ্রাফিতিতে। লিখছেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। এঁকেছেন প্রীতি চক্রবর্তী।
এটি বই নয়, অন্তত আমার মায়ের কাছে তো নয়ই - এটি তাঁর ব্যক্তিস্বত্তার অংশ। আপনি তাঁর জীবনের ৭-৭ টি বছর ফিরিয়ে দিয়েছেন আর এমনভাবে ফিরিয়েছেন যে আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। শুধু বলি আমার ever practical বাবা যিনি কখনও imotional হয়েছেন দেখেছি বলে মনে পড়ে না, তিনিও মাকে আবার বেনারস নিয়ে যাওয়ার এক অসম্ভব impractical plan করে ফেলেছিলেন (সেপ্টেম্বরের শেষে প্ল্যান করছেন লক্ষ্মীপুজো আর কালীপুজোর মাঝে যাওয়ার! 🤦) - এবং সেটি রাগ রসোই পড়ার ফলেই বলা বাহুল্য।