'ধুন্ধুমার' - একটা ছোট্ট শব্দবন্ধ। কিন্তু এর উৎপত্তি সেই কোন কালে। ধুন্ধুমারের সেই ভীষণ কান্ড এখানে এসেছে অন্যভাবে। এক নিজস্ব নর্নিয়া, হবিট এর জগৎ আঁকতে চেয়েছি দুটি পৌরণিক নামকে আঁকড়ে ধরে। এক বন্ধু তাঁর দুই ধুন্ধুমার। সাথে ধ্রুবকের মতো আটকে গেছে বশিষ্ঠ।
ধুন্ধু কে? আর এই ধুন্ধুমার -ই বা কী? এর উত্তর উপন্যাস দেবে।
অভিযান থেকে গাথা, যুদ্ধপ্রণালী থেকে প্রক্রিয়া-প্রকরণ সবেতেই,"ধুন্ধুমার"-এ এসেছে নিজেদের প্রাচীন আখ্যান থেকে নিজেদের মতো করে নার্নিয়া, প্রিন্স অফ পার্সিয়া বা হবিট খোঁজার চ্যালেঞ্জ। এক লড়াই, এক বিনির্মাণ।
বইটার ন্যূনতম প্রুফ-রিডিঙও হয়নি। সম্পাদনা বলে কিচ্ছু হয়নি। ইতিহাস আর মিথের মিশ্রণে যা হতে পারত এক রুদ্ধশ্বাস ফ্যান্টাসি থ্রিলার, তা পড়তে মাথা ধরে গেল। এত পরিমাণে উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে এবং এত অসংলগ্ন একটা জিনিস তমোঘ্ন নস্করের নামে বাজারে চলছে— ভাবতেই গা রি-রি করে! প্রকাশক কি লেখকের সঙ্গে কোনো পুরোনো শত্রুতা উশুল করার জন্য বইটা এভাবে বাজারে ছেড়েছিলেন? যতদূর জানি তাতে লেখক নিতান্ত নিরীহ গোছের মানুষ। তাঁকে এভাবে 'ছোটি সি মুলাকাত' স্টাইলে বাঁশ দেওয়ার অন্য কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। গল্প চার তারা। কিন্তু সার্বিক প্রোডাকশন (প্লাস যাচ্ছেতাই প্রচ্ছদ) মিলিয়ে এটাকে যা-তা স্তরে নামিয়ে এনেছে বলে এই রেটিং দিতে হল।