What do you think?


অগ্নিবীণা
অগ্নিবীণা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে (অক্টোবর, ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা আছে।
কবিতাগুলি হচ্ছে - ‘প্রলয়োল্লাস (কবিতা)’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বর-ধারিণী মা’, ‘আগমণী’, ‘ধূমকেতু’, কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার ‘রণভেরী’, ‘শাত-ইল-আরব’, খেয়াপারের তরণী’, কোরবানী’ ও মোহররম’। এছাড়া গ্রন্থটির সর্বাগ্রে বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ-কে উৎসর্গ করে লেখা একটি উৎসর্গ কবিতাও আছে। ‘অগ্নি-বীণা’ প্রচ্ছদপটের পরিকল্পনা ছিল অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এঁকেছিলেন তরুণ চিত্রশিল্পী বীরেশ্বর সেন। বইটির তৎকালীন মূল্য ছিল ৩ টাকা। ৭ নং প্রতাপ চ্যাটার্জি লেন থেকে গ্রন্থকার কর্তৃক গ্রন্থটি মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। প্রাপ্তিস্থান হিসেবে গ্রন্থে লেখা ছিল: 'আর্য পাবলিশিং হাউস, কলেজ স্ট্রিট, মার্কেট (দোতলায়)'। গ্রন্থটি ছাপা হয় মেটকাফ প্রেস, ৭৯ নং বলরাম দে স্ট্রিট, কলিকাতা থেকে। দাম এক টাকা। গ্রন্থটির উৎসর্গ হচ্ছে- “বাঙলার অগ্নিযুগের আদি পুরোহিত সাগ্নিক বীর শ্রীবারীন্দ্রকুমার ঘোষ শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। নিচে লেখা আছে “তোমার অগ্নি-পূজারী -হে- মহিমাম্বিত শিষ্য-কাজী নজরুল ইসলাম”। অরবিন্দ ঘোষের ভ্রাতা বারীন্দ্রকুমার ঘোষ বাংলা তথা ভারতের বিপ্লববাদী আন্দোলনের অন্যতম নায়ক ছিলেন। বিপ্লবে বিশ্বাসী নজরুল তাই নিজেকে বারীন্দ্রকুমারের ‘-হে-মহিমান্বিত শিষ্য’ বলে উল্লেখ করে তাকেই তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ উৎসর্গ করেছিলেন।
কবিতাগুলি হচ্ছে - ‘প্রলয়োল্লাস (কবিতা)’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বর-ধারিণী মা’, ‘আগমণী’, ‘ধূমকেতু’, কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার ‘রণভেরী’, ‘শাত-ইল-আরব’, খেয়াপারের তরণী’, কোরবানী’ ও মোহররম’। এছাড়া গ্রন্থটির সর্বাগ্রে বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ-কে উৎসর্গ করে লেখা একটি উৎসর্গ কবিতাও আছে। ‘অগ্নি-বীণা’ প্রচ্ছদপটের পরিকল্পনা ছিল অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এঁকেছিলেন তরুণ চিত্রশিল্পী বীরেশ্বর সেন। বইটির তৎকালীন মূল্য ছিল ৩ টাকা। ৭ নং প্রতাপ চ্যাটার্জি লেন থেকে গ্রন্থকার কর্তৃক গ্রন্থটি মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। প্রাপ্তিস্থান হিসেবে গ্রন্থে লেখা ছিল: 'আর্য পাবলিশিং হাউস, কলেজ স্ট্রিট, মার্কেট (দোতলায়)'। গ্রন্থটি ছাপা হয় মেটকাফ প্রেস, ৭৯ নং বলরাম দে স্ট্রিট, কলিকাতা থেকে। দাম এক টাকা। গ্রন্থটির উৎসর্গ হচ্ছে- “বাঙলার অগ্নিযুগের আদি পুরোহিত সাগ্নিক বীর শ্রীবারীন্দ্রকুমার ঘোষ শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। নিচে লেখা আছে “তোমার অগ্নি-পূজারী -হে- মহিমাম্বিত শিষ্য-কাজী নজরুল ইসলাম”। অরবিন্দ ঘোষের ভ্রাতা বারীন্দ্রকুমার ঘোষ বাংলা তথা ভারতের বিপ্লববাদী আন্দোলনের অন্যতম নায়ক ছিলেন। বিপ্লবে বিশ্বাসী নজরুল তাই নিজেকে বারীন্দ্রকুমারের ‘-হে-মহিমান্বিত শিষ্য’ বলে উল্লেখ করে তাকেই তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ উৎসর্গ করেছিলেন।
64 pages, Hardcover
First published January 1, 1922
About the author
Kazi Nazrul Islam
162 books288 followersKazi Nazrul Islam (Bengali: কাজী নজরুল ইসলাম) was a Bengali poet, musician and revolutionary who pioneered poetic works espousing intense spiritual rebellion against fascism and oppression. His poetry and nationalist activism earned him the popular title of Bidrohi Kobi (Rebel Poet). Accomplishing a large body of acclaimed works through his life, Nazrul is officially recognised as the national poet of Bangladesh and commemorated in India.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 35 reviews
September 8, 2025
অগ্নিবীণা নিয়ে ‘নজরুল কাব্যের অবাঞ্ছিত অংশ’ প্রবন্ধে কবি গোলাম মোস্তফা আবদার করেন:
নজরুলের কবিতা বা তাঁকে নিয়ে খুব বেশি লেখার সামর্থ্য নেই। লিখলে তা সৃজনশীলের ‘ঘ’ দাগের মতো হয়ে যেতে পারে।
আমি না হয় আংশিক পাঠ-অভিজ্ঞতা লিখি
শত বর্ষেরও আগে নিজের বিদ্রোহী সত্ত্বাকে সহসা আবিষ্কার করে ধূমকেতুর মতো আগমন নজরুলের। আগমনী, বিদ্রোহী, ধূমকেতু, প্রলয়োল্লাস, খেয়াপারের তরণী কবিতাগুলোয় দ্রোহের সুর বেজেছে ভিন্ন ভিন্ন ভাবধারার, ভিন্ন উপাদানে। এরপর তিন-চারটি কবিতায় এসেছে তুরস্কের রাজধানী।
কিছুদিন আগেও ব্যাপারটি পরিষ্কার ছিল না। কামাল পাশা আর আনোয়ার পাশা দুজনের মতাদর্শ ভিন্ন মেরুর। দুজনকেই নজরুলের কবিতায় কিন্তু আলাদা মনে হয়নি!
আবুল মনসুর আহমেদের আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর পড়ার পর কিছুটা পরিষ্কার হয় ব্যাপারটা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে খেলাফত পতন, আনোয়ার পাশার ইসলামী ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা, বিপরীতে কামাল পাশার নতুন সেক্যুলার তুরস্ক গড়া ইত্যাকার ঘটনার দিকে বাঙালি মুসলমানরা কেন তাকিয়ে ছিল এবং তাদের পক্ষ কখন কোন দিকে কেন যাচ্ছিল সেটার কিছুটা অনুধাবন করতে পারি। নজরুলের আবেগ পুরোটা ঢেলে দিয়েছিলেন এই কবিতাগুলোয়।
মোহররম কবিতায় কারবালা শোকগাথা কিংবা শাতিল আরব তীরে আরব-বীরের বীরত্ব, বিদ্রোহী-ধূমকেতুর ঝড়ের মতো ছন্দ, খেয়া পারের তরণীর অনন্য দৃপ্ত ভাষায়-ছন্দে বারবার পড়তে বাধ্য করে।
অগ্নিবীণার কবিতাগুলো শুধু শব্দ-ছন্দের কারুকাজ নয়, ভেদাভেদহীন, চিরনবীন, দুর্দম কণ্ঠস্বর।
“ইহাতে মোট ১২টি কবিতা আছে। এর ভিতরে ৭টিই ইসলামী ভাবাপন্ন, বাকী ৫টি ইসলাম ও পাকিস্তানী আদর্শের সম্পূর্ণ বিরোধী। কাজেই আমাদের মতে এগুলি বর্জন করিতে হইবে।”কবিতায় ও গানে ব্যাপক হিন্দুয়ানী থাকলেও নজরুলকে কিন্তু বর্জন করতে চায় না তারা। আসলে কোনো পক্ষই নজরুল থেকে পৃথক হতে চায় না। নজরুল যে একইসঙ্গে বহু ধারাকে ধারণ করতে পারতেন তার উত্তরাধিকার কেউ সহজে নিতে না পারলেও তার উত্তরাধিকারের দাবিদার সবাই!
নজরুলের কবিতা বা তাঁকে নিয়ে খুব বেশি লেখার সামর্থ্য নেই। লিখলে তা সৃজনশীলের ‘ঘ’ দাগের মতো হয়ে যেতে পারে।
আমি না হয় আংশিক পাঠ-অভিজ্ঞতা লিখি
শত বর্ষেরও আগে নিজের বিদ্রোহী সত্ত্বাকে সহসা আবিষ্কার করে ধূমকেতুর মতো আগমন নজরুলের। আগমনী, বিদ্রোহী, ধূমকেতু, প্রলয়োল্লাস, খেয়াপারের তরণী কবিতাগুলোয় দ্রোহের সুর বেজেছে ভিন্ন ভিন্ন ভাবধারার, ভিন্ন উপাদানে। এরপর তিন-চারটি কবিতায় এসেছে তুরস্কের রাজধানী।
কিছুদিন আগেও ব্যাপারটি পরিষ্কার ছিল না। কামাল পাশা আর আনোয়ার পাশা দুজনের মতাদর্শ ভিন্ন মেরুর। দুজনকেই নজরুলের কবিতায় কিন্তু আলাদা মনে হয়নি!
আবুল মনসুর আহমেদের আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর পড়ার পর কিছুটা পরিষ্কার হয় ব্যাপারটা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে খেলাফত পতন, আনোয়ার পাশার ইসলামী ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা, বিপরীতে কামাল পাশার নতুন সেক্যুলার তুরস্ক গড়া ইত্যাকার ঘটনার দিকে বাঙালি মুসলমানরা কেন তাকিয়ে ছিল এবং তাদের পক্ষ কখন কোন দিকে কেন যাচ্ছিল সেটার কিছুটা অনুধাবন করতে পারি। নজরুলের আবেগ পুরোটা ঢেলে দিয়েছিলেন এই কবিতাগুলোয়।
মোহররম কবিতায় কারবালা শোকগাথা কিংবা শাতিল আরব তীরে আরব-বীরের বীরত্ব, বিদ্রোহী-ধূমকেতুর ঝড়ের মতো ছন্দ, খেয়া পারের তরণীর অনন্য দৃপ্ত ভাষায়-ছন্দে বারবার পড়তে বাধ্য করে।
অগ্নিবীণার কবিতাগুলো শুধু শব্দ-ছন্দের কারুকাজ নয়, ভেদাভেদহীন, চিরনবীন, দুর্দম কণ্ঠস্বর।
February 1, 2022
কড়া মানে বেশি কড়া... 🔥🔥
'আমি ভগবান বুকে এঁকে দেই পদচিহ্ন' কয়টা মানুষ এমন ভাবতে পারে আর লিখতে পারে? ভাইরে ভাই!
'আমি ভগবান বুকে এঁকে দেই পদচিহ্ন' কয়টা মানুষ এমন ভাবতে পারে আর লিখতে পারে? ভাইরে ভাই!
February 2, 2022

যদিও সব গুলোই সুন্দর, তবে বিদ্রোহী, ধূমকেতু, কামাল পাশা, কোরবানী, মহররম একটু বেশি সুন্দর। ( বেশির ভাগই দাঁত-ভাঙ্গা বাংলা বলে খুব বেশি বোধগম্য হয়নি)
ভালো লাগা কিছু স্তবকঃ





Read
August 19, 2025এতো দিন অগ্নিবীণা পড়েছি শখে। পড়তে ইচ্ছে হলে পড়েছি, তেমন গভীর ভাবে অনুধাবন করা হয় নাই। এখন যখন 'অগ্নিবীণা' একাডেমিক বই হিসেবে পড়ছি, তখন একে তুমুল ভাবে অনুধাবন করছি। পড়তে পড়তে কবিতা গুলোর খুটিনাটি নানান বিষয় নিয়ে বেশ বিস্মিত হেয়েছি আন্দোলিত হয়েছি। যা এক বিরলতম অভিজ্ঞতা।
August 14, 2019
তাজা একটা বই যখন হাতের তেলোয় দারুণ উত্তাপ ছড়াচ্ছে, তখন আমি অপর হাতের কড় গুনে গুনে দেখি, গল্পের বইয়ের সঙ্গে প্রায় ৭ বছর কাটিয়ে ফেলেছি।
ভাবি, হায়! ভুল হয়ে গেছে বিলকুল।
আর সবকিছু পড়া হয়ে গেছে, শুধু পড়া হয়নিকো নজরুল।
হাতের মুঠোর অগ্নি-বীণার সুর যেন ক্রমে আমাকে অধিকার করে নেয়। কী প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস এই লেখকের! অথচ এই-ই নাকি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। তা, তাঁর বয়স কত তখন? বাইশ? মাত্র ২২!
তাহলে তাঁর পড়াশোনা কতদূর? আশ্চর্য! দশম শ্রেণির প্রি-টেস্ট পরীক্ষাও নাকি দেননি। তাহলে এতো অল্প বয়সে এই আশ্চর্য উত্তাল সুর তিনি কোথায় পেলেন? ভাবতে ভাবতে করোটিতে চাপ ক্রমে বেড়ে যায়। সদুত্তর তবু মেলা ভার।
অবশেষে বুঝি, কবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল জীবনের।
কাজী নজরুল ইসলাম মানবিকতায় বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি হিন্দু মুসলমানের ভেদাভেদ ঘোচাতে, শিবের প্রলয় নাচনের তাৎপর্য বর্ণনা করে লিখেছিলেন প্রলয়োল্লাস। প্রলয়োল্লাস এ বইয়ের প্রথম কবিতা হলেও নজরুলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল "মুক্তি" নামক কবিতা লিখে। যেন সাহিত্য করবার শুরুতেই তিনি স্বাধীনতার কথা জানিয়ে এসেছিলেন।
বিশের দশকে ভারতের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ড কিংবা গান্ধীজির অসহযোগ আন্দোলন, সমস্তই তিনি দেখেছেন এবং তাতে যোগও দিয়েছেন। তাই অত্যাচারীর বিরুদ্ধে তাঁর বিদ্রোহ ঘোষণা করতেও সময় লাগেনি। লিখেছেন, 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরি, আর হাতে রণ-তুর্য!'
নজরুলের লেখা পড়তে গিয়ে লক্ষ্য করি এতো অজস্র শব্দ তাঁর কবিতায় কিংবা গানে! বাবা ছিলেন মসজিদের ইমাম তাই আরবী বেশ ভালোই জানা ছিল, আবার বয়স বাড়তেই ফারসি ভাষা আত্মস্থ করেছেন।
রবীন্দ্রবলয়ে থাকা সত্ত্বেও লেখায় রবীন্দ্রনাথের সুর মাত্র নেই। নিজস্ব বারুদমাখা কন্ঠ। ঐ কন্ঠে গানও গেয়েছেন প্রচুর। রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও জীবদ্দশায় গান লিখেছেন রবীন্দ্রনাথের চাইতেও বেশি।
ওমর খৈয়াম অনুবাদ করেছেন।
গজল গানের প্রবর্তন করেছেন-- আমি কেন এতোদিন নজরুল পড়িনি?
বিদ্রোহী কবির প্রথম বই পড়ার পরই দুর্মদ আকর্ষণ বোধ করি অন্য বইগুলো পড়ার। যেন আজই হলো সত্যাগ্রহ শক্তির উদ্বোধন। তাই বলি,
তোরা সব জয়ধ্বনি কর!
তোরা সব জয়ধ্বনি কর!
ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কাল-বোশেখির ঝড়।
তোরা সব জয়ধ্বনি কর!
ভাবি, হায়! ভুল হয়ে গেছে বিলকুল।
আর সবকিছু পড়া হয়ে গেছে, শুধু পড়া হয়নিকো নজরুল।
হাতের মুঠোর অগ্নি-বীণার সুর যেন ক্রমে আমাকে অধিকার করে নেয়। কী প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস এই লেখকের! অথচ এই-ই নাকি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। তা, তাঁর বয়স কত তখন? বাইশ? মাত্র ২২!
তাহলে তাঁর পড়াশোনা কতদূর? আশ্চর্য! দশম শ্রেণির প্রি-টেস্ট পরীক্ষাও নাকি দেননি। তাহলে এতো অল্প বয়সে এই আশ্চর্য উত্তাল সুর তিনি কোথায় পেলেন? ভাবতে ভাবতে করোটিতে চাপ ক্রমে বেড়ে যায়। সদুত্তর তবু মেলা ভার।
অবশেষে বুঝি, কবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল জীবনের।
কাজী নজরুল ইসলাম মানবিকতায় বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি হিন্দু মুসলমানের ভেদাভেদ ঘোচাতে, শিবের প্রলয় নাচনের তাৎপর্য বর্ণনা করে লিখেছিলেন প্রলয়োল্লাস। প্রলয়োল্লাস এ বইয়ের প্রথম কবিতা হলেও নজরুলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল "মুক্তি" নামক কবিতা লিখে। যেন সাহিত্য করবার শুরুতেই তিনি স্বাধীনতার কথা জানিয়ে এসেছিলেন।
বিশের দশকে ভারতের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ড কিংবা গান্ধীজির অসহযোগ আন্দোলন, সমস্তই তিনি দেখেছেন এবং তাতে যোগও দিয়েছেন। তাই অত্যাচারীর বিরুদ্ধে তাঁর বিদ্রোহ ঘোষণা করতেও সময় লাগেনি। লিখেছেন, 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরি, আর হাতে রণ-তুর্য!'
নজরুলের লেখা পড়তে গিয়ে লক্ষ্য করি এতো অজস্র শব্দ তাঁর কবিতায় কিংবা গানে! বাবা ছিলেন মসজিদের ইমাম তাই আরবী বেশ ভালোই জানা ছিল, আবার বয়স বাড়তেই ফারসি ভাষা আত্মস্থ করেছেন।
রবীন্দ্রবলয়ে থাকা সত্ত্বেও লেখায় রবীন্দ্রনাথের সুর মাত্র নেই। নিজস্ব বারুদমাখা কন্ঠ। ঐ কন্ঠে গানও গেয়েছেন প্রচুর। রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও জীবদ্দশায় গান লিখেছেন রবীন্দ্রনাথের চাইতেও বেশি।
ওমর খৈয়াম অনুবাদ করেছেন।
গজল গানের প্রবর্তন করেছেন-- আমি কেন এতোদিন নজরুল পড়িনি?
বিদ্রোহী কবির প্রথম বই পড়ার পরই দুর্মদ আকর্ষণ বোধ করি অন্য বইগুলো পড়ার। যেন আজই হলো সত্যাগ্রহ শক্তির উদ্বোধন। তাই বলি,
তোরা সব জয়ধ্বনি কর!
তোরা সব জয়ধ্বনি কর!
ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কাল-বোশেখির ঝড়।
তোরা সব জয়ধ্বনি কর!
November 21, 2014
অনেক সাহস করেই বইটা পড়েছি, যদিও অধিকাংশ কবিতা বুজা আমার দ্বারা সম্ভব নয়। এতই কঠিন যে পড়ার সময় মাথা ব্যথা করেছে। 'কামাল পাশা', 'আনোয়ার', 'কোরবানী' 'মোহর্রম' এই কবিতাগুলো কিছুটা বুজতে পেরেছি।
১। ত্যাগ চাই, মর্সিয়া-ক্রন্দন চাহি না
২। মুস্লিম! তোরা আজ 'জয়নাল আবেদীন্'
৩। ওরে হত্যা নয় আজ 'সত্যাগ্রহ' শক্তির উদ্বোধন!
৪। ললাটে তোমার ভাস্বর টীকা - বস্রা-গুলের বহ্নিতে লিখা;
৫। কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!
৬। ঐ ক্ষেপেছে পাগ্লী মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাই
৭। ওরে ভয় নাই তোর মার নাই!!
৮। সিঁথির সিঁদুর মুছে ফেল মা গো, জ্বাল সেথা জ্বাল কাল-চিতা।
৯। আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!
১০। আস্ছে নবীন-জীবন-হারা অসুন্দরে কর্তে ছেদন!
১। ত্যাগ চাই, মর্সিয়া-ক্রন্দন চাহি না
২। মুস্লিম! তোরা আজ 'জয়নাল আবেদীন্'
৩। ওরে হত্যা নয় আজ 'সত্যাগ্রহ' শক্তির উদ্বোধন!
৪। ললাটে তোমার ভাস্বর টীকা - বস্রা-গুলের বহ্নিতে লিখা;
৫। কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!
৬। ঐ ক্ষেপেছে পাগ্লী মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাই
৭। ওরে ভয় নাই তোর মার নাই!!
৮। সিঁথির সিঁদুর মুছে ফেল মা গো, জ্বাল সেথা জ্বাল কাল-চিতা।
৯। আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!
১০। আস্ছে নবীন-জীবন-হারা অসুন্দরে কর্তে ছেদন!
March 5, 2025
অগ্নি-ঋষি! অগ্নি-বীণা তোমায় শুধু সাজে।
দুর্দান্ত!! প্রতিটা কবিতা বারবার বুঝিয়ে দিচ্ছিলো নজরুলের রুদ্র-প্রতাপ🔥
দুর্দান্ত!! প্রতিটা কবিতা বারবার বুঝিয়ে দিচ্ছিলো নজরুলের রুদ্র-প্রতাপ🔥
June 17, 2022
মোট ১২টি আগুন ঝরা কবিতা।
বিদ্রোহী, ধূমকেতু, কোরবানী, মহররম এগুলো একটু বেশিই 💥
বিদ্রোহী, ধূমকেতু, কোরবানী, মহররম এগুলো একটু বেশিই 💥
April 26, 2026
অগ্নি-বীণা,
এ যেনো আগুন থেকে বের হয়ে আসা সুর।🔥
প্রতিটা শব্দ পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিলো সেখান থেকে আগুনের স্ফুলিঙ্গ বের হয়ে আসছে।
ইহা বই নয় সাক্ষাৎ অগ্নি।🔥
এ যেনো আগুন থেকে বের হয়ে আসা সুর।🔥
প্রতিটা শব্দ পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিলো সেখান থেকে আগুনের স্ফুলিঙ্গ বের হয়ে আসছে।
ইহা বই নয় সাক্ষাৎ অগ্নি।🔥
June 26, 2023
এ যেন সত্যিকারের অগ্নিবীণা 🔥🔥🔥
August 2, 2023
বইটা পুরোটাই একটা আগুণ। এই বই রিভিউ করার ক্ষমতা বা সাহস আমার নাই৷ প্রত্যেকটা কবিতাই গায়ে কাটা দেয়ার মতো মারাত্মক, অনবদ্য। যেন, আগুণ ঝড়ে পড়ছে প্রতিটা কবিতা থেকেই। আমি পড়ার পর বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি। 🌸
January 10, 2022
একই কাব্যগ্ৰন্হে " রক্তাম্বর-ধারীণী মা " ও " শাতিল ই আরব " এর মত দুটো ভিন্ন ধর্মীয় প্রেক্ষাপট বিশিষ্ট কবিতায় উপমার বলিষ্ঠ প্রয়োগ দ্বারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে ওঠার আহ্বান জানানো বোধহয় একমাত্র কবি নজরুলের পক্ষেই সম্ভব। এমন সাহসী ব্যক্তিত্বের কন্ঠেই মানায়,
" আমি চির বিদ্রোহী বীর
আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির- উন্নত শির! "
" আমি চির বিদ্রোহী বীর
আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির- উন্নত শির! "
February 6, 2020
পরাধীন ভারতবর্ষ , ইসলামের ঐতিহ্য, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং তুরস্কের ইতিহাসকে অবলম্বন করে বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ।
October 31, 2024
হাজার বছর ধরে
জহির রায়হান
পরী দিঘির পাড়ে গড়ে উঠা সভ্যতায় তিন বউকে খাটিয়ে সংসার চালায় বুড়ো মকবুল, একের পর এক বউ পিটিয়ে মারে আবুল, সালেহা আর ফকিরের মা কানাঘুষা করে, সুরত আলী পুঁথির সুর তোলে। মকবুলের ছোট বউ, কিশোরী টুনির গোপনে মাছ ধরার, গল্প করার সঙ্গী হয় বাপ-মা-আত্মীয়হীন মন্তু। মন্তু, টুনি, মকবুল এরাই উপন্যাসটির সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র৷ মন্তু আর টুনির মধ্যে আমরা তারুণ্যের বিভিন্ন দিক দেখতে পারি। কিছুক্ষেত্রে উদাসীনতা, প্রেম-ভালোবাসা গড়ে উঠতে দেখা যায়।
এই উপন্যাসে এক সময়কার গ্রাম বাংলার কথা সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। নদী ও নদীতে নৌকা চালানোর যে বর্ণনা আছে তাতে আমার মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের কথা মনে পড়েছিলো। এই অংশটা অনেক সুন্দর। গ্রামের বিভিন্ন কুসংস্কার, ওলাবিবি, যক্ষ্মাবিবি এসবের আলোচনা আছে।
উপন্যাসে অনেকগুলা সুন্দর সুন্দর পুঁথি, গ্রাম বাংলার ভাটিয়ালি, লোকগীতি আছে। এগুলা পড়তে সেই মজা লেগেছে।
ওভারঅল ভালো একটা উপন্যাস, এঞ্জয়েবল।
পার্সোনাল রেটিং: ৯/১০
জহির রায়হান
পরী দিঘির পাড়ে গড়ে উঠা সভ্যতায় তিন বউকে খাটিয়ে সংসার চালায় বুড়ো মকবুল, একের পর এক বউ পিটিয়ে মারে আবুল, সালেহা আর ফকিরের মা কানাঘুষা করে, সুরত আলী পুঁথির সুর তোলে। মকবুলের ছোট বউ, কিশোরী টুনির গোপনে মাছ ধরার, গল্প করার সঙ্গী হয় বাপ-মা-আত্মীয়হীন মন্তু। মন্তু, টুনি, মকবুল এরাই উপন্যাসটির সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র৷ মন্তু আর টুনির মধ্যে আমরা তারুণ্যের বিভিন্ন দিক দেখতে পারি। কিছুক্ষেত্রে উদাসীনতা, প্রেম-ভালোবাসা গড়ে উঠতে দেখা যায়।
এই উপন্যাসে এক সময়কার গ্রাম বাংলার কথা সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। নদী ও নদীতে নৌকা চালানোর যে বর্ণনা আছে তাতে আমার মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের কথা মনে পড়েছিলো। এই অংশটা অনেক সুন্দর। গ্রামের বিভিন্ন কুসংস্কার, ওলাবিবি, যক্ষ্মাবিবি এসবের আলোচনা আছে।
উপন্যাসে অনেকগুলা সুন্দর সুন্দর পুঁথি, গ্রাম বাংলার ভাটিয়ালি, লোকগীতি আছে। এগুলা পড়তে সেই মজা লেগেছে।
ওভারঅল ভালো একটা উপন্যাস, এঞ্জয়েবল।
পার্সোনাল রেটিং: ৯/১০
September 15, 2024
আগমনী, কোরবানি, ধূমকেতু কামাল পাশা এই চারটা কবিতা আমার সেরা লাগছে। তাছাড়া বিদ্রোহী তো আগে থেকেই প্রিয়।
ওরে হত্যা নয় আজ "সত্যগ্রহ" শক্তির উদবোধন এই লাইনটা যে বর্তমান সময়ের আফসোস পার্টির জন্য লেখা হয়ছে।
ওরে হত্যা নয় আজ "সত্যগ্রহ" শক্তির উদবোধন এই লাইনটা যে বর্তমান সময়ের আফসোস পার্টির জন্য লেখা হয়ছে।
June 28, 2021
সব কবিতাই বুঝেছি, এই দাবি করবো না। তবে, বিদ্রোহীর পরে "খেয়া পারের তরণী" কবিতাটা বেশ পছন্দ হয়েছে! আর এই কবিতার "নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে, / ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।" - এই লাইনটা পছন্দ হয়েছে।
May 29, 2025
আগুন 🔥
March 12, 2022
আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ একটি বই অগ্নিবীণা।
সে সময়ে লেখা বইটি ইংরেজ আমলের বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি সংক্ষুব্ধ হয়ে তরুণদের জেগে ওঠার প্রত্যয় , সমসাময়িক তুর্কি শাসন আমল নিয়ে এবং মুসলমানের কুরবানী বিষয়ে তিনি মোট বারোটি কবিতা রচনা করেছেন ।
কাজী নজরুল ইসলামের শব্দচয়ন এবং কবিতার বহুমাত্রিকতা অগ্নিবীণা কে করেছে অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। পাঠ্যপুস্তকে কবিতাগুলির কয়েকটি লাইন আমরা পড়েছি পরীক্ষায় পাশ করার জন্য কিন্তু সম্পূর্ণ কবিতা পড়লে এর স্বরূপ উদঘাটিত হয়।
এখানে শাব্দিক অর্থ খোঁজার চেয়ে বিষয়গুলির তাৎপর্য বুঝলেই এই বইটি সার্থকতা ।
**এখনকার তরুণদের মধ্যে বই পড়ার চেয়ে ফেসবুক ঘাটাঘাটি বা টিকটকের ভিডিও দেখতে ভালো লাগে যার ফলে সাহিত্যের রস বোধটুকু আমাদের কমে যাচ্ছে। বই পড়ার গুরুত্ব বিষয়ে টেড টক এর একটি ভিডিও আছে সময় পেলে ইউটিউবে খুঁজে দেখতে পারেন। **
ফ্যাক্ট: সে সময়ে এই বইটির মূল্য ছিল এক টাকা ।
সে সময়ে লেখা বইটি ইংরেজ আমলের বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি সংক্ষুব্ধ হয়ে তরুণদের জেগে ওঠার প্রত্যয় , সমসাময়িক তুর্কি শাসন আমল নিয়ে এবং মুসলমানের কুরবানী বিষয়ে তিনি মোট বারোটি কবিতা রচনা করেছেন ।
কাজী নজরুল ইসলামের শব্দচয়ন এবং কবিতার বহুমাত্রিকতা অগ্নিবীণা কে করেছে অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। পাঠ্যপুস্তকে কবিতাগুলির কয়েকটি লাইন আমরা পড়েছি পরীক্ষায় পাশ করার জন্য কিন্তু সম্পূর্ণ কবিতা পড়লে এর স্বরূপ উদঘাটিত হয়।
এখানে শাব্দিক অর্থ খোঁজার চেয়ে বিষয়গুলির তাৎপর্য বুঝলেই এই বইটি সার্থকতা ।
**এখনকার তরুণদের মধ্যে বই পড়ার চেয়ে ফেসবুক ঘাটাঘাটি বা টিকটকের ভিডিও দেখতে ভালো লাগে যার ফলে সাহিত্যের রস বোধটুকু আমাদের কমে যাচ্ছে। বই পড়ার গুরুত্ব বিষয়ে টেড টক এর একটি ভিডিও আছে সময় পেলে ইউটিউবে খুঁজে দেখতে পারেন। **
ফ্যাক্ট: সে সময়ে এই বইটির মূল্য ছিল এক টাকা ।
September 10, 2022
Ognibina is a great collection of verse by the legendary Kazi Nazrul Islam. His style of poetry is superb, in the slim volume. The rhyming lines, the choice of rhyming words, the Islamic atmosphere, the pulsating pace and rhythm, the call to necessary violence, all add great colour to the literature. Nazrul was a student of Tagore’s, and he is a worthy poet indeed. Someone like Nazrul illustrates that there are so many potent, evocative words in the Bengali language. Really enjoyed the poems and the stories they tell, the ideas they highlight.
May 9, 2020
"আমি কবিতা বুঝি" এই দাবি করার সাহস নাই তবে কিছু কবিতা পড়ে নির্মল আনন্দ পাওয়া যায়। নতুন ভাবনা, চেতনা জেগে উঠে এটা তেমনি এক কাব্যগ্রন্থ।
August 30, 2021
কোরবানী
April 30, 2022
আগুন!
১২ টা কবিতার ১২ টাই আগুন।
পুরা কাব্যগ্রন্থটাই আগুন।
১২ টা কবিতার ১২ টাই আগুন।
পুরা কাব্যগ্রন্থটাই আগুন।
August 23, 2022
তার বই রিভিউ দেয়ার ক্ষমতা আমার নেই।
January 7, 2023
4.6
This entire review has been hidden because of spoilers.
August 8, 2023
এক কথায় দারুণ।
November 21, 2023
খুব প্রিয় একটা বই
November 26, 2023
কোন কাব্যগ্রন্থ কতোটা আগুন ঝড়াতে পারলো তার পাঠক ও শ্রোতার মনন ও মগজে, সে অনুযায়ী যদি কোন তালিকা তৈরি করা হতো তাহলে নিশ্চয়ই অগ্নিবীণা সর্বাগ্রে অবস্থান করতো!
Read
March 10, 2024দুই একটা ছাড়া প্রায় কবিতা মাথার উপর দিয়ে গেলো 😑
Want to Read
October 24, 2024Translation: Veena of Fire.
Displaying 1 - 30 of 35 reviews



























