নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে এই সফর শুরু। শেষটাও সেখানেই। কিন্তু এমন দুঃস্বপ্নে! উৎপল শুভ্র অনেকবার গেছেন নিউজিল্যান্ডে। দেশটির সৌন্দর্য তাঁর মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। যেদিকে তাকান, প্রকৃতির বিশালতা—সবুজ বনানী, সুদৃশ্য পাহাড় আর হ্রদগুলোতে অপার্থিব নীল জলরাশি। তিনি কল্পনাও করেননি, সেখানে এমন হত্যাযজ্ঞ হবে। কিন্তু হলো এবং এই ভ্রমণগল্প নিউজিল্যান্ডের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে আবদ্ধ থাকল না। যুক্ত হলো ক্রাইস্টচার্চের হত্যাকাণ্ড, বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলোয়াড়দের জন্য উদ্বেগ আর নিউজিল্যান্ডের স্বর্গ হইতে বিদায়ের বেদনা। এই বই সেই গল্পই!
উৎপল শুভ্রের জন্ম ২৫ পৌষ ১৩৭৩, নেত্রকোনায় মামাবাড়িতে। পুরকৌশলে স্নাতক ক্রীড়া-সাংবাদিকতায় এসেছিলেন নিছকই শখে। সেই শখই পেশা হয়ে গেছে দুই যুগেরও বেশি। শুধু একটা জিনিস একদমই বদলায়নি। শুরুর সেই মুগ্ধতার চোখেই এখনো আবিষ্ট খেলার নেশায়। সাহিত্যের নিবিষ্ট পাঠক, লেখাতেও তার ছাপ খুঁজে পান পাঠকেরা। এক শ ছুঁইছুঁই টেস্ট ম্যাচ ছাড়াও কাভার করেছেন ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্বকাপ এবং অলিম্পিক গেমসের মতো বড় আসর। অসংখ্য লেখা প্রকাশিত হয়েছে বিদেশের নামী পত্রিকা ও ওয়েবসাইটে। প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক পদে কাজ করছেন দীর্ঘদিন। ১৯৯৮ সাল থেকে ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ বলে পরিচিত উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি।
বইটা একটা ভ্রমণ। স্বপ্নীল, আবার দুঃস্বপ্ন! পুরো বইয়ে নিউজিল্যান্ড ঘুরিয়ে শুভ্রদা আপনাকে শেষের দুঃস্বপ্নে এমন ঘোরগ্রস্ত করবেন, মার্চ ১৫ ২০১৯ এর সেই শুক্রবারের ভয়াল দুপুর আরও একবার চোখের সামনে দেখবেন!
দুই শব্দে যদি বইটাকে নিয়ে বলি- দুর্দান্ত দুঃস্বপ্ন!
গল্প শুরু হয়েছিল ভ্রমণ কাহিনী নিয়ে।এরপর আস্তে আস্তে সেই ভয়াল দিনটির বর্ণনা দিয়েছেন লেখক।পুরো যেন কেঁপে উঠেছি পড়ার সময়।এরকম দিন যেন কারো জীবনে না আসে।