বায়োগ্রাফি : শানজানা আলম লেখালেখির অভ্যাসটা পেয়েছেন বাবার কাছ থেকে। বাবা অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত। শানজানার মা করেন শিক্ষকতা। শানজানা গল্প বলেন, নিজের চারপাশের কথাগুলোই লিখে দৃশ্যমান করার চেষ্টা করে চলেন অবিরাম। তার লেখার মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, গল্প বলার সহজ-সাবলীল নিজস্ব ভঙ্গি। তার প্রকাশিত গ্রন্থ ‘এলাচিফুল’, ‘কুহুকথন’, ‘শঙ্খচিল’ প্রভৃতি বেশ পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। তার এক্সক্লুসিভ ইবুক ‘ফুলবউ’ প্রকাশ করেছে বইঘর। এটিও হয়েছে বেশ সমাদৃত। শানজানা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করেছেন। এখন তাঁর সময় কাটে লেখালেখি করে ও একমাত্র কন্যা আফশীনকে নিয়ে। (source- boighor.com)
মোটা সোটা বই দেখলে আজকাল চিন্তা হয় কবে পড়ে শেষ করতে পারবো? শানজানা আলমের লেখা আমার ঝরঝরে মেদহীন লাগে। তাই বইটাও আসলে চট করে শেষ করে ফেলতে পেরেছি। অনেক অনেক দিন পর এক বসায় শেষ করেছি।
গল্পটা যার সে পরিচিত এর মত। মানে চরিত্রটার কথা বলছিলাম। একা একা জীবন নামক যন্ত্রের ঘানি টেনে ক্লান্ত এক চরিত্র। সুখ খুঁজে পাবার আশায় হুট করে অথবা বলা যায় সময়ের ফাঁকে পড়েই হয়তো ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়া। বই পড়ে শেষ করে বুক ভারী হয়ে আসে হাহাকারে।