' যে নিজের ওষ্ঠকে সংযত রাখে, সে নিজের জীবনকেই সংরক্ষিত রাখে। আর যে রূঢ় কথা বলে, সে নিজের সর্বনাশের পথ উন্মোচন করে। ' - পবিত্র বাইবেল
বই পড়ে শুদ্ধাচার কিংবা আদব-লেহাজ শেখা যায় না ; এটা চর্চা ও লালন করার বিষয়। মহাজাতকের 'শুদ্ধাচার' বইতে এমন কিছুই নেই যা আপনি-আমি জানি না। তবে, সমস্যা হলো বিষয়গুলো আমরা মানি না।
কাণ্ডজ্ঞান তৈরি করে দেওয়া পৃথিবীর কোনো পুস্তকের পক্ষে সম্ভব নয়। এটি নিজেকেই তৈরি করতে হয়। সেখানে সহযোগিতা করতে পারে 'শুদ্ধাচার'-এর মতো বই৷
বইয়ের শেষে প্রধান প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলোর কিছু উদ্ধৃতি সংযোজন করা হয়েছে। ফলে বইটি পেয়েছে ভিন্নরকম মাত্রা।
বইটিতে নতুন কিছু নেই৷ যা আছে সব কিছুই সবার জানা। তবুও পড়তে হবে। কারণ আমরা পড়িও না, মানিও না। পড়তে হবে মনে রাখার জন্য, প্রয়োগ করার জন্য। পড়তে হবে মাথায় গেথে ফেলার জন্য।
কোথায়, কার সাথে, কীভাবে, কী রকম ব্যবহার করবেন, কীভাবে চলবেন, প্রায় সব কিছুই বলা আছে বইটিতে। পড়বেন আর বলবেন আরে এগুলা তো কমন জিনিস, সবই জানি। কিন্তু মানি না।
বইটি নিজে পড়ুন, অন্যকে পড়তে দিন। বিশেষ করে নিজের পরিবারের সদস্যদের।
মানুষ তখনই সভ্য হয়ে উঠে যখন সে সমাজের আচার আচরণ মেনে চলে। সুন্দর ভাবে জীবনধারণ করে। শুদ্বাচার বইটি তেমনই একটি বই। বাড়িতে পরিবারের সাথে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত,প্রতিবেশীর সাথে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, অফিসে কলিগের সাথে সম্পর্ক ও নানা দিক থেকে শুদ্ব আচার আচরণের বিষয়টি নিয়েই এই বইটি আলোচনা করেছে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
মহাজাতকের “দেয়াল লিখন সংকলন”। এটা পড়তে গিয়ে বোর না হওয়ার কোনো কারনই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তবে যারা পড়তে চান তাদের একটা পরামর্শ দিতে পারি। প্রতিদিন শুধু একটা করে বিষয় পড়ুন (৪-৫ পৃষ্ঠা) আর আমল করুন। কেবল তখনই এই বইয়ের স্বার্থকতা। নিজের ছেলে-মেয়ে, ভাতিজা-ভাতিজি, ভাগ্নে-ভাগ্নি, এদের গিফট করতে পারেন। খুশি না করতে পারলেও হয়তো তাদের কিছুটা উপকার করতে পারবেন।