Jump to ratings and reviews
Rate this book

মানুষ

Rate this book
পেরিয়ে গেছে প্রায় এক মিলিয়ন বছর। প্রকৃতির সাথে অনাচার ও আত্মম্ভরিতায় মানবজাতি আজ বিলুপ্ত। কিন্তু পৃথিবী দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। শাসিত হচ্ছে রোবটদের হাতে। তবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে ঘুরে এসে পৃথিবী আবার ধীরে ধীরে ফিরে পাচ্ছে তার সবুজ-শ্যামল রূপ। অথচ এই পুননির্মিত পৃথিবীর ভাগ্যে ঘনিয়ে আসছে এক দারুণ বিপদ। সেই বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে রোবট নেতা জিমিনি নির্দেশ দিল কৃত্রিম ল্যাবে 'মানুষ' এর ভ্রূণ পরিস্ফুটনের। শতাব্দী পরে পৃথিবীর বুকে মানুষের পদচারণা ঘটে 'মানুষ' - এর মাধ্যমে রোবট রিওনার মাতৃছায়ায়।

শেষ পর্যন্ত একদিন 'মানুষ' এর পালা আসে পৃথিবী রক্ষার মিশনে বেড়িয়ে পড়ার। এদিকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা সেই সমস্যার সমাধান লুকিয়ে আছে সৌরজগতের শেষ সীমানায়। কিন্তু হেলিওপজে এসে 'মানুষ' সম্মুখীন হয় এক চাঞ্চল্যকর সত্যের। উন্মোচিত হয় পৃথিবীর হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস। পিনহুইল গ্যালাক্সির খোঁজে ড্রেসোথিয়া গ্রহে এসে 'মানুষ' কোন সত্যের দেখা পায়?

থমকে যাওয়া এক সভ্যতার খোঁজে "মানুষ"।

112 pages, Hardcover

First published February 24, 2022

5 people want to read

About the author

Mayeesha Farjana

8 books29 followers
Mayeesha Farjana is a published author of several science fictions, including "Hello Sci-Fier" & "Manush". She is doing her undergrad in Computer Science & Engineering (CSE) at Rajshahi University of Engineering & Technology (RUET). Her field of interest includes Machine Learning & Artificial Intelligence. In literature, her favourite genre encompasses science fiction, fantasy & thriller. She has received the first prize for National Essay Writing Competition on National Jute Day from former prime minister of Bangladesh.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (40%)
4 stars
2 (20%)
3 stars
3 (30%)
2 stars
0 (0%)
1 star
1 (10%)
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
Profile Image for Zamsedur Rahman.
Author 10 books166 followers
April 18, 2022
“রিওনা সবুজ ঘাসের উপর বসে আকাশ দেখছে- কত শত নক্ষত্র। সে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে, তোমার বয়স যদি কোনো নক্ষত্রের জীবনকালের সমান হয় বা তারও বেশি, তবে কেমন অনুভব করবে?

সেই জীবন যদি নক্ষত্রের মতো নিঃসঙ্গ হতো, তবে পতঙ্গের মতো আগুনে ঝাঁপিয়ে পড়তেও ভয় পেতাম না! কিন্তু সেই জীবনে যদি তোমার মতো কাউকে পেতাম, তবে তাকে আগলে রাখতাম, আর নিজেকেও!”
.

বই: মানুষ
লেখক: মায়িশা ফারজানা
প্রচ্ছদ: সজল চৌধুরী
ধরন: সায়েন্স ফিকশন
প্রকাশনী: অক্ষরবৃত্ত
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১২
মলাট মূল্য: ২৮০ টাকা
.

পৃথিবী ভালো নেই। ভালো নেই মানুষ। এমনকি প্রকৃতিও। যেদিকে চোখ ফেরানো যায়, কেবল ধ্বংস আর ধ্বংস, দুঃখ-কষ্ট। একবার নিজের চারপাশে চোখ বুলান। চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ, অন্যায়-অনিয়ম, ভঙ্গুর আইন রীতি, দুর্নীতি, বিধ্বস্ত অর্থনীতি, ধর্মের নামে হানাহানি, ক্ষমতার অপব্যবহার... সমস্যার শেষ নেই। কিছু সমস্যা দেশের অভ্যন্তরীণ, কিছু সমস্যা বৈশ্বিক। কিন্তু দশজন সাধারণ মানুষের মতো আপনি শান্তি চান। মনেপ্রাণে চান পৃথিবীর বুক থেকে সকল সমস্যা দূর হয়ে যাক।

ধরে নিন, একদিন সেটা সত্যিই সম্ভব হলো। গোটা পৃথিবী থেকে সকল সমস্যা দূর হয়ে গেল। জীবন নতুনভাবে প্রাণ সঞ্চার করছে। প্রকৃতি ফিরে পাচ্ছে তার পুরনো রূপ-যৌবন। কিন্তু সেটা দেখার মতো, অনুভব করার মতো কোনো মানুষ পৃথিবীতে বেঁচে নেই। বরং পৃথিবীর সম্পূর্ণ দখল চলে গেছে রোবটদের হাতে। একটু কল্পনা করুন। বুকের ভেতরটা কি হাহাকার করে না?

নিছক গল্প হিসেবে চিন্তা করলে ব্যাপারটাকে এক তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়া যায়। আমিও শুরুর দিকে হালকাভাবে নিয়েছিলাম। কিন্তু লেখিকার সম্মোহনী লেখনীর কাছে এক পর্যায়ে পরাজিত হয়েছি। ডুবে গেছি বইয়ের কাহিনির মাঝে। যেখানে থ্রিল আছে, অকল্পনীয় বাস্তবতা আছে, রহস্য আছে, মহাকাশের চাইতেও গভীর চিন্তাবোধ আছে, সেইসাথে আছে বিজ্ঞান মিশ্রিত জীবন ও প্রযুক্তির লড়াই। আসলেই কি মানুষ ব্যতীত পৃথিবী কল্পনা করা যায়? প্রশ্নের উত্তর পাবেন। হৃদয় হিম করে দেওয়া উত্তর।

কাহিনির পারদ না গলিয়ে খানিক বর্ণনা দেওয়া যাক। পেরিয়ে গেছে প্রায় এক মিলিয়ন বছর। প্রকৃতির সাথে অনাচার ও আত্মম্ভরিতায় মানবজাতি আজ বিলুপ্ত। কিন্তু পৃথিবী দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। শাসিত হচ্ছে রোবটদের হাতে। তবে ধ্বংসের দ্বারপ্রাপ্ত থেকে ঘুরে এসে পৃথিবী আবার ধীরে ধীরে ফিরে পাচ্ছে তার সবুজ-শ্যামল রূপ। অথচ এই পুননির্মিত পৃথিবীর ভাগ্যে ঘনিয়ে আসছে এক দারুণ বিপদ।

সেই বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে রোবট নেতা জিমিনি নির্দেশ দিল কৃত্রিম ল্যাবে “মানুষ” এর ভ্রূণ পরিস্ফূটনের। শতাব্দী পরে পৃথিবীর বুকে আবারও মানুষের পদচারণা ঘটল। সত্যতার লুকোচুরিতে সেই প্রথম প্রাণটির নামও রাখা হলো “মানুষ”। সে বেড়ে উঠল রোবট রিওনার মাতৃছায়ায়। তার জীবনের প্রথম ও শেষ উদ্দেশ্য জুড়ে দেওয়া হলো- পৃথিবীকে অনাগত বিপদ থেকে রক্ষা করতে হবে। এটাকে নিজের লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে মানুষ।

এদিকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা সেই সমস্যার সমাধান লুকিয়ে আছে সৌরজগতের শেষ সীমানায়। কিন্তু হেলিওপজে এসে “মানুষ” সম্মুখীন হয় এক চাঞ্চল্যকর সত্যের। উন্মোচিত হয় পৃথিবীর হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস। পিনহুইল গ্যালাক্সির খোঁজে ড্রেসোথিয়া গ্রহে এসে “মানুষ” কোন সত্যের দেখা পায়? জবাব মিলবে উপন্যাসেই।

সায়েন্স ফিকশন জনরায় একজন লেখক যতটা সহজে পৃথিবী ছাপিয়ে মহাকাশের বিভিন্ন কক্ষপথে ছুটে বেড়ায়, ঠিক ততটাই সম্ভাবনা থাকে সেই কক্ষপথে হারিয়ে যাবার। গল্পের গতি, গভীরতা, ছক মুহূর্তেই এলোমেলো হয়ে যাবার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু এই বইয়ে সেটা ঘটেনি। গল্পের গাঁথুনি খুবই শক্ত এবং গোছালো। মূল চরিত্রের আগমন ঘটার পূর্বে ঘটনা এবং পরিবেশ এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে যে মূল চরিত্রের আগমন ঘটার পর এক ধরনের তৃপ্তি তৈরি হয়।

‘মানুষ’, জিমিনি, লিরা, রিওনা, রিকো এবং মিরিসা চরিত্রগুলোকে উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র হিসেবে গণ্য করা যায়। কাহিনি অনুযায়ী চরিত্র বিন্যাস চমৎকার ছিল। ‘পাওয়া’ এবং ‘হারানো’ শীর্ষক দুটি অধ্যায়ে উপন্যাসকে বিভক্ত করা হয়েছে। গল্পের সঙ্গে এই বিভক্তি করণের দারুণ মিল। বিশেষ করে চরিত্রের মাঝে যে পরিবর্তন আসে, সেটা এই অধ্যায়ের সাথে রিলেটেবল।

লেখিকার প্রথম সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস ‘হ্যালো সাই-ফাইয়ার’ আগেই পড়া ছিল। এবারের বইটা পড়ার সময় যেটা উপলব্ধি করলাম- গল্পের সাবলীল উপস্থাপন বরাবরের মতোই। কিন্তু তিনি আগের থেকে অনেক বেশি পরিণত। বিশেষ করে গল্প বলার ঢং একেবারেই ভিন্ন। একই জনরায় প্রতিবার ভিন্নভাবে গল্প বলা সহজ বিষয় না। যেটা তিনি সফলভাবে করতে পেরেছেন। সেইসাথে কল্পকাহিনিতে রশদ হিসেবে ব্যবহৃত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও বিভিন্ন তত্ত্বীয় ব্যাখ্যাগুলো চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কিছু রেফারেন্স ও তার অর্থ বইয়ের শেষার্ধে নোট আকারে তুলে দেওয়া, যেটা বেশ উপকারেই এসেছে।

বইটার প্রোডাকশন দারুণ। গল্প ও কনসেপ্ট অনুযায়ী প্রচ্ছদটাও অসাধারণ। দীর্ঘদিন কোনো বই এক বসায় পড়া হয়ে ওঠেনি। আর এই বইটা আমাকে পড়া ফেলে উঠতেই দেয়নি। পড়া শেষে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলেছি। যারা সায়েন্স ফিকশন বই পছন্দ করেন, তাদের জন্য ‘মানুষ’ উপন্যাসটি সাজেস্ট করব। হ্যাপি রিডিং।
.

জামসেদুর রহমান সজীব
১৮ এপ্রিল ২০২২
Profile Image for Khadija  Afrin Kanta.
21 reviews
Read
August 5, 2022
জিমিনি রোবটদের প্রধান হলেও মানুষ তো মানুষই। ❤
Profile Image for নোমান  বিন জামান.
3 reviews2 followers
February 27, 2022
বই: মানুষ
লেখক: মায়িশা ফারজানা
জনরা: সায়েন্স ফিকশন
প্রকাশনী: অক্ষরবৃত্ত
প্রথম প্রকাশ: ২৪শে ফেব্রুয়ারী ২০২২
প্রচ্ছদ: সজল চৌধুরী
মুদ্রিত মূল্য: ২৮০৳

গুডরিডস রেটিং: এখনো নেই। কারণ বইয়ের প্রথম পাঠকই আমি!
পার্সোনাল রেটিং: ৫/৫

◑'মানুষ' সায়েন্স ফিকশনটি ছিল আমার লেখিকা আপা মায়িশা ফারজানার লেখা ২য় বই। লেখালেখি করছেন অনেক আগে থেকেই তবে লেখিকা হিসেবে তার প্রথম বই 'হ্যালো সাই-ফাইয়ার' প্রকাশ পায় বইমেলা ২০২১য়ে। অসম্ভব মেধাবিনী আমার এই বোনের লেখাতেও রয়েছে তার মেধার ছাঁপ। 'হ্যালো সাই-ফাইয়ার' দিয়েই জিতে নিয়েছিলেন অক্ষরবৃত্তের পান্ডুলিপি পুরষ্কার। আর 'মানুষ' পড়ে মনে হলো,এবারো তার বিপরীত কিছু হবে না। কিন্তু তার পুরষ্কারের ঝুঁলি হয়ত বাড়বে। হ্যাঁ আমার বিশ্বাস বাড়বে। এবার আসুন একটু বইয়ের আলোচনায় আসা যাক।

◑কাহিনি বৃত্যান্ত:
নানাবিধ প্রাকৃতিক বিপর্যয়, মানবজাতির প্রকৃতির সাথে অত্যাধিক অনাচার আর রোবটদের হাতে পরাজিত হওয়ার পর আজ তারা পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত। বিলুপ্তির এক মিলিয়ন বছর পর আজ সম্পূর্ণ পৃথিবীর ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ রোবট জাতির হাতে। কিন্তু রোবটদের উদ্ভাবক ও আবিষ্কারক তো মানুষেই। রোবটরা শুধুমাত্র তাই কর‍তে পারে,তাই শিখতে পারে যা মানুষ তাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছে যা মানুষ জয় করতে পেরেছিল। মানুষ ও রোবটের মাঝে সবচেয়ে বড় তফাৎ হচ্ছে মানুষ উদ্ভাবন করতে পারে। মানুষ নতুন কিছু শিখতে পারে। কিন্তু রোবট তা পারে না। তারা না পারে উদ্ভাবন না পারে নতুন কিছু আবিষ্কার। কিন্তু পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে এক ঘন বিপর্যয়! যার থেকে উত্তোরণের উপায় রোবটজাতির কাছে নেই। তাহলে এখন উপায়? তারা তো নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করতে পারবে না। তাই অনেক আলোচনার পর তারা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে সেই মিলিয়ন বছর পূর্বে জীবিত থাকা মানবজাতির যে ভ্রূন তারা ক্রায়োপ্রিজার্ভেশনে সংরক্ষণ করেছিল তা থেকে একটি মানুষ তারা তৈরী করবে। আর সেই মানুষটিই তাদের এই বিপর্যয় থেকে রক্ষা করবে। তারা এই মানুষটির নামও রাখে 'মানুষ'। শেষে কী মানুষ পেরেছিল রোবটজাতি তথা পৃথিবীকে সেই মহা বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে? আর যদি সফল হয়েই যায় তবে মানুষ কী করবে এই নিঃসঙ্গ পৃথিবীতে? কী পরিনতি হবে তার? আর কীই বা ছিল মানুষের আবিষ্কৃত সেই ড্রেসোথিয়া নামক গ্রহে? এই সকল প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়ুন 'মানুষ'।

◑পাঠ প্রতিক্রিয়া: মূলত বইটা পড়ার পর আমি আমার প্রতিক্রিয়া এই এতটুকু লেখায় ব্যক্ত করতে পারবো না। প্রথমত এটা আমার কাছে খুবই বিশেষ মূহুর্ত কারণ প্রকাশিত হওয়ার পর আমিই প্রথম ব্যাক্তি যে এই বইটি পড়েছি এবং রিভিউ লেখছি। আর লেখিকার হাত থেকে অটোগ্রাফসহ বই নেয়ার উৎফুল্লতা তো আছেই। আর এতই উত্তেজিত ছিলাম যে প্রথম বসাতেই বইটা শেষ করে ফেলেছি!
শুধুমাত্র এটুকুই বলতে পারি যে বইটা আমার কাছে খুব-খুবই ভালো লেগেছে। আপনারা যারা সায়েন্স ফিকশন জনরা পড়তে আগ্রহী বা ভালোবাসেন তাদের 'মানুষ' অবশ্যই পড়া উচিত৷ রোবট,বায়োটেক,মহাকাশ,জোতির্বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে বইটি। এছাড়া হালকা প্যারালাল ইউনিভার্স ও ওয়ার্মহোলেরও হালকা ছোঁয়া রয়েছে। বইয়ের যে বিষয়টি আমার বিশেষভাবে নজর কেড়েছে তা হচ্ছে বইয়ের শেষের নির্ঘন্ট।

◑প্রচ্ছদ: প্রচ্ছদটা যখন সজল ভাই করেছেন তখন এটা নিয়ে আর অন্য কিছু বলার থাকে না। তার হাতের অসাধারণ কাজ সম্পর্কে বইয়ের দুনিয়ায় কে না জানে? 'মানুষ'য়ের করা তার প্রচ্ছদটিও এক কথায় অসাধারণ ছিল। বইয়ের কাহিনি ও অন্যান্য বিষয়ের সাথে একদম সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল 'মানুষ'য়ের প্রচ্ছদটি।

পরিশেষে,আমি তেমন লিখতে পারি না। আগে যাও কিঞ্চিৎ পরিমাণ লিখতাম তা থেকেও দূরে আছি বেশ কয়েকমাস যাবত। আর বুক রিভিউতে তো একদমেই কাঁচা আমি। তাও যা চেষ্টা করেছি একটু নিজের মতো গুছিয়ে লেখার। জানিনা কতটুকু ফুঁটিয়ে তুলতে পেরেছি। লেখিকা ও অন্যান্য সকলের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে সকল ভুল-ত্রুটিসমূহকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার।
Profile Image for Mehzabin Hasan Hridy.
65 reviews
August 4, 2022
অনেক অনেক দিন পরের কথা। এক দেশে— থুক্কু, এক গ্রহে বাস করত... উম, না! বাস 'করবে'... ধ্যাত! এভাবে রূপকথার আদলে বলা যায় নাকি এক মিলিয়ন বছর পরের কথা? রূপকথা নিয়ে তো বলতে বসিনি, বসেছি একখানা সায়েন্স ফিকশন নিয়ে বলতে। থাক, ব্যর্থ চেষ্টা আর না করি!

এক মিলিয়ন বছর বাদে, আমাদের প্রিয় নীল গ্রহ পৃথিবীর বুকে রোবটের রাজত্ব। রোবটের রাজত্ব হলে কী হবে, রোবটের বুদ্ধি তো আর মানুষের মতো নয়– তাই এক মহাসংকটের আশঙ্কায় তারা পরিত্রাণের জন্য মানুষের কথা ভাবে। মানুষের বুদ্ধিই পারে এই সংকট থেকে গ্রহকে, 'রোবট সভ্যতা'-কে রক্ষা করতে। অতি নিম্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষিত মানবভ্রূণের মধ্য থেকে সবচে' ভালোটির তাই পরিস্ফুটন ঘটানো হয় বিশেষ ব্যবস্থায়। রোবটের রাজ্যে একমাত্র শিশুটির নাম দেয়া হয় 'মানুষ'।
এগিয়ে চলে ঘটনাচক্র।

মনে ধরে যাওয়া একটা ছোট্ট অংশ তুলে দেবার লোভ সামলাতে পারছি না!
"রিওনা সবুজ ঘাসের উপর বসে আকাশ দেখছে– কতশত নক্ষত্র! সে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে, তোমার বয়স যদি কোনো নক্ষত্রের জীবনকালের সমান হয় বা তারও বেশি, তবে কেমন অনুভব করবে?

সেই জীবন যদি নক্ষত্রের মতো নিঃসঙ্গ হতো, তবে পতঙ্গের মতো আগুনে ঝাঁপিয়ে পড়তেও ভয় পেতাম না! কিন্তু সেই জীবনে যদি তোমার মতো কাউকে পেতাম, তবে তাকে আগলে রাখতাম, আর নিজেকেও!"

তো, পৃথিবীর সংকট নির্ণয় করতে গেলে কোন সত্য উন্মোচিত হয় 'মানুষ'-এর সামনে? জেনে নিতে পারো মায়িশা ফারজানা আপুর লেখা সায়েন্স ফিকশন 'মানুষ' পড়ে।

#mehzabin_hridy

Profile Image for Sadia Afrose.
2 reviews
September 3, 2022
খুব সুন্দর একটি বই। চমৎকার কাহিনী, কথপোকথন এবং সাবলীল বর্ণনা ।
Displaying 1 - 5 of 5 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.