Anish Deb (22 October 1951 – 28 April 2021) was an Indian Bengali writer and academic. He was noted for his writings in the science fiction and thriller genre. He received several literary awards including Vidyasagar Award in 2019.
Anish Deb was born in 1951 in Kolkata. He completed his B.Tech. (1974), M.Tech. (1976) and Ph.D. (Tech.) with 1 silver and 2 university gold medals in Applied Physics from the Rajabazar Science College campus of University of Calcutta.
Anish Deb started his writing career in 1968. He also edited a number of collections of popular fictions, novels and detective stories. Some of his notable writings are: Ghaser Sheesh Nei, Saper Chokh, Teerbiddho, Teish Ghanta Shat Minute, Hate Kalome Computer, Bignyaner Dashdiganto, Jibon Jokhon Phuriye Jay.
আমার এক কথায় অসাধারণ লেগেছে, প্রতিটা লাইন চোখের সামনে ফুটে উঠছিলো, চেনা কলকাতাকে অন্য এক অচেনা রূপে কল্পনা করতে বেশ ভালোই লেগেছে, আর যেভাবে দিন এগিয়ে চলেছে হয়তো কয়েক শতক পর এটা আর গল্প নয় বাস্তবের দলিল হয়ে উঠবে...
সবটা ভালোই ছিল, কিন্তু শেষটা পছন্দ হলো না। সানডে সাসপেন্সের গল্পটাতে অনেক ছাঁটকাঁট করেছে দেখলাম, ভালোই করেছে, নাহলে আরো বেশি ঝুলে যেত। শুনতে শুনতে বারবার আমার সবথেকে পছন্দের সায়েন্স ফিকশনটার কথা মনে হচ্ছিল।পরে দেখলাম, এটিই পূর্বসূরি, আমার পছন্দেরটাই বরং উত্তরসূরি।
কাহিনী সবার চিরপরিচিত গুড ভার্সেস ইভিল, সুবিধাবঞ্চিত বনাম সুবিধাভোগীর। ওল্ড সিটির জিশান, যার ভাগ্য ওকে এনে ফেলে কিল গেম এ। যেখানে ৩ জন খুনির হাত থেকে বেঁচে থাকতে হবে মাত্র ২৪ ঘন্টা। এই খেলার জন্য প্রস্তুতির পেছনে যত যত্ন নিয়ে সময় দেয়া হয়েছে, তার তুলনায় মূল ২৩ ঘন্টা ৬০ মিনিট হয়ে গিয়েছে অনেক বেশি সংক্ষিপ্ত। অনেক চরিত্রের চিত্রায়ন ভালো হলেও, সমাপ্তি আসে নি। অবশ্য এতো এতো চরিত্রকে মনে রাখাও তো ঝক্কির কাজ।
২০৫০ সাল, আর বেশি দূরে তো নয়। হতেও পারে এমনকিছু। আর পড়তে বা শুনতে চাইলে, সেটা করতে পারেন, অনীশ দেবের লেখা তো মসৃণগতিতে পড়ে ফেলা যায়, আর অডিওর ক্ষেত্রে কিছু কিছু জিনিস কানে লেগেছে আমার, আপনাদের নাও লাগতে পারে।
গল্পটা যে সময়ে লেখা হয়েছে সেই সময়ের হিসেবে বলতে গেলে খুবই দূরদর্শী এবং সেই সময়কাল অনুযায়ী যে ভবিষ্যত প্রযুক্তির কথা বলা হয়েছে সেগুলো খুবই প্রসংশনীয়। কিন্তু দ্বিতীয় পার্ট টা থেকেই আমরা কিছু চরিত্রের backstory জানতে শুরু করি। যেমন গল্পের মূল ভিলেন যে শ্রীধর পাট্টা, ডক্টর রঙ্গপ্রকাশ এবং তাঁর পরিবার, সুধাসুন্দরী, সুখারাম, প্যাসকো। শেষের দিকে এই backstory গুলো খুবই repititive লাগে। বিশেষত প্যাসকো এবং সুধার backstory দুটো খুবই elongated বলে মনে হয়েছে আমার (ব্যক্তিগত মতামত)। তাই কিছু চরিত্রের backstory এর পিছনে সময় নষ্ট না করে ক্লাইম্যাক্স টা আরেকটু বিস্তারিত এবং সময় নিয়ে হলে খুবই সুন্দর হতো। বিশেষত অধিকাংশ backstory গুলোরই যেখানে মূল কাহিনীর সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। আসল কিল গেমে যখন পৌঁছাই এত backstory র শেষে তখন মাত্র 60 পৃষ্ঠা বাকি থাকে। এবং বেশ সহজেই যেন নায়কের পক্ষে জয় এসে পড়ে। বিশেষত যেখানে অন্তিম খুনীর সাথে জিশানের অন্তিম মোকাবিলা হয় সেখানে একটা গুলিখাওয়া বাঘের আক্রমণে খুনী মারা গেলো...this was too convenient. এই একটি ত্রুটি সরিয়ে রাখলে যেভাবে ভবিষ্যতের পৃথিবীকে বর্ণনা করা হয়েছে তাতে নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ফিউচারিস্টিক থ্রিলার বলা চলে উপন্যাসটিকে।
This entire review has been hidden because of spoilers.