জয় করবে বলে জন্মেছে মানুষ, হারবে বলে নয়। পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বাতাসে কার্বন বেড়ে গেছে। বাতাসে কার্বন বাড়িয়ে তুলেছে মানুষ। সুবিধাবাদী মানুষেরা ভিনগ্রহে বাস করার জন্য পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছে। পৃথিবীর সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা তা মেনে নিল না। তারা একজোট হলো। বলল, পালিয়ে বাঁচা যায় না। আমাদের পৃথিবীকে আমাদেরই বাঁচাতে হবে।
মানুষের জীবন হয়ে পড়েছে অতিমাত্রায় যন্ত্র নির্ভর। যন্ত্র কখনো মানুষের আগামী হতে পারে না। যন্ত্র কখনো মানুষের মুক্তি এনে দিতে পারে না। যা পারে তা হচ্ছে দাসত্ব। মানুষ হবে স্বাধীন, আত্মনির্ভরশীল।
মানুষের সম্মান আর মর্যাদা নিয়ে লেখা ১০টি সায়েন্স ফিকশনের সংকলন ন্যানিন। গল্পগুলোতে শুধু সায়েন্সের সঙ্গে ফিকশন মেশানো হয়নি, গল্পগুলো লেখা হয়েছে মানুষের মুক্তির আখ্যান হিসেবে।
দীপু মাহমুদ (Dipu Mahmud) জন্ম ২৫ মে ১৯৬৫, নানাবাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গার গ্রাগপুর গ্রামে। শৈশব ও বাল্যকাল কেটেছে দাদাবাড়ি হাটবোয়ালিয়া গ্রামে। বেড়ে ওঠা স্নেহময়ী, কালিশংকরপুর, কুষ্টিয়া। পিতা প্রফেসর মোহাম্মদ কামরুল হুদা, মা হামিদা বেগম। পড়াশোনা করেছেন কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতায়। আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পিএইচডি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিতে। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা আটানব্বইটি। লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কার, সায়েন্স ফিকশন সাহিত্য পুরস্কার, এম নুরুল কাদের শিশুসাহিত্য পুরস্কার, অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ শিশুসাহিত্য পুরস্কার, শিশুসাহিত্যিক মোহাম্মদ নাসির আলী স্বর্ণপদক, নবাব সিরাজউদ্দৌলা স্বর্ণপদক, আনন্দ আলো শিশুসাহিত্য পুরস্কার, সাহিত্য দিগন্ত লেখক পুরস্কার, আবু হাসান শাহীন স্মৃতি শিশুসাহিত্য পুরস্কার, কবি জীবনানন্দ দাশ স্মৃতিপদকসহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।