বাংলা সাহিত্যে এই এতগুলাে গােয়েন্দা, অথচ কেউ মদ খায় না কেন? শুধু সিগারেট খায়, চা খায়। গােয়েন্দা গল্পের নায়কেরা ভীষণ চরিত্রবান হয়, সাংঘাতিক চরিত্রবান। গােয়েন্দারা কখনােই সাংঘাতিক চরিত্রবান হতে পারে না। যার জীবনে স্থিতি নেই, তার জীবনে কি শারীরিক চাহিদাও নেই?
অঞ্জন দত্তের কলমে গোয়েন্দা সুব্রত শর্মার তিনটি রহস্য কাহিনী।
বাংলা সাহিত্যে গোয়েন্দা গল্পের ব্যাপ্তি ও পরিসর সত্যিই এক মহাবিশ্ব সম। প্রতি বছরই একগুচ্ছ আনকোরা টিকটিকির আগমন ঘটে বইমহলে। তারা কেউ কেউ আবার হারকিউলিইয়ান মাইন্ডসেটের অধিকারী, আবার কেউ বাঙালিদের বহুল পরিচিত ঘরোয়া দাদা, কাকা বা মাসী সমগোত্রীয়। একটু খুঁজে দেখলে আবার ডার্ক চকোলেটপ্রেমী দুএকজন আর্মচেয়ার ডিটেকটিভও পেলে পেয়ে যেতেই পারেন। তাই বলছি, মার্কেট যাকে বলে হাইলি স্যাচুরেটেড। সমাদর ও তিরস্কারের মাঝে, to each their own.
এইখানে আপনি জিজ্ঞেস করবেন, এতো ভিড়ের মাঝে সুব্রত শর্মার গপ্পো আমি পড়ব কেন? তার বৈশিষ্ট্য কি? আমি বলবো, কিস্যু না। আপনি যাবেন চমকে। বলবেন, সেকি? গোয়েন্দার কোনো ইউ-এস-পি থাকবে না? নেহাত সাড়ে ছ-ফুট উচ্চতা, একটা ঝা চকচকে বন্দুক, একটা দারুন সিনেমাটিক প্রেমিকা, দুটো নির্ভেজাল কিশোর স্যাটেলাইট? কিছুই না? আমি বলবো, না স্যার। সুব্রত শর্মা, এই আমার আপনার মতই একজন ভীষণ অগোছালো মধ্যবিত্ত মানুষ। গোয়েন্দাগীরি তার নেশা নয়। পেটের দায়ে এলিয়ট রোডের এক সস্তা ঘুপচি গোয়েন্দা এজেন্সিতে, সে ড্যানি ব্যানার্জীর কর্মাধীন মাত্র। যেখানকার বিশেষত্ব, কালেভদ্রে মক্কেল এবং আরও দেরিতে মাস মাইনে।
উনচল্লিশের ব্যাচেলর সুব্রত-র একঘেঁয়ে ডিমের কারি ও সস্তার রাম সিক্ত জীবন আচমকাই বদলে যায়, তার জ্ঞানপাপী নিয়োগকর্তার আকস্মিক মৃত্যুতে। নিটফল, তার এই নোংরা, অন্ধকার জগতের মাঝে ক্রমশই কুক্ষিগত হওয়া, এবং সত্যের প্রতি তৈরি হওয়া এক তীব্র আসক্তি। তার চোখের জল, তার অদ্ভুত সহমর্মিতা, সুন্দরী নারীদের প্রতি খানিক দুর্বলতা, আবার তার ভীষণ ড্রাই হিউমার। কোথাও গিয়ে সুব্রতকে করে তোলে ভীষণ স্বতন্ত্র।
মানছি, টেমপ্লেটটা চেনা। মার্কিন গোয়েন্দারা ষাট বছর আগেই এই ধূসর পৃথিবীর হদিস আমাদের দিয়ে গেছে। কলমের কালিতে, সিনেমার সাদা-কালো প্রতারণায়, স্যাম স্পেড, ফিলিপ মারলো, ডিক ট্রেসিরা আমাদের অনেকেরই চেনা এবং পছন্দের। কিন্তু সুব্রত শর্মার কাছে এরা সবাই এক জায়গায় পরাজিত। এবং সেটা, বাঙালিয়ানায়। ঠিকই পড়েছেন। ঠিক মাছে ভাতে না হলেও, একজন বাঙালি সংস্থার টিকটিকি হয়েও যে কলকাতা শহরের এমন নরম একটি রূপ মনে ধরা যায়, সুব্রত তারই জাজ্বল্যমান নিদর্শন। ডাক্তার লেনের ঘিঞ্জি ফ্ল্যাট, সস্তার রামের পুরনো বোতল, প্রতিবেশী স্যামুয়েলের ট্রাম্পেটের করুনতা, বিকেলের আজানের নৈস্বর্গিক কলতান। সুব্রত শর্মার অনুভূতিগুলো প্রতিনিয়ত আঁকড়ে ধরে তার চেনা পারিপার্শ্বিককে। এবং তাই এই নোংরা পাকের ঠিক মধ্যিখানে দাড়িয়েও সে নিজেকে হারিয়ে ফেলে না।
এইখানে বলে রাখা ভালো, পুরো বইটাই প্রথম পুরুষে বর্ণিত। পাঠক হিসেবে সুব্রত শর্মার মনের ভেতরে তাই আমাদের অবারিত দ্বার। বইটি তাই কোথাও গিয়ে হয়ে যায় একজন আনকোরা গোয়েন্দার অভিনব ক্যারেকটার স্টাডি। খুব কাছ থেকে আমরা পাই সুব্রতকে, অনুভব করি তার দুঃখ ও চাহিদাদের। সে ভয় পায়, তার ব্যথা লাগে। সেই ব্যথার রঙ অনেক। সেই ব্যথাতেও কবিতার পরশ। না চাইতেও বারেবারে পাঠক মন, সুব্রতর জবানির ভেতরে খুজে পায় আরেক অভিমানী গীতিকারকে। একটি তথাকথিত গোয়েন্দা গল্পে যেই মানুষটা লিখতে পারেন "মালাদি চলে গেলেন। রেখে গেলেন একটা ক্লান্ত ছাদ যেখানে ঘুড়ি ওড়াতে ইচ্ছে করে না।..."
ছোট ছোট সংলাপ, গতিময় গদ্য। লেখক অঞ্জন দত্তের লেখনীশৈলী সিনেমাটিক, এবং এক কথায় মনোরম। তার গোয়েন্দার জন্য এই জগৎটিকে তিনি বেশ মনোযোগ এবং কিঞ্চিৎ আবেগ দিয়ে তৈরি করেছেন। ভালো লাগে তার এই সচেতন প্রচেষ্টা। ভালো লাগে এই অন্যরকম গোয়েন্দাটিকে, এবং তার এই অপরিচিত জগৎ। বইতে তিনটে গল্পের, প্রথম 'সামসিং থেকে এক কিলোমিটার' ক্লিক ওটিটির দৌলতে আগেই দেখা। বইয়ের পাতায় বৃহৎ পরিসরে গল্পটি ডানা মেলে উড়তে পেরেছে ঠিকই, তবে হয়তো বা পূর্বপরিচয়ের জেরেই হোক, বা উত্তেজনার অভাবে, সংকলনের সবচেয়ে দুর্বল গল্প আমার মতে এটাই। অবশ্য উলটোটা ঠিক এরপরেই ঘটছে, কারণ বইয়ের দ্বিতীয় গল্প 'শিলং পাহাড়ের একটা রাত', আদতেই দারুণ এবং ভীষণ বহুমাত্রিক। তৃতীয় গপ্পো, 'পুরীর সমুদ্রের কালো জল' সম্বন্ধেও একই কথা প্রযোজ্য। এতোটা ভালো লেগে যাবে নিজেও হয়তো ভাবি নি।
গানের প্যাভিলিয়ন থেকে সচেতন ভাবে কলম ধরেছেন আগেও অনেকে। মাথায় আসে নচিকেতা চক্রবর্তী, রুপম ইসলাম বা অনুপম রায়দের নাম। তুলনা করছি না, সেই ভিড়ে ড্যানি ডিটেকটিভ আই এন সি, কোথায় নাম লেখাবে সেটা সময় বলবে। তারকার কলমের niche প্রচেষ্টা না হয়ে থেকে, সুব্রত শর্মা সার্বিক গ্রহণযোগ্যতা পাক, তাই চাইব। চাইব উঠে আসুক আরো অনেক অন্যধারার রহস্যসন্ধানীরা। তাতে আখেরে আমাদের মতো পাঠকদেরই লাভ। আর লাভ সুব্রত শর্মার। যদিও বা ঘোচে তার একাকীত্বের আফসোস। যদিও বা আসমুদ্র পাঁকে গা ভাসিয়ে, বেচে থাকে সত্যের সঙ্গে তার অসামাজিক সংসার। Jazz সঙ্গীতের তালে যা ক্রমাগত দুলছে। এবং আমার মন বলছে, ভবিষ্যতেও দুলবে।
বইটার ভূমিকায় অঞ্জন দত্তর একটা সাক্ষাৎকার আছে। সেখানে তিনি বলেছেন তার গোয়েন্দা গল্প পড়ার শুরু আমেরিকান হার্ড-বয়েলড ডিটেকটিভ নভেল দিয়ে; ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের সাথে তার পরিচয় হয়েছে পরে। সেজন্য যখন তিনি গোয়েন্দা সৃষ্টি করেছেন, সে হয়েছে আমেরিকার গোয়েন্দাদের মত অস্থির বাউন্ডুলে বাস্তববাদী এবং অনেকখানি দোষে-গুণে মেলানো চরিত্র। একই সাথে, মানব চরিত্রের অন্ধকার দিকগুলো না দেখালে বাস্তবসম্মত গোয়েন্দাকাহিনী হয় না, সমাজের কাদা না ঘাঁটলে গোয়েন্দা গল্প আর রূপকথায় পার্থক্য থাকে না। এ পর্যন্ত তার সাথে দ্বিমত করার উপায় নেই; পিউরিটান প্লেটোনিক গোয়েন্দারা এখন সাহিত্যে অনেকটাই নস্টালজিয়া। কিন্তু অঞ্জন বাবু যে কথাটা গল্প লেখার সময় ভুলে গেছেন সেটা হলো, গোয়েন্দা গল্পের প্রাণ হলো রহস্য সমাধানের বিশ্বাসযোগ্য ব্যাখ্যা আর গোয়েন্দার বুদ্ধির খেলা। উনার গোয়েন্দা ব্যাটাকে আমার কাছে মহা বেকুব মনে হয়েছে (বেকুবের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে আমি নিজেকে ধরি সবসময়; আমার কাছে যদি মনে হয় কেউ আমার থেকে বেকুব, সে আসলে মহাবেকুব); অথচ এই বেক্কল গোয়েন্দা তেমন কোন সূত্র বা ব্যাখ্যা ছাড়াই সব অপরাধীকে ধরে ফেলে। কিভাবে ধরে তার কোন আগামাথা নেই; হঠাৎ করে বাংলা সিরিয়ালের মত পর্দায় হাজির হয়ে মাইয়া ও মাইয়া তুই অপরাধী রে স্টাইলে ক্রিমিনাল কট আউট। কাহিনীও খুবই এলোমেলো; নন-লিনিয়ার স্টোরিলাইন বলেও চালানো যাবে না, বড়জোর গোঁজামিল বলা যায়। ওপার বাংলার গানের জগতের একসময়ের হৈচৈ ফেলে দেয়া ত্রয়ী সুমন-নচিকেতা-অঞ্জনের মাঝে সুমন পেশাগতভাবেই সাংবাদিক ছিলেন বলে তার লেখা অত্যন্ত পরিণত, পরিশীলিত এবং বুদ্ধিমত্তা ও বিশ্লেষণে উজ্জ্বল, বিষয়বস্তুও অনেক ভারিক্কি। এরপর নচিকেতাও লেখালেখিতে এসেছেন; এবং অপ্রত্যাশিতভাবে তার রহস্য কাহিনীগুলো চমৎকার লেগেছে; সোজাসরলভাবে লিখলেও সুপাঠ্য। এদের দেখাদেখি অঞ্জন লেখালেখিতে এসেছেন কিনা জানি না, কিন্তু গীতিকার ও গায়ক হিসেবে তিনি যতটাই উঁচুমানের, লেখক হিসেবে (অন্তত রহস্যগল্পের লেখক হিসেবে) তিনি ততটাই নিম্নমানের। সুব্রত শর্মা নামের একজন গোয়েন্দার যেমন রহস্যকাহিনীর জগতে কোন প্রয়োজন ছিল না, তেমনি অঞ্জন দত্ত নামের একজন লেখকেরও বাংলা সাহিত্যে কোন দরকার ছিল না।
নায়ক ও গোয়েন্দা সুব্রত শর্মাকে অঞ্জন দত্ত ইচ্ছে করেই বাঙলা ভাষার অন্যান্য গোয়েন্দার মতো নায়কোচিত ও কামলালসাহীন করে তুলতে চাননি। বইয়ের তিনটা গল্প গতিশীল। একটু বেশিই গতিশীল। একের পর এক ঘটনা ঘটতেই থাকে। আরেকটু বড় পরিসরে লিখলে পড়ে স্বস্তি পাওয়া যেতো। প্রথম গল্প তুলনামূলকভাবে দুর্বল। পরের দুটো গল্প ভালো(ই)। গুণ ও দোষ মিলিয়ে গোয়েন্দা সুব্রত শর্মাকে মনে ধরেছে। পরের বইটাও পড়ার ইচ্ছা রইলো।
তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে গল্প(একটু বেশিই) , আর এগিয়ে চলেছে সুব্রত শর্মা। দাদা, কাকা গোয়েন্দাদের ধার কাছ দিয়ে না গিয়েও সুব্রত শর্মা হিরো, হয়ত সবার কাছে না, তবুও হিরো। হাজার গোয়েন্দাদের মধ্যেও ছাপ ফেলতে পেরেছে বলেই মনে হল আমার।
অঞ্জন দত্ত বানাতে চাইলেন সবার চেয়ে আলাদা গোয়েন্দা। যে গোয়েন্দা অতো জ্ঞানী না। অতো সো-কল্ড গোছালো না। যে গোয়েন্দা মদ্যপ। বিয়ার বা রাম গলায় না পড়লে যার মাথা আগায় না। আর আগানো মাথা খুব একটা খাটায় ও না।
পাগলাটে বস এর ফেলে যাওয়া আকুতিকে পুজি করেই যে নিয়মিত ডিমরোল খেয়ে বসের নামে লাইসেন্সড পিস্তল টা নিয়ে নেমে পড়ে।
আইডিয়াটা দারুণ। তবে গল্পগুলো থ্রিলিং নয়। খুব বেশী গোয়েন্দাগিরির জায়গা দেয়নি লেখক, প্রোটাগনিস্টকে।
ড্যানি, কলকাতা সিআইডির এক অফিসার। কিন্তু মিথ্যা মামলায় ফেসে গিয়ে হারান নিজের চাকরি ৷ পরে বউয়ের পয়সায় তৈরি করেছেন একটি ডিটেকটিভ এজেন্সি। নাম দিয়েছেন ড্যানি ডিটেকটিভ এজেন্সি। ড্যানি সহকারী হিসেবে চাকরি করেন সংবাদপত্র থেকে সদ্য বহিষ্কারকৃত ক্রাইম জার্নালিস্ট সুব্রত শর্মা। এ বইটিতে মোট ৩টি গল্প আছে।
১.সামসিং থেকে এক কিলোমিটার
২.শিলং ক্লাবের একটি রাত
৩.পুরির সমুদ্রের কালো জল
🔹পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
'গোয়েন্দা' শব্দটি শুনলেই আমাদের মনের মধ্যে ভেসে উঠে এক সুঠামদেহী সুপুরুষ যার চরিত্র হবে সুন্দর। যার শক্তি ও বুদ্ধি দুটোই প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু এ গল্পের গোয়েন্দা সুব্রত শর্মা এর ব্যাতিক্রম। তার শক্তি বেশ কম, বন্দুক চালাতেও সেরকম পারদর্শী না। তার চরিত্রও বেশ নড়বড়ে।
বইটির কাহিনী খুবই সহজ ছিল। রহস্য গল্প তথা থ্রিলার বই হয়েও বইটিতে আমি কোনো থ্রিল পেলাম না। কাহিনীগুলোতে সেরকম কোনো রহস্য ছিল না। গোয়েন্দা সুব্রত শর্মাকে রহস্য উদঘাটনে সেরকম কোনো কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। সুব্রত শর্মা অনায়াসেই সকল রহস্য উন্মোচন করেছেন ৷ বলতে গেলে রহস্যগুলো জলের মতো পরিষ্কার ছিল। তবে কিছু স্থানের রহস্য ভালো লেগেছে।
আবার, লেখক বেশ কিছু স্থানে প্রাপ্তবয়স্ক দৃশ্য উপস্থাপন করেছেন। এসব দৃশ্যের অধিকাংশই আমার কাছে অতিরঞ্জিত লেগেছে। লেখক চাইলেই এসব দৃশ্য এড়িয়ে যেতে পারতেন কিংবা এগুলো ছাড়াও গল্প বর্ণনা করা যেত। সুব্রত শর্মা বেশ মদ্যপ। তার চরিত্র আমার কাছে সেরকম ভালো লাগেনি। সে সাধারণ খাদ্যের চেয়ে মদ বেশি খায়।
বইটির কাহিনী বর্ণনা বেশ সহজ এবং সাবলীল ছিল। কিছু স্থানে লেখা বুঝতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। হয়তো লেখক লিখতে গিয়ে বেশ অন্যমনস্ক ছিলেন।
Anjan Dutt is one of my favorite individuals. Be it his songs or movies or articles, I love them. So when I got to know that he has turned author and that too by creating a detective series, I ordered the book first thing. Overall a good start, and I am eager to read his next in the series, though would love a little bit more complicated plots. By the time I reached the 3rd story, I could feel a trend in all the stories (about which if I write here then would turn into spoilers). And may be hopefully, he wouldn’t use the work ‘shosta’ so many times.
গল্পগুলো মোটের ওপর খারাপ নয়। তবে ডিটেইলিং একেবারে নেই বললেই চলে। মনে হচ্ছে কোন চিত্রনাট্য পড়ছি। তবে অঞ্জন দত্তের লেখা অত্যন্ত সাবলীল, টানা পড়ে যেতে কোন সমস্যা হয় না। ডিটেইলিং থাকলে এবং একটু সময় নিয়ে লেখা হলে ভালো লাগত আরো।
প্রথম পর্ব টি শেষ করেছি অনেক আগেই। তবে দ্বিতীয় পর্ব টি কেনা থাকলেও তেমন নেশা মত্ত করতে সক্ষম হয় নি। তৃতীয় পর্ব কিনবো কিনা ভাবছি ;) তবে এই গল্প গুলিতে একটু গায়ের জোরে যৌনতা কে উপস্থাপন করার চেষ্টা হয়েছে!
হ্যাঁ ভাই গোয়েন্দারা কেনো ভদ্র সভ্য হবে। তাদের তো উচিত যেকোনো ক্লায়েন্টের সাথে শুয়ে পড়া। যতসব ফালতু, নষ্ট জিনিস লিখে নিজেদের সো কলড্ কুল ভাবার কি দরকার.... লেখা দেখেই বোঝা যায় চরিত্র কেমন... ছি!