Jump to ratings and reviews
Rate this book

আতঙ্কের রাত

Rate this book

Unknown Binding

2 people want to read

About the author

Sasthipada Chattopadhyay

88 books16 followers
Sasthipada Chattopadhyay (born 9 March 1941) was an Indian novelist and short story writer predominantly in the Bengali language. He was a well-known figure, famous for his juvenile detective stories, namely, the 'Pandob Goenda' series, as well as his contribution to children's fiction in general.

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়-এর জন্ম ২৫ ফাল্গুন ১৩৪৭। ইংরাজি ১৯৪১। মধ্য হাওড়া খুরুট ষষ্ঠীতলায়।

কিশোর বয়স থেকেই সাহিত্য সাধনার শুরু। ১৯৬১ সাল থেকে আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয় আলোচনীর সঙ্গে লেখালেখি সূত্রে যুক্ত থাকলেও ১৯৮১ সালে প্রকাশিত ছোটদের জন্য লেখা ‘পাণ্ডব গোয়েন্দা’ই লেখককে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। ‘পাণ্ডব গোয়েন্দা’র জনপ্রিয়তার পর থেকে বিরামহীনভাবে লিখে চলেছেন একটির পর একটি বই। মূলত অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়, তাই দেশে দেশে ঘুরে যে-সব দুর্লভ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন, তারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন তাঁর প্রতিটি লেখার ক্ষেত্রে।

মৃত্যু : ৩ মার্চ, ২০২৩

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (7%)
4 stars
9 (69%)
3 stars
1 (7%)
2 stars
0 (0%)
1 star
2 (15%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
288 reviews23 followers
November 5, 2023
আচ্ছা যদি কখনো আপনি বুঝতে পারছেন আপনি ছাড়াও বোধহয় ঘরে আর কারো অস্তিত্ব আছে! আপনি কী করবেন বলুন তো! আরে না না আমি আপনাকে ভয় দেখাচ্ছি না! আরে আমার কথাটা তো শুনুন, আমি তো অবনীর গল্পটা আপনাকে বলতে চাই। অবনী প্রতিরাতে কী ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয় সেটাই বরং বলি। আপনি একটু সাবধান হতে পারবেন।

আরে আমাদের এই জগতে সবকিছুই তো হিসাবের মধ্যে চলে না। কিছু কিছু ঘটনার কোনো ব্যাখা থাকে না। প্রতিনিয়ত ভয় গিলে খাচ্ছে সেই সব মানুষদের যারা মুখোমুখি হয়েছেন এইসব ঘটনার। দূর থেকে হয়তোবা কেউ কেউ পাগল ও ভাবে তাঁদের। আসলেই কী তাঁরা পাগল? নাকি অদৃশ্য কোনো কিছু তাঁদের মস্তিষ্কের দখল নিয়ে নিচ্ছে, আস্তে আস্তে ভয়ের চাদরে ঢাকা পড়ছে সব!

// কাহিনী সংক্ষেপ:

লেখকের বহুদিনের পুরনো বন্ধু অবনী হঠাৎ বাড়িতে এসে হাজির। অবনী প্রেস ফটোগ্রাফার। বিভিন্ন কাগজে ওর ছবি ছাপা হয়। এতদিনের পুরনো বন্ধুকে পেয়ে লেখক তো খুশি হলেন। কিন্তু সাথে তিনি অবনীর মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করলেন।

আগের পুরোনো মেজাজটা অবনীর মধ্যে নেই। কেমন যেনো একটা মনমরা, চুল উসকোখুসকো আর আতঙ্কিত ভাব। কিন্তু কেনো এমন আতঙ্কগ্রস্ত অবনী ! এতদিন পরে এসে তো পুরনো বন্ধুর সাথে সেই হাসিখুশি ভাবটা নেই তাঁর।

লেখক তারপর অবনীকে সত্যিই জিজ্ঞেস করলেন যে তাঁর কী হয়েছে। কেনো এমন মনমরা হয়ে আছে সে। অবনী বললো সে বোধহয় আর বেশিদিন বাঁচবে না। তাঁর বাড়িতে সে আর থাকতে পারছে না। দিন দিন অসহ্য হয়ে উঠেছে ওই বাড়িটা তাঁর কাছে।

লেখকের কথায় অবনী যা বললো তা হলো এরকম যে অবনীদের ওই বাড়িটা ত্রিবেনীতে গঙ্গার ধারে।অবনী একাই থাকে। অবনীর ছোট ভাই চাকরিসূত্রে বাইরেই থাকে। কিন্তু কিছুদিন ধরে ভয়ে তাঁর অবস্থা একদমই কাহিল। কয়েকদিন নাকি ভয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে ছিলো। ওই বাড়ি সে বেঁচে দেবে।

লেখক জিজ্ঞেস করলেন ভাইয়ের সাথে কথা বলেছে কী না অবনী। অবনী বললো সে সব কথা বলে রেখেছে, ভাই এখানেই চলে আসবে সরাসরি। অবনী লেখকের বাড়িতে ততদিন থাকতে চায়। সে টের পেয়ে গেছে ওই বাড়িতে যার অস্তিত্ব আছে সে আদৌ বোধহয় মানুষ নয়!

লেখক অবনীর প্রস্তাব শুনে উল্টো বললো সে নিজেই কয়েকদিন গিয়ে অবনীর সাথে থেকে ঘটনা দেখতে চায়। কিন্তু অবনী ওখানে যেতে নারাজ। ভয়ে একদম মুখ শুকিয়ে গেছে বেচারার।

লেখক সাহস দিয়ে অবনীকে নিয়ে যাত্রা করলেন ওর বাড়ি। ট্রেন থেকে নেমে স্টেশন থেকে রিকশায় চেপে অবনীদের বাড়ি। কিন্তু অবনীর সাথে লেখককে দেখে ফিসফিস করে আশেপাশের লোকজনেরা, দোকানদার কি যেনো বললো।

লেখককে দেখে পাশের বাড়ির এক মহিলা বললেন অবনী নাকি রাতের বেলায় প্রায়শই চিৎকার করে, আর ঘরময় ছোটাছুটি করে বেড়ায়। তিনি অবনীর জন্য বড় চিন্তিত। দোকানের লোকেদের মধ্যে ছোকড়া গোছের এক ছেলে বললো একদিন রাতে অবনীর চিৎকার শুনে সে আর আরেকজন লোক নাকি অবনীকে বাঁচাতে গিয়েছিল। কিন্তু আশ্চর্য কথা হচ্ছে তাঁরা যখন বাড়িতে গিয়ে পৌঁছেছে দেখল সদর দরজা ভেতর থেকে বন্ধ।

তাঁরা দরজায় হাঁকডাক করে দরজা ধাক্কা দিলো। ওমনি আপনাআপনি দরজা কে যেনো খুলে দিলো! অবনী দোতলায় থাকে। দৌড়ে ওরা দোতলায় উঠতেই ওখানের দরজাও কে যেনো খুলে দিলো আপনাআপনি! কিন্তু এটা কী করে সম্ভব! অবনী তখন অজ্ঞান হয়ে পড়ে ছিল। দরজা খুললো কে?

লেখক সব শুনে নিজেও একটু চিন্তিত হলেন। আজ রাতেও কী তবে এমন কিছু হবে? কার অস্তিত্ব আছে ওই বাড়িতে? আতঙ্কের রাত এটা! বড় আতঙ্কের রাত! ভয় গিলে খাচ্ছে আস্তে আস্তে এবার লেখককেও। কী হবে আজ রাতে তবে?

// পাঠ প্রতিক্রিয়া:

ভূতের গল্পে রহস্য না থাকলে আমার কাছে ঠিক জমে না। এবং রহস্যময় ঘটনার যবনিকা পতন শেষে হলে বরং আরো বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়। কিন্তু এখানে একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে অবনী আগেই স্বীকার করেছে তাঁর বাড়িতে সে কারো অস্তিত্ব অনুভব করে। এবং সেটা অশরীরী আত্মা।

এখন আপনি যদি গল্পটা এখানেই থামিয়ে দেন যে না এটাও হয়তোবা আপনার অনুমান অনুযায়ী এগোবে তাহলে কিন্তু গল্পের আসল মজাটা পাওয়া যাবে না। ছোটগল্প আকারে ছোট বলেই খুব দ্রুত ফুরিয়ে যায়। তবে এখান থেকে লেখক যদি ভালো কিছু বের করে আনতে পারেন সেটা লেখকের কৃতিত্ব এবং আপনিও পাঠক হিসেবে মজা পাবেন।

ষষ্টিপদ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাপ সেই পান্ডব গোয়েন্দায়। ওনার ভৌতিক গল্পগুলোতে খুব বেশি টুইস্ট না থাকলেও একদম খারাপ বলা যাবে না। ভয়ের মাত্রা একদম ঠিকঠাক ছিলো।

সব মিলিয়ে পাঠক হিসেবে মজা পেয়েছি এটাই বড় কথা। এবং গল্পের ছলে কিছুটা ভয়ের খোঁজ।

বইয়ের নামঃ "আতঙ্কের রাত"
লেখকঃ ষষ্টিপদ চট্টোপাধ্যায়
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪.৪/৫
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.