Jump to ratings and reviews
Rate this book

ছবি আঁকে, ছিঁড়ে ফ্যালে

Rate this book
কাব্যগ্রন্থ

50 pages, Hardcover

Published February 3, 1991

Loading...
Loading...

About the author

Shakti Chattopadhyay

68 books109 followers
শক্তি চট্টোপাধ্যায়-এর জন্ম ২৫ নভেম্বর ১৯৩৩, বহড়ু, চব্বিশ পরগনা। শৈশবে পিতৃহীন। বহড়ুতে মাতামহের কাছে ও বাগবাজারে মাতুলালয়ে বড় হন। পড়াশোনা: বহড়ু হাইস্কুল, মহারাজা কাশিমবাজার স্কুল, প্রেসিডেন্সি কলেজ; যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্যে অধ্যয়ন অসমাপ্ত। বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকায় ‘যম’ কবিতা লিখে (১৯৫৬) সাহিত্যজগতে প্রবেশ। যুক্ত ছিলেন কৃত্তিবাস পত্রিকার সঙ্গে। ‘কবিতা সাপ্তাহিকী’ পত্রিকা প্রকাশ করে আলোড়ন তুলেছিলেন কবিতাজগতে৷ প্রণীত, অনূদিত-সম্পাদিত কবিতা ও গদ্যগ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক, তা ছাড়া অজস্র অগ্রন্থিত রচনা ছড়িয়ে আছে পত্রপত্রিকায়। পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার, সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, সম্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গঙ্গাধর মেহের পুরস্কার, মরণোত্তর রবীন্দ্র পুরস্কার। জীবিকাক্ষেত্রে সাংবাদিক হিসেবে যুক্ত ছিলেন আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে। অতিথি-অধ্যাপক হিসেবে বিশ্বভারতীতে সৃষ্টিশীল সাহিত্যের অধ্যাপনায় রত থাকাকালীন অকস্মাৎ হৃদরোগে শান্তিনিকেতনে মৃত্যু, ২৩ মার্চ ১৯৯৫।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
2 (100%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for NaYeeM.
229 reviews67 followers
April 11, 2022
"কেমন সহজে কথা সাজিয়ে-গুছিয়ে
বলো, আমি মুগ্ধ চোখে দেখি তব মুখ,
এখনো মুগ্ধতা আসে, অন্ধকার জ্বলে!"


শক্তির কবিতাতে দেখা যাবে উনি নিজস্ব প্যাটার্নকে ভাঙছেন, আবার গড়ছেন নতুন আঙ্গিকে।। অর্থাৎ নতুনভাবে, এক-এক ভাবে উনাকে আবিষ্কার করা।
এই যে নতুনভাবে উনাকে আবিষ্কার করার ইচ্ছা এবং আকাঙ্খা নিয়েই উনার বই পড়তে বসি এবং একটা শেষ করে আরেকটা পড়ার ইচ্ছে আরো জাগ্রত হতে থাকে আমার মধ্যে।।

"কষ্ট, তা কি নর্দমার দুষ্ট গন্ধ, মাছি কিংবা মশা
এতই সহজ নাকি কষ্টের কামড়?

তোমাকে না দেখে, দেখে কষ্ট পাই—তার মতো সুখ
জীবনে একবারও যদি পেয়ে যেতে, মুক্ত হয়ে যেতে"


শক্তির কবিতাগুলো যেন এক-একটা রহস্য!
তবে এই বইয়ের কবিতাগুলো আমাকে তেমন টানলো না।
এই বইয়ের কবিতাতে শক্তির শক্তিমাত্রা কম ছিল।।
তবে কিছু কবিতা বেশ গভীর ছিল।
কিন্তু সত্যি বলতে কি,, এমন কবিতা অন্য কবি লিখলে হয়তো ভাল লাগতো।। কিন্তু এখন পর্যন্ত শক্তি নিয়ে, শক্তির উচ্চতা নিয়ে আমার যা ধারণা হয়েছে সেই হিসেবে এই বইয়ের অনেক কবিতা তেমন টানেনি আমাকে।।

"জীবনযাপনে কিছু ঢিলেঢালা ভাব এসে গেছে।
চেতনার ক্ষিপ্র কাজ এখন তেমন ক্ষিপ্র নয়—
কেমন আলস্যে আমি শুয়ে থাকি, আর দেখি চাঁদ,
বাঘের মুড়োর মতো চাঁদ পড়ে আমার বাগানে।
আমার ক্ষিপ্রতা গেছে, তার সঙ্গে গেছে হিংসা লোভ,
কবি হয়ে দাঁড়াবার আর কোনো সাধ নেই মনে।
শেষ হয়ে গেছে লোকটা, এও শুনে লাগে না আঁচড়
গায়ে, সব শুনে শুই পাশ ফিরে সম্ভ্রান্ত বিশ্রামে"


এই কবিতাংশ টা দেওয়ার পেছনে একটা কারণ হলো,
এই বইটা প্রকাশ হয় ১৯৯১ সালে(উনি মারা যান ১৯৯৫ সালে)। তো বইটির শেষের কিছু কবিতা পড়ে মনে হয়েছে মৃত্যুর আগে মানুষের যেমন জীবনের আলো নিভে যেতে থাকে, ঝরে পড়তে থাকে উদ্যম এবং কিছু করার ইচ্ছা মরে যেতে থাকে,, ঠিক তেমন কিছু অনুভূতির প্রকাশ পেয়েছে।। আরো প্রকাশ মানুষ যে তাকে নিয়ে নেগেটিভ কথা বলছে তা, তবে তাতেও যেন উনার উদ্যম বাড়ছে না, কোনো বিরুদ্ধে বলারও অবকাশ নেই যেন।।
শেষের দিকের কবিতাগুলোতে উনি যেন কবিতাতে গভীরতা আনতে চাননি, উনি শুধু চাচ্ছিলেন সহজভাবে নিজের ভেতরের কিছু কথা বলতে।।
তাছাড়া আরো কিছু কবিতাতে উঠে এসেছে উনার বাড়ি-ঘর, উনার সন্তানদের কথা

তো সবমিলিয়ে মনে হলো হালকা কিছু কবিতা পড়লাম যেগুলো শক্তির সাথে যাচ্ছিলো না, আবার শক্তির নিজের ভেতরের আক্ষেপের কথা শুনলাম, আবার তার পারিবারও চলে এসেছে কবিতাতে।।
যেন কবিতাতে শক্তির জীবনযাপন নিয়ে পড়া হলো

"যৎসামান্য পথ্য দিও আমার অসুখে!
নতুন বাড়িতে দিও একটি ছোটো ঘর,
কাগজে বোঝাই হোক, বইপত্রে ঠাসা,
যৎসামান্য পথ্য দিও আমার অসুখে।
থাকবে যথেষ্ট মদ্য, কিছু পদ্য আর সিগারেট
মনে হলে খেতে পারি, এমনি উচিত স্বাধীনতা—
ভোগ করবো যে কদিন বেঁচে থাকবো সেই ছোট ঘরে"
Displaying 1 of 1 review