লোকচরিত্রের মুখে লোকভাষার ব্যবহার কালিদাসের আমল থেকেই প্রচলিত। আধ্নিক কালেও এর জের চলছে; সেজন্য নীলদর্পণ কি পটলডাঙার পাঁচালী, পদ্মানদীর মাঝি কি হাঁসুলিবাঁকের উপকথায় আমরা প্রাকৃত কন্ঠস্বর শুনতে পাই। এবং মনে হয় চরিত্রকে অধিকতর 'স্বাভাবিক' করার শৈল্পিক তাগিদ থেকেই এই রীতির জন্ম। কিন্তু আমি এর অর্থ বুঝিনে; সাহিত্য জিনিশটাই তো কৃত্রিম ও নির্বাচিত! সে হিসেবে প্রাকৃতজনের সংলাপেও খানিকটা কৃত্রিমতার আমদানি করলে ক্ষতিটা কোথায়? চরিত্রকে 'স্বাভাবিক' করার চেষ্টায় আমি এ-বইয়ে আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করি নি। চিত্রী যেমন বিভিন্ন রং দিয়ে একটি সৃষ্টি সম্পূর্ণ করেন, তেমনিভাবে আমি বিভিন ভাষার রং ব্যবহার করেছি মাত্র; কর্ণফুলীর জীবনধারা , সবুজ প্রকৃতি, শ্যামল পাহাড় ও সাগর সঙ্গমে বয়ে চলা প্রবাহের মতোই এই ভাষা অবিভাজ্য। শিল্পসিদ্ধির জন্য এর অবলম্বন আমার কাছে অপরিহার্যরূপে গণ্য হয়েছে। সকল পাঠককে এই সংলাপের প্রত্যকেটি কথা বুঝতে হবে এমন কোনো কথা নেই; মোটামুটি আবহটুকুন অধিকাংশের মনে এলেই যথেষ্ট। সংলাপ গঠনে চট্টগ্রাম ও চাকমা অঞ্চলের কয়েকজন বন্ধু বিশেষভাবে সাহায্য করেছেন তাঁদের সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
Alauddin Al-Azad (Bangla: আলাউদ্দিন আল আজাদ) was a modern Bangladeshi author, novelist, and poet. He was a student of Bangla literature in Dhaka University. He received his PhD from London University in 1970 for his work 'Iswar Gupter Jeebon o Kabita' (ঈশ্বরগুপ্তের জীবন ও কবিতা).
Azad was born in Dhaka. He was a professor of Bangla literature. Also he was a first secretary of Bangladesh High Commission in Moskow.
He was honored with Bangla Academy Award (1965), UNESCO Award (1965), National Film Award (1977) and Ekushey Padak (1986).