Jump to ratings and reviews
Rate this book

হিন্দু সভ্যতার নৃতাত্ত্বিক ভাষা

Rate this book

64 pages, Hardcover

Published February 1, 2012

Loading...
Loading...

About the author

Atul Sur

19 books2 followers
ডক্টর অতুল সুর প্রখ্যাত নৃতত্ত্ববিদ, ইতিহাস বিদ ও সমাজ-বিজ্ঞানী বিদ্বৎ সমাজে ‘দুধর্ষ’ পণ্ডিত রূপে আখ্যাত। বয়স ৯২ বৎসর। রচিত গ্রন্থ সংখ্যা ১৫৪।কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্র ও অধ্যাপক। ‘প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি ও নৃতত্ত্ব’ বিষয়ে এম.এ. পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে সুবর্ণ পদক ও পুরস্কার পেয়েছিলেন। অর্থনীতিতে সপ্রশংশ ডি.এস.সি উপাধি পেয়েছেন। দশ বৎসর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপনা করেছেন।লেখক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘রবীন্দ্রপুরস্কার’ পেয়েছেন। মধুসূদন ও রামমোহন পুরস্কার পেয়েছেন। নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন থেকে সুশীলা দেবী বিড়লা পুরস্কার পেয়েছেন।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
3 (100%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 42 books1,913 followers
May 11, 2022
এই নিরাভরণ অথচ অত্যন্ত মূল্যবান বইটিতে এইক'টি লেখা আছে~
১. নৃতত্ত্ব ও হিন্দুসভ্যতা;
২. হিন্দুসভ্যতার উৎস;
৩. দুই সভ্যতার সংঘর্ষ ও সংশ্লেষণ;
৪. বৈদিক যুগের নৃতাত্ত্বিক পরিচয়;
৫. ইতিহাস ও মহাকাব্যের সীমানায়;
৬. সমাজ, সংস্কৃতি ও ধর্ম;
৭. তন্ত্রধর্মের উৎস ও বিকাশ;
৮. সমাজগঠনে জাতিভেদ;
৯. মধ্যযুগে বাঙালি সমাজের বিবর্তন;
পরিশিষ্ট ক: বাঙালি সমাজের লুপ্ত বিবাহ;
পরিশিষ্ট খ: অবৈধ সন্তানের সামাজিক স্বীকৃতি।
এই লেখাগুলো এখনও বিশেষভাবে পড়ার মতো, কারণ,
প্রথমত, ভারতীয় তথা অধুনা 'হিন্দু' নামে কথিত সংস্কৃতির অধিকাংশই যে সিন্ধুসভ্যতার নানা প্রথা ও রীতি থেকেই বিবর্তিত হয়েছে— এ-কথা একেবারে দ্ব্যর্থহীন ভঙ্গিতে বলা হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাহিত্যিক ও ধর্মীয় উপাদানের বিশ্লেষণ করে ভারতের ইতিহাসকে স্পষ্টতর করে তোলা হয়েছে।
তৃতীয়ত, তন্ত্র যে কোনো 'অর্বাচীন' 'বিকৃতি' নয়, বরং ভারতীয় অধ্যাত্মবোধের সবচেয়ে আদি প্রকাশ যে সেটি— এও এতে দেখানো হয়েছে।
এই বইয়ের একমাত্র দুর্বলতা হল এর আর্য-অনার্য বিভাজন তথা সেটিকেই ইতিহাসের কাঠামো নির্মাণে ব্যবহার করা। ওটিকে উপেক্ষা করে মূল বক্তব্যে ডুব দিলে এই বইয়ের রত্নাকর-রূপটি বোঝা যায়।
সুযোগ পেলে অবশ্যই পড়ুন।
Displaying 1 of 1 review