গতকাল রাত্রে ২০২২ সালে রিলিজ হওয়া ইন্দ্রানীল সেনগুপ্তের অভিনীত ফেলুদার হত্যাপুরী অভিযান নিয়ে করা সিনেমাটা দেখা শুরু করছিলাম কিন্তু পরাক্ষণে মন বলল, তগে বইটা না পড়ে সিনেমা দেখা হয়ত ঠিক হচ্ছে না। তাই মুভি pause করেই আগে বইয়ের পৃষ্ঠায় নজর দিলাম। আর হারিয়ে গেলাম পুরীতে।
সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টি, বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় গোয়েন্দা হচ্ছে ফেলু মিত্তির। চরমম আসক্তি ধরানো এই সিরিজটা এ মাসে প্রায় শেষের দিকে নিয়ে এসেছি পড়ে। এত এত উপভোগ করছি তা বলার বাইরে। কি অসম্ভব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন লেখক।
তবে এই গল্পটা কেন জানি শেষে গিয়ে খাই হারিয়ে ফেললো। সবই ঠিকঠাক ছিল, হঠাৎ করে কি যে হল। কেস সলভের জায়গাটা অনেক প্যাচঘ্যোচ লাগছে। সে যাইহোক, এখন মুভিটা দেখব, আর তর সইছে না।
ভালো লাগল না। মুখভাব বা এক্সপ্রেশনগুলো অতটা সুগভীর নয়। কিছু কিছু জায়গায় মনে হলো চেহারাগুলো সুসমঞ্জসও নয়। শিল্পী নই, তবে জিজ্ঞেস করি, জলরঙের ব্যবহার কি রোমাঞ্চোপন্যাসকে হালকা করে ফেলল? অ্যাকশনের জন্য ঠিক উপযোগী লাগল না। মন্দির প্রাচীরের কারুকাজগুলো সূক্ষ্ম করতে পারতেন অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মেহেদী হক এই কাজটা ভালো করতেন হয়তো।
Brought out the Volume 2 of the complete collection to read this story before watching the newly released movie directed by the son of the great Satyajit Ray.