"বিধবস্ত নীলিমা" শুরু করে মনটা খুব উদাস হয়েছে। মনে হয়েছে, কেন বেঁচে থাকা? ভালবাসা, সমাজ এবং রাষ্ট্র প্রতিনিয়ত শোষণ হচ্ছে শোষিতের কাছে। সমাজের নীচু শ্রেণী বলে যাদের ধিক্কার উঠে গলা পর্যন্ত তাদের জন্য তুমি কি ধনীত্ব অর্জন করো নি?
আত্মার মুক্তি জন্য তোমরা যে এই শহরে ভালবাসা ভালবাসা করো, নিজেকে ভালবাসা না কেন তোমরা? নীলিমা তো সুন্দর, সে কি চাইলে জীবনসঙ্গী হিসেবে তারাদের পায় না? সে কেন একা জানো? সে জানে, জীবনে নিজের কাছে গল্প করে স্বপ্ন দেখা সুন্দর।
কবির মতো আমি তো ভালবাসতে চাইনি! কখনো গোলাপ হাতে প্রেমিকার দরজায় কড়া নাড়তে আমি তো কবির মতো নাকোচ করেছি প্রেমিকার প্রস্তাব। বারান্দার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে তার নামে দুঃখ লিখতে আমার কোন ইচ্ছে নেই।
প্রতিটি কবিতার মাঝে সৌন্দর্য আছে। বুদ্বিমত্তা আর প্রগাঢ় গভীরতা দিয়ে বলা শব্দগুচ্ছ জীবনকে ব্যাখ্যা করে। যেখানে আঁধার ঘনাবে সেইখানে যেন কবির কবিতা পৌঁছাবে।
সমলোচনা করা যায়, একটি জায়গায়; কবি যেন হারিয়ে গেছেন নিজ বাসভূমে। যেনো অস্পর্শী-বিমূর্ত কোন চেতনাকে তিনি তুলে এনেছেন। সমাজের গভীর বিষাদ কবিতাকে তার স্পর্শ করেনি। তবু তিনি অসাধারণ ।