সমরেশ বসুর তৃতীয় উপন্যাস। আতপুর জগদ্দল অঞ্চলের শ্রমিকাঞ্চল প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে এ উপন্যাসে ব্যবহৃত হয়েছে। পাট ও পটধৃত চরিত্রে এক অসামান্য অন্বয় সমরেশ অর্জন করলেন এখানে। উপন্যাসটির প্রধান লক্ষণ সম্বন্ধে পার্থপ্রতিম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন—‘বি. টি. রোডের ধারে’ উপন্যাসের বাস্তব প্রকৃতিবাদী হবার যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল; কিংবা একপেশে হয়ে যাবার।
কিন্তু লেখকের সচেতনতায় এর কোনটাই হয়নি। ---বস্তি জীবনের প্রায় নৈর্ব্যক্তিক আলেখ্য উপন্যাসটি মানুষের জটিল মনঃসমীক্ষণে মানবিকও বটে। সমরেশের কাছে এই উপন্যাসটির এক আলাদা গুরুত্ব ছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘বি. টি. রোডের ধারের পাণ্ডুলিপি হারিয়ে একরাত্রেই পাগলপ্রায় হয়েছিলাম, মনে করতাম তার প্রধান পুরুষ চরিত্রটি প্রত্যক্ষত আমিই, কারণ একটা মহত্ত্বের প্রবণতা, তখন সম্ভবত আমার অবচেতনে ক্রিয়াশীল হয়েছিল। '
গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয় সত্যমাস্টারকে। বিষয়, পটভূমি, মানুষজন, এবং উৎসর্গে উদ্দিষ্ট ব্যক্তির এমন সংযোগ সম্পর্ক দুর্লভ ।
Samaresh Basu (Bengali: সমরেশ বসু) was born in December 22, 1924. He spent his early childhood in Bikrampur, Dhaka. He also wrote under the pen-name of Kalkut.
He would in later days recall the deep impressions that the Brata-kathas (fantastic folk-tales recited by women while performing certain religious rites) narrated by his mother left on him as a child. His adolescent years were spent in Naihati, a suburb of Kolkata, in West Bengal. His life was rich with varied experiences. At one point, he used to hawk eggs from a basket carried on his head; later, he worked for meager daily wages. From 1943 through 1949 he worked in an ordnance factory in Ichhapore. He was an active member of the trade union and the Communist Party for a period, and was jailed for during 1949-50 when the party was declared illegal. While in jail, he wrote Uttaranga,his first published novel. Soon after his release from the jail, he began to write professionally, refusing to join the factory even when offered his old job. When he was only 21, he wrote his first novel Nayanpurer Mati, later published in Parichay. it was never published as a book. Adab was his first short story published in Parichay in 1946. A prolific writer with more than 200 short stories and 100 novels, including those written under the aliases "Kalkut" and "Bhramar", Samaresh Basu is a major figure in Bangla fiction. His life experiences populated his writings with themes ranging from political activism to working class life to sexuality. Two of his novels had been briefly banned on charges of obscenity. The case against one of these, Prajapati (Bangla:প্রজাপতি), was settled in the Supreme Court of India which overturned, in 1985, the rulings of the two lower courts. Among other intellectuals, Buddhadeva Bose, himself once accused of similar charges for his রাত ভ'রে বৃষ্টি, came out strongly in support of Samaresh. To quote from Sumanta Banerjee's recent translation Selected Stories (Vol.1), Samaresh Basu "remains the most representative storyteller of Bengal's suburban life, as distinct from other well-known Bengali authors who had faithfully painted the life and problems of either Bengal's rural society or the urban middle class. Basu draws on his lived experience of Calcutta's `half-rural, half-urban,' industrial suburbs." While the pen-name "Kalkut" was adopted in 1952 for the immediate need to publish an overtly political piece, the real "Kalkut" can be said to have been born with the publication of Amritakumbher Sandhane, a hugely popular, semi-autobiographical narrative centered around the Kumbha-mela. The many subsequent books by Kalkut had depicted the lives of the common people from all over India and all walks of life (including those who live on the periphery of the "mainstream") with their varied cultures and religious practices in a unique style that was Kalkut's own. He also drew upon the recollections of the Puranas and Itihas; Shamba (Bangla:শাম্ব), an interesting modern interpretation of the Puranic tales, won the Sahitya Akademi Award in 1980. Samaresh Basu breathed his last on March 12, 1988.
আঠারো কিলোমিটার লম্বা বি টি রোড ("ব্যারাকপুর ট্রাঙ্ক রোড"— ব্যারাকপুর থেকে কলকাতা যাতায়াতের রাস্তা) ছিলো বাংলার শিল্পউদ্যোগের প্রাণকেন্দ্র। একটা সময়, এই মহাসড়কটির দুধারে ছিলো অজস্র বড় বড় কলকারখানা। কারখানার অদূরেই থাকতো শ্রমিকদের বসবাসের বস্তি। পশুরাও সেইসব অস্বাস্থ্যকর বস্তির চেয়ে উত্তম জায়গায় বাস করে। এমনই একটি শ্রীহীন বস্তি এবং সেই বস্তিবাসী ততোধিক শ্রীহীন মানুষদের ঘিরে আবর্তিত হয়েছে এই উপন্যাসের কাহিনি।
সমরেশ বসুর লেখকজীবনের শুরুর দিকের রচনা এটি। সম্ভবত এই উপন্যাসটির মাধ্যমেই প্রথম পাঠকপরিচিতি পেয়েছিলেন লেখক। কিন্তু আমার একদম ভালো লাগলো না। সম্ভাবনা ছিলো অনেক। বিষয়বস্তুর ব্যাপারে লেখকের অভিজ্ঞতাও যথেষ্ট, বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু অতিনাটকীয়তার উপদ্রবে খুব বিরক্ত হয়েছি পড়ার সময়। চরিত্র, ঘটনা, সংলাপ— সবকিছুই চড়াসুরে বাঁধা, যেন সস্তার যাত্রাপালা চলছে। শ্রমিকদের জীবন এবং সংগ্রাম নিয়ে পরবর্তীকালে এর চেয়ে ঢের ভালো উপন্যাস লিখেছেন সমরেশ।
না। এ বইয়ের সার্থক মূল্যায়ন করার ক্ষমতা আমার মধ্যে আপাতত নেই। হয়তো ভবিষ্যতে কিছু লিখবো। হয়তো। No guarantees.
পাঠক হিসেবে ব্যাক্তিগতভাবে সামাজিক উপন্যাস পড়তে বসলে মাঝেমধ্যে মনে হয়েই থাকে, বাহ! কি সুন্দর সহজপন্থায় জটিলতার বহিঃপ্রকাশ করেছেন লেখক। একটু চেষ্টা করলে কি আমিও পারবো না?
এই বইটি পড়তে পড়তে, সেই প্রশ্নখানা কড়া নেড়েছে কয়েকবার। দুঃখের কথা, তাদেরকে দোর হতেই বিদেয় দিতে হয়েছে। আমি বদ্ধপরিকর, এ জিনিস সবাই লিখতে পারে না। সমরেশ বসু ওই একটিই ছিলেন, তাকে অনুকরন করা যায় মাত্র, তবে ওটুকুই। তার চেয়ে বেশি, বাতুলতা।
"হ্যাঁ, মুক্তি সে পথের, দূর-দূরান্তরের, সব ছাড়ার, সব হারানোর। ...তবু হায়রে মানুষের মন ! যে আকাশটুকু না হলে তোর বাঁচন নেই, সেই আকাশের তলায় তুই আবার গড়িস ঘর, বেঁচে থাকিস রোগ বালাই নিয়ে, ঝড়ে বন্যায় দাঁড়াস বুক দিয়ে, নাড়ি-ছেঁড়া তোর রক্ত বীজের ধন দিয়ে করিস সোহাগ । পৃথিবী ছাড়ালে কি ছাড়িয়ে যাওয়া যায় মানুষকে। আর পৃথিবী জুড়ে আছে পথ, কিন্তু তার ধারে ধারে আছে কোটি ঘর।"
ধোঁয়াটে শিল্পাঞ্চলের ক্লান্ত সন্ধ্যায়, যেখানে সাহিত্যের দেহে লেগে থাকে ঘাম, কালি আর কঠোর বাস্তবতার চিরচিহ্ন, সেইখানে একা দাঁড়িয়ে আছেন এক লেখক—রক্তমাংসের লেখক—সমরেশ বসু। শুধু দরিদ্র মানুষের কথা লিখতেন না তিনি, তাদের মতো করেই বাঁচতেন। 'বি. টি. রোডের ধারে'–র মতো উপন্যাস যেন এক শ্রমিকবস্তির দিনপঞ্জি, অথচ তা কেবল রিপোর্ট নয়, একটা জ্বলন্ত যন্ত্রণা, একধরনের মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব।
এই লেখার প্রকৃতি এমন যে, তা অবধারিতভাবেই Émile Zola–র Germinal–এর পাশে বসে, আবার আমাদের ঘরের তারাশঙ্কর–এর 'গণদেবতা'র পাশেও জায়গা করে নেয়। তবে যেভাবে Zola ফ্রান্সের খনিশ্রমিকদের জীবন তুলে ধরেছেন, অথবা তারাশঙ্কর গ্রামের শ্রেণিসংঘাতকে একটি পৌরাণিক আবহে উপস্থাপিত করেছেন —সমরেশ সেখানে আরও ব্যক্তিগত, আরও একাকী, আরও কাঁচা। সমাজ নয়, ব্যক্তি; সংগ্রাম নয়, ক্ষরণ—এটাই সমরেশ বসুর ক্যানভাস।
Zola-র Etienne একটা রাজনৈতিক চেতনার বাহক, একটি ‘বিপ্লবী স্বপ্ন’; অথচ সমরেশের চরিত্ররা নিছক ‘বেঁচে থাকা’র জন্য লড়াই করে। ওরা ‘অস্তিত্ব’ নিয়ে প্রশ্ন তোলে না—ওরা জাস্ট নিস্তব্ধে তলিয়ে যায়, কংক্রিটের পলিথিন চাদরের নিচে।
তারাশঙ্করের ‘গণদেবতা’ রচনার মধ্যে যেমন এক ধরনের পৌরাণিকত্ব আছে, সমষ্টির প্রতি এক বিশুদ্ধ ভক্তি আছে, সমরেশ সেই জায়গাটাকে ইচ্ছা করেই ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন। তাঁর 'গঙ্গা' নদী নয়, এক গভীর পচা জলে জমে থাকা হতাশা, যেদিকে তাকালেই দেখা যায় কেবল পরিত্যাগ, অন্তঃসারশূন্যতা। তারাশঙ্করের “গ্রামীণ মহিমা” যেখানে মেঘের মতো ভাসমান, সমরেশ বসুর “শহরতলির বাস্তবতা” সেখানে বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ে।
এখানে একটু অন্য দৃষ্টিকোণ আনতে চাই—সমরেশের তুলনা হয়তো Zola বা তারাশঙ্করের সঙ্গে চলে, কিন্তু তুলনা চলে Toni Morrison–এর সঙ্গে, Christa Wolf, Steinbeck, এমনকি Dostoevsky–র সঙ্গেও। কারণ, সমরেশ জানতেন, রাজনীতি কেবল মঞ্চে হয় না—তা ঘটে শরীরের ভিতরে, অস্থিমজ্জায়, প্রতিটি কোষে।
Steinbeck–এর The Grapes of Wrath–এর চরিত্ররা যেমন ধ্বংসের মুখোমুখি হয়ে বাঁচার পথ খোঁজে, সমরেশের লেখাতেও সেই ধ্বংস আছে—কিন্তু সেখানে আত্মসম্মানের জায়গা প্রায় নেই বললেই চলে। বরং লেগে আছে একটা হালকা গন্ধ—জলের গন্ধ, ফ্যাক্টরির গন্ধ, পচা গন্ধ—যা দিয়ে তিনি জীবনকে ধরেন।
তাঁর লেখার ভঙ্গি প্রতিবার আলাদা। বিবর–এ একরকম সাইকোঅ্যানালিটিক স্তর, প্রজাপতি–তে ক্ষুব্ধ যৌন রাজনীতি, আবার বি. টি. রোডের ধারে–তে এক নিঃশব্দ সামাজিক লাঞ্ছনার কাব্য।
এই কাব্যে কেউ চিৎকার করে না। এখানে কেউ বিপ্লব ঘোষণা করে না। এখানে মানুষ ধ্বংস হয়। গলে যায়। পচে যায়। এবং সেই পচনের গন্ধ—আমাদের চেতনার অলিন্দে আটকে থাকে।
তবে তাঁর এই অবিশ্বাস্য গদ্যভাষার শিকড় খুঁজলে পাওয়া যাবে একটাই জবাব — তাঁর নিজের জীবন। স্কুলের ডিম ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে কারাবন্দি ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী, তাঁর জীবন ছিল সাহিত্যকল্প নয়—খাঁটি ক্লেদ। সেই ঘাম, সেই ধুলো, সেই শ্রমিক-মহল্লার শব্দ, বাক্য, বিরক্তি—সব মিলেই তৈরি হয়েছে সমরেশ বসুর ভাষা। এবং সে ভাষা এক-একবার এক-একরকম। কখনও ঠান্ডা, কখনও গরম, কখনও গালাগাল দিয়ে তৈরি, কখনও চুপচাপ চোখের জল।
যেখানে বিভূতিভূষণ প্রকৃতির কবি, মানিক ব্যাধিগ্রস্ত মধ্যবিত্তের ক্লিনিকাল analyst, তারাশঙ্কর ধ্বনিময় পরম্পরার মহাগায়ক, সমরেশ সেখানে একটি ধ্বস্ত ট্রামলাইন—কংক্রিটের ওপর লেগে থাকা পুরনো রক্তের দাগ।
আরো অবাক করার বিষয়, তাঁর সঙ্গে রাজনীতির যে সম্পর্ক ছিল, সেটাও একটা উপন্যাসের মতো। কমিউনিস্ট পার্টির জন্য কারাবরণ করেও তিনি শেষমেশ সেই পার্টির দ্বারাই অপমানিত হয়েছেন। দল তাঁর সৃষ্টিকে ব্যবহার করলেও, তাঁকে দুধের স্বাদে জল খাইয়েছে। যে ‘দ্রোহ’–কে তিনি ধারণ করতেন, তাকেই পার্টি স্যাবোটাজ করেছে।
এই সবকিছুর মাঝেও তিনি থামেননি। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল, একটানা লিখে গেছেন। লেখার মধ্যে দিয়েই সংসার চালিয়েছেন। শিল্পীর এই নিষ্ঠা, এই সাধনা আধুনিক সাহিত্যে বিরল। আজকের অনেক লেখক যখন 'লেখার সময় পাচ্ছি না' বলে ট্যাব খুলে বসে থাকেন, জানেন তো? আর সমরেশ বসু? তিনি প্রতিদিন দশঘণ্টা লিখে যেতেন—বেঁচে থাকার জন্য। আর মরার আগে অমর হবার জন্যও।
তাঁর শেষ লেখা দেখি নাই ফিরে— অপূর্ণই রয়ে গেল। নামগুলোই যেন এক ধরনের জীবনের সময়রেখা—‘আরক্ত ভোর’, ‘রৌদ্রদগ্ধ দীর্ঘ বেলা’, ‘ছায়া দীর্ঘতর’, ‘অন্ধকারের আলো’। লেখাটি থেমে গেছে, কারণ মানুষটা থেমে গেছে। কিন্তু থেমে গেছে বললেই থেমে গেছে কি?
না, কারণ আজও তাঁর বিবর, প্রজাপতি, বিটি রোডের ধারে, শাম্ব, গঙ্গা, এমনকি চলো মন রূপনগরে আমাদের ধাক্কা দেয়। তখন বুঝি, এই লেখক আজও বেঁচে আছেন—বেঁচে আছেন প্রতিটি শ্রেণিবিভক্ত, হতাশ, দগ্ধ মানুষের ভিতর।
এ কারণেই, সমরেশ বসুর সাহিত্য কেবল পড়ে দেখলে হয় না, সেগুলো মাথার ভেতর গরম হয়ে ওঠা ট্রান্সফর্মারের মতো—ব��জে, ধোঁয়া ওঠে, আবার আলোও দেয়। সাহিত্যে যদি সাহস দরকার হয়, দায়বদ্ধতা দরকার হয়, তাহলে সমরেশ বসু সেই তালিকার একেবারে ওপরে থাকবেন।
তিনি অপূর্ণ রয়ে গেলেন। তাঁর উপন্যাস অসমাপ্ত। তাঁর গদ্য অসমাপ্ত। তাঁর সংগ্রাম অসমাপ্ত।
কারণ তিনিই বাংলা সাহিত্যের সেই লেখক—যার মৃত্যুর মধ্যেও জীবন বাজে।
কলকাতার একটি ব্যস্ত শহরের একপাশে গড়ে ওঠা জীর্ন এক বস্তিকে ঘিরে গল্পের কাহিনি গড়ে উঠেছে। সেই বস্তিতে বসবাসরত কিছু বাসিন্দার জীবন গল্প তাদের জীবকার গল্প, তাদের হাসি, কান্না, আনন্দ এবং একটু বেঁচে থাকার চেষ্টার গল্প লেখর তার সুনিপুণ হাতে লিখে গেছেন।
বইটি পড়রার সময় আমার মনে হচ্ছিল তখন হয়তো সে সময় আমিও ছিলাম তাদের মাঝে।
This is perhaps better than Bibar. It doesn't have the shock elements or existential crisis of an individual as depicted in Bibar, but what it does have is the systemic rot at our societal structure and how that rot devours it's constituents. It has poverty, lurid description of penury. Samarersh Basu had filtered the most obscene elements of day drudgery and penury and threw on the face of us. I wonder if something of this scale and topic is written these days, the author might face a popular societal trial, accused of selling poverty and depredation.
This story, however is not destined to go out in thin air. Even in today's best growing economy, this story will not loose any of it's vulgar sheen. This is as much true even now, as it was 30 years ago, and then it was just as much true as it was 130 years ago. After all, manual scavenging is still a grim reality and no amount of laws has come to wipe that practice. We carry the disgusting, obnoxious legacy still and for the foreseeable future, we will carry it, and that is my most unrealistically, hopeful prediction, which will most definitely turn out to be a distant dream.
কলকাতার বিস্তীর্ণ অলিগলির ধার ঘেঁষে বি. টি. রোড। তবে সে রোডের তা ঝকঝকে চেহারা নিয়ে এ উপন্যাস নয়। রোডের ধারে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা কিছু বস্তি, তারই মধ্যে একটি এ উপন্যাসের পটভূমি। কখনো না শূন্য হওয়া বি. টি. রোডের ধারে অনেকটা হাতপা গুটিয়ে, মাথা গুঁজে থাকে যারা, তাদেরই জীবনগাথা বয়ান করে এ উপন্যাস।
কালকূট সমরেশ বসুর ১১২ পৃষ্ঠার এ উপন্যাসে পরিবেশ ও প্রতিবেশের বর্ণনা অত্যন্ত খুঁটিনাটি তথ্য ও উপমাসহ উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে করে কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পর পাঠক সেই স্থানটি, আশেপাশের আবহ খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পাবেন, অনুভব করতে পারবেন।