এলগিন রোডের মল-এ নিরাপত্তারক্ষীর ডিউটি করছিল অমল। আচমকাই বন্ধু রবীনের সঙ্গে দেখা। রবীন তাকে অধিক আয়ের জন্য নতুন কাজের সন্ধান দেয়। ‘ম্যাডাম’–এর চক্রে জড়িয়ে পড়ে অমল। অবৈধ জিনিসপত্রের 'ক্যারিয়ার' হয়ে যায় সে। ঢাকা-ব্যাংকক যেতে হবে প্রায়ই বিমানে। ব্যাংককে হঠাৎ রিজুলা নামে একটি মেয়ের সঙ্গে তার আলাপ। এরপর অমলের জীবনে শুরু হয় অদ্ভুত রহস্য। মিস্টার হক, তার দেওয়া ছোট চামড়ার ব্যাগ, কলকাতায় নেমে ব্যাগ নিয়ে রিজুলার উধাও হয়ে যাওয়া, রফিকের হুমকি—পরপর সব ঘটনায় সাদাসিধে অমল দিশেহারা। রিজুলা তাকে স্বপ্ন দেখায়। দু'জনে কানাডায় চলে যাওয়ার কথা ভাবে। কিন্তু শেষরক্ষা কি হয়? কানাডায় কি যেতে পারে অমল? রিজুলা কি সত্যিই তাকে ভালবাসে? সমরেশ মজুমদারের ‘বুনো হাঁস' উপন্যাসে জীবন্ত হয়ে আছে রহস্যময় এক কালো দুনিয়া।
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".
সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।
বছর কয়েক আগে সিনেমাটা দেখেছিলাম। তখনই ইচ্ছে হয়েছিল বইটা পড়ার। সম্প্রতি এখানে একটা লাইব্রেরিতে পেয়ে যাওয়ায় নিয়ে এসে পড়ে ফেললাম। মোটামুটি লাগল।
এক সহজ সরল ছেলে জড়িয়ে পরে এক মারাত্মক চোরাচালানি চক্রের সাথে, তারপর তার জীবনে ঘটতে থাকে একের পর রোমাঞ্চকর ঘটনা। পারবে কি সে সেই চক্রের হাত থেকে পালিয়ে বেড়াতে? পারবে কি সে সফল হতে, ধনী হতে?
সমরেশের সেরা উপন্যাসগুলোর তালিকায় এটা থাকবে না, তবে সুখপাঠ্য বটে।
The story is deceptively modern and could be easily adapted into a Netflix contemporary. The story could have been a lot more dense. There was scope. With the curtailed story in this book, it felt like a short story, not a novel. Disappointed to see a book come to end with so so much potential.
ইহা একটি বিরক্তি জাগানো বই। বেশিই কল্পনা প্রবণ। সমর কাকু ইহা কি লিখিল বুঝে পেলাম কম। শুনেছি একটা মুভি হয়েছে। বইটাই যেহেতু ভালো লাগিল না, মুভি আর দেখিয়াও কোন ফল হইবে না। অমল, তুই একটা কচু পোড়ারে। তোর জন্য আমার খুব মায়া হইছে রে। বড়ই সৎ একটা ছেলে তুই। কেন যে বাস্তবে তোর দেখা পাবো না তাহা ভাবিয়া আমি আরও মায়াকাতর হচ্ছি। আর ভবেশ, তোরেও বলি বাপু, ওপার থেকে এইভাবে আর আমাকে বই পড়াস না ভাই। চেতনের ওয়ান ইন্ডিয়ান গার্ল পড়াইছে তোর বইন, আর তুই পড়ালি এইটা। আমার রুচিবোধের আর বুঝি কোনও উন্নতি হোবে না রে। এইবার তোদের ক্ষমা করিলাম।
আজাইরা ভেজাল। এতো ক্যাবলাকান্ত নায়ক কোন বইয়ে এই প্রথম পাইলাম। এই রকম ভ্যাবলাকান্ত এখনকার সমাজে আদৌ আছে কি না সেটাই ভেবে দেখার বিষয়। সেই হিসেবে কাহিনীটি খুব বাস্তবধর্মী না, যদি কাহিনী খারাপ না। কিন্তু আমার কেন জানি ভালো লাগে নি।
ইস্যুটা যথেষ্ট ভালো হলেও লেখা তেমন ভালো লাগেনি। টুইস্টগুলো বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পারেননি লেখক। নায়ক এমন কেবলাকান্ত হলে কি উপন্যাস পড়ে মজা পাওয়া যায়!