Keigo Higashino (東野 圭吾) is one of the most popular and biggest selling fiction authors in Japan—as well known as James Patterson, Dean Koontz or Tom Clancy are in the USA.
Born in Osaka, he started writing novels while still working as an engineer at Nippon Denso Co. (presently DENSO). He won the Edogawa Rampo Prize, which is awarded annually to the finest mystery work, in 1985 for the novel Hōkago (After School) at age 27. Subsequently, he quit his job and started a career as a writer in Tokyo.
In 1999, he won the Mystery Writers of Japan Inc award for the novel Himitsu (The Secret), which was translated into English by Kerim Yasar and published by Vertical under the title of Naoko in 2004. In 2006, he won the 134th Naoki Prize for Yōgisha X no Kenshin. His novels had been nominated five times before winning with this novel.
The Devotion of Suspect X was the second highest selling book in all of Japan— fiction or nonfiction—the year it was published, with over 800,000 copies sold. It won the prestigious Naoki Prize for Best Novel— the Japanese equivalent of the National Book Award and the Man Booker Prize. Made into a motion picture in Japan, The Devotion of Suspect X spent 4 weeks at the top of the box office and was the third highest‐grossing film of the year.
Higashino’s novels have more movie and TV series adaptations than Tom Clancy or Robert Ludlum, and as many as Michael Crichton.
একটি রহস্য উপন্যাস কে হাস্যরস এবং হালকা চালে উপস্থাপন করাটা মনে হয় শুধুমাত্র হিগাশিনোর পক্ষেই সম্ভব।না সাসপেক্ট এক্স,ম্যালিস,সাইলেন্ট প্যারেড,স্যালভেশন অফ সেইন্টের মতো মাথা ঘুরানো থ্রিলার ভেবে পড়তে বসলে আপনি হতাশ হবেন।বরং রিলাক্স হয়ে হালকা চালে একটা লাইট ডিটেকটিভ স্টোরি হিসেবে ভেবে পড়তে বসলে বরং মজাই পাবেন এবং ফাঁকে ফাঁকে হো হো করে হেসে উঠবেন হাস্যকর কান্ড দেখে।গল্পের মূল শক্তি হচ্ছে এখানে রহস্য সমাধান করতে কোন ডিটেকটিভ আসে না বরং আমার আপনার মতো সাধারণ মানুষ ই রহস্য সমাধান করে এবং ভুল করে।কোন সিপারহিউম্যান নায়ক হিসেবে লেখক প্রটাগনিস্টকে এই গল্পে উপস্থাপন করে নাই এটাই সবচেয়ে ভালো লেগেছে।রিলাক্স ভংগিতে বিন্দুমাত্র মাথা না খাটিয়ে পড়ার মতো উপযুক্ত একটা বই হলো এটি।
দ্য ডেঞ্জারাস ভেনাস, কেইগো হিগাশিনো। অনুবাদঃ কুদরতে জাহান।
বইটা পড়ার আগে ভেবেছিলাম আর দশটা চেনা জাপানিজ মিস্ট্রির মতোই হবে। ধীরগতির গল্প, শেষে একটা টুইস্ট, ব্যস এইটুকুই। কিন্তু পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে বুঝলাম, কেইগো হিগাশিনো আবারও মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ে দারুণ এক খেলা খেলেছেন।
গল্পের শুরুটা ভীষণ সাধারণ। ছোট ভাই নিখোঁজ, তাকে খুঁজতে এক রহস্যময় নারীর আগমন এবং সময়ের সাথে সাথে এক অত্যন্ত প্রভাবশালী ও মেধাবী পরিবারের অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচিত হওয়া। তবে বইটার আসল সৌন্দর্য এর প্লটে যতটা না আছে তার চেয়ে বেশি আছে এর আবহ আর চরিত্রায়নে। পুরো বইজুড়ে একটা অস্বস্তিকর অনুভূতি তাড়া করে বেড়ায়, মনে হয় প্রচ্ছন্ন একটা দেয়ালের পেছনে সবাই কিছু না কিছু আড়াল করছে।
কায়েদে চরিত্রটি আমার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় লেগেছে। এক মুহূর্তে তাকে মনে হয় ভীষণ নিষ্পাপ অথচ পরের মুহূর্তেই সন্দেহ হয়। পুরো দাবার চালটা সে-ই চালছে না তো? এই যে একটা অবিরত সংশয়, এটাই বইটির মূল শক্তি। হিগাশিনো এমনভাবে চরিত্রগুলো বুনেছেন যে, কাউকেই আপনি মন থেকে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারবেন না। ইয়াগামি পরিবারের অভ্যন্তরীণ জটিলতাগুলোও দেখার মতো ছিল। বাইরে থেকে যা অত্যন্ত নিখুঁত, মার্জিত ও বুদ্ধিমত্তায় পরিপূর্ণ। ভেতরে তা হিংসা, অহংকার, লোভ আর চাপা উত্তেজনায় জর্জরিত।
SHE IS HOT!
তবে যারা প্রতি অধ্যায়ে বড় কোনো চমক বা 'ফাস্ট-পেসড' থ্রিলার পছন্দ করেন, তাদের কাছে কিছু জায়গা কিছুটা মন্থর মনে হতে পারে। কিন্তু আমার এই 'স্লো-বিলিডং' গল্পটাই বেশি পছন্দ হয়েছে। কারণ শেষভাগে যখন সত্যগুলো সামনে আসে, তখন পেছনের পুরো জার্নিটাকে নতুন একটা চোখ দিয়ে দেখতে হয়। বিজ্ঞান, মনস্তত্ত্ব আর রহস্যের যে মিশ্রণ এখানে লেখক দেখিয়েছেন, তা সত্যিই চমৎকার। বৈজ্ঞানিক টার্ম থাকার পরেও গল্প কোথাও খটখটে বা নিরস লাগেনি বরং রহস্যের গভীরতা বাড়িয়েছে।
অনুবাদ নিয়ে কথাঃ বইটির অনুবাদ নিয়ে বলতে গেলে, আমার অভিজ্ঞতা খুব একটা সন্তোষজনক ছিল না। মূল গল্পটি যতটা বুদ্ধিমত্তা এবং মনস্তাত্ত্বিক গভীরতায় ভরপুর, অনুবাদে সেই গভীরতা যেন কোথাও একটা হারিয়ে গেছে। অনেক স্থানেই মনে হয়েছে, গল্পের মূল আবেগ বা স্বাভাবিক প্রবাহকে ধারণ করার চেয়ে অনুবাদক আক্ষরিক শব্দান্তরের দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। ফলে পড়ার অভিজ্ঞতাটি বেশ যান্ত্রিক ঠেকেছে।
অসঙ্গতিটি সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে চরিত্রগুলোর সংলাপে। ওদের কথোপকথন অনেক সময়ই বাস্তবসম্মত মনে হয়নি। মনে হয়েছে, জাপানি ভাষা থেকে সরাসরি কেবল একটি যান্ত্রিক রূপান্তর করা হয়েছে, কিন্তু বাংলা ভাষার নিজস্ব যে মাধুর্য বা ছন্দ, তার প্রয়োগ ঘটেনি। এর সাথে যুক্ত হয়েছিল টাইপো এবং অনুপযুক্ত শব্দচয়নের সমস্যা। বেশ কিছু জায়গায় শব্দগুলো প্রেক্ষাপটের সাথে খাপ খাচ্ছিল না। বাক্য গঠন কোথাও কোথাও এতটাই অদ্ভুত লেগেছে যে একই অনুচ্ছেদের ভেতরের স্বাভাবিক গতিটি হুট করে থমকে গেছে। এই ছোটখাটো ত্রুটিগুলো বারবার পড়ার মনোযোগ নষ্ট করেছে। আরেকটি বড় ঘাটতি ছিল আবেগীয় প্রকাশে, কেইগো হিগাশিনোর লেখার অন্যতম শক্তি হলো এর মধ্যকার প্রচ্ছন্ন উত্তেজনা এবং মনস্তাত্ত্বিক অস্বস্তি। কিন্তু এই অনুবাদে সেই সূক্ষ্ম আবহটি অনেক জায়গায় পাঠককে পুরোপুরি ছুঁতে পারে না।
বিশেষ করে রহস্য উপন্যাসের ক্ষেত্রে অনুবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করে। কারণ, বর্ণনার সাবলীলতার ওপরেই পাঠকের উত্তেজনা এবং কৌতূহল নির্ভর করে। এই বইটিতে সেই প্রবাহটি ছিল বেশ অসামঞ্জস্যপূর্ণ, কখনো ভাষা অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিক, কখনো অপ্রয়োজনে কাঠখোট্টা, আবার কখনো একেবারেই নিস্প্রাণ। অবশ্য অনুবাদটি যে পুরোপুরি অপাঠ্য, তা নয়। মূল গল্পের যে রহস্য এবং টান, তা শেষ পর্যন্ত পাঠককে ধরে রাখে। তবে আরও একটু মার্জিত ও সুবিন্যস্ত অনুবাদ হলে পড়ার অভিজ্ঞতাটি নিঃসন্দেহে আরও দারুণ হতে পারত। হিগাশিনোর মতো একজন লেখকের মনস্তাত্ত্বিকভাবে সমৃদ্ধ উপন্যাস আরও একটু প্রাণবন্ত এবং আবেগগ্রাহী অনুবাদের দাবি রাখে।
Đối với riêng sở thích cá nhân của mình thì quyển này đọc cuốn do có 2 điều mình thích: Cách dẫn dắt cực kì mượt mà của Keigo - kiểu truyện tầm thường thế nào mà qua cách kể của bác cũng thật hấp dẫn. Điều thứ 2 là do có yếu tố liên quan đến tranh giành thừa kế. Nhưng mình nghĩ quyển này sẽ khá nhàm chán đối với những bạn không phải fan của bác do không có yếu tố trinh thám, tâm lý, mà chỉ đơn thuần là một câu chuyện có bí ẩn.
Mở đầu thì tưởng là chỉ xoay quanh việc tranh chắp khối tài sản nhưng về sau thì cũng có kha khá bí mật về các bức tranh, và cái chết của mẹ nam chính. Mạch truyện từ đầu tới cuối thì đều đều, không có cao trào hay giật gân gì mấy. Quyển này cũng có nhiều kiến thức về y học nhưng không phải kiểu “thích thể hiện” mà được bác lồng ghép khá mượt mà.
Nhân vật chính thì là kiểu suy nghĩ bằng “đầu dưới”, hành động cũng khá bốc đồng và mê gái, không phải kiểu nhân vật mình thích lắm nhưng cũng không tới mức căm ghét, tạm chấp nhận. Vì vậy nên cũng có một chút yếu tố tâm lý yêu đương được đưa vào truyện. Nhiều đoạn cũng khá tà dâm, như khi nam chính thấy em vợ của mình đeo chiếc nhẫn con rắn thì anh ta nghĩ là “rắn có hai cơ quan sinh dục nên có thể quan hệ với 2 con đực cùng lúc :v”, hay ở câu cuối cùng của cuốn sách này là “đúng là không nhìn thấy quần lót thật” =)) Yếu tố này thì tuỳ cảm nhận mỗi người.
Plot twist của quyển này thì vẫn là phong cách của bác Keigo, đọc nhiều rồi thì thấy là bác rất thích tạo twist quanh kiểu chủ đề thế này. Không quá gây sốc ồ à nhưng cũng tạm tạm, hiểu được.
Tóm lại là không phải trinh thám, mà chỉ là một câu chuyện có bí ẩn được kể bởi tác giả Keigo nên cũng có phần lôi cuốn. Cũng có vài yếu tố mình yêu thích và vì là fan của bác nên mình chấm 3.2 🌟
Keigo Higashino-র বই পড়তে বসলে আমি সবসময়ই জানি যে সামনে শুধু একটি রহস্য নয়, মানুষের মনস্তত্ত্বেরও একটি গভীর অনুসন্ধান অপেক্ষা করছে। The Dangerous Venus পড়ে সেই প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ হয়েছে।
বইটির সবচেয়ে ভালো লেগেছে এর মনস্তাত্ত্বিক দিক। গল্প যত এগিয়েছে, ততই মনে হয়েছে রহস্যের চেয়ে চরিত্রগুলোর ভেতরের জগৎকে বোঝাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কে কী করছে, কেন করছে, এবং তাদের সিদ্ধান্তের পেছনে কী ধরনের আবেগ বা উদ্দেশ্য কাজ করছে—এই বিষয়গুলো লেখক খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। ফলে বইটি শুধু একটি thriller হয়ে থাকেনি, বরং মানুষের জটিল মানসিকতার একটি আকর্ষণীয় চিত্রও হয়ে উঠেছে।
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গল্পটি আমার আগ্রহ ধরে রাখতে পেরেছে। Higashino-র লেখার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো তিনি ধীরে ধীরে গল্পের স্তরগুলো উন্মোচন করেন। এখানে তেমনই হয়েছে। অনেক সময় মনে হয়েছে আমি সত্যটা বুঝে ফেলেছি, কিন্তু গল্প আবার নতুন একটি দিক খুলে দিয়েছে।
শেষের টুইস্টটাও বেশ উপভোগ করেছি। এটি এমন কোনো টুইস্ট নয় যা শুধুই চমকে দেওয়ার জন্য আনা হয়েছে; বরং পুরো গল্পকে নতুনভাবে দেখার সুযোগ তৈরি করে। বই শেষ করার পর কিছুক্ষণ চরিত্রগুলো এবং তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবতে হয়েছে, আর আমার কাছে সেটাই একটি ভালো বইয়ের বড় সাফল্য।
হয়তো এটি Malice বা Journey Under the Midnight Sun-এর মতো গভীর প্রভাব ফেলতে পারেনি, কিন্তু তবুও The Dangerous Venus ছিল একটি উপভোগ্য পাঠ-অভিজ্ঞতা। রহস্য, সম্পর্ক এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের সুন্দর সমন্বয়ের কারণে বইটি শেষ পর্যন্ত আমাকে সন্তুষ্ট করেছে।