What do you think?


খাজাঞ্চির খাতা
Collection of Articles and Free Verse
144 pages, Hardcover
First published April 1, 2021
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
July 3, 2022
গ্রন্থ-নির্মাণ এক শিল্প। খসড়া খাতা প্রকাশন লাভালাভের বদলে সেই শিল্পে উৎকর্ষ-লাভকেই মোক্ষ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। তাদের সেই প্রয়াসের আরও একটি ফল হস্তগত ও পঠিত হল।
কেমন লাগল?
বাংলাদেশের পাঠকদের কাছে মাসকাওয়াথ আহসানের নাম মোটেই অপরিচিত নয়। তবে এপার বাংলার পাঠকেরা সম্ভবত এই প্রথম তাঁর সরস, আবেগ ও যুক্তির আয়ুধে সজ্জিত, ব্যঙ্গ ও দীর্ঘশ্বাসে সুরভিত গদ্যের সন্ধান পেলেন।
মোট চৌত্রিশটি ছোট্ট-ছোট্ট লেখা আছে এই বইয়ে। তাদের সূচিপত্র দেওয়ার চেষ্টা বৃথা, কারণ লেখার শীর্ষক দেখে তার অন্তরে বয়ে যাওয়া রস ও অগ্নির নাগাল পাবেন না। তার জন্য বইটাই পড়তে হবে।
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান— গোটা দক্ষিণ এশিয়াই প্রতিবিম্বিত হয়েছে এই গোষ্পদে। কিন্তু সবটাই হয়েছে ঠাট্টার মতো করে। পড়তে-পড়তে মনে হয়েছে, রেডিওতে খবর নয়, বরং পাশের বারান্দা থেকে ভেসে আসা কথা শুনছি। শানেলের বদলে লেখাগুলোর গভীর থেকে উঠে এসেছে হলুদ আর সর্ষের তেলের গন্ধ।
তবে হ্যাঁ, কিছু অশ্রু আর রক্তের দাগও রয়েছে এতে। অভাগা বাংলার কথা লিখতে গেলে কি আর ওটুকু বাদ দেওয়া যায়, বলুন?
লাল প্রচ্ছদে সোনার জলে নাম (এমনকি আই.এস.বি.এন), সত্যিই খাতার মতো করে বাঁধাই, প্রতিটি লেখার সঙ্গে মধুমন্তী সিংহের অলংকরণ...
আর এই বুদ্ধিদীপ্ত লেখাগুলো!
রম্যরচনা পড়ে হাসা নয়; বরং এই চমৎকার বইটি পড়তে গিয়ে এই দেশ ও কালের এক অন্তরঙ্গ ছবি চোখের সামনে হঠাৎই বড়ো বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠল। মনে হল~
"স্বপ্নের ভেতরে তুমি হে আমার বিষণ্ণ সুন্দর
চোখের সমুখে আজ কেন এসে দাঁড়ালে নিঠুর!
কেন ওই রক্ত-মাংসে, কেন ওই নশ্বর ত্বকের আবরণে
এসে আজ শুধোলে কুশল!"
রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ'র কবিতাটির সঙ্গে এই বইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই; নাকি আছে? কী জানি! এটুকু জানি যে রম্যরচনা এবং রুচিশীল বইয়ের কদরদান হলে এই বইটি আপনাদের কাছে থাকা উচিত।
অলমিতি।
কেমন লাগল?
বাংলাদেশের পাঠকদের কাছে মাসকাওয়াথ আহসানের নাম মোটেই অপরিচিত নয়। তবে এপার বাংলার পাঠকেরা সম্ভবত এই প্রথম তাঁর সরস, আবেগ ও যুক্তির আয়ুধে সজ্জিত, ব্যঙ্গ ও দীর্ঘশ্বাসে সুরভিত গদ্যের সন্ধান পেলেন।
মোট চৌত্রিশটি ছোট্ট-ছোট্ট লেখা আছে এই বইয়ে। তাদের সূচিপত্র দেওয়ার চেষ্টা বৃথা, কারণ লেখার শীর্ষক দেখে তার অন্তরে বয়ে যাওয়া রস ও অগ্নির নাগাল পাবেন না। তার জন্য বইটাই পড়তে হবে।
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান— গোটা দক্ষিণ এশিয়াই প্রতিবিম্বিত হয়েছে এই গোষ্পদে। কিন্তু সবটাই হয়েছে ঠাট্টার মতো করে। পড়তে-পড়তে মনে হয়েছে, রেডিওতে খবর নয়, বরং পাশের বারান্দা থেকে ভেসে আসা কথা শুনছি। শানেলের বদলে লেখাগুলোর গভীর থেকে উঠে এসেছে হলুদ আর সর্ষের তেলের গন্ধ।
তবে হ্যাঁ, কিছু অশ্রু আর রক্তের দাগও রয়েছে এতে। অভাগা বাংলার কথা লিখতে গেলে কি আর ওটুকু বাদ দেওয়া যায়, বলুন?
লাল প্রচ্ছদে সোনার জলে নাম (এমনকি আই.এস.বি.এন), সত্যিই খাতার মতো করে বাঁধাই, প্রতিটি লেখার সঙ্গে মধুমন্তী সিংহের অলংকরণ...
আর এই বুদ্ধিদীপ্ত লেখাগুলো!
রম্যরচনা পড়ে হাসা নয়; বরং এই চমৎকার বইটি পড়তে গিয়ে এই দেশ ও কালের এক অন্তরঙ্গ ছবি চোখের সামনে হঠাৎই বড়ো বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠল। মনে হল~
"স্বপ্নের ভেতরে তুমি হে আমার বিষণ্ণ সুন্দর
চোখের সমুখে আজ কেন এসে দাঁড়ালে নিঠুর!
কেন ওই রক্ত-মাংসে, কেন ওই নশ্বর ত্বকের আবরণে
এসে আজ শুধোলে কুশল!"
রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ'র কবিতাটির সঙ্গে এই বইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই; নাকি আছে? কী জানি! এটুকু জানি যে রম্যরচনা এবং রুচিশীল বইয়ের কদরদান হলে এই বইটি আপনাদের কাছে থাকা উচিত।
অলমিতি।
October 6, 2025
জীবনে যতগুলো "ফাতরা" কিসিমের বই পড়েছি এইটা তার অন্যতম! লেখক বেশি আঁতলামি করতে যেয়ে যাস্ট "হেগে দিয়েছে"... বইটা শেষ করাটাই একটা মেন্টাল টর্চার হিসেবে ছিল... নিজের টেম্পার লেভেল চেক করতে চাইলে অথবা কোন ব্যক্তিকে মেন্টাল টর্চার করাতে চাইলে এই বই পুরোটা পড়বেন!
Displaying 1 - 2 of 2 reviews



