Jump to ratings and reviews

যেখানে আলো নেই

বিরোধী দলের সবচেয়ে ক্ষমতাশীল নেতা শমসের শাহ খুন হওয়ার কিছুদিন পরেই খুন হলেন বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত লেখিকা সুনেয়না আজাদ। যিনি দীর্ঘ আঠারো বছর পর কলকাতা থেকে নিজ দেশে ফিরেছিলেন। এমন দুটি খুনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় গোয়েন্দা ইমতিয়াজ আহমেদের নাম। গোয়েন্দা হিসেবে নয়; খুনের দায়ে।
নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতেই তদন্তে নেমে পড়েন তিনি, বেরিয়ে আসতে শুরু করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। উন্মোচন হয় অনেকগুলো মানুষের জীবনের গল্প; যে মানুষগুলো সারা জীবন যুদ্ধ করেছে নিজের সাথেই কেবলমাত্র একটুখানি আলোর দেখা পাওয়ার জন্য।
দুটি খুনের রহস্য উদঘাটনের মধ্যে দিয়েই খুঁজে পাওয়া যায় প্রতিটি জীবনের যোগসূত্র, উঠে আসে আঠারো বছর আগের এক অজানা ও অসমাপ্ত গল্প।
হয়তো এই অজানা গল্পের উপাখ্যান জানার জন্যেই দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছেন স্বয়ং ইমতিয়াজ আহমেদ এবং সাথে তার পাঠকরা।

208 pages, Hardcover

Published February 1, 2022

Loading...
Loading...

About the author

Istiak Zion

2 books

Ratings & Reviews

What do you think?

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
6 (35%)
3 stars
9 (52%)
2 stars
2 (11%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Rafia Rahman.
423 reviews235 followers
January 22, 2024
বই: যেখানে আলো নেই
লেখক: ইসতিয়াক জিয়ন
জনরা: রিভেঞ্জ থ্রিলার
প্রচ্ছদ: আদনান আহমেদ রিজন
প্রকাশনী: সতীর্থ প্রকাশনা
প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০২২
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০৮
মুদ্রিত মূল্য: ২৪০/-

প্রতিশোধ!!!
ভয়াবহ একটা শব্দ। প্রতিশোধের আগুন মনে দাউদাউ করে জ্বলে উঠলে নেভানো বড়ই মুশকিল। তবে মারাত্মক ভয়াবহ তো তখনই হয় যখন প্রতিশোধ নিতে নামে এমন এক ব্যক্তি, যার কোনো কিছু হারানোর ভয় থাকে না! প্রতিশোধ হয়ে ওঠে তখন জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য, আঘাত হয় বেপরোয়া।

প্রায় প্রতিদিনই খুনের কেস সামনে আসে কিন্তু সমানভাবে সব কেস গুরুত্ব পায় না। কেন? কারণ খুন হওয়া ব্যক্তি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তারউপর নির্ভর করে। সদ্য খুন হওয়া ব্যক্তি কেস সল্ভ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। খুন হওয়া ব্যক্তি যে দেশের একজন ক্ষমতাশীল পলিটিক্যাল লিডার। কিন্তু সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো মৃত ব্যক্তির ফোন থেকে লাস্ট কল গেছে সাবেক অফিসারের কাছে! কল কে দিয়েছিল? খুনি নাকি ভিক্টিম? তবে মৃত্যুর খেলা তো কেবল শুরু... নিজের অজান্তেই খুনগুলার সাথে জড়িয়ে যায় সাবেক অফিসার ইমতিয়াজ আহমেদ।

২০২৪ সালের পড়া প্রথম বই হলেও আলসেমি করে রিভিউ লেখা হয়নি এতোদিন। ইমতিয়াজ আহমেদ সিরিজের দ্বিতীয় বই ❝যেখানে আলো নেই❞। প্রথম বইয়ে ইমতিয়াজ আহমেদের অতীত নিয়ে তেমন খোলসা না করা হলেও এই বইয়ে করা হয়েছে; চাকরিচ্যুত হওয়ার কারণ, অতীত যড়যন্ত্র সম্পর্কে জানা যাবে। প্রথম বইয়ের তুলনায় দ্বিতীয় বইয়ের প্লট শক্তিশালী তবে বেশ কিছু খামতিও রয়েছে। কাহিনী দুই টাইমলাইনে অর্থাৎ অতীতের সময়ের ঘটনাগুলো কীভাবে বর্তমানের খুনগুলোর জন্য দায়ী একসাথেই দেখানো হয়েছে। বইয়ের প্রোটাগনিস্ট ও এন্টাগোনিস্ট উভয়ই শক্তিশালী চরিত্র। একজন আরেকজনকে টেক্কা দিয়ে চলে। প্রতিশোধের খেলা এই কারণে জমেছে ভালো। মনে প্রশ্ন জাগতে পারে তাহলে জিতবে কে? বইয়ে এই প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়নি বা বলা যায় প্রতিশোধের খেলা এখনও শেষ হয়নি। আশা করা যায় পরবর্তী খন্ডে জানা যাবে জিতবে কে।

উপস্থাপনাতে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। প্রথম দিকে কাহিনী বেশিই স্লো আবার অহেতুক কিছু জায়গায় কাহিনী টেনে লম্বা করা হয়েছে। চরিত্র ও পরিস্থিতি বর্ণনাতে প্রায় সময়ই লেখক কাব্যিক বর্ণনার আশ্রয় নিয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে এটা আমার ভালো লাগে নাই। খামখা লাইন বেড়েছে বলেই মনে হয়েছে সাথে বিরক্তও হয়েছি। টুইস্ট দিতে যেয়ে কিছু পয়েন্ট অতিরঞ্জিত হয়ে গেছে। আরও একটা বিষয়ে খুবই বিরক্তিকর লেগেছে সেটা হলো মূল ও পার্শ্বচরিত্র সবার সাথেই রোমান্টিজম যুক্ত করা হয়েছে। থ্রিলার বইয়ে এতো বেশি রোমান্টিজম আমার ভালো লাগে না।

ক্রাউন সাইজের পিচ্চি একটা বই। প্রোডাকশন মোটামুটি। তবে সম্পাদনায় যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। বানান ভুল, নামে গন্ডগোল, শব্দ মিশিং, একের অধিক শব্দের জোড়া লেগে যাওয়ার সংখ্যা অনেকই বলতে গেলে।
Profile Image for Zahidul.
450 reviews103 followers
December 26, 2022
'যেখানে আলো নেই' ডিটেক্টিভ ইমতিয়াজ আহমেদ সিরিজের প্রকাশিত ২য় বই। এই গল্পের শুরুতে দেখা যায় বিরোধী দলের এক নেতা মারা গিয়েছে যার মোবাইল দিয়ে শেষবার ইমতিয়াজ আহমেদকে কল করা হয়েছিলো, তাই সেই হত্যাকান্ডের তদন্তের সাথে জড়িয়ে যান তিনি।

'যেখানে আলো নেই' গল্পের প্রথম থেকেই রহস্য তেমনভাবে বুনোট হয়নি এবং নন লিনিয়ার স্টাইলের লেখনশৈলীও আশাব্যঞ্জক ছিলো না। বেশ কিছু চরিত্রের কর্মকান্ড যেভাবে দেখানো হয়েছে তা কতটা বাস্তবসম্পন্ন হয়েছে সে ব্যপারে প্রশ্ন থেকেই যায়। তাছাড়া বইয়ের বিভিন্ন সাবপ্লট টেনে বড় করার ব্যপারটা ব্যক্তিগতভাবে ভালো লাগেনি। প্রোডাকশনের দিক থেকে প্রচ্ছদ এবং বইয়ের ভেতরকার অবস্থা মোটামুটি চলনসই, তবে বানান ভুল টুকিটাকি কিছু ছিলো। যাই হোক, লেখকের পরবর্তী বইগুলো এর থেকে আরো উন্নত মানের হবে, এই আশা করছি।
Profile Image for Abdullah All Noman.
49 reviews
October 6, 2023
গল্পে প্রথমে ধীরে ধীরে ক্যারেক্টারগুলোকে বের করে পরবর্তীতে সবাইকে এনে এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে। প্লট, স্টোরিটেলিং, ফ্ল্যাশব্যাকের ডিটেইলিং সবই ভালো ছিলো। ভালো লেগেছে।
Profile Image for এশা.
155 reviews56 followers
December 16, 2023
প্রথম থেকেই গল্পে একটা টানটান ভাব দেখা যায়। পরে চরিত্র গুলোর বিল্ডাপের জন্য গল্প কিছুটা স্লো হয়ে আসে যা স্বাভাবিক লেগেছে। চরিত্র গুলো তুলে ধরার জন্য, তাদের সাথে কানেক্ট করার জন্য যতটুকু সময় দেওয়া দরকার তা পেয়েছে চরিত্রগুলো। তাই প্রথম দিকে কিছুটা এলোমেলো মনে হলেও গল্পে যত এগিয়ে গেল ততই মনে হল চরিত্র গঠনের যথেষ্ট সময় দিয়েছেন লেখক। গল্পের টুইস্ট গুলো অতটাও দুর্বল ধরনের নয় আবার আহামরিও নয়৷ গল্পে একদিকে যেমন প্রাপ্তির আনন্দ তুলে ধরেছেন তেমন না পাওয়ার বেদনা, হারানোর ব্যথাও গভীর ভাবে উঠে এসেছে। প্রেম-ভালোবাসা, না পাবার হাহাকার, প্রতিশোধ, নিজস্ব স্বার্থ হাসিল সবই পাওয়া যায় বইটিতে। সব মিলিয়ে সুখপাঠ্য।

এই উপন্যাসের দ্বিতীয় খণ্ড 'বিভাজন' '২৪ এর বইমেলায় পাওয়া যাবে হয় তো৷ অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে নেই তবে সুযোগ হলে এর সিক্যুয়েল পড়ার ইচ্ছা আছে৷
Profile Image for হেরা  আলীশা.
25 reviews2 followers
August 17, 2022
নির্বাচন নিয়ে হট্টগোল চলছে। রাজনীতির মারম্যাচ সবসময়ই দাবার গুটি চালের মতোই নিখুঁত ও সুনিপুণ হতে হয়, যাতে করে বিরোধী দলের প্রতিটি পদক্ষেপ আগে থেকেই মাত দেওয়া যায়। এমন উৎসব মুখর পরিবেশে যখন বিরোধী দল খুবই শক্তিশালী এবং তাদের জয় প্রায় নিশ্চিত। কেবলমাত্র নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা বাকী। ঠিক তখনি ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। নাড়া দিল পুরো দেশের মানুষকে। খুন হলো বিরোধী দলের সবচেয়ে ক্ষমতাসীন নেতা শমসের শাহ। এর কিছুদিন পরেই খুন হন ওপার বাংলায় প্রসিদ্ধ কিন্ত বাংলাদেশের বিতর্কিত ও সবচেয়ে আলোচিত লেখিকা সুনেয়না আজাদ।

এরই মাঝে পাঠক জানতে পারবে উপন্যাসের মূল প্রাণকেন্দ্র এই কেসের গোয়েন্দা ইমতিয়াজ আহমেদ সম্পর্কে। যিনি দীর্ঘ আঠারো বছর আগে চাকরিচ্যুত হয়েছিল। সেই ইমতিয়াজ আহমেদকে দেশে হয়ে যাওয়া দুই খুনের সাথে জড়িয়ে পরতে দেখা যাবে। সন্দেহের তালিকা থেকে নিজেকে বের করতে এবং আসল খুনীকে খুঁজে নেওয়ার জন্যই মাঠে নেমে পড়লেন তিনি।

কেঁচো খুড়তে যেভাবে সাপ বেড়িয়ে আসে, সেভাবেই উন্মোচন হয় অনেকগুলো মানুষের জীবনের গল্প ;যে মানুষগুলো সারাজীবন যুদ্ধ করেছে নিজের সাথে কেবলমাত্র একটুখানি আলোর দেখা পাওয়ার জন্য।

বইটিতে মূলত আঠারো বছর আগে এবং পরে ঘটে যাওয়া দুটি হত্যাকান্ডের মাঝে যোগসূত্র খুঁজে পাবে পাঠক। মোট তেত্রিশটি অধ্যায়ের প্রতিটি অধ্যায় আপনাকে নিয়ে যাবে উপন্যাসের এক নতুন মোড়ে! প্রফেশনাল কিলার হিসেবে মস্কটের নাম বার বার পাঠকের সামনে চলে আসবে। তার সাথে যোগসূত্র হবে দুই বাংলার প্রফেশনাল কিলার গ্রুপের। সেই গ্রুপের সাথেই যেন জড়িয়ে আছে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া দুটি খুনের রহস্য।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, সাধারণ ক্রাইম ত্রিলার উপন্যাস গুলোতে পাঠক ক্রাইম, ক্রাইম করার মোটিভ, ক্রাইমের ধরণ থেকে কেইস সলভ করার জিনিসগুলোতে বেশি ফোকাস করে থাকে। কিন্তু, এই উপন্যাসের মাঝে সব কিছুর সাথে পাঠক আবহমান মানুষের জীবনের কিছু গল্প জানতে পারবে যেখানে আছে পূর্ণ হয়েও অপূর্ণ ভালোবাসর গল্প। আছে মাতৃহারা হয়ে পিতার কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়া একটি মেয়ের গল্প, শহুরে জীবন থেকে দূরে অপেক্ষমান এক স্ত্রী ও সন্তানের গল্প। সকল কিছুর মিশ্রণ যখন সবশেষে একটি বিন্দুতে মিলবে তখন পাঠক উপলব্ধি করতে পারবে কোথাও আর আলো নেই। সকল আলো ফুরিয়ে গেছে এমন এক জায়গায়, যেখানে আলো নেই।

কিন্তু, আঁধারের পরেই প্রতিটি জীবন আলোর দেখা পায়। তাই উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্বে পাঠক সেই আলোর দেখা পায় কিনা সেটিই দেখার বিষয়।
9 reviews
January 5, 2024
সংক্ষেপে বলতে গেলে কাহিনির শুরুটা প্রভাবশালী দলীয় নেতা,চরিত্রহীন শমসের হত্যা দিয়ে।কেস সলভের দায়িত্ব পায় পুলিশ কিন্তু নাটকীয় ভাবে এর সাথে জড়িয়ে যায় এক সময়ের তুখোড় প্রাইভেট ডিটেকটিভ অফিসার ইমতিয়াজ আহমেদ আর বাচ্চা জুনিয়র আবির। পুরো বই জুড়ে আবিরের তেমন কোনো ভূমিকা না থাকলেও শেষমেশ আবিরের জন্যই ইমতিয়াজ আহমেদ নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে আসেন+কেসটা সলভ করতে পারেন। 
ইসতিয়াক জিয়নের লেখা প্রথম বই পড়লাম।নব্য লেখক বলা যায় তাঁকে । কিন্তু তার কাহিনি বর্ণনা এত সুন্দর আর  বর্ণিত প্রতিটা চরিত্র যেন আপন মহিমায় গল্প জুড়ে জায়গা করে আছে! বইয়ের নাম করণ "যেখানে আলো নেই" -এর পিছনের কারনটাও যথাযথভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
পরিশেষে, বইটাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো কিছু নেই,,একদম পারফেক্ট সুন্দর একটা বই 💥
Profile Image for Ashfia Sharif.
74 reviews3 followers
February 18, 2023
খুব ভালো লাগেনি আবার একদম খারাপও না। মাঝামাঝি গতির একটা থ্রিলার । রগরগে থ্রিলার না,তবে হালকা সাসপেন্স ছিল। বেশ কিছু বানান ভুল চোখে লেগেছে। দ্বিতীয় সংস্করণে এগুলো ঠিক হবে আশা করি। তবে গোয়েন্দা ইমতিয়াজ আহমেদ যেভাবে শেষে সব ক্লু একসাথে মিলিয়ে খুনি পর্যন্ত পৌঁছালো সেটা আনপ্রেডিক্টেবল ছিল। আমার কাছে মনে হয় কাহিনীর কিছু জায়গায় প্লট হোল আছে। লেখকের লেখনশৈলী ভবিষ্যতে আরো উন্নত হবে আশা করি। ইমতিয়াজ আহমেদ সিরিজের পরবর্তী বই এর অপেক্ষায় থাকবো।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews