ম্যাজিক কে না ভালোবাসে? যুক্তির খাড়াই সিঁড়ির কোনো এক বাঁকে পৌঁছে কি ইচ্ছে করে না দু দণ্ড জিরিয়ে নিতে ?, সন্দেহ স্থগিত রেখে বিস্ময় কুড়িয়ে নেওয়ার লোভ হয়তো সকলেরই হয়, এমনকী বিদ্যুৎলতা বটব্যালেরও। কিন্তু সে অন্ধকারের পোশাক পরে জন্মেছে। কালো রঙের পোশাক। তার গায়ে লেগে থাকা রক্তের দাগ যাতে দেখা না যায়। সকলের ক্ষমতা থাকে না, শুধু পাখির চোখটুকু দেখতে পাওয়ার। সকলে যোদ্ধা হয়ে জন্মায় না।
পড়া শেষ করলাম। ভয়ে চমকে রুদ্ধ নিঃশ্বাসে গায়ে জ্বর এসে গেছে। "বিবি" কি? "বিবি" কে? "বিবি" কি চায়? আরও অনেক প্রশ্ন মাথার ভিতর ডানা ঝাপটিয়ে বাড়ি মেরেই যাচ্ছে। একি চরম উপস্থাপনা? এই কাহিনী কি শুধুই এক রহস্যে ভরা গোয়েন্দা কাহিনী? নাকি বাস্তবের সেই সব অন্ধকার কানা গলির ততোধিক অন্ধকারাচ্ছন্ন জটিল প্রবৃত্তির দাসত্ব করা মানুষদের গোপন জীবনের আখ্যান সমূহের সমুচ্চারিত উন্মোচন। যে উন্মোচন সমাজের তথাকথিত সভ্য ভদ্র মেকি মানুষরা ঠিক সহ্য করতে পারেন না। তাই চোখ বন্ধ করে উল্টো দিকে মুখ ঘুরিয়ে - "আমরা ভালো ভাবি, আমরা ভালো করি তাই ভালোটাই দেখতে পাই " বলে নিজেকেই মিথ্যা ভাবনায় ভুলিয়ে রাখেন। এ উপন্যাস ঠিক বিদ্যুৎ চমকের মতোই আছড়ে পড়ে অনুভূতিশীল পাঠকের মনে গভীর রেখাপাত করে যায়।
নাহ! আরেকটু জানি বিবিকে। কে সে? কি চায় সে? কেন এমন জটিল জীবনে আবদ্ধ সে? জানার ইচ্ছায় তাই হাতে তুলে নিলাম বিবির "অন্তর্দ্বন্দ্ব"- কে। বাকিটা পরে বলব।
প্রথম বইটার শেষে যে plot কে open ছাড়া হয়েছিল সেটাকেই বেশ বড় করে পুরো বইটার গল্পস্রোত।বুনট ঠিকঠাক ছিলো কিন্তু প্রথম আত্মপ্রকাশ এ যে spark টা সেটা এই বইতে আগাগোরা মিসিং। আচ্ছা মানলাম গল্পের ধারার জন্যই সেটা মিসিং। কিন্তু প্রাসঙ্গিকতা কোথাও প্রচণ্ড নড়েছে নতুন করে প্রচুর চরিত্র যে intorduce করা হয়েছে । যদিও প্রথম খণ্ডে নির্ধারিত যখন গল্পস্রোত এই দিকে যাবে তাহলে এই অংশ গুলো বা character গুলোর কিছু ইঙ্গিত থাকলে ভালো হতো । সব তাও ঠিক এগোচ্ছিল কিন্তু শেষে এসে to be honest last chapter টা just তাড়াহুড় করে লেখা । জানিনা কেন গল্পধারা কে এতো নিষ্ঠুর হতে হলো ।I need a break, may be need to go back to classics for few days.