ক্রিকেট খেলত ধৃতিমান। কিন্তু চূড়ান্ত এক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে খেলা ছেড়ে দেয় সে। ওদিকে তার ছেলে তুফানও ক্রিকেটার। বড় দলে খেলার স্বপ্ন দেখে তুফান। তুফানের বান্ধবী কথিকার জীবনে আসে অদ্ভুত এক সংকট। একদিকে আর্থিক সচ্ছলতার হাতছানি, অন্যদিকে সততার প্রতি দায়— এই দুইয়ের দ্বন্দ্বে দীর্ণ সে। কী করবে কথিকা? তুফান তাকে কোন পথ দেখায়? ‘ছায়াপথের আলো'য় আরও আছে ভিক্ষাজীবী নকু-র চমকপ্রদ আসা-যাওয়া।
উল্লাস মল্লিকের জন্ম ১৯৭১ হাওড়া জেলায়, গাছগাছালি দিঘি ঘেরা এক শান্ত গ্রামে।বাবা সমরসিংহ মল্লিক, মা গীতা মল্লিক। একটু বড় হয়ে সপরিবারে চলে আসেন হাওড়া জেলারই আর এক চমত্কার গ্রাম কেশবপুরে।বাবা ছিলেন সেখানকার বিশিষ্ট শিক্ষক। স্নাতক হবার পর শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু।চাকরি ছেড়েছেন; পেশা বদলেছেন।দুষ্টুমির বাল্যকৈশোর, অনিশ্চিত কর্মজীবন, চেনা-অচেনা, ভাল-মন্দ বাছবিচার না করেই মানুষের সঙ্গে মেলামেশা, অদ্ভুত সব ঘটনা আর স্নিগ্ধ প্রকৃতি তাঁর লেখা জুড়ে।মনে আনন্দ আর রসবোধ নিয়েই বেঁচে থাকতে চান। ২০০০ সালে লেখালিখির শুরু।বিভিন্ন বছরে ‘দেশ’ হাসির গল্প প্রতিযোগিতায় বিজয়ী।একডজন উপন্যাস, দেড়শোর বেশি গল্প আর রম্যরচনা লিখেছেন।