Jump to ratings and reviews
Rate this book

টাপুরদি-মিতুল #3

মৃতেরা কোথাও নেই

Rate this book
নব দিগন্ত হোম থেকে হারিয়ে গেল লালন নামে একটি অনাথ কিশোর। টাপুরদির অধ্যাপক বন্ধু উত্তীর সোম একজন সমাজসেবী। পথশিশুদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। উত্তীয় চান, টাপুরদি লালনকে খুঁজে বের করুক।অপরদিকে জোকা এক্সপ্রেসওয়েতে পাওয়া গেল এক অজ্ঞাতপরিচয় প্রৌঢ়ের মৃতদেহ। ময়নাতদত্তের পর জানা গেল তার শরীর থেকে দুটি কিডনিই কে বা কারা অপারেট করে বের নিয়েছে। কলকাতা পুলিশের ধারণা, এক বা একাধিক অর্গ্যান ট্র্যাফিকিং চক্র কলকাতা ও তার আশেপাশের অঞ্চলে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ডিসিডিডি সৌরভ সান্যালের নেতৃত্বে লালবাজারের গোয়েন্দা পুলিশের দল তদন্ত শুরু করল। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী অম্লান চক্রবর্তীর অনুমত্যানুসারে টাপুরদিও নবদিগন্ত হোমে শিশু-কিশোরদের অন্তর্ধানের রহস্য উন্মোচনের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাল। প্রকাশিত হতে থাকল হত্যা, অপহরণ সহ গভীর ষড়যন্ত্রের এক অন্ধকার কাহিনি।একদিকে একটি কিশোরকে খুঁজে বের করার চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে একটি অপরাধ চক্র ভাঙার লড়াই কোথাও কি এসে মিশে যাবে? এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড রাঘব সামন্তের আসল পরিচয় কী? কীভাবে এতটা ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে এসব অপরাধীরা? কীভাবে রাজনীতির খেলা চলতে থাকে, কেমন করেই বা প্রশাসন, আইন এদের হাতের ক্রীড়নকে পরিণত হয়। স্বাস্থ্য পরিষেবার আড়ালে রোজ কতো অপরাধ সংঘটিত হয়, তারই এক জীবন্ত আলেখ্য “মৃতেরা কোথাও নেই”। টাপুরদি কি পারবে রহস্যের সমাধান করতে? নাকি এবার সত্যিই হেরে যাবে সে?

280 pages, Hardcover

First published May 9, 2022

21 people want to read

About the author

Somaja Das

17 books9 followers
সোমজা দাসের জন্ম উত্তরবঙ্গের জেলাশহর কোচবিহারে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। বাংলা সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা সেই শৈশব থেকে। জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন এবং কলকাতায় একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মজীবন শুরু করেন। লেখকের এখন অবধি প্রকাশিত একক বইগুলি হল ‘এক কুড়ি পাঁচ গল্প’, ‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’, ‘কৃষ্ণগহ্বর’ ও ‘নিকষিত হেম’, ‘কাল-কূট’ ও ‘মৃতেরা কোথাও নেই’। আনন্দবাজার এছাড়াও পত্রিকা, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতী, বর্তমান পত্রিকা, সাপ্তাহিক বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, উত্তরবঙ্গ সংবাদ, গৃহশোভা ও আরও অনেক পত্রপত্রিকা ও গল্প সংকলনে লিখেছেন এবং লিখছেন। লেখালেখি ছাড়াও প্রচুর পড়তে ভালোবাসেন তিনি। নিজেকে তিনি লেখকের চাইতে মগ্ন পাঠক হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (14%)
4 stars
7 (50%)
3 stars
5 (35%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,874 followers
August 15, 2022
পথশিশুদের আশ্রয় 'নব দিগন্ত' থেকে হারিয়ে গেল লালন। পুলিশের মতে, এ নিতান্তই স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু উত্তীয়— যিনি লালনকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন দেখেছিলেন— এ-কথা মেনে নিলেন না। তিনি লালনের সন্ধানে রহস্যভেদী সঙ্ঘমিত্রা ওরফে টাপুরের সাহায্য চাইলেন।
তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, ক'দিন আগে পথের ধারে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় যে বৃদ্ধকে পাওয়া গেছে, তাকে তিনি নব দিগন্তে দেখেছিলেন।
পুলিশ জানে, বৃদ্ধের শরীরে একটি কিডনিও ছিল না।
তবে কি নব দিগন্তে অন্য কিছু হচ্ছে?
লালনের কী হবে? সে কোথায় আছে এখন.
দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে এই ভয়ংকর ব্যবসার পেছনেই বা কে আছে?
"আবার আকাশে অন্ধকার ঘন হয়ে উঠেছে:
আলোর রহস্যময়ী সহোদরার মতো এই অন্ধকার।"
হ্যাঁ, এ বই এক বাস্তবিক অন্ধকারের উপাখ্যান। বড়ো নির্মম, নিষ্করুণ এই দেশ ও কালের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয় এটি।
তবে অন্ধকার থাকলে আলোও থাকে। টাপুরদি, তাঁর সঙ্গী মিতুল, পুলিশ অফিসার অর্জুন— এঁরাই সেই আলোর পথযাত্রী হয়েছেন। তাঁদের মাধ্যমেই ক্রমে উন্মোচিত হয় এই ভয়াবহ ব্যবসা।
তবু, অন্ধকার তো শেষ হয় না। সে ফিরে আসে— নিজের প্রাপ্য আদায় করতে। আর সেই অপেক্ষা নিয়েই শেষ হয় উপন্যাসটি।
এর ভালো দিক কী-কী?
১) লেখা একেবারে আনপুটডাউনেবল। ক্লান্ত দেহ-মন নিয়েও উপন্যাসটি পড়তে শুরু করার পর আমি থামতে পারিনি।
২) বিষয়টি নিয়ে ইনফো-ডাম্পিং করার প্রভূত সুযোগ থাকলেও লেখক নিজেকে সংযত রেখেছেন। গল্পের গতি এবং চরিত্রিদের স্বাভাবিক বিকাশকে তিনি রুদ্ধ হতে দেননি। তবে হ্যাঁ, বিস্তৃত পাঠ-নির্দেশিকা দিয়ে তিনি পাঠককে আহ্বান জানিয়েছেন এই ঘৃণ্য ব্যবসা এবং তার ফলাফল সম্বন্ধে জানতে।
৩) বইয়ের প্রচ্ছদ এবং ভেতরের অলংকরণ অত্যন্ত পরিমিত ও বিষয়ানুগ৷ বানানও অপেক্ষাকৃত শুদ্ধ।
৪) পুলিশ এবং অন্য রহস্যভেদীকে যে ধরনের সীমাবদ্ধতার মধ্যে কাজ করতে হয়, তার যথাযথ পরিচয় দিয়েছেন লেখক। তবে বুদ্ধি ও মনোবল দিয়ে কীভাবে সেই সীমা অতিক্রম করা যায়, তাও তিনি দেখিয়েছেন।
এর খারাপ দিক? সমাপ্তিতে এমন এক সুপার-ভিলেইনের অবতারণা না করলেই পারতেন লেখক। এর ফলে টাপুরের অনুরাগীমাত্রেই পরের যেকোনো গল্পের রজ্জুতে সর্পভ্রম করতে বাধ্য হবে।
এই অনুযোগটুকু বাদ দিলে এ-বই লা-জবাব। রহস্যের আবরণে সমাজের অন্ধকার ও আলোর দ্বন্দ্ব যাঁরা দেখতে চান, তাঁদের জন্য এই বই অবশ্যপাঠ্য বলেই মনে করি। "অন্ধকারের সারাৎসারে অনন্ত মৃত্যুর মতো মিশে থাকা" এই সময়ে এমন বই "ভোরের আলোর মূর্খ উচ্ছ্বাসে নিজেকে পৃথিবীর জীব বলে" বুঝতে সাহায্য করে।
সুযোগ পেলেই পড়ে ফেলুন।
Profile Image for Joydeep Chatterjee.
55 reviews6 followers
January 2, 2023
দীপ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত 'মৃতেরা কোথাও নেই' আমার সাম্প্রতিক পাঠ। কোনোরকম ভনিতার ধারপাশ দিয়ে না হেঁটে সোজাসুজি বক্তব্যে আসি। বর্তমানে যারা লেখালেখি করছেন, ক্রাইম থ্রিলার, পলিটিক্যাল থ্রিলারের জঁর নিয়ে লিখে চলেছেন, তাঁদের মধ্যে সোমজা দাস নবীন হলেও অন্যতম।

কেন?

১/ টাপুরদি - মিতুল সিরিজের ধারাবাহিক উত্থান:
'টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি' - এই সিরিজের প্রথম বই পাঠক যদি পড়ে থাকেন, তাহলে দীপ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই সিরিজের সর্বশেষ বই 'মৃতেরা কোথাও নেই' উপন্যাসটি পড়লে অবশ্যই বুঝতে পারবেন থ্রিলার কাহিনি হিসাবে 'টাপুরদি-মিতুল' সিরিজ ক্রমশ আরো মজবুত হচ্ছে।

২/ 'টাপুরদি - মিতুল' ছাড়াও কালীচরণ নামে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রকে কেন্দ্র করে অন্য একটি প্যারালাল সিরিজের উত্থাপন করেছেন লেখিকা (উপন্যাস: কালকূট / অরণ্যমন প্রকাশনী)। ভালো লাগার বিষয় এখানে, দুটি সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্রদের (টাপুরদি এবং কালীচরণ) অনুসন্ধান পদ্ধতি, পারিপার্শ্বিক অবস্থা আলাদা। অন্যান্য চরিত্ররাও সম্পূর্ণ আলাদা। সমাজগত দিক থেকেও দুটি আলাদা স্তরে তাদের কাজ, কিন্তু দুটি চরিত্রই অত্যন্ত বাস্তবের মাটিতে পা রেখে চলা।

৩/ 'মৃতেরা কোথাও নেই' উপন্যাসটি বিষয় নির্বাচনের দিক থেকেও প্রশংসনীয়। অর্গ্যান ট্রাফিকিং এবং শিশুপাচারের মত সিরিয়াস এবং ঘৃণ্য অপরাধকে ঘিরে যে আন্তর্জাতিক চক্র গড়ে ওঠে, তার এক বাস্তবোচিত দিক তুলে ধরেছেন লেখিকা। নবদিগন্ত হোম থেকে লালন নামের একটি পথশিশুর হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা দিয়ে এই কাহিনির সূত্রপাত এবং টাপুরদির এই কেসে জড়িয়ে পড়া।

৪/ একজন প্রাইভেট ডিটেকটিভের সীমাবদ্ধতা, ক্ষমতা সব অত্যন্ত সুন্দরভাবে সোমজা নিয়ন্ত্রণ করেছেন এই উপন্যাসের ক্ষেত্রেও। টাপুরদিকে কখনোই সুপার-উওম্যান করে তোলার বাসনা আমি লেখায় দেখিনি। এটিই বোধহয় থ্রিলারপ্রেমী পাঠক সবথেকে বেশি খোঁজেন একটি কাহিনিতে।

৫/ দীপ প্রকাশনের সুমুদ্রিত এই বইটিতে মুদ্রণজনিত ত্রুটি অনেক কম, যা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রকাশনাকে সাধুবাদ।

ভালো যা লাগেনি, তার তালিকা অত্যন্ত ছোট হলেও,

১/ কমিক-রিলিফ : ডিটেকটিভ বা থ্রিলার উপন্যাসের অন্যতম একটি উপাদান ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়, পরিমিত অনুপাতে কমিক-রিলিফ বা হিউমার-কন্টেন্ট। এই উপন্যাসের মত অন্যান্য কাহিনিতেও সেইরকম কিছু আমি পাইনি। হতে পারে, এই মোটা দাগের অপরাধকে কেন্দ্র করে আনপুটডাউনেবল যে কাহিনি গড়ে উঠছে, তাতে কতটা কমিক-রিলিফ ঢোকানো যায় বা ঢোকালেও ভালো লাগবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়, এরকম কোনো পার্শ্বচরিত্রের উপস্থিতি ঘটানো যেত। অন্যদিকে, টাপুর এবং অর্জুনের সম্পর্কের যে দিকটি মিতুলের চোখ দিয়ে লেখিকা দেখিয়ে চলেছেন (তার আগের উপন্যাসেও দেখেছি) এই সিরিজে, সেই সম্পর্কের সমীকরণের চাকা গড়াচ্ছে তো না-ই, উপরন্তু কিছু জায়গায় রুদ্ধশ্বাস কাহিনির গতি শ্লথ করে দিচ্ছে বলে আমার মনে হয়েছে।

২/ কাহিনির যবনিকা পতনের সময়ে সুপার-ভিলেনের অবতারণা না ঘটালেই হয়তো ভালো হতো। ব্যাপারটা বড্ডো বেশি আরোপিত এবং মেনস্ট্রিম মনে হয়েছে আমার। গল্পটি তার আগে শেষ হলেই স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিল বলে মনে হয়, যদিও এক্ষেত্রে মতামত একান্ত ব্যক্তিগত।

মোটের উপর 'মৃতেরা কোথাও নেই' একটি আদ্যন্ত টানটান উত্তেজনায় ভরপুর পলিটিক্যাল থ্রিলার। লেখিকার পরবর্তী উপন্যাসের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে রইলাম।

অলমিতি।

______________________________________

🔹মৃতেরা কোথাও নেই (টাপুরদি-মিতুল সিরিজ) /সোমজা দাস
▪️দীপ প্রকাশন
🔹৩০০ টাকা
Profile Image for Dweepchakra.
16 reviews1 follower
July 29, 2024
ভালই লেগেছে। বিষয় নির্বাচনের মধ্যে একটা চমক আছে। তবে এই রকম একটা বিষয় নিয়ে গোয়েন্দা উপন্যাস লিখতে গেলে আরেকটু বিষয়ের গভীরে যাওয়াটা দরকার ছিল। সেটা একটু কমই পেলাম। তবে লেখিকার লেখার স্টাইল আমার খুবই ভাল লাগে। তাই ওঁর বিভিন্ন লেখা নিয়মিত পড়ি।
Profile Image for   Shrabani Paul.
397 reviews23 followers
August 16, 2022
🍂📖বইয়ের নাম - মৃতেরা কোথাও নেই📖🍂
✍️লেখিকা - সোমজা দাস
🖨️প্রকাশক - দীপ প্রকাশন
📜পৃষ্ঠা সংখ্যা - ২৮০

📑🎭( টাপুরদি - মিতুল সিরিজ )🎭📑

📜🍂জোকা এক্সপ্রেসওয়েতে পাওয়া গেল এক অজ্ঞাতপরিচয় প্রৌঢ়ের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ। পোষ্ট-মার্টেম রিপোট আসতেই জানা গেল প্রৌঢ়ের শরীরে একটিও কিডনি নেই । এই নিয়ে এরকম তিনটে কেস এল লাস্ট ছয় মাসে । কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ডিসিডিডি সৌরভ সান্যাল এর ধারণা কোনো অর্গ্যান ট্রাফিকিং র‍্যাকেটের কাজ । লালবাজারের পুলিশের দল তদন্ত শুরু করে।🍂📜

🍁🎭টাপুরদির সঙ্গে দেখা করতে আসেন টাপুরদির কলেজ লাইফের বন্ধু উত্তীয় সোম, যিনি বর্তমানে পেশায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং নেশায় সমাজসেবী। পথশিশুদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি টাপুরদি কে বললেন লালন এর কথা যাকে কিনা বিধাননগর স্টেশন থেকে রেসকিউ করে তিনি নবদিগন্ত হোমে এডমিট করিয়েছিলেন , সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য । সবকিছু ভালোই চলছিল, হঠাৎ করেই ছেলেটা যেন গায়েব হয়ে যায়। উত্তীয় টাপুরদি কে অনুরোধ করে লালন কে যেভাবেই হোক খুঁজে বের করতেই হবে। টাপুরদি কি পারবে রহস্যের সমাধান করতে?🎭🍁

💐📑বেশ কিছু মাস আগেই আমি কৃষ্ণগহ্বর বই টি পড়েছিলাম (পলিটিক্যাল থ্রিলার) যেখানে টাপুরদি কে পরিণত গোয়েন্দা হিসাবে পেয়েছিলাম। উপন্যাস টা পড়ার পর থেকেই লেখিকার লেখার ফ্যান হয়ে গেছি। এতো সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা উফ্ অসাধারণ। মৃতেরা কোথাও নেই উপন্যাস এ লালন এর বাঁচার ইচ্ছা ও শেষ চেষ্টা করার সময় আমি একটু ইমোশনাল হয়ে পড়েছিলাম। এদিকে টাপুরদির ও কেসটা কতোটা ঝুঁকি নিয়ে রহস্যভেদ করছে , জানে এই কেসটা আর পাঁচটা খুন, চুরি,কিডন্যাপিং-এর মতো কেস নয় তবে কি টাপুরদি পারবে এই কেসটার সমাধান করতে? পারবে কি লালন- কে ফিরিয়ে আনতে ?
এই কেসটা ক্রমেই আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে যাচ্ছে । তবে আমি এনজয় করছি। বইয়ের ভিতরের ছবি গুলি বেশ সুন্দর, আমার খুব পছন্দ হয়েছে । পরের পার্ট এর জন্য অপেক্ষায় রইলাম । এতো সুন্দর একটা উপন্যাস পাঠকদের উপহার দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ লেখিকা কে ।📑💐

#Mritera_kothao_nei #Somaja_das
#মৃতেরা_কোথাও_নেই #সোমজা_দাস
#টাপুরদি_মিতুল_সিরিজ
Profile Image for DIPANJAN MUKHERJEE.
81 reviews
January 25, 2026
মৃতেরা কোথাও নেই দীপ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
It delves into the world of অর্গ্যান ট্রাফিকিং and শিশুপাচারের
Feels realistic and Never Tapurdi feels she knows everything
The comradrie between Tapurdi Arjun Mitul is very 👍
But sometimes the love angle feels forced.
My rating 4.25/5
14 reviews
July 14, 2024
Based on the theme of organ trafficking, a gruesome theme yet wonderful story telling !! Great work!!
Profile Image for Journal  Of A Bookworm .
135 reviews11 followers
January 8, 2025
#পাঠপ্রতিক্রিয়া - ৩৬/২০২৪

মৃতেরা কোথাও নেই
লেখিকা - সোমজা দাস
প্রকাশনী - দীপ প্রকাশন
দাম - ৩০০ টাকা

সদ্য পড়ে শেষ করলাম সুলেখিকা সোমজা দাসের লেখা টাপুরদি-মিতুল সিরিজের তৃতীয় উপন্যাস 'মৃতেরা কোথাও নেই'। এই বছরের প্রথম দিকে লেখিকার আরেকটি বেশ ভালো বই পড়েছিলাম "কাল-কূট" সেটাও বেশ ভালো লেগেছিল।। টাপুরদি-মিতুল সিরিজের এটাই আমার পড়া প্রথম উপন্যাস।। দুজনের যুগলবন্দী বেশ ভালো লেগেছে।। এর আগে টাপুরদি-মিতুল সিরিজের দুটি বই পড়া হয়ে ওঠেনি, তবে এই পড়ে বেশ ভালো লেগেছে তাই আগের দুটো বই অবশ্যই সংগ্রহ করতে হবে।।

✳️✳️ পটভূমি -

টাপুরদির সঙ্গে দেখা করতে আসেন টাপুরদির কলেজ লাইফের বন্ধু উত্তীয় সোম, যিনি বর্তমানে পেশায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং নেশায় সমাজসেবী। তিনি টাপুরদি কে বললেন এক পথশিশু, নাম লালন যাকে কিনা বিধাননগর স্টেশন থেকে উদ্ধার করে তিনি নবদিগন্ত হোমে এডমিট করিয়েছিলেন তাকে জীবনের মূল স্রোতে ফেরানোর জন্য, সে হঠাৎ করেই হোম থেকে পালিয়ে গেছে বা হারিয়ে গেছে। উত্তীয়, টাপুরদি কে অনুরোধ করলেন লালন কে যেভাবেই হোক খুঁজে বের করতে। অন্যদিকে জোকা এক্সপ্রেসওয়ের ধারে পাওয়া গেল এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ। কিন্তু পোস্টমর্টেম করে দেখা গেল সেই ব্যক্তির শরীরে দুটি কিডনিই অনুপস্থিত। এরপর থেকেই কাহিনীতে শুরু এক আশ্চর্য বাঁক বদলের ঘটনা। যে ঘটনা শুরু হয়েছিল লালন নামক এক অনাথ শিশুর তার সাথে যুক্ত হলো এক ভয়ঙ্কর ঘৃণ্য ঘটনা, অর্গান ট্রাফিকিং। কলকাতা পুলিশের ধারণা অনুযায়ী এক বা একাধিক অর্গ্যান ট্রাফিকিং চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। এতকিছুর মধ্যেই মিতুলকে নিয়ে মাঠে নামেন টাপুরদি। মুখ্যমন্ত্রীর সহায়তায় সে এই কেসে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত হয়। টাপুরদি কি পারবে এই কেসের কিংপিন কে ধরতে ? এই চক্রটা কি ধরা পড়বে ? লালন নামে ছোট্ট ছেলেটিকে উদ্ধার করা গেল কি? কোন বড় রহস্যের গোলকধাঁধায় জড়িয়ে গেল টাপুরদি, মিতুল, কলকাতা পুলিশের অফিসার অর্জুন দা? কে বা কারা জড়িত এই বিশাল অপরাধমূলক কর্মকান্ডে? টাপুরদি কি পারবে এই রহস্যের সমাধান করতে? নাকি সেও শেষ পর্যন্ত অন্ধকারে তলিয়ে যাবে? জানতে হলে পড়তেই হবে এই নতুন ২৭৮ পাতার দীর্ঘ উপন্যাসটি।

✴️✴️ পাঠ প্রতিক্রিয়া -

লেখিকা কাহিনীর প্রথম থেকেই রহস্য গড়ে তুলেছেন সুনিপুন ভাবে। অর্গ্যান ট্রাফিকিং নিয়ে এমন ঘটনা পরম্পরা সৃষ্টি করেছেন লেখিকা এবং রহস্যের জাল বুনেছেন তার জন্য লেখিকার প্রসংশা করতেই হয়। এই বই লেখার জন্য প্রচুর তথ্য জোগাড় করতে হয়েছে লেখিকাকে, পড়াশুনাও করতে হয়েছে বিস্তর এই সব সত্ত্বেও উপন্যাসের কোনো অংশেই তথ্য বহুল করে লেখা হয়নি।। বেশ টানটান উত্তেজনা প্রতিটি খণ্ডেই উপলব্ধি করা যায়।। এছাড়া টাপুরদির চরিত্র চিত্রণ থেকে শুরু করে তার বুদ্ধিমত্তা, কেসের জট ছাড়ানো সবটাই প্রশংসনীয়। আসল অপরাধীর পরিচয় আঁচ করা সম্ভব হলেও, শেষ পর্যন্ত যে চমক টা ছিল সেটা অপ্রত্যাশিত।। বইটি আশা করি সকলের পড়া হয়েছে যদি না পড়া হয়ে থাকে অবশ্যই পড়ে দেখতে পারেন, নিরাশ হবেন না।।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.