Jump to ratings and reviews
Rate this book

এল ডোরাডো

এ ফেস্টিভ্যাল অভ ব্লাড অ্যান্ড সি

Rate this book
এল ডোরাডো ট্রিলজির তৃতীয় বই।

200 pages, Hardcover

First published September 10, 2022

43 people want to read

About the author

Aminul Islam

15 books123 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
10 (14%)
4 stars
26 (38%)
3 stars
22 (32%)
2 stars
6 (8%)
1 star
3 (4%)
Displaying 1 - 13 of 13 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,114 reviews1,089 followers
March 14, 2024
শেষ হলো আমার সুদীর্ঘ এল ডোরাডো যাত্রা। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এল ডোরাডোর অলিগলি পেরিয়ে থিতু হলাম বাস্তবের দুনিয়াতে। তো কেমন ছিল এই সম্পূর্ণ যাত্রাপথ? আমি বলব ভীষণ রোমাঞ্চকর। কৈশোরে এই বই পড়লে হুলস্থুল বাধিয়ে ফেলতাম বন্ধুমহলে। কিন্তু এখন খুব পেকে গেছি। কিশোর উপন্যাসগুলো কেমন যেন সিনেমাটিক লাগে। জনি দিপের 'পাইরেটস অভ ক্যারিবিয়ান' দেখছেন না? হ্যাঁ। সেরকম একটা ভাইব পাবেন। অসংখ্য চরিত্র, বিস্ময়কর সব উপাদান ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সম্পুর্ণ বইতে। তাছাড়া 'এল ডোরাডো' নামটাই তো যেকোন কিশোরকে আগ্রহী করতে যথেষ্ট। কৈশোরে আমার ভীষণ পছন্দের ছিল প্রফেসর শঙ্কু। তার একটা গল্পও ছিল 'নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো'। উফফ! কি অদ্ভুত আবেশ নিয়েই না পড়তাম। আফসোস হচ্ছে এরকম একটা সিরিজ কৈশোরে হাতে আসে নি।

কৈশোর কৈশোর করতেছি এজন্য যে এই ট্রিলজির ১ম ও ৩য় খন্ড আদতে কিশোর অ্যাডভেঞ্চারাস ফ্যান্টাসি বলা যায়। লেখক ও এই ব্যাপারে একমত। এজন্য চরিত্রগুলোকে যেভাবে গভীরভাবে চিত্রায়ন করা দরকার সেভাবে পাবেন না। এতো এতো চরিত্রের সম্পূর্ণ ব্যাকস্টোরির ও আহামরি প্রয়োজন ছিল না। তার বদলে আয়ানের অ্যাডভেঞ্চারটাকে আরেকটু ডিটেইলসে আশা করেছিলাম। আটলান্টাসের বর্ণনা খুব সংক্ষেপিত। এটা নিয়ে সম্ভবত উনি আলাদা একটা অ্যাডভেঞ্চারই লিখে ফেলবেন (এটা ফেসবুক থেকে পাওয়া তথ্য)।

একজন পেকে যাওয়া পাঠক (এক প্রিয়জনের মত অনুসারে) হিসেবে কিছূ অপ্রাপ্তিতে ভুগেছি সম্পূর্ণ বই জুড়ে। তারপরও আমি বলব ফ্যান্টাসি জঁরে এই ট্রিলজি অসামান্য একটা সংযোজন। পড়ে দেখতে পারেন বুড়ো গুড়ো সবাই।
Profile Image for Sabbir  Ahmed.
23 reviews
January 12, 2023
3.75/5

এল ডোরাডো ট্রিলজির শেষ পার্টও শেষ করলাম।
ব‍্যক্তিগতভাবে আমার কাছে মনে হয়েছে,ট্রিলজির
দ্বিতীয় পার্টটা অত বড় না হলেও সমস্যা ছিলো....
না।......কারণ দ্বিতীয় পার্টের সাথে কাহিনী তেমন কোনো যোগসূত্র নেই।.... দ্বিতীয় পার্টে স্রেফ এল ডোরাডো শহরের প্রাচীন ইতিহাস হিসেবে বর্ণনা করেছেন লেখক।......আরো সংক্ষিপ্ত করে ইতিহাস বললেও সমস্যা ছিলো না।

দ্বিতীয় পার্ট বাদে প্রথম এবং তৃতীয় পার্টেই সম্পূর্ণ
কাহিনী হতে পারতো। ব‍্যক্তিগতভাবে আমার কাছে
পুরো ট্রিলজিটা মোটামুটি ভালো লেগেছে বলা
যায়। কারণ সমুদ্রের উপরের ঘটনাগুলো
কিছুটা হলেও উপভোগ করেছি।
Profile Image for Kazi Hasan Jamil.
61 reviews23 followers
July 17, 2023


❝সে আসে তখন, যখন অন্যায় সীমা ছাড়িয়ে যায়। সে আসে তখন, যখন সাগরের আকাশ ঢেকে যায় মেঘে। নীল সমুদ্রের পানির রং বদলে রক্তে রূপ নেয়। তখন ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করতে আসে ক্যাপটেন সান্ডার।❞

◑ পাঠ প্রতিক্রিয়া:

এল ডোরাডো নামক সম্পদে পরিপূর্ন এক কল্পিত "সোনার শহর" এর ইতিহাস এবং এ সম্পর্কিত মিথ কে উপজিব্য করে রচিত এল ডোরাডো ট্রিলজির প্রথম বই অর্থাৎ "এল ডোরাডো" তে গল্পের প্রধান চরিত্র আয়ান টাইম ট্রাভেল করে চলে যায় ৩০০ বছর পূর্বের পৃথিবীতে। আবিষ্কার করে এল ডোরাডো এবং জানতে পারে এল ডোরাডো কার্সের কথা। কীভাবে মূলত এল ডোরাডো এর সাথে অভিশাপ যুক্ত হলো তা নিয়েই ছিল ট্রিলজির দ্বিতীয় বই "এল ডোরাডো কার্স।" প্রথম বইয়ে কাহিনী যেখানে শেষ হয়েছিল তৃতীয় বই অর্থাৎ "এ ফেস্টিভ্যাল অভ ব্লাড এন্ড সি" তে এসে সেখান থেকেই ঘটনা প্রবাহ শুরু হয়।

এল ডোরাডোর অভিশাপে আক্রান্তরা পরিণত হয় জীবন্ত পিশাচে, যারা অন্যান্য সাধারণ মানুষকেও পিশাচ বানিয়ে দিতে পারে। অনেকটা ভ্যাম্পায়ারের মতো৷ অভিশপ্তরা পুরো সাগরকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন করতে চায়। যার ফলে হুমকির মুখে পড়ে যাবে মানবজাতি।

আর নিয়তির কারণে এসব কিছুর সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে যায় সুদূর ভবিষ্যৎ থেকে আসা আয়ান। আয়ানের মধ্যে কাজ করে দোটানা, পিছুটান। এসব কিছু থেকে পালিয়ে যেতে চাইলে তাকে বাধা দেয় তার মধ্যে থাকা দায়িত্ববোধ।

দ্বিতীয় বইয়ের মতো সম্পূর্ণ হাই ফ্যান্টাসি জনরার না হলেও এ ফেস্টিভ্যাল অভ ব্লাড এন্ড সি তেও দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের ফ্যান্টাসির ছোঁয়া। দেবতা পোসাইডনের বিশেষ প্রহরী ইয়াহিমা, আটলান্টিস, সবুজ বামন, সিথাম, মিমনের মতো মিথলজিক্যাল, ম্যাজিক্যাল চরিত্রের দেখা পাওয়া যায় এই বইয়ে।

ট্রিলজির অন্যান্য দুইটা বইয়ের মতো এটাও খুবই পেইজ টার্নার একটা বই। তবে কিছু বর্ণনা দীর্ঘায়িত হলে আবার স্টেবেসটিয়ানের আমাজনের যাত্রা, এল ডোরাডোর সন্ধান পাওয়ার মতো ঘটনাগুলো বইয়ে থাকলে আরো বেশি উপভোগ্য হতো।

চমকপ্রদ ঘটনা প্রবাহ, ঘটনার বিভিন্ন মোড়ের মধ্য দিয়ে সবশেষে লেখক এক তৃপ্তিদায়ক সমাপ্তি দিয়েছেন। ট্রিলজির অন্য দুইটি বইয়ের মতো সুন্দর অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম এই বইটিও।

◑ চরিত্রায়ন:

প্রথম বইয়ে যে চরিত্রগুলোকে খাপছাড়া লাগছিল, যাদের ঠিক কাহিনীর সাথে রিলেট করতে পারছিলাম এই বইয়ে এসে সেই খাপছাড়া ভাবটা ছিল না। কেননা চরিত্রগুলোকে জায়গামতো নিয়ে গিয়ে লেখক তার বিছিয়ে রাখা জাল তোলা শুরু করেন। কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্রের মূল গল্পে ভূমিকা বা সম্পৃক্ততা ছিল না। অনেকটাই সাদামাটা সমাপ্তি। লেখক চাইলেই হয়তো এসব চরিত্রদের মূল যুদ্ধ মঞ্চে অবতারণ করতে পারতেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে চরিত্রগুলো বাস্তবিক গ্রহণযোগ্যতা হারাতো। ইতিহাসকে ঠিক রাখার জন্যই এই কাজ করা হয়েছে। এছাড়া যেসব চরিত্র নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল তারও অবসান ঘটে এই বইয়ে। বইটি পড়ার সময় বোঝা যায় পরিস্থিতি মানুষকে যেকোনো কাজ করতে বাধ্য করে। তাই কোনো চরিত্রকেই অপছন্দ করার অবকাশ থাকে না আর। সবমিলিয়ে চরিত্রায়নের ক্ষেত্রে লেখক দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন।

◑ বানান, সম্পাদনা, প্রচ্ছদ, প্রোডাকশন ও অন্যান্য:

বইয়ের বানান ও সম্পাদনার ক্ষেত্রে আরেকটু যত্নশীল হওয়া উচিৎ ছিল প্রকাশনীর। এছাড়া প্রোডাকশনের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়নি প্রকাশনী। প্রচ্ছদশিল্পী জুলিয়ান ভাইও বইয়ের কন্টেন্টের সাথে মানানসই একটি প্রচ্ছদ করেছেন।

◑ বই পরিচিতি:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
➠ বইয়ের নাম: এ ফেস্টিভ্যাল অভ ব্লাড এন্ড সি {ট্রিলজির ৩য় বই}
➠ লেখক: আমিনুল ইসলাম
➠ জনরা: ফ্যান্টাসি, অ্যাডভেঞ্চার
➠ প্রকাশনী: নয়া উদ্যোগ প্রকাশনী
➠ প্রকাশকাল: ২০২২
➠ প্রচ্ছদশিল্পী: লর্ড জুলিয়ান
➠ পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯২
➠ মুদ্রিত মূল্য: ৪০০ টাকা
Profile Image for Amin Choudhury.
63 reviews
November 28, 2022
"সে তখন আসে যখন অন্যায় সীমা ছাড়িয়ে যায়। সে আসে তখন যখন সাগরের আকাশ ঢেকে যায় মেঘে। নীল সমুদ্রের পানির রং বদলে রক্তে রূপ নেয়। তখন ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করতে আসে ক্যাপ্টেন সান্ডার।"

ক্যাপ্টের সান্ডার কি এসেছিলো?

এই বই দিয়ে শেষ হলো এল ডোরাডো ট্রিলজি। এন্ড আই মাস্ট সে হুয়াট আ জার্নি! ট্রিলজির প্রথম বই পড়ার পরই এক্সপেক্টেশন ছিলো হাই। দ্বিতীয় বই আমার কাছে একদম মাষ্টারপিস। তৃতীয় বই কিছুটা হতাশ করলেও ওভারঅল ফিলিংস দারুণ। পুরোপুরি সিনেমাটিক ভাইব পেয়েছি তৃতীয় বইটিতে। যদিও বইয়ে অতিরিক্ত সিনেমাটিক ভাইব পছন্দ না আমার।

তবে... তবে প্রচুর বানান ভুল ছিলো। নরমাল বানান ভুল মেনে নেয়া যায় কিন্তু নামের বানান উল্টাপাল্টা হলে বিরক্ত লাগে পড়তে। বইয়ের শুরুতে টরেস মাঝামাঝিতে এসে হলো টমাস তারপরে আবার থমাস (গল্পে আরোও একজন থমাস ছিলো! বুঝেন কি কনফিউশন) আর শেষভাগে এসে আবারো টরেস! আর দাড়ি-কমার কোনো বালাই ই নাই। তৃতীয় বইটাতে এই বানান ভুল আর অতিরিক্ত সিনেমাটিক ভাইব ছাড়া দারুণ একটা ট্রিলজি। বারবার দারুণ ট্রিলজি বলছি কারণ স্ট্যান্ড এলোন হলে এই বইটা আমার কাছে অন্তত ২★ এর বেশী পেতোনা। কিন্তু ট্রিলজি হিসেবে এটি মৌলিক ফ্যান্টাসিতে মাইলফলক।

শুভকামনা লেখকের জন্য...

ও হ্যাঁ, এই পুরো ট্রিলজি আমাকে গিফট করেছে Fowziya. Thank you❤️
Profile Image for রায়হান রিফাত.
256 reviews9 followers
February 22, 2023
লেখকের যতগুলা লেখা পড়ছি এইটা তন্মধ্যে সবচেয়ে দূর্বল।
এই সিরিজের দ্বিতীয় বই টা জোস ,
প্রথম বই টাও বেশ ।

তবে তৃতীয় টা বেশি দূর্বল।

উনি উনার পটেনশিয়ালটি ধরে রেখে কাজ করলে এইটা আর ও ভাল হত ig... তবে অনেকের ভাল লাগতেও পারে।
আমি ফ্যান্টাসি একটু কম পছন্দ করি,তাই আমার ভাল লাগায় সেটার ছাপ রয়ে যাই।

রেটিং: ৬/১০
Profile Image for Sumaiya.
291 reviews4 followers
January 19, 2023
অবশেষে শেষ হলো এল ডোরাডো ট্রিলজি।
ভালো লাগা দিয়ে শুরু করেছিলাম আর ভালো লাগা দিয়েই শেষ করলাম তিনটা বইই 💕
Profile Image for Tasmin Nisha.
164 reviews6 followers
March 17, 2023
এল ডোরাডো সিরিজের তৃতীয় ও শেষ অংশটি শুরু হয় এক দুর্ঘটনার সূচনা থেকে- আয়ান‌ , টেরস ও হ্যামিলটন এল ডোরাডো শহর থেকে ফেরত আসার সময় সমুদ্রের ঝড়ের কবলে পড়ে। তাদের বাঁচাতে আসে এক বৃদ্ধ যার নাম ইয়াহিমা, যিনি একজন শক্তিশালী জাদুকর এবং যার কাজ আটলান্টাস দ্বীপকে বাহিরের দুনিয়া থেকে রক্ষা করা। সে নিয়ে যায় আয়ান ও তার বন্ধুদের আটলান্টাস দ্বীপে যেখানে মাহিশা নামের জাদুকরী রয়েছে। জাদুকরী তাদের জানায় ডেভিলকে মারার জন্য বিশেষ যে তরবারি দরকার তা মৃফুদা দ্বীপে।মৃফুদা দ্বীপে রওনা দেওয়ার সময় থেকে তাদের উপর একের পর এক বিপদ আসতেই থাকে। তারা দেখতে পায় অদ্ভুত কিছু জীবের অস্তিত্ব। মিমন নামের জাদু বিশেষজ্ঞ ও তার দলের সদস্যরা এ যাত্রায় আয়ানদের সাথে যোগ দেয়, ক্যাপ্টেন সান্ডার তাদের জন্য অনেক কিছু।

অন্যদিকে গল্পে সোফিয়া নামের সেই অসহায়, নির্যাতিত মেয়ে যাকে সিরিজের প্রথম অংশে দেখা যায়, যে রাগে ক্ষোভে পরিণত হয় পাইরেটস হান্টারে। তার দরকার নীরুকে যে সোফিয়ার সামনে তার বাবা ও ভাইকে হত্যা করে। কুখ্যাত জলদস্যু ব্ল্যাকবিয়ার্ড টিচ ও তার সহযোগী ব্যালিমির শেষ পরিণতি হয় ভয়াবহ। মারিয়া কখনো জানতে পারবে না ব্যালিমি তাকে খুঁজতেই আসছিল আর ব্যালিমিও জানবে না মারিয়া কারাগারে বন্দী জীবনে অতিষ্ট হয়ে শয়তানের কাছে নিজের জীবন উৎসর্গ করে দেয়।

ডেভিল আসে সবকিছু ধ্বংস করতে। মিমন, ইয়াহিমা, সোফিয়া ও তার পুরো দলসহ অনেকে যোগ দেয় ডেভিলকে মারার উদ্দেশ্যে। আয়ানের কাছে সুযোগ ছিল তার বর্তমান জীবনে ফেরত চলে যাওয়ার, সে পরে চলে যায় নাকি থেকে যায় এবং যদি থেকে যায় তারপরও বা কি হয় এই নিয়ে বাকি অংশ।

শেষ অংশ হিসেবে যা হওয়ার তাই গল্পে দেওয়া আছে। তবে কেন যেন কিছু একটা মিসিং লাগছে। এটা সিরিজের বাকি দুইটা অংশ বেশি ভালো লাগার কারণে হতে পারে।‌ সত্যি বলতে গল্পে মূল চরিত্র আয়ান হলেও তার প্রতি সেই টান অনুভব হয়নি যতটা না আশেপাশের চরিত্রগুলোর প্রতি হয়েছে , বিশেষ করে জলদস্যুদের কেন্দ্র করে চরিত্রগুলো এবং তাদের জীবনকাহিনী। তবে এই বইয়ের সবচেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার হলো বানানের ভুল যা চোখে পড়ার মতো।

এখন যদি আসি পুরো সিরিজ নিয়ে আলোচনা করতে তাহলে বলবো এই সিরিজ আমার পছন্দের ট্রিলজির মধ্যে অবশ্যই থাকবে। জলদস্যুদের নিয়ে লেখকের আলাদা বই বের করা উচিত।
15 reviews
September 28, 2022
এল ডোরাডো ট্রিলজি
আমিনুল ইসলাম
আমিনুল ইসলামের সব বই মোটামুটি পড়া ছিল। হুট করে গত মাসে সে নক দিয়ে জানতে চায় এল ডোরাডোর পার্ট ২& ৩ এর বেটার রিডার হবো কিনা। এক্সাম প্রেশার সত্ত্বেও নতুন বই থাকলে বইয়ের নেশায় মাতাল হয়ে যাওয়ার তাড়না থেকে রাজি হয়ে যাই। ২০ দিন আগেই পড়া শেষে লেখককে নিজস্ব মতামত জানিয়ে দিয়ে অফিসিয়াল একটা রিভিউ লিখার ফুরসত মিললো আজকে।
এল ডোরাডো পার্ট -১
একবিংশ শতাব্দী থেকে আঠার শতকের টাইম লুপের মাধ্যমে আয়ান চলে যাওয়ার পর কি হয়েছিল সেটা জানতেই এল ডোরাডোর ১ম পার্ট এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলেছিলাম। খুবই উপভোগ্য ছিল। কিংবদন্তীর এল ডোরাডো শহর খুঁজে পেয়েছিল হ্যামিল্টনের দাদা।অদ্ভুত ভাষায় লিখা পুঁথি ডিসাইফার করে এল ডোরাডো যাওয়ার পথ খুঁজে পায় হ্যামিল্টন ।কিন্তু দাদার খোঁজ পাওউয়া যায় নি। এরপরে কি হলো সেটা জানতে হ্যামিল্টন বেরিয়ে পরে আর দেখা হয় আয়ান এর সাথে। যাকে সবাই পিঠের ট্রাইডেন্টের কারণে ক্যাপ্টেন স্যান্ডার হিসেবে অভিহিত করছে। হ্যামিল্টনের সাথে আয়ান বেরিয়ে পরে কিংবদন্তীর এল ডোরাডো শহর খুঁজে বের করতে।এর আগে জলদস্যুদের দস্যুপনা নিয়ে কাহিনী এগিয়েছিল। জলদস্যু নিয়ে উপভোগ্য এক বই এল ডোরাডোর ১ম পার্ট ।
এল ডোরাডো কার্স
এল ডোরাডোর ২য় পার্ট এল ডোরাডোর কার্স নিয়ে। কিভাবে এ কার্স এলো তা নিয়েই ২য় অংশের কাহিনী। বেটা রিডার হিসেবে এ পার্ট পড়ার সুযোগ হয়েছিল। ভাবতেও পারিনি ফ্যান্টাসি জেনারে ২য় পার্ট পাবো। প্রথম কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পরেই ধাক্কা খাই। হুট করেই শুরু হয় দিনাস গ্রামের কাহিনী। কয়েক পৃষ্টা যাওয়ার পরে খেয়াল করলাম কিছু অশ্রুত শব্দ যেমন মেউক, রিনহা, রিনার। বুঝে গেলাম মৌলিক ফ্যান্টাসি পড়তেসি। ভাবতেই পারিনি ২য় পার্ট এ জনরায় মোড় নিবে। লেখক এখানে ভালোই ধাক্কা দিসে পাঠককে। ১ম পার্ট পড়ার পরে কেউ স্বপ্নেও ভাববেনা ২য় পার্ট এভাবে মোড় নিবে।
ধাক্কা সামলে পড়তে থাকি। লেখক যুদ্ধের বীভৎস বর্ণনা দিতে কার্পণ্য করেন নি। তবে কিছু ক্যারেক্টারে নাম এত কাছাকাছি যে হুট হাট মিস করে ফেলছিলাম। বিশেষ করে মিহান আর মিনহা এ ২ ক্যারেক্টারের মধ্যে প্যাচ লেগে যায়। যুদ্ধে ২ পক্ষের একটিকে গুড পাওয়ার যে নিজেকে রক্ষার জন্য যুদ্ধ করছে আরেকটি ব্যাড পাওয়ার যারা অহেতুক অপর পক্ষের ক্ষতি সাধন করছে ধরে কাহিনী এগিয়ে যাওয়ার পরে পাবেন এক টুইস্ট । আমার মনে হয়েছে আমরা কিভাবে দেখি তার উপর গুড ওর ব্যাড নিরধারিত হয়। এপারেন্টলি যাকে গুড মনে হয় শেষে যেখা যেতে পারে সে আসলেই ডেভিল।
যুদ্ধের শেষে এক দেবীর অভিশাপে এল ডোরাডো শহর পরিণত হয় কার্সে।
এ ফ্যাস্টিবাল অব ব্লাড এন্ড সি (পার্ট ৩)
৩য় অংশে আবার সেই আঠারো শতক এবং এল ডোরাডোর কানেকশন। এ অংশে আয়ানের প্রকৃত ক্যাপ্টেন স্যান্ডার হয়ে উঠার সাথে ডেভিল বধ নিয়েই কাহিনী গতি পেয়েছে। ডেভিল বধের জন্য কিংবদন্তীর ��টলান্টা শহর থেকে দেবতা পোসাইডনের বিশেষ প্রহরী ইয়াহিমা কে নিয়ে মৃফুদার পথে যাত্রা করে আয়ান। পথে বামন,সিথাম, মিমন সহ অদ্ভুত সব ক্যারেক্টার এর সাথে পরিচয় ফ্যান্টাসির ছোয়া বজায় রেখেছেন লেখক। প্রথম দিকে কাহিনীর গতি বেশি ,মাঝে কমে গিয়ে শেষে জাস্ট দৌড়াইসে। হাত থেকে রাখার উপায় নেই।শেষ অংশটুকুর জন্য মনে হবে হয়তবা লেখক ইচ্ছে করে মাঝের দিকে গতি শ্লথ করে মজা নিতে চেয়েছেন পাঠকের সাথে। ১ম অংশের সাব প্লটগুলোকে এক সুতোয় এনে দ্রুত সমাপ্তির দিকে গিয়েছেন। আমার মনে হয়েছে এভাবে না করলে অনাসায়ে ১০০ পেইজ+ আগাতো এবং আরো বেশি উপভোগ্য হতো, এজন্য কিঞ্চিৎ হতাশ হয়েছি।। এছাড়া শেষ লাইনে ক্লিফ হ্যাঙ্গার দিয়ে এল্ডোরাডো ট্রিলজির সমাপ্তি টানার মধ্যে দিয়ে শেষ হইয়াও শেষ হয় নি ফিলিংসের জন্ম দিয়েছে।
ডেভিল কে, এল ডোরাডো কার্স কি, কেন আয়ানকে ১৮ শতকে টাইম লুপের মাধুমে আসতে হলো, ক্যাপ্টেন স্যান্ডারের পরিচয়, তার দায়িত্ত কি, তার প্রজন্মে কিসের কার্স কেনোই বা বহমান, সেবাস্টিয়ানের কি হলো, ডেভিলের সাথে কার্স এর কি সম্পর্ক, ডেভিল আর স্যান্ডারের দ্বৈরত কেন?, এনা , সোফিয়ার কিহলো জানতে হলে এল ডোরাডো ট্রিলজি পড়াই তো যায়। এডভেঞ্চার, ফ্যান্টাসি , জলদস্যু সব মিলে এক কম্বো প্যাকেজ এল ডোরাডো।
10 reviews
March 16, 2024
এত সুন্দর একটা সিরিজ ছিলো, এত পটেনশিয়াল, এত চমক, But I still cannot and will not comprehend যে কেন লেখক এভাবে সিরিজটা শেষ করে দিলেন।

এল ডোরাডো কার্স পড়ার পর অনেক আশা জেগেছিলো মনে। সিরিজের ৩য় বই শুরু করার পর সেই আশা এক লাফে দেয়ালসম উচ্চতায় উঠে যায়। সেএএই একটা পাইরেটস অব দ্যা ক্যারাবিয়ান ভাইব ছিলো বইতে:অভিশাপ,অভিযান,যাদু,মিথ,টাইম ট্র্যাভেল -তারপর কি হলো?
হুট করে শেষ হয়ে গেলো।
একটু এক্সপিরিয়েন্স শেয়ার করি,প্লিজ স্টে উইথ মি।
এরকম একটা বই যখন লেখকের হাতে আসে, বিশেষ করে এর আগের বইয়ে রেটিং ভালো+এটি সিরিজের ক্লোজিং বই, তখন একটা কথা বুঝতে হবে-যেনতেন ভাবে এন্ডিং দিলে সিরিজের মাধুর্য নষ্ট হয়।
ট্রাস্ট মি, এটা একটা বম্বশেল বুক হতে পারতো। যারা বইটি পড়েনি তারা বুঝবে না। যারা পড়ে ডেপথ ফিল করতে পেরেছে তারাই বুঝবে এর মর্মার্থ।

বইটাতে লেখক সবকটা এলিমেন্ট ফিক্স করে রেখেছিলেন, একদম প্রথম থেকেই,একটা হাই এপিক ফ্যান্টাসি হওয়ার পারফেক্ট কম্বিনেশন। বাংলা ফ্যান্টাসি জগতে এর আগে এভাবে কেউ সমুদ্রাভিযান নিয়ে সুশৃঙ্খল প্লট লেখেনি। সবই স্মুথলি আগাচ্ছিল। তারপরই লেখক উদ্ভটভাবে পুরো বইয়ের ইতিটেনে নিলেন। এত সুবিশাল প্লটের সমাপ্তি করলেন এভাবে।
দেখেন, উনার হয়তো অনেক সমস্যা থাকতেই পারে। ওনার উচিত ছিলো সময় নিয়ে, বিস্তারিত ভাবে বইটা সাজানো, তাহলে বইটা এত ভালো হতো: এসব কেন বলছি এটা অনেকেই বুঝবে না।
আমার জাস্ট আফসোস লাগছে যে এই লেভেলের প্লটিং দিয়ে তিনি এভাবে বইটা শেষ করতে পারেন।
disappointed :`(

Rating: ৩/৫
Profile Image for Shahriar.
48 reviews1 follower
December 10, 2022
লেখকের আগের ২/৩ টা বই পড়ার অনুভূতি খুব একটা সুখকর ছিল না। তবে এল ডোরাডো ট্রিলজির কাহিনী সম্পূর্ণ আলাদা। প্রথম ২টা বই পড়ে না চাইতেও একটা এক্সপেক্টেশন চলে আসছিল। কিন্তু সেটা পুরোন হয়নি। লেখকের বাক্য গঠনের দুর্বলতা আর শব্দ চয়ন ভালো লাগেনি। ব্যালেমি আর মারিয়া চরিত্র দুটোর হঠাৎ এই পরিনতি মেনে নেয়ার মত ছিল না। এছাড়াও এই শেষের বইয়ে মুদ্রণপ্রমাদ ছিল চোখে পড়ার মত। প্রায় সব জায়গায় টরেস হয়ে গেছিল টমাস! আয়ান চরিত্রটাকে কেমন যেন বিরক্তিকর লাগতে শুরু করে শেষের দিকে। সব মিলিয়ে শেষটা হতাশই করেছে। যাই হোক ট্রিলজির অভারঅল রেটিং দিব ৩.৫/৫। জার্নিটা মোটামুটি উপভোগ্যই ছিল।
Profile Image for Tamzid Rifat.
116 reviews1 follower
April 7, 2024
ফ্যান্টাসি জনরার অন্যতম ভালো কাজ। লেখকের লেখনী সাবলীল হলেও বেশ কিছু জায়গায় শব্দচয়ন ও বাক্যবিন্যাস আরও ভালো হতে পারতো। এই খণ্ডে সবচেয়ে বড় নেতিবাচক দিক যদি বলি সেটা হলো এর সম্পাদনা। বানান ভুলসহ বাক্য বিন্যাস মাঝেমধ্যেই পড়ার গতিতে বাধ সেধেছে। প্রথম দুই খণ্ডের পর এস্পেক্টেশন একটু বেশিই ছিলো। সর্বাপরি কাহিনি এবং এর সমাপ্তি ভালোই লেগেছে।
Profile Image for Mir Sharifuzzaman.
81 reviews3 followers
January 23, 2023
It’s one of the finest fantasy novel I’ve read. Really loved it! But proofreading was poor.. should check on next edition
Profile Image for Nobin Islam.
37 reviews
May 29, 2025
সিরিজের প্রথম এবং দ্বিতীয় বইটা অনেক উপভোগ করেছি। বিশেষ করে দ্বিতীয় বইটা দারুণ ছিল। তবে তৃতীয় বই পড়তে এসে হতাশ আমি।
Displaying 1 - 13 of 13 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.