শীতযাপন শেষে কি শুধু পরিযায়ী পাখিরাই ফিরে আসে স্বভূমিতে? দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে কি মানুষকেও ফিরে আসতে হয় না নিজের উৎসমূলে? দৃশ্যের মতো কি নির্দিষ্ট গন্ধও বহন করে আনে না বিশেষ বিশেষ স্মৃতি? নাকি কোনও বন্ধনে আবদ্ধ না হয়েও, শুধু স্মৃতি রোমন্থন করেই কাটিয়ে দেওয়া যায় গোটা একটা জীবন? প্রথা আর প্রথা-ভাঙার চিরাচরিত সংগ্রামে কে জয়লাভ করে শেষপর্যন্ত? জীবনজমিন থেকে স্থান-কাল-পাত্র ভুলে বেঁচে থাকার রসদ সংগ্রহই কি মানুষের একমাত্র লক্ষ্য? এই বইতে সংকলিত তিনটি কাহিনি—‘ পরিযান ’, ‘ অনুকৃতি ’ আর ‘ অপবিদ্যা ’—বাস্তবে এইসব প্রশ্নেরই অনুসন্ধান ; জটিল আবর্তে মানুষের হারিয়ে যাওয়া এবং আবার আত্মানুসন্ধানে সফল হওয়া কিংবা না হওয়ার চিরাচরিত ইতিবৃত্ত ; অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতের ফল্গুধারায় ভ্রাম্যমাণ জীবনতরীর ঝড়ঝাপটা পেরিয়েও ভেসে থাকার আশ্চর্য আখ্যান।
মোট তিনটি সামাজিক উপন্যাসিকা আছে এই সুমুদ্রিত ও অলংকৃত বইটিতে। তারা হল~ ১. পরিযান: এক বিদেশিনী সাহিত্যিককে একেবারেই অ-ট্যুরিস্টীয় বঙ্গদর্শন করাতে গিয়ে কী উপলব্ধি করল নির্ভীক? ২. অনুকৃতি: অচেনা নামের এক নারী, আর মাল্যবান নামের এক চির-প্রান্তিক পুরুষ— এদের জীবনের সঞ্চারপথ কি শেষ অবধি বিন্দুতে মিলিয়ে যায়, না হারিয়ে যায় অনন্ত আকাশের বুকে? ৩. অপবিদ্যা: আমাদের চোখে প্রায় অচেনা, অথচ শৌখিন কৌতূহলের উৎস পটুয়া সমাজ আজও আছে; কিন্তু ঠিক কীভাবে কাটে তাদের দিনরাত্রি? লেখনী চমৎকার। প্রথম লেখাটি অমিতাভ ঘোষের ‘শ্যাডো লাইনস্’, দ্বিতীয়টি সৌরভ মুখোপাধ্যায়ের ‘জীবন অথবা’, আর তৃতীয়টি বিষয়গুণে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের নানা লেখার কথা মনে করিয়ে দেয়। তবে… তবে লেখকের একান্ত নিজস্ব ক্যাথারসিস ছাড়া এই উপন্যাসিকাগুলো লেখার কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না। এগুলো থেকে বিনোদন পাওয়ার নেই, নতুন তথ্য জানার নেই, এমনকি ভাববার মতো কোনো উপাদানও নেই। তাই এই বই পড়ার সময় মনের জানালার রঙিন কাচে পড়া আলো মেঘের চলনে সামান্য ছায়াচ্ছন্ন হয় শুধু। বই শেষ হয়, সেটা সরিয়ে রাখাও হয়ে যায় “ছিল, নেই— মাত্র এই…” স্টাইলে। তবে লেখকের দৃষ্টি ও শৈলী— দুই-ই অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। আগামী দিনে তাঁর আরও লেখা পড়ার ইচ্ছে অতি অবশ্যই রইল।
**মোট তিনটে গল্পো আছে - পরি যান, অনু কৃতি আর অপবিদ্যা **ভালো দিক - ১. প্রতিটা গল্পের কনসেপ্ট ভাল। ২. চরিত্র নির্মান সুন্দর ৩. যৌনতা খুব ভালো ব্যাবহৃত হোয়ে ছে। কোথাও ভালগার লাগেনি। ৪. প্রেমের অন্য ডাইমেনশন পাওয়া গেছে। **খারাপ দিক - ১. প্রচ্ছদের ক্যালিগ্রাফি ভালো না। একবারে নাম পড়া যাচ্ছে না। ২. বইয়ের প্রমোশন আরো ভালো করতে হবে। ৩. এখানেও বইএর ফটো দেওয়া উচিত।
তথাকথিত "সামাজিক" গল্প নিয়ে আমার ব্যাক্তিগত একটু নাক সিটকানো আছে। কারণ, অনেক সময়ই প্লট গুলি বা তার execution অনেক বেশি প্রেডিক্টএবল হয়ে যায়, একই সাংসারিক টানাপোড়েন, ত্রিকোণ প্রেম, সামাজিক সমস্যা, নিত্য দিনের চেনা ছকের ঘেরাটোপ। মনে হয় একই chasis এর উপর বিভিন্ন নাম নিয়ে আলাদা আলাাদা গাড়ী বানিয়ে বেচা হচ্ছে। তবে, হ্যা তবে এই বই আমায় অবাক করেছে, অবাক করেছে তার চরিত্র নির্মাণে, অবাক করেছে তার ক্রাইসিসে এবং সর্বোপরি অবাক করেছে execution এ। এতে আছে তিনটে নভেলা, একটির বিষয় "সুন্দরী", একটির বিষয় "সুগন্ধী", অপরটি "সুরাপাত্রের"। তিনটেরই বিষয় বৈচিত্র্য, চরিত্র নির্মাণ ও দৃশ্য নির্মাণ অবাক করে। অবাক করে চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে তাদের আচার আচরণের নিখুঁত বিবরণ। বহুদিন পরে একটা গোছানো সামাজিক লেখা পড়লাম, কখনোও একঘেঁয়ে লাগে না, বিরক্ত হয়ে বই বন্ধ করতেও ইচ্ছে করে না। লেখকের ভাষার বাঁধন একদমই "ক্লাসিক" ঘরানার, অনেকটা রাহুল দ্রাবিড়ের কভার ড্রাইভের মতো, চোখের সামনে যতবারই হোক অবাক বিস্ময় গ্রাস করে নেয় যেন দর্শককে। বইটির শেষে একটা চিনচিনে ব্যথার সাথে এক চরম মুগ্ধতা ছেয়ে থাকে অনেকক্ষণ। বইটির গঠনও ধারার সাথে মানানসই। বইটি হার্ড বাউন্ড ও প্রচ্ছদটিও দারুন। সমস্ত কিছু মিলিয়ে একটা "ক্লাসিক" কিভাবে তৈরি হয় ও সেটা কিভাবে একটা "প্যাকেজ" হয়ে ওঠে এই বইটির নির্মাণ তার একটা উদাহরন। পাঠক যদি "সামাজিক" গল্পের ভক্ত হন অথবা চারদিকের ভূত প্রেত, থ্রিলার, সাসপেন্স এর মাঝেও যদি একটু বিশ্রাম চান, হাতে তুলে নিতে পারেন। কথা দিচ্ছি হতাশ হবেন না।
শ্রীজিতের লেখার সঙ্গে আমার পরিচয় অলীক নক্ষত্রের গাঁথা বইটার মাধ্যমে। তারপরে পড়েছি হাড়িকাঠ। ওর শব্দচয়ন, উপমার ব্যবহার, বাক্যগঠন, গল্পের টুইস্ট - সবই সমসাময়িক অনেক লেখকের থেকেই স্বতন্ত্র এবং সেকারণেই বোধহয় এত সুখপাঠ্য। সেই প্রত্যাশা থেকেই হাতে তুলে নিয়েছিলাম সুন্দরী সুগন্ধী আর সুরাপাত্রের কাহিনী, এবং বিন্দুমাত্র হতাশ হইনি। বইয়ের তিনটি ছোট উপন্যাস পরিযান, অনুকৃতি এবং অপবিদ্যা - এরা প্রত্যেকেই প্রাণ পেয়েছে অত্যন্ত যত্নে। ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে গল্পের আবহ, তারপরে এসেছে এমন কিছু মোচড় যা থমকে দিয়েছিল আমায়, বাধ্য করেছে স্মৃতিমেদুরতায় ডুবে যেতে। তাড়াহুড়ো করে পৃষ্ঠা উল্টে উল্টে ঘটনার ঘনঘটায় হারিয়ে যাওয়ার বই এ নয়। এই বইতে বাক্য, অনুচ্ছেদ, অধ্যায় দাবী করে সময়ের, আর সেই উপযুক্ত পাওনা তাদের দিলে তবেই ডুবে যাওয়া যায় শ্রীজিতের সৃষ্টি করা চরিত্রদের দুনিয়ায়। এমন পরিণত কলম/ কি-বোর্ড যার, সে নিঃসন্দেহে অনেক লম্বা রেসের ঘোড়া। ওর অন্যান্য বইগুলোও সংগ্রহ করব এক একে। লেখকের জন্যে শুভেচ্ছা রইলো।
#আমার_বইপড়া_২০২২ #bookish_subhajit #শুভর_আলোচনায় 🖤 বই- সুন্দরী সুগন্ধী আর সুরাপাত্রের কাহিনী 🖤 লেখক- শ্রীজিৎ সরকার 🖤 প্রকাশনা- বৃতি প্রকাশনা ( Briti Prakashani ) 🖤 মুদ্রিত মূল্য- ৩৭৬/- 🖤 প্রচ্ছদ- সৌজন্য চক্রবর্তী ( Soujanya Chakraborty ) 🖤 অলঙ্করণ- সৌম্য আঢ্য 🖤 বানান সংশোধন- রুবি শেখ 🖤 প্রথম প্রকাশ- জুন, ২০২২ 🖤 হার্ড বাইন্ডিং -------------------------------------------------------- 🖤 প্রথমেই বলি এই বই হলো বৃতি প্রকাশনা এর প্রথম কাজ। বৃতি প্রকাশনা এর পথচলা শুরু হয়েছে এমন একটি অসাধারণ বই এর হাত ধরে। তবে আমি অবশ্যই এই বই এর বেশ কিছু ভালো লাগা এবং খারাপ লাগার দিক উল্লেখ করবো। এই ফাঁকে বলে রাখি এই বই কিন্তু প্রাপ্তমনস্ক পাঠকদের জন্য। তাই অবশ্যই প্রাপ্তমনস্ক পাঠকরাই বইটি পড়বেন। কিন্তু তার আগে প্রকাশনার কাজ নিয়ে বিস্তারিত বলে নিই। 🖤 প্রচ্ছদ- এই বইটার একটি অন্যতম আকর্ষনীয় দিক হলো এই প্রচ্ছদ। সৌজন্য চক্রবর্তী স্যার এর হাতের জাদুতে হয়ে উঠেছে অনন্য। অত্যন্ত ইউনিক কালার কম্বিনেশনে করা হয়েছে কাজটি। বেশ মনগ্রাহী। 🖤 বই এর ভিতরে অলঙ্করণ খুব বেশি না থাকলেও, প্রতিটি বেশ সুন্দর। সৌম্য দা এর হাতের কাজ বেশ ভালো, এবং প্রসংশনীয়। 🖤 বানান সংশোধন এবং হরফ সজ্জাও বেশ মনযোগ সহকারে করা হয়েছে। মুদ্রণ প্রমাদ একেবারেই নেই। সমগ্র বই দুটি বানান ভুল চোখে পড়েছে একটি ৭৬ পাতায় অজ্ঞাত বানান অজ্ঞান হয়ে গেছে, আর একটি আছে ভূমিকাতে। 🖤 বই এর বাঁধন এবং পাতার মান যথেষ্ট ভালো। নতুন প্রকাশনা এর কাজ বেশ চমকপ্রদ। ----------------------------------------------------- 🖤 এবার সরাসরি বলি বইটার বিষয়বস্তু নিয়ে। আমি লেখক শ্রীজিৎ সরকার এর লেখা এর আগে কোথাও কখনো পড়িনি, অর্থাৎ এটাই প্রথম। বিশ্বাস করুন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় একবার পড়েই যেমন মুগ্ধ হয়েছিলাম, এই বইও তেমনই এ��বার পড়েই মুগ্ধ হয়েছি। এই বই এ লেখকের তিনটি উপন্যাসিকা আছে। প্রথমটি 'পরিযান', দ্বিতীয়টি 'অনুকৃতি' , এবং শেষটি হলো 'অপবিদ্যা' । এই তিনটি লেখার মূল হলো সমাজ এবং তার মধ্যে থাকা বিভিন্ন উপাদান। আর প্রতিটির কাহিনী এবং চরিত্র যেন এক একটি তীরের ফলা। মূলত যেকোন সামাজিক ক্ষেত্রে কাহিনী হয়ে ওঠে লেখার মূল কাঠামো, আর চরিত্ররা তাকে ঘিরে আবর্তিত হতে থাকে। কিন্তু এই প্রতিটি কাহিনীর ক্ষেত্রে হয়েছে উল্টোটা, অর্থাৎ এখানে চরিত্রদের ঘিরে ঘটনা আবর্তিত হয়েছে, বয়ে গেছে লেখার ধারা। তা বলে এমন না যে চরিত্রদের বিশেষ কিছু গুণাগুণ আছে, তারা প্রত্যেকেই একদম মাটির কাছে, ঘরের পাশে, বা খেলার মাঠে কিংবা শহরের ভীরে অবস্থান করে। প্রত্যেকেই চলে বাস্তবতায় , তাদের সাথে আমরা কথা বলি, মেলামেশা করি। আর এখানেই তিনটি লেখা হয়ে উঠেছে সাবলীল এবং স্বতস্ফুর্ত। যেমন প্রথমটি, পরিযান, এক পরিযায়ী পাখির কথা বলে। বলে তার শিকরের কাছে ফিরে আসার কথা। পরিযায়ী পাখি যেমন প্রতিটা পরিযান শেষ করে আবার তার জন্মস্থানে ফিরে আসে তেমনই ফিরে এসেছে লরা লেসিং। আর তার সাথে জড়িয়ে গেছে নির্ভীক , রূমেলা, এবং নির্ভীক এর মা। এই কাহিনী তুলে ধরে এক মা ছেলের সম্পর্ক এর টানাপড়েন, দুই প্রেমিক প্রেমিকার জীবনের মিলন এবং বিয়োগ পর্ব। আবার তেমনই বলে সমাজের এক নৃশংসতম ঘটনার কথা। এক অভিশপ্ত ইতিহাসের কথা। সমাজকে কলমের কালি বানিয়ে লেখা এক অসাধারণ কাহিনী এই পরিযান। দ্বিতীয় লেখা অনুকৃতি কে এক কথায় বর্ণনা করলে বলবো "সুদীর্ঘ একটি নাটক শেষে/ নট-নটি ফেরে আপন বেশে।" এই গল্প আদতে এক সুগন্ধীর গল্প। এক মাল্যবান ও তার সুগন্ধী এই গল্পের নায়ক নায়িকা। মাল্যবান, রক্তিম আর তৃপ্তি এদের ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে এই কাহিনী। রক্তিম ছায় হয়ে মিশে গেছে প্রত্যেকের শরীরে। এই কাহিনী যেন সৌরভ সাগর থেকে তুলে আনা এক রত্ন। যা পড়তে পড়তে নাকে বারবার গন্ধ গুলো ভেসে এসেছে। খুব সুন্দর মায়াময় এক লেখা। আর অপবিদ্যা সম্পর্কে কিছু না বললেও চলে। তবে এই গল্পটা কোন সাধারণ গল্প না। এটা একটা পটচিত্র। কাপড়ের উপর কলমের আঁচড়ে লেখা এক পটচিত্র। যাকে বর্ণনা করতে পারে রুপম। আর সেই রুপমের কালি হয়ে উঠেছে অরুণা। আদতে এই লেখা এক শিল্পীর জীবনের অলিগলির গল্প বলে, কিন্তু তা নিতান্তই সাধারণ ভাবে না, তার আছে বিশেষত্ব। আর উপন্যাসিকাতে ব্যাবহৃত পটুয়া সঙ্গীত যেন আরও বেশী মনগ্রাহী করে তুলেছে লেখাটিকে। --------------------------------------------------------🖤 ভালো লেগেছে- ১.) শ্রীজিৎ দা এর কলম অসাধারণ বললেও কম বলা হয়। অসম্ভব সুন্দর ঘটনা বর্ণনা সাথে সাহিত্যরস যেন ঢেলে দেওয়া হয়েছে প্রতিটি লেখাতে। তিনটি লেখার যে ঘটনা বর্ণনা এবং সাহিত্যের অলঙ্করণ ব্যাবহার মুগ্ধ করেছে আমাকে। একটা অন্যরকম অনুভূতি হয়েছে লেখাগুলি পড়ে। মনে হয়েছে এই রকমই ক্লাসিক উপন্যাস হয়তো পড়ার অপেক্ষায় বেঁচে থাকা যায় আরও বহু বহু বছর। ২.) অসাধারণ প্রতিটি উপন্যাসিকার নামকরণ। ৩.) চরিত্র চিত্রায়ন খুবই ভালো এবং সাবলীল। ------------------------------------------------------- 🖤 ভালো লাগেনি- ১.) বেশ কিছু জায়গায় বেশ কিছু ঘটনা বর্ণনা অপ্রাসঙ্গিক লেগেছে। মনে হয়েছে ঘুরিয়ে নাক দেখানো হয়েছে। এটার হয়তো প্রয়োজনীয়তা ছিলো না। ২.) বই এর মলাট এ লেখক পরিচিতির অংশ এবং কাহিনীর সংক্ষেপ এর লেখার ফ্রন্ট একদম ছোট্ট ছোট্ট। চোখের জন্য বড্ড কষ্টদায়ক। -------------------------------------------------------- 🖤 বই এর অভার অল রেটিং- ( ৯.৫ /১০ ) ⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐🌟 -------------------------------------------------------- 🖤 অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ বৃতি প্রকাশনা কে, এমন একটি সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যকে উপহার দেওয়ার জন্য। আর বৃতির প্রথম কাজ সত্যিই প্রসংশনীয়। এই ভাবেই চলুক বৃতির জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক। আর বিশেষ বিশেষ ধন্যবাদ লেখক শ্রীজিৎ দা কে, এত সুন্দর লেখাগুলি লেখার জন্য। কলম চলুক এই ভাবেই। ধন্যবাদ সকলকে 🙏 ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন 😍 আর অবশ্যই সাহিত্যে থাকুন 😍 আরও বেশি করে বই পড়তে থাকুন এবং সমৃদ্ধ হতে থাকুন 🙏😍🤩 এই ধরনের আরও রিভিউ পেতে লাইক করতে পারেন আমার ফেসবুক পেজ Bookish Subhajit কে। এবং সাবক্রাইব করতে পারেন আমার ইউটিউব চ্যানেল Bookish Subhajit কে। ধন্যবাদ 🙏 📸 ছবি- আমার তোলা