ভালো লেখা। অনেক যত্ন নিয়ে বিভিন্ন টাইমলাইন সাজানো হয়েছে। চরিত্ররাও বেশ বিশ্বাসযোগ্য। তবে বৌদ্ধ তন্ত্র নিয়ে লেখা হরর পড়তে-পড়তে অরুচি ধরে গেছে বলেই হয়তো ততটা গভীরভাবে রেখাপাত করল না।
একটা অন্ধকার কক্ষে লন্ঠনের আলো যেভাবে টিম টিম করে জ্বলে, মানুষের মনও ঠিক এমন। তাঁর ভিতর রাশি রাশি অন্ধকার, সেই অন্ধকারে টিম টিম করে জ্বলছে তাঁর বিবেক ও মনুষ্যত্ববোধ। যে দিন সেই সামান্য আলো টুকু পরিস্থিতির দমকা হাওয়ায় নিবে যায়, মানুষ পরিনত হয় সাক্ষাৎ দানবে। তখন নীতি নৈতিকতা কিছু থাকে না। সে তখন নিজের স্বার্থে সব কিছু করতে পারে। ওরা মানুষের মতোই দেখতে তবে আদতে মানুষ নয়।
তিব্বত, লামা, বুদ্ধ মঠ নিয়ে বলা গল্প গুলো আমার কাছে দারুণ লাগে।
🍀🏷️তিব্বতের এক রহস্যময় মঠকে নিয়ে লেখা এই হরর উপন্যাস "লাসাং"! এই উপন্যাসে দুটো সময়কালকে দেখানো হয়েছে, অতীত আর বর্তমান। যা সমান তালে এগিয়ে চলে। ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে ‘একজন বাঙালি সাংবাদিক’ চীনা সৈনিকদের হাত থেকে বাঁচতে নাজুং বৌদ্ধ মঠে আশ্রয় নেয়। সেখান থেকেই শুরু হয় সব অদ্ভুত ঘটনা। নাজুং বৌদ্ধ মঠে ভীষণ অদ্ভুত, সেই মঠে অদ্ভুত সব আয়না আর পশুর হাড় ঝুলতে দেখা যায়। সেই মঠেই লুকিয়ে রয়েছে সেখানকার লামারা। কোন্ ভয়ঙ্কর রহস্য লুকিয়ে আছে এই নাজুং মঠের অন্ধকার অতীতে? লাসাং আসলে কী? এই সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে উপন্যাস পাতায়। জানতে হলে পড়তে হবে লাসাং!
🍀🏷️দীর্ঘ দিন পড়ে ছিলো এই পূজাবার্ষিকী আমার Bookshelf এ। আরো অন্যান্য বইয়ের মাঝে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল। অনেক দিন পর আবারও সাহিত্যিক ত্রিজিত করে লেখা পড়ে আমার ভীষণ ভালো লাগলো।