প্রখ্যাত নৃতাত্ত্বিক ডক্টর অতুল সুর বঙ্গমনীষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকায় লেখা তাঁর পঁচিশটি ক্ষুদ্রায়তন লেখা স্থান পেয়েছে এই বইয়ে। লেখাগুলোর শ্রেণি-বিন্যাস মোটামুটি এ-রকম~
(ক) কলকাতা-বিষয়ক~
১. কলকাতার লোকজন;
২. ইতিহাসে বিপর্যস্ত কলকাতা;
৩. কলকাতার শেষ পাঠশালা;
৪. কলকাতার বইপাড়া;
৫. কলকাতায় রামমোহন।
(খ) বাঙালির ইতিহাস~
৬. বিদ্রোহী বাঙালি;
৭. বাঙালির 'আঙ্কল টমস্ কেবিন';
৮. বাঙলার গাজন উৎসব;
৯. বারোয়ারি প্রসঙ্গে;
১০. রথের গৌরব এখন আর নেই;
১১. (১) মহিষমর্দিনীর ঠিকুজি, (২) দুর্গাপূজার উৎপত্তি, বিকাশ ও প্রচলন;
১২. পুজোর দিনগুলো: তখন আর এখন।
(গ) ইতিহাস~
১৩. প্রথম বিদ্রোহী নারী;
১৪. বারাকপুরের দুই বিদ্রোহ;
১৫. বঙ্কিমের 'আনন্দমঠ' প্রসঙ্গে;
১৬. সম্রাট অশোক ও হ্যালির ধূমকেতু;
১৭. বন্ধুর পথের যাত্রী— সংবাদপত্র;
১৮. কর্ম উদ্যোগে গীতার শিক্ষা;
১৯. সরস্বতী পূজা কত প্রাচীন।
(ঘ) ব্যক্তিত্ব~
২০. এক শিল্প ভুবনের স্রষ্টা;
২১. সেরেস্তাদার থেকে আদর্শ জমিদার;
২২. সদ্জ্ঞান, সৎচিন্তা, সৎসাধনার একজন মানুষ;
২৩. অমর কবি কৃত্তিবাস;
২৪. ইতিহাসে রাজা রাধাকান্ত দেব;
২৫. শরৎচন্দ্র বসু'র স্মৃতি।
লেখাগুলো সংবাদপত্রের চাহিদা অনুযায়ী লিখিত হওয়ায় ভয়ানক ছোটো আকারের। তার ওপর এতে উল্লিখিত বহু তত্ত্ব ও তথ্যই আজ অসার বলে সাব্যস্ত হয়েছে। তবে লেখকের কলকাতা-বিষয়ক লেখাগুলোর স্বতন্ত্র মূল্য আছে, যেহেতু সেগুলো প্রায়শ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে দীপ্ত।
এ-বাদে বইটা পড়তে ভালো লাগলেও মনে রাখার মতো কিছু নয়।