তিনশো-র কিছু বেশি পাতায় বাংলা ও বাঙালির ইতিহাসকে তুলে ধরা যে কতখানি দুঃসাহসিক কাজ, আন্দাজ করতেই পারছেন। ডক্টর সুর এই বইয়ে সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করার চেষ্টা করেছেন নিম্নলিখিত ক'টি অধ্যায়ের মাধ্যমে~
১. গৌড়চন্দ্রিকা;
২. প্রাক্ভাষণ;
৩. বাঙলা নামের উদ্ভব ও বিবর্তন;
৪. বাঙলার ভূতাত্ত্বিক চঞ্চলতা ও নদনদী;
৫. বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয়;
৬. বাঙালির প্রাগৈতিহাসিক পটভূমিকা;
৭. গঙ্গারিডি রাষ্ট্র ও তার ঐতিহ্য;
৮. বাঙালি সংস্কৃতির উৎস;
৯. বাঙালি সংস্কৃতির লৌকিক রূপ;
১০. বাঙালির সমাজ ও জাতিবিন্যাসের বিবর্তন;
১১. বাঙালির বৈষয়িক জীবন;
১২. প্রাচীন বাঙলার ধর্মসাধনা;
১৩. বাঙালির ধর্মীয় চেতনার প্রকাশ;
১৪. বাঙালির জীবনচর্যার বিবর্তন;
১৫. বাঙলার মনীষা ও সাহিত্যসাধনা;
১৬. মঠ, মন্দির ও শিল্পপ্রতিভা;
১৭. বাঙলার রাষ্ট্রীয় ইতিহাস;
১৮. প্রাচীন বাঙলার শাসনপ্রণালী;
১৯. বাংলা ভাষা ও লিপির উৎপত্তি;
২০. বাঙালির দিগ্বিজয়;
২১. বাঙলায় মুসলিম রাজত্ব;
২২. বাঙালি মুসলমানের নৃতাত্ত্বিক পরিচয়;
২৩. বাঙলার মুসলমান সমাজ;
২৪. মধ্যযুগের হিন্দুসমাজ ও জাতিবিন্যাস;
২৫. লোকায়ত ধর্ম ও যুক্তসাধনা;
২৬. বাঙলার স্মার্ত ও পণ্ডিতগণ;
২৭. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত;
২৮. বাঙলার অলিখিত সাহিত্য;
২৯. মধ্যযুগের অর্থনৈতিক অবস্থা;
৩০. চৈতন্য ও তাঁর ধর্ম;
৩১. বাঙালির নিজস্ব স্থাপত্য ও ভাস্কর্য;
৩২. বিদেশি বণিক ও বাঙালি সমাজ;
৩৩. বর্গীর হাঙ্গামা: মহানিশার দুঃস্বপ্ন;
৩৪. আকাল, বিপ্লব ও বিদ্রোহ;
৩৫. সামন্ততন্ত্র ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত;
৩৬. যুগসন্ধিকালের সমাজ ও সংস্কৃতি;
৩৭. ছাপাখানা ও সামাজিক বিস্ফোরণ;
৩৮. বাঙলায় নবজাগৃতি;
৩৯. যুক্তিবাদী সমাজ ও সাহিত্য;
৪০. ধর্মীয় পরিস্থিতি ও রামকৃষ্ণ;
৪১. সংগ্রামী সমাজ ও স্বাধীনতা;
৪২. স্বাদীনতা-উত্তর যুগের বাঙলা;
৪৩. কালান্তরের সমাজ ও তার রূপান্তর;
৪৪. কালানুক্রমিক ঘটনাপঞ্জি।
পরিশিষ্ট হিসেবে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ-সংক্রান্ত নানা তথ্য, সংযোজন এবং নির্ঘণ্ট।
বইটা বাংলার ইতিহাস সম্পর্কে একটি প্রাইমার হিসেবেই বিবেচ্য। আজকের পাঠকের কাছে এটি আর নির্ভরযোগ্য নয়। তবে ডক্টর সুরের ইতিহাস-চেতনা সম্বন্ধে একটি স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হয় এটির ভিত্তিতে।