ইতিহাসের পথ মসৃণ নয়। বাংলাদেশের জন্ম যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে হয়েছিল, সে পথে বন্ধুরতা এসেছে। একাত্তর থেকে পঁচাত্তরে এসে বাঁকবদল ঘটেছে ইতিহাসের। গণমানুষের সংগ্রামের পরিবর্তে নির্ণায়ক শক্তি হয়ে গেছে অভ্যুত্থানের পর অভ্যুত্থান। রাজনীতিতে আবিভূর্ত হয়েছে সামরিক বাহিনী। এ বইয়ে লেখক তুলে ধরেছেন সেই পালাবদলের বৃত্তান্ত, করেছেন একাত্তরের একাধিক বিষয়ের পুনর্মূল্যায়ন। পাশাপাশি লেখক পঁচাত্তরের ঘটনাবহুল সময়ের কুশীলব, এর শিকার আর পেছনের নিয়ামকগুলোর কাছে ফিরে গেছেন। সরল ভাষাভঙ্গিতে লেখা এ বইয়ের নিবন্ধগুলো উন্মোচন করেছে এমন কিছু, যা আগে অনেক পাঠকের অজানা ছিল। পাঠক চমকে উঠবেন বহুল প্রচলিত বয়ানের ভিন্ন রূপ জেনে।
জন্ম ১৯৫২, ঢাকায়। পড়াশোনা গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে। ১৯৭০ সালের ডাকসু নির্বাচনে মুহসীন হল ছাত্র সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বিএলএফের সদস্য হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। দৈনিক গণকণ্ঠ-এ কাজ করেছেন প্রতিবেদক ও সহকারী সম্পাদক হিসেবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সুংকোংহে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মাস্টার্স ইন এনজিও স্টাডিজ’ কোর্সের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও অধ্যাপক। তাঁর লেখা ও সম্পাদনায় দেশ ও বিদেশ থেকে বেরিয়েছে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা অনেক বই।
অনেক মানুষের শ্রম, ঘাম, অশ্রু আর রক্তের বিনিময়ে একাত্তর সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম। এই দেশের ইতিহাসে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বছর একাত্তর ও পঁচাত্তর।
একাত্তর সালে এ দেশে যে যুদ্ধ হয়েছিল- আমরা বলি মুক্তিযুদ্ধ। এই একাত্তর আমাদের সমাজকে গভীর ভাবে নাড়া দেয়। তবে যাঁরা একাত্তর দেখেছেন, ভিটেমাটি হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছেন, লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন, স্বজন হারিয়েছেন, তাঁরা একাত্তর নিয়ে গভীর আবেগ অনুভব করেন। মুক্তিযুদ্ধারা তাঁদের শ্রম, ঘাম আর রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার এক সিঁড়ি তৈরি করে দিয়ে গেছেন, যে সিঁড়ি বেয়ে ক্ষমতার চূড়ায় উঠে গেছেন অনেকেই তবে মুক্তিযুদ্ধাদের একটা বড় অংশ অন্ধকারেই থেকে গেছেন।
পঁচাত্তরে আসে রাজনীতিতে বড় ধরনের পালাবদল। এই পরিবর্তন টা আসে অনেক রক্তের বিনিময়ে। আগস্ট থেকে নভেম্বরে পর পর ঘটেছে অভ্যুত্থান। অস্থিরতায় টালমাটাল ছিল দেশ। সামরিক বাহিনী নতুন শক্তি রুপে আবিভূত হয় রাজনীতিতে।
লেখক মহিউদ্দিন আহমদ এর " ইতিহাসের বাঁকবদল একাত্তর ও পঁচাত্তর " বইটি একটি সংকলিত বই। একাত্তর ও পঁচাত্তর সালের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে লেখক 'প্রথম আলো 'য় নিয়মিত বা বিশেষ সংখ্যায় লিখেছিলেন তা এখানে আনা হয়েছে। তাৎক্ষণিক উপলব্ধি ও মন্তব্য কিছু লেখাতে দেখা যায়। তবে এমন অনেক ইতিহাসের ঘটনা লেখক এখানে তুলে এনেছেন যা একেবারে অজানা বা যা জানা ছিল তা ভুল।
ছোট একটা বই তাতে উঠে এসেছে- একটা দেশ জন্ম নিল, তার পর পরই ঘটে গেল অভ্যুত্থান যাতে পুরো ইতিহাস টাই অন্য রকম হয়ে গেল যা কেউ কখনো হয়তো আশাই করেনি। চমৎকার এক পত্রিকার লেখা সংকলন একাত্তর ও পঁচাত্তর কে নিয়ে।
উনার লেখা গবেষণাধর্মী, ব্যবচ্ছেদ ভাল করেন। যে আলাপগুলো, প্রশ্ন, দাবী উঠে এসেছে তা নিয়ে এখন নির্মোহ অনুসন্ধান হওয়া উচিৎ, সত্য জানা উচিৎ। মূলত ৭১/৭৫ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস যে মোড়টা নেয়, ঠিকভাবে যাচাই না করলে বিভিন্ন ন্যারেটিভের নোংরা খেলায়, বাংলাদেশীদের স্বাধীনতার প্রশ্ন রাজনীতির মাঠের খেলার ঘুটি হয়েই থাকবে।
ইতিহাস সম্পর্কে আমার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও লজ্জার বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাস সম্বন্ধে আমি প্রায় কিছুই জানি না। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আমার জানার গন্ডি স্কুলের সেই ইতিহাস বই থেকে কলেজের পৌরনীতি বই পর্যন্তই, যেখানে সত্তরের নির্বাচনে কে কত ভোটে জয়ী হয়ে কয়টা আসন পেয়েছিলো-র বাইরে তেমন কোন তথ্যই ছিলো না (পঁচাত্তর সম্পর্কে সেটাও নেই :v)। এর বাইরে বেশ কিছু ফিকশন পড়া হয়েছে আমার মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে লেখা, সাথে কিছু নন ফিকশন'ও, তবে সেসবই ছিলো যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলার মানুষদের দুর্বিষহ দিন যাপনের ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে লেখা। না, সেসব ঘটনাগুলোকে আমি ছোট করে দেখছি না কোনোভাবেই। তবে সেসব বইগুলো আমার কাছে ছিলো ক্লোজ শটে তোলা কোনো ছবির মতো, যেখানে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ডিটেইলস থাকলেও সামগ্রিক চিত্রটা বোঝা যায় না। আন্তর্জাতিক বিশ্বে তখন বাংলাদেশের অবস্থাটা ঠিক কেমন ছিলো সে সম্পর্কেও স্পষ্ট কোনো ধারণা দেয় না।
তাই বলা যায় ইতিহাস বিষয়ে নিরক্ষর এই আমি'র কাছে 'ইতিহাসের বাঁকবদল : একাত্তর ও পঁচাত্তর' ছিলো অক্ষর পরিচয়ের মতো। একাত্তর ও পঁচাত্তর, সময়ের হিসেবে দীর্ঘ না হলেও ঘটনাবহুলতার দিক দিয়ে ছিলো পরিপূর্ণ । এই সময়ের পুরোটা ১২৭ পৃষ্ঠার একটা বইয়ে কোনোভাবেই ঢোকানো সম্ভব নয়, লেখক সেই চেষ্টাও করেননি। বইটা মূলত বিভিন্ন সময়ে প্রথম আলোয় এই দু'টো বছরকে কেন্দ্র করে লেখা কলামের সংকলন। স্বাভাবিকভাবেই তাই কিছু কথা, উক্তি, ঘটনার পুনরাবৃত্তি এসেছে, তবে সে সম্পর্কে লেখক ভূমিকাতেই বলে দিয়েছেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বিষয়ক বইয়ের ক্ষেত্রে মহিউদ্দিন আহমদ পরিচিত নাম, তাঁর লেখা সুখপাঠ্য মনে হয়েছে। কলামগুলোতে বিভিন্ন বইয়ের নাম পেয়েছি, যেগুলো ভবিষ্যতে পড়ার জন্য টুকেও রেখেছি... :'3 (বইয়ের ভেতর বইয়ের রেকমান্ডেশন পেতে কার না ভালো লাগে বলেন? :D) কিছু অধ্যায় ভাবিয়েছে অনেকক্ষণ, কিছু অধ্যায় সেসব নিয়ে জানার আরো আগ্রহ তৈরি করেছে, আমার কাছে 'ভালো বই'-এর সংজ্ঞা এই'ই!
বাংলাদেশের ইতিহাসে সাল '৭১ এবং '৭৫ গুরুত্বপূর্ণ দু'টি বছর ছিল। '৭১ সালে যুদ্ধের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা অর্জন, আর '৭৫ সালে মুজিব পরিবার হত্যার মধ্য দিয়ে ক্ষমতার পালাবদল। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো আপন সুবিধার্থে, নিজেদের মতো করে ইতিহাসকে বদলান এবং উপস্থাপন করেন। দেশে জন্মালেই দেশের প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা আসে না, তার জন্য জানতে হয় 'দেশের ইতিহাস'। সেই ক্ষোভে পড়েই যাচ্ছি, সামনে ভালো কিংবা জগাখিচুরিসহ যা পাচ্ছি..!
'একাত্তর ও পঁচাত্তর' বইটি লেখকের বিভিন্ন সম্পাদকীয় এর সংকলন। প্রথম অংশে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, যথার্থ তথ্য নিয়ে তুলে ধরেছেন। ব্যাক্তিগতভাবে 'একাত্তরের' ইতিহাসে অত বেশি আগ্রহ নাই, কেননা তখন সকল শ্রেণির মানুষ একত্রিত হয়ে, এ স্বাধীনতা অর্জনে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সমস্যা হল, একাত্তর পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ নিয়ে, যেটি ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট মুজিব পরিবারের হত্যা, ৩রা নভেম্বর 'চার নেতার হত্যা' এবং ৭ই নভেম্বর ক্ষমতার পালাবদল। এ-সবই যেন সাসপেন্সের মতো এখনো একেকজনের কাছে একেকভাবে ঘুরতেই আছে।
পড়ে দেখুন, দেশকে জানুন, দেশের সঠিক ইতিহাস জানার চেষ্টা করুন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বছর বলা যায় ১৯৭১ এবং ১৯৭৫। ২০২৪ এর আগে রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথা ঘটনাবহুল ও রক্তক্ষয়ী এরকম বছর আর আসেনি। মুলতঃ ৭১ আর ৭৫ সালের ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক পালাবদলের ইতিহাস লেখক বইটিতে তুলে এনেছেন।
মহিউদ্দিন আহমদের লেখা হইলেও বইটি মোটেও কোন মৌলিক বই নয় বরং ২০১০ থেকে ২০২২ সালে বিভিন্ন সময় পত্রিকায় বিশেষ করে প্রথম আলোয় প্রকাশিত উপসম্পাদকীয়র সংকলনগুলো নতুন বোতলে পুরনো মদ হিসেবে পাঠকের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে যেটা লেখক মহিউদ্দিন আহমদ-এর জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করে প্রকাশনা সংস্থার একধরনের শঠতর নামান্তর কেননা উপসম্পাদকীয়গুলিতে যেসকল বিষয় নিয়ে লেখা হয়েছিল তার বেশির ভাগই লেখক অলরেডি তার মৌলিক বইগুলোতে তুলে ধরেছেন যার কারনে লেখার ভেতর অনেক পৌণিপুণিকতা বা একই বক্তব্য বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে যা একজন ইতিহাস অনুসন্ধানী পাঠকের কাছে বিরক্তিকর ঠেকার কথা এছাড়াও তথ্যের বিভ্রান্তি ও পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যায় উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী স্বাধীন দেশে সেনপ্রধান নির্বাচনের সময় সর্বাধিনায়ক জি এম ওসমানীর পছন্দ বলা হয় জেনারেল জিয়াউর রহম��ন যাকে তিনি সুপারিশ করেছিলেন কিন্তু শেখ মুজিব জোষ্ঠতা ডিঙিয়ে কে এম শফিউল্লাহকে সেনাপ্রধান করেন আবার আরেক লেখায় পেলাম ৭৫ সালের নভেম্বরে খালেদ মোশাররফ এবং কর্ণেল তাহেরের দুটি অভ্যুথানের পর যখন সেনা নির্বাচনের প্রশ্ন সামনে আসে তখন বলা হয় জেনারেল ওসমানী জিয়াউর রহমানকে পছন্দ করতেন না কিন্তু মুজিব হত্যাকারী মেজর ডালিম-ফারুকদের পছন্দের কারনে জেনারেল জিয়াকে সেনাপ্রধান করা হয়।
তবে মৌলিক বই হিসেবে স্বীকৃত না হলেও লেখগুলো দুটি সালের ঘটনাক্রম অনুসারে সাজিয়ে লেখার কারনে অনুসন্ধিৎসু পাঠক ইতিহাস থেকে নতুন করে অনেক কিছু জানতে পারবেন।
কলেবরে মহিউদ্দিন আহমদের অন্যান্য প্রকাশনার তুলনায় একটু ছোট- এটি একটি সংকলন গ্রন্থ। একাত্তর ও পঁচাত্তর- বাঙালির অন্যতম প্রধান পালাবদলের দু'টি বছরের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে লেখক 'প্রথম আলো'য় নিয়মিত বা বিশেষ সংখ্যায় যে কলামগুলো লিখেছিলেন তা এখানে আনা হয়েছে। কিছু লেখায় এসেছে একদম তাৎক্ষণিক কিছু উপলব্ধি ও মন্তব্য। তবে বেশ কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা লেখক এখানে তুলে এনেছেন যা ছিলো একেবারে আমার অজানা বা জানলেও জানতাম ভুল।
ছোট একটা বই কিন্তু তাতে উঠে এসেছে একটা দেশের অভ্যুত্থান এবং তৎপরবর্তী ঘটনাবলি যাতে পুরো ইতিহাসটাই নিলো এমন এক মোচড় যা কেউ কখনো হয়তো আশাই করেনি। চমৎকার এক পত্রিকার লেখা সংকলন একাত্তর ও পঁচাত্তর কে নিয়ে।
শুধু ১৫ অগাস্টই তো না, পঁচাত্তরে এসেছিলো নভেম্বরও। অগাস্ট থেকে নভেম্বর- এই অল্প সময়ের গণ্ডিতে ঘটেছে পর পর অভ্যুত্থান, ঘটেছে জেলহত্যাও। অস্থিরতায় টালমাটাল ছিল দেশ যার রেশ সত্যিকার অর্থে কখনোই মোছেনি। এরই জের ধরে কারো অযাচিত নায়ক হয়ে ওঠা, কারো হারিয়ে যাওয়া বিস্মৃতির অতলে। মহিউদ্দিন আহমদের লেখা তথ্যবহুল কিন্তু তথ্যভারাক্রান্ত না। বেশ কিছু আলাদা আলাদা দৃষ্টিকোণের উপস্থিতি থাকায় মোটামুটি বার্ডস আই ভিউ পাবেন পাঠক। রেফারেন্সের অনুপস্থিতি নেই, কিন্তু তাতে জেরবারও হতে হয় না। বেশ কিছু জায়গায় সশরীরি আলাপ থেকে প্রাপ্ত তথ্য পাঠককে আরাম দেবে পড়তে গিয়ে।
পড়ে ফেলতে পারেন। এক বসায় শেষ করার মত বই৷ রিকমেন্ডেড।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মূলত একটা রাজনৈতিক বয়ান হয়ে দাড়িয়েছে। পচাত্তরের ইতিহাসও তাই। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদেরই নিজস্ব বয়ানে এটাকে রিপ্রেজেন্ট করে থাকে।
সত্যিকারের ইতিহাস জানতে মূলত সাধারণ মানুষের থেকে যে দু এক কথা পাওয়া যায় সেটাই গ্রহনযোগ্য, তবুও এসবের মধ্যেও বায়াসনেস থাকে।
মহিউদ্দিন আহমদ মূলত সেসময়কার বিভিন্ন পত্রিকার কলামগুলো এই বইয়ে তুলে ধরেছেন। এটাও একটা বয়ান। অনেক বিষয় জানলাম। কিন্তু এগুলোকেও রেফারেন্স বা ইতিহাস হিসেবে চিহ্নিত করতে আমি রাজি নই।
"পাকিস্তান রাষ্ট্র ধর্মাশ্রয়ী ও নির্যাতনকারী না হলে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালিরা অসাম্প্রদায়িক ধারায় যোগ দিতেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে।" -একাত্তর ও পচাত্তর