Jump to ratings and reviews
Rate this book

ভোরের প্রসূতি

Rate this book
সে মেয়ের নাম সিতারা। মানে শুকতারা। ভোরের প্রসূতি এই সিতারাকে কেন্দ্র করেই আবুল বাশারের নগ্ন-নিষ্ঠুর তবু নিবিড় মমতাময় এই উপন্যাস।একদিকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নারীমাংসভুক্‌ মহাজনদের চোরাচালানের নিষিদ্ধ ব্যবসা, অন্যদিকে কলুষিত রাজনীতির খোলা আবর্ত—এ-দুইয়ের টানাপোড়েনে কোন্ ঠিকানায় পৌঁছে যায় স্নিগ্ধ দীপ্তময়ী অসংখ্য সিতারা, তারই আভাস এখানে, আবুল বাশারের সংবেদনশীল ও প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাপুষ্ঠ কলমের জোরালো আঁচড়ে।সিতারা ব্যর্থনাম্নী, কিন্তু তার স্বামী সার্থকনামা। পদবী পর্যন্ত সার্থক। জীবন ব্যাপারী টাকার লোভে বিকিয়ে দেয় স্ত্রীর জীবন। ঠেলে দেয় পঙ্কিল চোরাচালান চক্রে—সীমান্ত থেকে খিদিরপুরের কালী মার্কেট পর্যন্ত ছড়ানো যার জাল। কিন্তু পঙ্কিলতা কি শুধু এখানেই? যে-কুটিল রাজনীতি প্রলোভনের অন্য জালে বন্দী করে সিতারাদের, গুছিয়ে নেয় আখের, তারাও কি নয় সমান ঘৃণ্য?এই দুঃসাহসী উপন্যাসে বহু মুখোশের উন্মোচন। সীমান্তের চোরাকারবারী-চক্রের বহু চমকপ্রদ তথ্যের উজ্জ্বল উদ্ধার। প্রেমের অদেখা দিগন্তের সন্ধান।

178 pages, Hardcover

Loading...
Loading...

About the author

Abul Bashar

23 books6 followers
আবুল বাশারের জন্ম ১৯৫১ খ্রীস্টাব্দে। ছয় বছর বয়সে সপরিবার গ্রাম তাগ। মুর্শিদাবাদের লালবাগ মহকুমার টেকা গ্রামে বসবাস শুরু। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্যের স্নাতক। হিন্দিভাষা-সাহিত্যেরও ডিপ্লোমা। গ্রামের স্কুলে ১০-১২ বছর চাকুরি। কাজ করেছেন সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকায়। দারিদ্র্যের চাপ আর সামাজিক বিষমতা ও পীড়ন কৈশোরেই লেখালেখিতে প্ররোচিত। উত্তীর্ণকৈশোরে, ১৯৭১ সালে, প্রথমে কবিতাগ্রন্থের প্রকাশ। নাম : ‘জড় উপড়ানো ডালাপা ভাঙা আর এক ঋতু’। পরবর্তী এক দশক লেখালেখি বন্ধ। জড়িয়ে পড়েন সক্রিয় রাজনীতিতে। বহরমপুরের ‘রৌরব’ পত্রিকাগোষ্ঠীর প্রেরণায় লেখালেখিতে প্রত্যাবর্তন। কবিতা ছেড়ে এবার গল্পে। প্রথম মুদ্রিত গল্প ‘মাটি ছেড়ে যায়’। ‘ফুলবউ’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন ১৩৯৪ সালের আনন্দ-পুরস্কার।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
1 (100%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Mahfus.
18 reviews11 followers
October 5, 2023
লক্ষ্মণারে কোথায় লুকাইলো দিলদার? মনস্তত্ব আর সমাজতত্ব পাশাপাশি বইয়া চলনের উপাখ্যান দেখি এইখানে। ভালবাসার থিকে বড় জিনিস তাই সাংঘাতিক ভালবাসা। যারে চিনি বলে মনে হয় তারে চেনা হয়ে ওঠেনা কিছুতেই, মানুষ যে সাইকেল নয়! মানুষকে কিসে খায় কিসে টানে কেউ জানেনা। সেতারা নিজেও কি চিনতে পারে নিজেরে? যেই যায় লংকা সেই হয় রাবন, মাবিয়া তাই মন্ত্রী হইয়া গেলে পরে, মাথার ভিতরে সেই বোধ খেলা করে, যেই বোধ আছে শোষকের অন্তর্গত রক্তের ভিতরে। তবু, ব্যতিক্রম হয়নাকি? যে হয় সে কেন হয়?
Displaying 1 of 1 review