What do you think?


ভয়পাতাল
অন্তরার বাবা, দৈনিক 'সুপ্রভাত' এর জাঁদরেল সিনিয়র রিপর্টার, সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুর সময় তাঁর চোখে ছিল নিখাদ আতঙ্ক। সবই ঠিকই ছিল, কিন্তু যখন মিহিরদা, তাঁর সহকর্মী, অন্তরাকে এক ডায়েরি ধরিয়ে দেয় যা পড়ে অন্তরা বুঝতে পারে তার বাবার মৃত্যুর রহস্যের পিছনে রয়েছে এক জাতিস্মরের সন্ধানে ছুটে যাওয়া গ্রাম- মাদিয়াতে। কে যেন তাঁকে প্রতিদিন টেলিফোনে হুমকি দিত। অন্তরা কীসে জড়াতে যাচ্ছে?
304 pages, Hardcover
Published January 1, 2013
About the author
Anish Deb
99 books31 followersAnish Deb (22 October 1951 – 28 April 2021) was an Indian Bengali writer and academic. He was noted for his writings in the science fiction and thriller genre. He received several literary awards including Vidyasagar Award in 2019.
Anish Deb was born in 1951 in Kolkata. He completed his B.Tech. (1974), M.Tech. (1976) and Ph.D. (Tech.) with 1 silver and 2 university gold medals in Applied Physics from the Rajabazar Science College campus of University of Calcutta.
Anish Deb started his writing career in 1968. He also edited a number of collections of popular fictions, novels and detective stories. Some of his notable writings are: Ghaser Sheesh Nei, Saper Chokh, Teerbiddho, Teish Ghanta Shat Minute, Hate Kalome Computer, Bignyaner Dashdiganto, Jibon Jokhon Phuriye Jay.
Anish Deb was born in 1951 in Kolkata. He completed his B.Tech. (1974), M.Tech. (1976) and Ph.D. (Tech.) with 1 silver and 2 university gold medals in Applied Physics from the Rajabazar Science College campus of University of Calcutta.
Anish Deb started his writing career in 1968. He also edited a number of collections of popular fictions, novels and detective stories. Some of his notable writings are: Ghaser Sheesh Nei, Saper Chokh, Teerbiddho, Teish Ghanta Shat Minute, Hate Kalome Computer, Bignyaner Dashdiganto, Jibon Jokhon Phuriye Jay.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 13 of 13 reviews
April 13, 2024
বেশ ভয় পাওয়ানো গল্প। রাতে পড়লে একটা গা শিরশিরে অনুভূতি কাজ করবে। পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডী পাহাড়ের রুক্ষ আবহাওয়া, হঠাৎ বৃষ্টি, শালগাছের জঙ্গল - সবমিলিয়ে এক অপার্থিব জগৎ। লৌকিক - অলৌকিক সংস্কার, আদিম দেবতা আর গা ছমছমে এক ভয়ের শিহরনে সেই প্রাচীন নর্স মিথোলজিকে মনে করায়। প্লট আর কনসেপ্টে অনীশীয় ছাপ সর্বত্র। খুব বেশি চরিত্র নেই তাই টানটান ভাব রয়ে গেছে শেষ অবধি।
তবে গল্পের মধ্যাংশ আরো কিছুটা ছোট করলে মন্দ হতনা। কিছু জায়গায় গল্প খেই হারিয়ে ফেলেছে। ক্লাইম্যাক্সে কিছু প্রশ্ন ছিল - সব উত্তর পেলাম না। এই বইকে আরো বহুদিন আগে আবিষ্কার করা উচিত ছিল। খুব বেশি মানুষকে এটা নিয়ে কথা বলতে দেখিনা।
তবে গল্পের মধ্যাংশ আরো কিছুটা ছোট করলে মন্দ হতনা। কিছু জায়গায় গল্প খেই হারিয়ে ফেলেছে। ক্লাইম্যাক্সে কিছু প্রশ্ন ছিল - সব উত্তর পেলাম না। এই বইকে আরো বহুদিন আগে আবিষ্কার করা উচিত ছিল। খুব বেশি মানুষকে এটা নিয়ে কথা বলতে দেখিনা।
Read
November 25, 2016আরেকটু ভালো হতে পারত, পড়ে খারাপ লাগেনি। তবে রহস্যটা কেমন যেন অমীমাংসিত লাগল।
May 28, 2025
"আসলে অচেনা জিনিসকেই আমরা ভয় পাই।"
এরকমই অনেক অচেনা-অবিশ্বাস্য-অলৌকিক-অপার্থিব জিনিসের সঙ্গে জড়ানো ভয় নিয়েই লেখা গল্প 'ভয়পাতাল'। জন্মান্তর নিয়ে এক মনোগ্রাহী স্টোরি বানাতে পুরুলিয়ার এক গ্রাম মাদিয়াতে রহস্যময়ভাবে মারা যান 'সুপ্রভাত'-এর এক নির্ভীক রিপোর্টার সুরঞ্জন মজুমদার। তাঁর মৃতদেহ আনতে গিয়ে তাঁর কলিগ বন্ধু মিহির গাঙ্গুলিরও সেখানে নানাবিধ অলৌকিক অভিজ্ঞতা হয়। তারপরেই সুরঞ্জন মজুমদারের লেখা ডায়েরি চেয়ে আসতে থাকে হুমকি তাঁর মেয়ে অন্তরার কাছে কিন্তু সে ভয় পাওয়া সত্ত্বেও বাবার মৃত্যুরহস্য উন্মোচন করতে আর সব ভয়ের মুখোশ খুলতে পাড়ি দেয় পুরুলিয়ায়। সঙ্গে নেয় মিহিরদা আর বন্ধু ঝিমলিকে। যাওয়া থেকেই তাদের সঙ্গে ঘটতে থাকে একের পর এক অদ্ভূত সব ঘটনা। এক রাতে এক হৃদয়বিদাড়ক ঘটনা দেখে ফেলায় হামলাও হয় তাদের ওপর। কী এমন সত্য যা মৃত্যুর চেয়েও দামী; যাকে আড়াল করে রাখার জন্য করতে হয় মরিয়া চেষ্টা?! এই সত্য কি সামনে আনতে পারবে অন্তরা? আর কী কী বিপদের মুখে তাদের পড়তে হবে এর জন্য? আর কোন কোন অবিশ্বাস্য জিনিস প্রত্যক্ষ করে চমকে উঠতে হবে?!
উপন্যাস জুড়ে রয়েছে অলৌকিক সব ঘটনা। রহস্যময় সবুজ আলোর ছটা, অদ্ভূত ঝাঁঝালো মিষ্টি গন্ধ, মুহূর্তের মধ্যে প্রকৃতির রূপ বদল, নেশা ধরানো শিসের শব্দ, এক শিশুর মধ্যে এক অলৌকিক শক্তি যা ধ্বংস করে দিতে পারে সবকিছু, অপদেবতার পুজোর জন্য ভক্তদের অমানবিক সব ক্রিয়াকলাপ - এইসবকিছুই বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে উপন্যাসের চরিত্রদের ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে।
চরিত্রদের মধ্যে রহস্য উদঘাটনে অন্তরা, মিহিরদা, মিলন, মধুসূদন, প্রিয়বরণদের ভূমিকা সর্বাধিক। অবদান আছে ঝিমলিরও। তবে প্রিয়বরণ সবথেকে রহস্যময় চরিত্র হওয়া সত্ত্বেও কোথাও গিয়ে যেন তার জন্য ভাললাগার অনুভূতি কাজ করে। দেবতা আর অপদেবতার মধ্যে পার্থক্য বোঝানো থেকে শুরু করে তার ঠিক ভুলের মধ্যে বিচার, নিজের ক্ষতির তোয়াক্কা না করে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং সবশেষে সবাইকে আলোর রাস্তা দেখিয়ে নিজের পরিণতি মেনে নেওয়া অবধি কিভাবে সে যেন হয়ে উঠেছে আমার প্রিয় চরিত্র। আর অন্তরার প্রতি তার বন্ধুত্বপূর্বক সরল আচরণ বা গভীর অনুভূতির যে পরিচয় মেলে তা অবশ্যই মনে দাগ কেটে যায়।
রহস্য বুণন অসাধারণ। বিষয়বস্তু বেশ মনোগ্রাহী। উপন্যাস জুড়ে একাধিক মোড় এবং অপার্থিব সব ঘটনা এমনভাবে পরপর ঘটে যেতে থাকে যে একবার মনোযোগ এসে গেলে পড়া ছেড়ে ওঠা অসম্ভব আর রহস্য উদঘাটন হওয়া অব্দি একটা উদ্বেগ কাজ করতে থাকে।
পুরুলিয়ার মনোরম পরিবেশ অবশ্যই মন কেড়েছে। লম্বা লম্বা গাছপালা, ঘন জঙ্গল, পাখিদের ডাকাডাকি, মাটির টিলা, বিশাল নদীতে আকাশের ছায়া, সুন্দর সূর্যাস্ত - এসবকিছুর মধ্যেই রহস্য বেশ জমে ওঠে।
তবে গতি মাঝে মাঝে খুব ধীর হয়ে গেছে। কিছু কিছু জায়গা অহেতুক বর্ণনা করা হয়েছে আবার কিছু জায়গার রহস্যভেদ করা যায়নি। কিছু প্রশ্নের উত্তর মেলেনি; যেমন গুণিনের পরিণতি, অপদেবতার সঙ্গে প্রিয়বরণের সম্পর্ক ইত্যাদি।
শেষটা ভালো হলেও একটা ভীষণ খারাপলাগা থেকেই যায়। সবমিলিয়ে ভয় পাতাল পড়ে আমার দারুণ লেগেছে, ভয় পেয়েছি, উৎকন্ঠিত হয়েছি, অবাক হয়েছি। ভয় পাতালে চলতে থাকা অলৌকিকতার স্বাদ নিতে অবশ্যই পড়তে হবে 'ভয়পাতাল'। সবশেষে প্রশংসা না করলেই চলেনা প্রচ্ছদটির। অন্ধকারাচ্ছন্ন এই উপন্যাসের জন্য এই প্রচ্ছদ যথাযথ।
এরকমই অনেক অচেনা-অবিশ্বাস্য-অলৌকিক-অপার্থিব জিনিসের সঙ্গে জড়ানো ভয় নিয়েই লেখা গল্প 'ভয়পাতাল'। জন্মান্তর নিয়ে এক মনোগ্রাহী স্টোরি বানাতে পুরুলিয়ার এক গ্রাম মাদিয়াতে রহস্যময়ভাবে মারা যান 'সুপ্রভাত'-এর এক নির্ভীক রিপোর্টার সুরঞ্জন মজুমদার। তাঁর মৃতদেহ আনতে গিয়ে তাঁর কলিগ বন্ধু মিহির গাঙ্গুলিরও সেখানে নানাবিধ অলৌকিক অভিজ্ঞতা হয়। তারপরেই সুরঞ্জন মজুমদারের লেখা ডায়েরি চেয়ে আসতে থাকে হুমকি তাঁর মেয়ে অন্তরার কাছে কিন্তু সে ভয় পাওয়া সত্ত্বেও বাবার মৃত্যুরহস্য উন্মোচন করতে আর সব ভয়ের মুখোশ খুলতে পাড়ি দেয় পুরুলিয়ায়। সঙ্গে নেয় মিহিরদা আর বন্ধু ঝিমলিকে। যাওয়া থেকেই তাদের সঙ্গে ঘটতে থাকে একের পর এক অদ্ভূত সব ঘটনা। এক রাতে এক হৃদয়বিদাড়ক ঘটনা দেখে ফেলায় হামলাও হয় তাদের ওপর। কী এমন সত্য যা মৃত্যুর চেয়েও দামী; যাকে আড়াল করে রাখার জন্য করতে হয় মরিয়া চেষ্টা?! এই সত্য কি সামনে আনতে পারবে অন্তরা? আর কী কী বিপদের মুখে তাদের পড়তে হবে এর জন্য? আর কোন কোন অবিশ্বাস্য জিনিস প্রত্যক্ষ করে চমকে উঠতে হবে?!
উপন্যাস জুড়ে রয়েছে অলৌকিক সব ঘটনা। রহস্যময় সবুজ আলোর ছটা, অদ্ভূত ঝাঁঝালো মিষ্টি গন্ধ, মুহূর্তের মধ্যে প্রকৃতির রূপ বদল, নেশা ধরানো শিসের শব্দ, এক শিশুর মধ্যে এক অলৌকিক শক্তি যা ধ্বংস করে দিতে পারে সবকিছু, অপদেবতার পুজোর জন্য ভক্তদের অমানবিক সব ক্রিয়াকলাপ - এইসবকিছুই বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে উপন্যাসের চরিত্রদের ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে।
চরিত্রদের মধ্যে রহস্য উদঘাটনে অন্তরা, মিহিরদা, মিলন, মধুসূদন, প্রিয়বরণদের ভূমিকা সর্বাধিক। অবদান আছে ঝিমলিরও। তবে প্রিয়বরণ সবথেকে রহস্যময় চরিত্র হওয়া সত্ত্বেও কোথাও গিয়ে যেন তার জন্য ভাললাগার অনুভূতি কাজ করে। দেবতা আর অপদেবতার মধ্যে পার্থক্য বোঝানো থেকে শুরু করে তার ঠিক ভুলের মধ্যে বিচার, নিজের ক্ষতির তোয়াক্কা না করে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং সবশেষে সবাইকে আলোর রাস্তা দেখিয়ে নিজের পরিণতি মেনে নেওয়া অবধি কিভাবে সে যেন হয়ে উঠেছে আমার প্রিয় চরিত্র। আর অন্তরার প্রতি তার বন্ধুত্বপূর্বক সরল আচরণ বা গভীর অনুভূতির যে পরিচয় মেলে তা অবশ্যই মনে দাগ কেটে যায়।
রহস্য বুণন অসাধারণ। বিষয়বস্তু বেশ মনোগ্রাহী। উপন্যাস জুড়ে একাধিক মোড় এবং অপার্থিব সব ঘটনা এমনভাবে পরপর ঘটে যেতে থাকে যে একবার মনোযোগ এসে গেলে পড়া ছেড়ে ওঠা অসম্ভব আর রহস্য উদঘাটন হওয়া অব্দি একটা উদ্বেগ কাজ করতে থাকে।
পুরুলিয়ার মনোরম পরিবেশ অবশ্যই মন কেড়েছে। লম্বা লম্বা গাছপালা, ঘন জঙ্গল, পাখিদের ডাকাডাকি, মাটির টিলা, বিশাল নদীতে আকাশের ছায়া, সুন্দর সূর্যাস্ত - এসবকিছুর মধ্যেই রহস্য বেশ জমে ওঠে।
তবে গতি মাঝে মাঝে খুব ধীর হয়ে গেছে। কিছু কিছু জায়গা অহেতুক বর্ণনা করা হয়েছে আবার কিছু জায়গার রহস্যভেদ করা যায়নি। কিছু প্রশ্নের উত্তর মেলেনি; যেমন গুণিনের পরিণতি, অপদেবতার সঙ্গে প্রিয়বরণের সম্পর্ক ইত্যাদি।
শেষটা ভালো হলেও একটা ভীষণ খারাপলাগা থেকেই যায়। সবমিলিয়ে ভয় পাতাল পড়ে আমার দারুণ লেগেছে, ভয় পেয়েছি, উৎকন্ঠিত হয়েছি, অবাক হয়েছি। ভয় পাতালে চলতে থাকা অলৌকিকতার স্বাদ নিতে অবশ্যই পড়তে হবে 'ভয়পাতাল'। সবশেষে প্রশংসা না করলেই চলেনা প্রচ্ছদটির। অন্ধকারাচ্ছন্ন এই উপন্যাসের জন্য এই প্রচ্ছদ যথাযথ।
January 25, 2026
A series of bizarre events sends 3 people on a trail to uncover the truth – a journey that will lead them to ghoulish conspiracies. Bhoypatal is a novel that will make your blood run cold with horror.
Though according to me the 1st 150 pages were outstanding and one of the best horror novels criteria. But after it lags but again gains steam at the end.
Anish sirs writing ✍️ superb.
Though according to me the 1st 150 pages were outstanding and one of the best horror novels criteria. But after it lags but again gains steam at the end.
Anish sirs writing ✍️ superb.
August 7, 2020
Very exciting. A little boring in the middle, but overall had a blast . Really high entertainment value
April 10, 2021
কল্পনার বাইরে থাকা এমন কিছু সাসপেন্স আর টুইস্ট নিয়েই রোমাঞ্চকর এই কাহিনীটি!
May 10, 2021
শুধু মাত্র প্রিয়বরণের জন্য।
October 23, 2021
No one should treat their readers like idiots.
September 12, 2022
অনীশ দেবের লেখা আমি পছন্দ করি, কিন্ত এই উপন্যাসটি আশানুরূপ হয় নি।
May 26, 2023
অন্য লেখার তুলনায় কিঞ্চিত দুর্বল লাগল। বেশ জটপাকানো ঘটনাক্রম। শুরু সুন্দর হলেও শেষটা হতাশ করল।
August 3, 2024
"ভয়পাতাল" উপন্যাসটি হররের চেয়েও বেশি থ্রিলার ও রহস্যধর্মী মনে হয়েছে আমার। কাহিনীর টানটান গতি এক নিঃশ্বাসে উপন্যাসটি পড়ে শেষ করতে সাহায্য করেছে। তবে আগের মতো ভালো লাগলো না, হয়তো বয়স বাড়ছে বলেই।
ভালো লাগা:-
(১) অনীশ দেবের লেখায় আমার সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় লাগে গল্পের প্লটটা, চিরাচরিত ভূতের গল্পের চেয়ে যা সবসময়েই আলাদা হয়। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
(২) কিছুটা লাভক্রাফটিয়ান এলিমেন্ট রয়েছে এতে — The oldest and strongest kind of fear is fear of the unknown... তাছাড়াও আর এক জায়গাতেও লাভক্রাফটিয়ান হররের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে, কিন্তু সেটা বললে স্পয়লার হয়ে যাওয়ার চান্স, তাই বলছি না। 🫢
(৩) ভালো লেগেছে সুরঞ্জন মজুমদার, মিহিরদা, অন্তরার মতো নির্ভিক রিপোর্টারদের।
তাছাড়াও রক্তের সম্পর্কের বাইরেও তৈরি হওয়া আত্মীয়তার সম্পর্কগুলো (ঝিমলি, মিহিরদা বা প্রিয়বরণ), যারা অন্তরাকে সাহায্য করার জন্য সবকিছু করতে পারে, এই ব্যাপারটা ভীষণ মুগ্ধ করেছে।
খারাপ লাগা:-
(১) কাহিনীর প্রথমদিকে কিছুটা বেমানান লাগছিল কয়েকটা জিনিস, যেমন - প্রচন্ড আতঙ্কের মুহূর্তেও মজার ছলে কথাবার্তা বলা... এই ব্যাপারগুলো পরিস্থিতির সিরিয়াসনেস অনেকটা কমিয়ে দিয়েছে, আর কমিয়েছে ভয়ের আবহ।
(২) "ভয়পাতাল" নাম হওয়ায় আমি আশা করেছিলাম আরেকটু ভয়ের হবে শেষটা। কিন্তু ভয় লাগেনি। তাই একে রহস্য উপন্যাসই বলবো, হরর নয়।
সবমিলিয়ে মোটামুটি লেগেছে বইটি। One time read হিসেবে পড়লে আর বেশি ভয় পাওয়ার এক্সপেকটেশন না রাখলে ভালোই লাগবে।
ভালো লাগা:-
(১) অনীশ দেবের লেখায় আমার সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় লাগে গল্পের প্লটটা, চিরাচরিত ভূতের গল্পের চেয়ে যা সবসময়েই আলাদা হয়। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
(২) কিছুটা লাভক্রাফটিয়ান এলিমেন্ট রয়েছে এতে — The oldest and strongest kind of fear is fear of the unknown... তাছাড়াও আর এক জায়গাতেও লাভক্রাফটিয়ান হররের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে, কিন্তু সেটা বললে স্পয়লার হয়ে যাওয়ার চান্স, তাই বলছি না। 🫢
(৩) ভালো লেগেছে সুরঞ্জন মজুমদার, মিহিরদা, অন্তরার মতো নির্ভিক রিপোর্টারদের।
তাছাড়াও রক্তের সম্পর্কের বাইরেও তৈরি হওয়া আত্মীয়তার সম্পর্কগুলো (ঝিমলি, মিহিরদা বা প্রিয়বরণ), যারা অন্তরাকে সাহায্য করার জন্য সবকিছু করতে পারে, এই ব্যাপারটা ভীষণ মুগ্ধ করেছে।
খারাপ লাগা:-
(১) কাহিনীর প্রথমদিকে কিছুটা বেমানান লাগছিল কয়েকটা জিনিস, যেমন - প্রচন্ড আতঙ্কের মুহূর্তেও মজার ছলে কথাবার্তা বলা... এই ব্যাপারগুলো পরিস্থিতির সিরিয়াসনেস অনেকটা কমিয়ে দিয়েছে, আর কমিয়েছে ভয়ের আবহ।
(২) "ভয়পাতাল" নাম হওয়ায় আমি আশা করেছিলাম আরেকটু ভয়ের হবে শেষটা। কিন্তু ভয় লাগেনি। তাই একে রহস্য উপন্যাসই বলবো, হরর নয়।
সবমিলিয়ে মোটামুটি লেগেছে বইটি। One time read হিসেবে পড়লে আর বেশি ভয় পাওয়ার এক্সপেকটেশন না রাখলে ভালোই লাগবে।
December 25, 2017
উপন্যাস - চলে।
কিন্তু কখন যেন প্রিয়বরণের প্রেমে পড়ে গিয়েছি।
কিন্তু কখন যেন প্রিয়বরণের প্রেমে পড়ে গিয়েছি।
April 14, 2020
শুরুটা যেরকম জমাট ছিলো, ভয়ের শিরশিরে অনুভূতি জাগিয়েছিলো, শেষটায় সেরকম আর থাকেনি। অনেকখানি উঁচুতে তুলে ধপ করে ছেড়ে দেয়ার মতো হয়ে গেছে।
Displaying 1 - 13 of 13 reviews












