Manufactured Orphan - ‘তৈরি করা অনাথ’ দের নিয়ে বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম উপন্যাস। ভারতবর্ষের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে এভাবেই পাচার হয় দুঃস্থ শিশুরা, মোটা ডলারের বিনিময়ে কিছু অনাথ আশ্রম বা দত্তক দেওয়ার এজেন্সিরা তাদের বিক্রি করে দেয় বিদেশী নিঃসন্তান দম্পতিদের কাছে। এই অবৈধ Inter Country Adoption এ নাম জড়িয়েছে দেশের তাবড় তাবড় সেবাপ্রতিষ্ঠানের।
দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের রুদ্র প্রিয়ম সিরিজের নতুন উপন্যাস ‘গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি’র পটভূমি পশ্চিম ভারতের গোয়া। সেই গোয়া, যেখানে পাঁচশো বছর আগে ইনকুইজিশনে পুড়ে মরেছিল হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষ। কী সম্পর্ক ইনকুইজিশনের সঙ্গে আজকের গোয়ার? ধর্মীয় সংকীর্ণতার সঙ্গে হিংস্রতা যখন মিশে যায়, তখনই জন্ম নেয় বাসের অযোগ্য বিশ্বের। ধ্বংসলীলা চলে অবিরাম। বিজ্ঞান ইতিহাস ও রহস্যের মিশেলে লেখা হয়েছে বিরাট ক্যানভাসের এই উপন্যাস ।
Debarati Mukhopadhyay is presently one of the most popular and celebrated authors of Bengali Literature and a TED Speaker having millions of readers worldwide.
A young Government Officer by profession and awarded with several accolades like Indian Express Devi Award 2022, Tagore Samman, 2022, Literary Star of Bengal etc, she has written 25+ bestselling novels in West Bengal from leading publishing houses. Global publishers like Harper Collins, Rupa Publication have published her English works worldwide.
A no. of novels are already made up into movies starting Nusrat Jahan, Mithun Chakraborty, Dev etc by big production houses like SVF, Eskay etc. Her stories are immensely popular in Sunday Suspense, Storytel etc.
Her Novel ‘Dasgupta Travels’, has been shortlisted for ‘Sahitya Akademi Yuva Pursakar, 2021’.
Her Novel ‘Shikhandi’ created a history when it was acquired for film by SVF within 24 hours of it’s publication. Beside this, she contributes in Bengal’s prominent literary magazines and journals regularly.
She has been selected as Country's only Bengali Literature Faculty for the esteemed Himalayan Writing Retreat.
An excellent orator, Debarati motivates people through her way of positive thinking, voluntarily guides aspirants for Government job preparation in leisure.
She’s a regular speaker in eminent institutions like Ramakrishna Mission and other educational seminars and often considered as youth icon of Bengal. She’s extremely popular in Bengal and having more than 5,00,000+ followers in Social media.
নরক সংকেত পড়ার পর থেকেই ওঁর লেখার প্রতি আগ্রহ জন্মায়। নারাচ সেই আগ্রহকে ভালো লাগার পর্যায়ে নিয়ে যায়। বাবু ও বারবনিতার মত সংকলনগুলি ওঁর কাজকে আরও সমৃদ্ধ করে। এরপরই শুরু হয় পতন। বিগত বেশ কিছু বইয়ের মান ক্রমশ নিম্নমুখী। তাঁর সাম্প্রতিক বই 'গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি' তো পাতে দেওয়ার মতই না। বই কেনার পর কোনওদিন আমার মনে হয় না ইশ কেন এই বইটা কিনলাম। কিন্তু 'গন্তব্য...' পড়ার পর থেকেই মাথায় একটাই খেয়াল ঘুরছে। টাকাটা ফেরত পেলে মন্দ হত না।
'গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি' রুদ্র প্রিয়ম সিরিজের বই। লেখক অনেক রিসার্চ করে বইটা লিখেছেন --- আর সেটা জানান দিতে বই জুড়ে আছে information dump। সত্যজিৎ রায় ওঁর গল্পে কাহিনীর মোড়কে অনেক নতুন নতুন facts আমাদের শেখাতেন। কিন্তু আজকালকার লেখকরা বইয়ের নামে থিসিস লেখা শুরু করেছেন। ভাবটা এমন, দেখো আমি কত পড়াশোনা করেছি। ২৫০ পাতার মধ্যে ১০০ পাতা সহজেই বাদ দেওয়া যেত।
এবার আসি মূল কাহিনীতে। এই বই যদি গোয়া পুলিশের হাতে পড়ে, লেখকের রক্ষে নেই। গোয়া পুলিশ কতটা অকর্মণ্য তা এই বই পড়লে জানা যায়। এক সপ্তাহ ধরে যে খুনের কিনারা করতে পারছে না সৈকত রাজ্যের পুলিশ, বাংলা থেকে ঘুরতে গিয়ে এখানকার পুলিশ অফিসার নিমেষে ক্র্যাক করে ফেলছেন। ওখানকার SP রুদ্রর বন্ধু বলে অবলীলায় jurisdiction ছাড়াই পুলিশের তদন্তে জুড়ে বসছে রুদ্র। আর টপাটপ সমাধান হয়ে যাচ্ছে রহস্যের। গোয়ার মানুষও কি ভালো। নিজেদের পুলিশকে তথ্য গোপন করছে কিন্তু বাংলার পুলিশকে সব বলে দিচ্ছে।
আরও আছে। বইয়ের প্রচ্ছদে বলা হয়েছে গোয়া inquisition এর সাথে বর্তমান সময়ের child trafficking racket নিয়ে রচিত এই উপন্যাস। কিন্তু পুরো গল্পটা পড়ে অন্তত আমি এই linkta আবিষ্কার করতে পারিনি। অযথা inquisition এর প্রসঙ্গ এই গল্পে এল কেন (একটা চরিত্রের পারিবারিক ইতিহাস বাদে; কিন্তু সেই চরিত্রও গল্পে খুব একটা জরুরি না) বোঝার উপায় নেই।
আর এই বই না ভালো লাগার সবচেয়ে বড় কারণ - প্রোপাগান্ডা। কিছুদিন আগে Rajeev Masand এর একটা Roundtable দেখছিলাম। সেখানে তিলোত্তমা সোমের একটা কথা মন ছুঁয়ে যায়। ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে তিনি কোনোদিন এমন কোনও চরিত্রে কাজ করবেন না যাতে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে villainise করা হয়। তিনি একটা phrase ব্যবহার করেছিলেন - tone deaf; এই উপন্যাসটা ঠিক তাই। দেশে যখন সংখ্যালঘুদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার ষড়যন্ত্র চলছে শাসকদলের তরফে তখন এমন একটা উপন্যাস যেখানে সংখ্যালঘু ট্রাস্ট বা এনজিও গুলোর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে --- এটা কি খুব জরুরি ছিল? Child sexual abuse বা trafficking কি হিন্দু আখড়া গুলোতে হয় না? Asaram Bapu বা নিত্যানন্দের কথা কি ভুলে গেছি আমরা? দেশের স্বরাষ্ট্র দপ্তর উঠে পড়ে লেগেছে minority institution গুলোর funding বন্ধ করতে। এমন সময়, এইরকম একটা বই জনমানসে এই সংস্থাগুলোর সম্পর্কে বিরূপ প্রতিক্রিয়াই তৈরি করবে।
উপরন্তু, উপন্যাসের শেষে যে bibliography দেওয়া তাতে right wing sources ভর্তি। অরূপ চ্যাটার্জির মত এক right wing conspiracy theorist কে মান্যতা দিয়ে Mother Teresa কে নিয়ে কাঁটাছেড়া। আমার মতে Propaganda লেখা কোনও খারাপ কাজ না। ভালো করে লিখতে পারলে পড়তে খারাপ লাগে না। যুক্তি দিয়ে সেগুলো নিয়ে বিতর্কও করা যায়। কিন্তু কাকের ঘাড়ে বকের মাথা জুড়ে একটা হাঁসজারু গোছের উপন্যাস লেখাটা অমার্জনীয়।
পাঁচশো বছর আগে ঔপনিবেশিক শাসনের সময় ঘটা অত্যাচারের দোহাই দিয়ে দেশের শাসক দল বর্তমান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে যে নিপীড়ণ করছে তাতে ইন্ধন যোগায় এই বই।
প্রিয় লেখিকা, গত কাল সন্ধ্যায় আপনার সর্বশেষ উপন্যাস "গন্তব্য এখনও এক সভ্যতা দেরি " সমাপ্ত করিলাম। রুদ্ধ শ্বাস এ সমাপ্ত করিবার তীব্র ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অফিস এবং সাংসারিক বিবিধ কাজ কর্মের নিমিত্তে তত দ্রুত পড়িয়া উঠিতে পারি নাই। তবে পুস্তক টি হাতে পাওয়া থেকে শেষ হওয়া অবধি একদিন ও না পড়িয়া থাকিতে পারি নাই। আপনার লেখনীর অনবদ্যতা এর জন্যে দায়ী। 2014 সালে আমি Goa ভ্রমণ করিয়া ছিলাম। তখন আমার এই গভীর ইতিহাস জানা ছিল না। থাকিলে হয়তো সেই ভ্রমণ অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হতো। এখন মনে হইতেছে যে পুনরায় সেই স্থলে গিয়া নব রূপে আবার পর্যবেক্ষণ করি। আপনার লেখার প্রসঙ্গে কোনও স্থূল অতি রঞ্জিত মন্তব্য করিতে চাহি না কারণ আপনার লেখনী তার নিজ গুনে সমৃদ্ধ। সেখানে আমার ক্ষুদ্র পরিসরে তাকে পরিমাপ করিতে চাওয়ার চেষ্টা করাটা দুঃসাহস মাত্র। শুধু আপনার একনিষ্ঠ পাঠক হিসাবে বলিতে পারি, এক রুদ্ধ শ্বাস উপন্যাস এর আঙ্গিকে এক চাপা পড়ে থাকা ইতিহাস এবং বর্তমান কে সঙ্গী করে তার ব্যাপ্তি কে প্রসারিত করার ক্ষমতা শুধু আপনারই আছে। পরিশেষে দুটি প্রমাদ এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করিতে চাহি। 1, পৃষ্ঠা 145 এ "রূপা চুপচাপ আঁচর কাটছিলো" টি রূপা এর স্থানে রুদ্র হবে কারণ রূপা তখন মৃত। 2, পৃষ্ঠা 249 এ চরিত্রের নাম রয়েছে Eduin Carlos যে father Jemson নাম নিয়ে St. Sebestian Home খুলেছে। কিন্তু আনন্দিনীর table অনুসারে এই নামের কেউ নাই। শেষ দুই চরিত্রের নাম যথাক্রমে Eduin Fernandez ও Carlos Pereira. এই দুটি নাম ভুল বসত যুক্ত হয়ে গিয়াছে। উপরোক্ত ত্রুটি পরবর্তী সময়ে সংশোধিত হবে এই আশা রাখলাম। পরিশেষে বলিতে চাই, আপনি খুব শীঘ্রই আপনার অসুস্থতা কে জয়লাভ করে আপনার রুদ্রর মতই আবার নব জীবন এ প্রবেশ করুন। আরো নতুন নতুন উপন্যাস উপহার দিন আমাদের ন্যায় ক্ষুধার্ত পাঠক দের। আমার শুভেচ্ছা নেবেন। খুব খুব ভালো থাকবেন। ইতি- অভিজিৎ চৌধুরী।
গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি। "সত্যিই আমরা নিজেদের যত সভ্য বলে দাবি করি না কেন, সত্যিকারের সভ্য হওয়ার গন্তব্যে পৌঁছতে গেলে আমাদের বহুদূর হাঁটতে হবে। হয়তো সব শেষ হয়ে যাবে। নতুন এক সভ্যতা গড়ে উঠবে। তখন আমরা সভ্য হব।... সেই নতুন পৃথিবীতে বিকৃতি থাকবে না, অপরাধ থাকবে না, শোষণ থাকবে না।"
এই রহস্য থ্রিলার উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র পুলিশ অফিসার রুদ্রানী ও তার স্বামী প্রিয়ম গোয়ায় বেড়াতে যায়। নর্থ গোয়ার ক্রাইম ব্রাঞ্চের এসপি রুদ্রাণীর প্রাক্তন সহকর্মী ও বন্ধু শংকর গঞ্জালভেজ তার নর্থ গোয়ার পুলিশ বাংলোতে রুদ্রানীদের থাকার ব্যবস্থা করেন। রুদ্রানী ও প্রিয়ম গোয়াতে পৌঁছানোর পর তারা স্থানীয় খবরের কাগজ থেকে জানতে পারে তার ঠিক আগের দিন রাতে নর্থ গোয়ার সেন্ট সেবাস্টিয়ান নামক এক অনাথ আশ্রমের ফাদার জেমসনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে যার তদন্ত করছে রুদ্রণীর বন্ধু এসপি শংকর। অন্যদিকে রুদ্রানী শংকরের কাছ থেকে জানতে পারে তার ঠিক এক সপ্তাহ আগে নর্থ গোয়ার ভাগাতোর বিচের কাছে গুড রিটার্ন হোম নামক আরেকটি অনাথ আশ্রমের ফাদার দুয়ার্তের অনাথ আশ্রমে ঘুরতে আসা ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুইডেনের নাগরিক রূপা বলে একটি মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে যারও তদন্তকারী অফিসার শংকর। বন্ধু শংকর কে সাহায্য করার জন্য রুদ্রানী দুটি পৃথক রহস্য��য় বিষয় নিয়ে খোঁজ খবর শুরু করে এবং জড়িয়ে যায় তদন্তের সাথে। এর পরেই একদিন গোয়ার ভাগাতোর বিচ থেকে রূপা নেইলসনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। যাকে অনেকবছর আগে দত্তক নিয়েছিলেন এক সুইডিশ দম্পতি। রূপা কী বারবার ভারতে আসত নিজের হারানো পরিবারকে খুঁজতে? এই রূপার সাথে ফাদার দুয়ার্তের কি সম্পর্ক? কেন তাকে খুন হতে হল? পিডোফেলিক ফ্রেডি পিটের সাথে ফাদার জেমসন, ববি গঞ্জালভেস, পিটার অ্যাণ্ড্রুজ কি সম্পর্ক ছিল?
মূলত তিনটি পৃথক সময় সরণীতে কাহিনি এগিয়েছে এবং শেষে একসাথে মিশেছে। প্রথম সময় সরণীতে রয়েছে বর্তমান সময়ে গোয়াতে হওয়া একটি খুন ও একটি রহস্যময় মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শংকর- রুদ্রাণী- প্রিয়মদের তদন্ত অভিযান। দ্বিতীয় সময় সরণীতে আনুমানিক ১৫৬০ সালে পর্তুগীজ অধীনস্থ গোয়ার একটি অখ্যাত গ্রামের পটভূমিতে ইহুদি ও হিন্দু ব্রাহ্মণ পরিবারের একটি ছেলে মেয়ে প্রেমের করুন পরিনতির কাহিনী। তৃতীয় সময় সরণীতে আছে বর্তমান সময়ে আর্য়াল্যান্ডের একটি কলেজে সোশিয়োলজিতে গবেষণারতা আনন্দিনী নামক একটি বাঙালি মেয়ের কথা, যে তার গবেষণার কাজে গোয়ায় এসে জড়িয়ে পরে এক গভীর ষড়যন্ত্রে।
১৫০০ শতাব্দীতে পর্তুগিজ অধীনস্থ প্রাচীন গোয়ায় ইনকুইজিশন, ম্যানুফেকচারড অরফ্যান এবং পিডোফিলের মতো এক বিকৃত মানসিক রোগ এই তিনটি ঘৃণ্য অপরাধ নিয়ে লেখা এই উপন্যাসটি।
যারা খ্রিস্টান ধর্মকে মানত না, যারা বাইবেল ও পোপকে সম্মান করত না তাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য মধ্যযুগে ক্যাথলিক চার্চগুলোতে ইনকুইজিশান অফিস তৈরি করা হয়েছিল। এই অফিসে ইনকুইজিটাররা থাকতেন যাদের কাজ ছিল গ্রামেগঞ্জে গিয়ে গ্রামবাসীদের ভয় দেখিয়ে, অত্যাচার করে খ্রিস্টান ধর্মান্তরিত করানো। গোয়াতে ইনকুইজিশনের প্রবর্তক ছিলেন ফ্রান্সিস জেভিয়ার।
Manufactured orphan - বাবা মা থাকা সত্ত্বেও তাদের কাছ থেকে বাচ্চা চুরি করে বা পয়সা দিয়ে কিনে এনে বা গরিব বাবা মাকে টাকা দিয়ে বা কুমারী মায়ের কাছ থেকে বাচ্চাদের নিয়ে এসে অরফ্যান বানানো কে বলা হয় ম্যানুফ্যাকচারড অরফ্যান। Inter country adoption এর মাধ্যমে বিদেশি দম্পতিরা ভারত থেকে বহু ম্যানুফ্যাকচারড অরফ্যান শিশুকে নিয়ে যায়।
ডাবল অরফ্যান মানে যার বাবা মা দুজনেই মৃত। মেটারনাল অরফ্যান মানে যার মা মারা গেছে বাবা জীবিত। পেটারনাল অরফ্যান মানে যার বাবা মারা গেছে মা জীবিত।
চ্যাপেল, চার্চ, ক্যাথিড্রাল এবং ব্যাসিলিকার মধ্যে পার্থক্য কি? চার্চ হচ্ছে যে কোন ধরনের গির্জা যেখানে পাত্রী থাকেন। চ্যাপেলের ক্ষেত্রে বিল্ডিং এর সাথে যুক্ত থাকে ছোট উপাসনা গৃহ। চার্চের প্রধান যদি কোন বিশপ হয় তবে সেই চার্চকে ক্যাথিড্রাল বলা হয়। ক্যাথিড্রা শব্দের অর্থ বিশপের চেয়ার। ব্যাসিলিকা মানে রয়্যাল হাউস।
এই উপন্যাসে ভারতের তথা কলকাতার এক বিখ্যাত মিশনারীয় সন্তের ও তার সংগঠনের কাজকর্মের এক অজানা অন্ধকারময় দিক নিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
থ্রিলার হিসাবে উপন্যাসটির প্লট বেশ জমজমাট। শংকর, দুয়ার্তে, মার্তণ্ড, শিরা, জোসেফ, গোকুল, ক্যাথারিন পিসি, জোশুয়াকাকা, ভূদেব গাঁওকর প্রভৃতি চরিত্রগুলোর মধ্যে দিয়ে ইতিহাস ও রহস্যকে একসাথে মিশিয়ে দিয়েছেন। গোয়ার সাথে সাথে উঠে এসেছে মোলে গ্রাম, তাম্বুলি শিরা মন্দিরের কথা। আমরা জানতে পারি গার্সিয়া দে ওরতা নামক এক ইহুদি চিকিৎসকের কাহিনী যিনি প্রাচ্যের আয়ুর্বেদ শাস্ত্রকে পরিচিত করিয়েছিলেন পাশ্চাত্যে। ইনকুইজিশন, খ্রিস্ট ধর্ম, গোয়া তথা ভারতের এবং আন্তর্জাতিক স্তরে শিশু পাচার চক্র, চাইল্ড সেক্স রাকেট এর মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে লেখার জন্য লেখিকাকে সাধুবাদ জানাতেই হয়।
★ উপন্যাস : গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি ★ লেখিকা : শ্রদ্ধেয়া দেবারতি মুখোপাধ্যায় ★ প্রকাশক : দীপ প্রকাশন ★ মুদ্রিত মূল্য : ২৯৫/- (প্রথম প্রকাশ - ডিসেম্বর , ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ) --------------------------------------------------- ★ রুদ্র প্রিয়ম সিরিজের পঞ্চম বই 'গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি' , টানটান উত্তেজনাপূর্ণ একটি লেখা। শ্রদ্ধেয়া লেখিকার এই সিরিজের এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সবক'টি বইই আমি পড়েছি। বলাই বাহুল্য বইগুলো আমার পড়তে খুব ভালো লেগেছে।
➤ যদিও এই সিরিজের প্রত্যেকটি বই সম্পুর্ণ ভিন্ন স্বাদের বই , কিন্তু এই বইটি তার মধ্যে একদম অন্য একটি ফ্লেভারের বই।
➤ বইটি লেখা হয়েছে আমাদের দেশেরই অন্যতম একটি রাজ্য গোয়াকে কেন্দ্র করে।
➤ বইটি পড়তে গিয়ে কখনও হতভম্ব হয়ে গিয়েছি , কখনও শিউরে উঠেছি মানবসভ্যতার অবনমন দেখে। বইটির বিষয়বস্তু এতটাই সাংঘাতিক যে কখনও কখনও মনে হয়েছে আদৌ আমরা ঈশ্বরের সৃষ্ট শ্রেষ্ঠ জীব মানুষই তো ?
➤ উপন্যাসটি রহস্যোপন্যাস হলেও কখনও শুধুমাত্রই রহস্যের আবরণে আবৃত নয়। এরমধ্যে আছে ইতিহাসের বিস্মৃতপ্রায় একটি অধ্যায় যেখানে গিয়ে আমরা পৌঁছে গিয়েছিলাম গোয়ার সেই পর্তুগীজ অধ্যুষিত সময়ে যখন গোয়ায় চলেছিল ইনকুইজিশন নামক নরমেধ যজ্ঞ।
➤ উপন্যাসে পেয়েছি 'Manufactured Orphan' কিভাবে তৈরী হয়েছিল , এবং আজও হয়ে চলেছে।
➤ পেয়েছি Pedophilia নিয়ে বেশ কিছু তথ্য।
➤ পেয়েছি বিভিন্ন ধর্মের অন্তরালে চলা কিছু বাস্তব সত্যি।
➤ পেয়েছি অবৈধ Inter Country Adoption নিয়ে তথ্য।
➤ এরমধ্যে পেয়েছি দুই ভিন্নধর্মী কিশোর কিশোরীর প্রেমের স্পর্শ।
★ সবমিলিয়ে উপন্যাসটি এককথায় অনবদ্য। অসাধারণ। একজন পাঠক হিসেবে আমি অবশ্যই অপেক্ষা করে থাকবো এই সিরিজের পরবর্তী উপন্যাসের জন্য।
★ সবশেষে বলি , শ্রদ্ধেয়া লেখিকা সুস্থ থাকুন এবং তাঁর কলম এইরকম নিরবচ্ছিন্ন গতিতে চলতে থাকুক। ধন্যবাদ। __________________________________
"How many roads must a man walk down Before you call him a man? How many seas must a white dove sail Before she sleeps in the sand ? "
Quotes taken from গন্তব্য এখানে এক সভ্যতা দেরি ! #Review এক নিশ্বাসে শেষ করেছি, পুরো রবিবার জুড়ে দেবারতি। Debarati Mukhopadhyay যখন প্রথম আপনার শরীর খারাপ এর খবর পেলাম আপনার জবানিতে আপনার হাসব্যান্ড এর করা পোস্ট এ, বিশ্বাস করুন চোখের কোন জল চিকচিক করে উঠেছিল, রুদ্র - প্রিয়ম সিরিজের গুণমুগ্ধ ভক্ত পাঠক আমি। সেটা অবাস্তব কাহিনী নিয়ে হোক কিংবা নিছকই অলীক কল্পনা কিংবা ইতিহাসের কোন গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে আসা সত্য। গ্লানিরভবতি ভারত পড়ে তো মুগ্ধতা চরমে পৌঁছেছিল। তাই বোধয় প্রত্যাশার পারদ চড়ে গিয়েছিল সপ্তমে যা আশাহত করেছিল কিছুটা শিখণ্ডী পড়া শেষ করে। আমি যদিও এই সমালোচনা করার ধৃষ্টতা দেখাতে পারিনা তাই ক্ষমাপ্রার্থী যদি আপনার খারাপ লাগে। কিন্তু বিশ্বাস ছিল আপনি আবার ফিরবেন রুদ্র - প্রিয়মকে নিয়ে সব কিছুকে ছাপিয়ে। আপনার শরীর খারাপের দীর্ঘ সময় ধরে আপনার পেজে লক্ষ্য রেখেছি। খবর নিয়েছি আর দিন গুনেছি । আপনি তো লড়াকু তাই আমাদের প্রার্থনা আপনার চরম মানসিক শক্তিতে ফিরে এসেছেন রুদ্র প্রিয়ম কে নিয়ে। আর সত্যি বলতে কি আমি বাকরুদ্ধ। এই সাহসী লেখিকার দ্বারাই সম্ভব। আপনি যেভাবে গোয়ার ইনকুইজিশনকে তুলে ধরেছেন আপনার ক্ষুরধার লেখনীতে আর তার সাথে ভয়ানক বিকৃত কাম পিডফিলিক দের অনাথ শিশুদের ওপর নির্যাতনের সত্যতা পরিবেশত হয়েছে উদাত্ত কণ্ঠে। আপনাকে প্রণাম। অসম্ভব ভালো লেগেছে বললেও কম বলা হয়। এত নিখুঁত সব বর্ণনা, ২৪ ঘণ্টা শেষ হয়নি আমি বইটা এক নিশ্বাসে শেষ করতে বাধ্য হয়েছি একপ্রকার। আবার একবার প্রত্যাশার শিখরে উঠল আমার বিশ্বাস এবারের রুদ্র - প্রিয়ম এতটাই লজিক্যাল আর রিয়ালিস্টিক প্লটে এসে ধরা দিয়েছে আমাদের, সেটা তুলনারঊর্ধ্বে। অনেক শুভেচ্ছা, ভালো থাকবেন। পরের পর্বের জন্য এখন থেকে উত্তেজনা অনুভব করছি। জানি আপনি কাজ শুরু করেছেন। অপেক্ষায় রইলাম সমাপ্তির।
“ ‘তৈরি করা অনাথ’ দের নিয়ে বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম উপন্যাস। ভারতবর্ষের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে এভাবেই পাচার হয় দুঃস্থ শিশুরা, মোটা ডলারের বিনিময়ে কিছু অনাথ আশ্রম বা দত্তক দেওয়ার এজেন্সিরা তাদের বিক্রি করে দেয় বিদেশী নিঃসন্তান দম্পতিদের কাছে।”- goodreads- পটভূমি পশ্চিম ভারতের গোয়া | ধ্বংসের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ভাবলে শিড় শিড় করে ওঠে বুকটা। আর আমাদের সেই অবসন্ন গোয়ার অসাড় সমাজের স্খলনের ছবি সরাসরি তিনি আমাদের গোয়ার মানুষ যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে তা তার লেখনীর মাধ্যমে আমাদের দেখান। খ্রিস্টধর্মের পিছনে, গির্জা, ব্যাসিলিকা, চ্যাপেল , charitable trust গুলো ছিল শিশু পাচার এবং যৌন কেলেঙ্কারির সবচেয়ে হিংস্র জায়গা। অন্যদিকে ইকুইজিশন ছিল সেখানে একটি স্থায়ী ক্ষত- মানুষকে অন্ধকার গর্তে ঠেলে দেয়। সেখানে মানুষ এখনো কষ্ট পাচ্ছে। তাদের পূর্বপুরুষরা ধর্ম ও কুসংস্কারের কারণে জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন। Please do check out @debarati.mukhopadhyay দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের রুদ্র প্রিয়ম সিরিজের নতুন উপন্যাস ‘গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি’…
তৈরী করা অনাথ দের নিয়ে এর আগে বাংলায় কোন কল্পকাহিনী হয়েছে কিনা জানি না, কিন্তু আমার পড়া এটাই প্রথম। এখানে যে সংঘটন-এর কথা নাম বদলে ব্যাবহার হয়েছে, সেই নিয়ে কিছু আগেই পড়েছি, তাই খুব অবাক হইনি। কিন্তু অনেকেই অবাক হতে পারে এটা জেনে যে, এটা সত্য ঘটনা অবলম্বনেই। এবং গোয়ার যে ঘটনা, সেও হয়ত ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের ঘটনা। Pedophilia এক মানসিক বিকৃতি, এবং অনাথ আশ্রমের বাচ্ছাদের ওপর চলা এই অত্যাচারও সত্য ঘটনা অবলম্বনেই। লেখিকা এই নিয়ে লেখার যে সাহস দেখিয়েছেন, তার জন্য ধন্যবাদ।
এবার আসি রুদ্রর কথায়, সে একটু বেশিই পাকা, আগে এতটা ছিল না, কিন্তু তার বুদ্ধি ক্ষুরধার এবং বেশ কয়েকটি সাফল্য তাকে একটু বেশিই অতিসাহসী করে তুলেছে। এখানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
গল্পের গতি বেশ ভালো। এক নিঃশ্বাসে পড়া শেষ করতে হয়েছে। মাঝে অফিসের কাজের চাপ না থাকলে ৫দিন লাগত না। লেখিকা শুরু থেকে শেষ অবধি পাঠক কে বসিয়ে রাখতে পেরেছেন। শিরার গল্পটা অপ্রান্সঙ্গিক মনে হলেও শেষে গিয়ে গল্প টা মিলে যায় এক খাতে। কোথাও একচিলতে থমকে যায়না। লেখিকার লেখা আমার খারাপ লাগে না, এটাও লাগেনি।
এই শেষ করলাম আপনার আর একটি অসাধারণ উপন্যাস গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি। খুব খুব ভালো লাগলো।আসলে আমি লিখতে পারিনা রিভিউ তাই ভালো খুব ভালো এসব লিখেই প্রশংসা করার চেষ্ঠা করি। তবে এই প্রতিটা চরিত্র একেবারে জীবন্ত বাস্তব মনে হয়েছে। যত শেষের দিকে এগিয়েছি তত ভুলেছি এই চরিত্র গুলোর সাথে বাস্তবের মিলনের তবে ইতিহাসটা সত্যি। আপনার প্রথম উপন্যাস ঈশ্বর যখন বন্দী আমাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই প্রথম আপনার নাম শোনা চেনা আপনার লেখনীকে তার পর পড়লাম একে একে নরক সংকেত , অঘোরে ঘুমিয়ে শিব। আরো বেশি করে আপনার লেখনী পছন্দ করতে লাগলাম। ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় এর লেখা আপনার ছিল খুব পছন্দের তার পর আপনার লেখার প্রতি ভালোবাসা। ভালো থাকুন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন। গতকাল আবার একটা দুর্ঘটনা শুনে মনটা ব্যথিত হয়ে গেল। আপনাকে তাড়াতাড়ি সেরে উঠতেই হবে অগণিত পাঠকদের জন্য।
রূদ্রপ্রিয়ম সিরিজ মানেই নতুন কোনো বিষয় নিয়ে জানতে পারব, এই আশায়েই বইটা তুলে নিয়েছিলাম। নিরাশ হইনি।
"Manufactured orphan'' বা "তৈরি করা অনাথ" দের নিয়ে এবারের উপন্যাস। ভারতবর্ষের মধ্যে তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে এভাবেই পাচার হয় দুস্থ শিশুরা, মোটা ডলারের বিনিময়ে কিছু অনাথ আশ্রম বা দত্তক দেওয়ার এজেন্সিরা তাদের বিক্রি করে দেয় বিদেশি নিঃসন্তান দম্পতিদের কাছে। এবারের উপন্যাসের পটভূমি পশ্চিম ভারতের গোয়া, যেই গোয়ায় ৫০০ বছর আগে ইনকুইজিশনে পুড়ে মরেছিল হাজার হাজার নিরাপরাধ মানুষ।
গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি-- সত্যিই আমরা নিজেদের যতই সভ্য বলে দাবি করি না কেন, সত্যিকারের সভ্য হওয়ার গন্তব্যে পৌঁছতে হলে আমাদের বহুদূর হাঁটতে হবে। হয়তো সব শেষ হয়ে যাবে। নতুন কোন সভ্যতা গড়ে উঠবে। তখন আমরা সভ্য হব…
অনেকটা বিস্মিত ভাবে কাহিনী টা শেষ করলাম। ভাবলে অবাক লাগে pedophilia এত বড় আকার ধারণ করেছে। বেশি কিছু বলব না আপনারা নিজেরাই পড়ে ফেলুন এই কাহিনীটি। পড়লে আশা করি নিরাশ হবেন না।
একটা experience শেয়ার করছি বইটি পড়ার পর। এই বইটির বাক্য বিন্যাস এতটাই সুন্দর যে আমার নিজের ই মনে হচ্ছিলো যে আমি পাঠক নয় বরং এই বই এর এক নীরব চরিত্র যে কাছ থেকে সব ঘটে যাওয়া ঘটনার মাধুরী আস্বাদন করছে।
Debarati Mukhopadhyay maam এর নতুন বই। ❤️ #রুদ্র_প্রিয়ম
আমি কয়েকদিন আগে শেষ করলাম। অসাধারণ বললেও কম বলা হবে। একজন WBCS অফিসার হিসাবে সারাদিনের ব্যস্ত শিডিউল সামলে লেখিকার মস্তিষ্কপ্রসূত এইসব অপূর্ব লেখা পড়লে বিস্মিত হতে হয়। তবে যারা রুদ্র প্রিয়ম সিরিজকে গোয়েন্দা কাহিনী মনে করেন, তাদের বলবো এই সিরিজ কখনোই গোয়েন্দা গল্প নয়। ইতিহাস এবং সত্য উন্মোচনের সংমিশ্রণে প্রত্যেকটি বই জীবন্ত হয়ে উঠেছে। দারুন..... চালিয়ে যান 👌🏼👌🏼
amar khub i valo legechhe, ami saturday boi ta peyechhi, sedin i complete korechhi.Goa inquisition er byapare emniteo kom article, anek kichhu jante perechhi.historical perspective gulo o tule dhora hoyechhe. roechhe tambdi surla shiv mondir r katha, khub i valo.
একে পটভূ��ি আমার প্রিয় পর্যটনস্থল গোয়া , অন্যদিকে রুদ্র প্রিয়ম সিরিজের পঞ্চম উপন্যাস ----প্রকাশিত হওয়া মাত্রই কিনে ফেলেছিলাম। উপন্যাসটি পাঠের অভিজ্ঞতা অসাধারণ। রুদ্ধশ্বাসে শেষ করলাম মাত্র তিন দিনে। আরও একবার মুগ্ধ করেছে অভূতপূর্ব লেখনশৈলি।
অসাধারণ লেগেছে বইটি.. যখন বইটি পড়ছিলাম, পড়তে পড়তে কখন যে রাত দুটো পার হয়ে গেছিল বুঝতে পারিনি ... আপনার লেখার মাধ্যমে প্রতিটা ঘটনা যেনো চোখের সামনে দেখতে পেয়েছি.. মানুষের মধ্যে যে আরও কত অন্ধকার দিক লুকিয়ে আছে কে জানে.. এই অন্ধকার দিকগুলো নিয়ে আপনি আরও লিখতে থাকুন, তাহলে আমরা আরো জানতে পারব..
বইটা পড়ে দারুন লেগেছে। ভারতীয়দের সঙ্গে দীর্ঘদিন আগে ঘটে যাওয়া এক ঘৃণ্য অপরাধ এর সম্পর্কে আমরা খুব সামান্যই জানতাম, এই বই পড়ে এটাই বুঝতে পারলাম আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ধর্ম কিভাবে নষ্ট করা হয়েছে।
লেখিকার অন্যান্য বই এর তুলনায় খুবই কম সাহিত্য রসাস্বাদন করতে পেরেছি। অতিরিক্ত তথ্য উপন্যাস এর জায়গায় প্রবন্ধ পড়ার অনুভূতি দিচ্ছিল। তবে উপন্যাস এর টপিক ইউনিক ছিলো।
বইটি খুব ভালো লেগেছে। ধর্মীয় সংকীর্ণতা কিভাবে মানুষের জীবন শেষ করে দিতে পারে খুব পরিষ্কার ভাবে জানতে পেরেছি। Thriller হিসেবে অনবদ্য। সম্পর্কের রূপরেখা খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন।