Mashiul Alam was born in northern Bangladesh in 1966. He graduated in journalism from the Peoples’ Friendship University of Russia in Moscow in 1993. He works at Prothom Alo, the leading Bengali daily in Bangladesh. He is the author of a dozen books including Second Night with Tanushree (a novel), Ghora Masud (a novella), Mangsher Karbar (The Meat Market, short stories), and Pakistan (short stories).
মশিউল আলমের লেখার সঙ্গে আমরা যারা পরিচিত, ‘নাবিলাচরিত’ উপন্যাসে সেই চেনা গদ্যশৈলীটা অনুপস্থিত বলেই মনে হয়। তবে একটু খেয়াল করলে কিছু আঞ্চলিক সংলাপে পরিচিত মশিউল আলমের ছাপ ধরা পড়ে।
‘নাবিলাচরিত’ আসলে কোন ধরনের উপন্যাস—এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। এটা কি নারীবাদী উপন্যাস? উত্তর—না। তাহলে কি পুরুষবাদী বা মেল-ইগোস্টিক কোনো আখ্যান? তাও না। ভালোবাসার উপন্যাস? না। স্বপ্নভ্রমণ আর বাস্তবতার মিশেলে গড়া কোনো রোমান্টিক আখ্যান? সেটাও নয়। বরং বলা যায়, উপন্যাসটি এসব কিছুরই এক ধরনের মিশ্রণ।
এই উপন্যাসের একটি বিশেষ দিক হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বিষয়টি। দু’জন মানুষের এক ছাদের নিচে একসঙ্গে থাকার জন্য এই গুণটাই হয়তো সবচেয়ে জরুরি—এমনকি ভালোবাসার চেয়েও বেশি।
মশিউল আলমের অন্যান্য লেখার তুলনায় ‘নাবিলাচরিত’ হয়তো প্রথম দৃষ্টিতে অতি নগণ্য মনে হতে পারে, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। এই বই সব ধরনের পাঠকের জন্য নয়; বরং আমার মনে হয়, এটি অপেক্ষাকৃত পরিণত পাঠকের জন্য লেখা। রচনাকাল ১৯৯৯–২০০১—সেই হিসেবে উপন্যাসটি সময়ের তুলনায় কিছুটা এগিয়ে ছিল বলেই মনে হয়।
‘নাবিলাচরিত’ কেবল মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে রচিত কোনো আখ্যান নয়; বরং এতে চিন্তার খোরাক আছে—এবং তা অল্প নয়, বেশ ভালো পরিমাণেই।