প্রকৃতিতে ছড়িয়ে আছে নানা গল্প। বিজ্ঞানীরা যত পড়ছেন তত অবাক হচ্ছেন। উদ্ভিদেরও কি স্মৃতিশক্তি আছে? একদল প্রাণী কি কেবল তাদের গায়ের উত্তাপ দিয়ে কোনও শত্রুকে মেরে ফেলতে পারে? বয়স কি উলটো পথে চলতে পারে কখনও? কোটি বছর ধরে শত্রুতা করতে করতে কেমন করে পরস্পর অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে জড়িয়ে গেছে গাছ আর তার গায়ে কামড় বসানো পতঙ্গরা? প্রকৃতির গল্প বলার থেকেও এই লেখাগুলোর বেশিরভাগেরই উদ্দেশ্য আসলে সেই অবাক হওয়া বিজ্ঞানীদের রোমাঞ্চকর অনুসন্ধানের আভাস দেওয়া।
যুধাজিৎ দাশগুপ্তর জন্ম ১৯৬২। মিনতি ও জ্যোতিষচন্দ্রের কনিষ্ঠ সন্তান। শিক্ষা যথাক্রমে মূলাজোড় সীতানাথ পাঠশালা, শ্যামনগর কান্তিচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, মহাদেবানন্দ মহাবিদ্যালয় ও সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। বিজ্ঞানের স্নাতক। ১৯৮৫ সাল থেকে দেশ পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগের কর্মী। বিজ্ঞান ও নানা বিষয়ে লেখা তাঁর নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।আনন্দবাজার পত্রিকা, দ্য টেলিগ্রাফ, দেশ, আনন্দমেলা, কিশোর জ্ঞানবিজ্ঞান, যারা পরিযায়ী সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। প্রকৃতি পর্যবেক্ষণে আগ্রহী। ভ্রমণে উৎসাহী। প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ শিবিরে ছোটদের সঙ্গে বনেপ্রান্তরে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম প্রিয় বিনোদন। প্রকৃতির নানা রূপ ক্যামেরা বন্দি করে স্লাইডের মাধ্যমে ছোটদের দেখাতে ভালবাসেন।