What do you think?


ফোর ইসটু ওয়ান
বৃত্তবন্দী মানুষের গল্প ‘ফোর ইসটু ওয়ান’। ১২টি গল্প আছে বইয়ে। গল্পগুলো পাঠকের চেনা। কিন্তু আলভী আহমেদ চরিত্রগুলোর ভেতর থেকে তাদের অনুভূতিগুলো যে-প্রক্রিয়ায় বের করে আনেন সেটি নতুন। চেনা গল্পের এই নতুন ভঙ্গিই আপনাকে টেনে নিয়ে যাবে শেষ পর্যন্ত।
- GenresShort Stories
112 pages, Hardcover
First published January 1, 2023
About the author
Alvi Ahmed
15 books112 followers𝘼𝙡𝙫𝙞 𝘼𝙝𝙢𝙚𝙙 was born in 1980 in Bangladesh. He completed his study in electrical engineering.
He is an award-winning visual content maker for television and film media, a creative fiction writer. He also translates books from world literature.
𝐏𝐮𝐛𝐥𝐢𝐜𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐈𝐧 𝐄𝐧𝐠𝐥𝐢𝐬𝐡
𝑫𝒉𝒂𝒌𝒂 𝑫𝒓𝒆𝒂𝒎𝒔
A Collection Of Short Love Stories
𝐏𝐮𝐛𝐥𝐢𝐜𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬 𝐢𝐧 𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚:
1) Novel: 𝑱𝒊𝒃𝒐𝒏 𝑶𝒑𝒆𝒓𝒂 (জীবন অপেরা)
2) Short story collection: 𝑩𝒍𝒊𝒏𝒅 𝑺𝒑𝒐𝒕 (ব্লাইন্ড স্পট)
𝐇𝐢𝐬 𝐓𝐫𝐚𝐧𝐬𝐥𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐖𝐨𝐫𝐤: (In Bangla)
1) Norwegian wood (নরওয়েজিয়ান উড); (Writer Haruki Murakami)
2) Hear the Wind Sing (হিয়ার দ্য উইন্ড সিং) ( Writer Haruki Murakami)
3) Pinball, 1973 (পিনবল, ১৯৭৩) (Writer Haruki Murakami)
4) কনফেশনস অব আ শিনাগাওয়া মাংকি (হারুকি মুরাকামির গল্প সংকলন)
5) হারুকি মুরাকামি: সাক্ষাৎকার, বক্তৃতা ও স্মৃতিকথা
He is an award-winning visual content maker for television and film media, a creative fiction writer. He also translates books from world literature.
𝐏𝐮𝐛𝐥𝐢𝐜𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐈𝐧 𝐄𝐧𝐠𝐥𝐢𝐬𝐡
𝑫𝒉𝒂𝒌𝒂 𝑫𝒓𝒆𝒂𝒎𝒔
A Collection Of Short Love Stories
𝐏𝐮𝐛𝐥𝐢𝐜𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬 𝐢𝐧 𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚:
1) Novel: 𝑱𝒊𝒃𝒐𝒏 𝑶𝒑𝒆𝒓𝒂 (জীবন অপেরা)
2) Short story collection: 𝑩𝒍𝒊𝒏𝒅 𝑺𝒑𝒐𝒕 (ব্লাইন্ড স্পট)
𝐇𝐢𝐬 𝐓𝐫𝐚𝐧𝐬𝐥𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐖𝐨𝐫𝐤: (In Bangla)
1) Norwegian wood (নরওয়েজিয়ান উড); (Writer Haruki Murakami)
2) Hear the Wind Sing (হিয়ার দ্য উইন্ড সিং) ( Writer Haruki Murakami)
3) Pinball, 1973 (পিনবল, ১৯৭৩) (Writer Haruki Murakami)
4) কনফেশনস অব আ শিনাগাওয়া মাংকি (হারুকি মুরাকামির গল্প সংকলন)
5) হারুকি মুরাকামি: সাক্ষাৎকার, বক্তৃতা ও স্মৃতিকথা
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 41 reviews
February 16, 2023
৩.৫/৫
এই বই সম্বন্ধে আমার প্রথম অভিব্যক্তি ছিলো নেতিবাচক। কারণ? ইংরেজি নামের প্রতি লেখকের অত্যাধিক দুর্বলতা।পড়া শেষ করে অবশ্য সবমিলিয়ে ভালোলাগার পরিমাণটাই বেশি।গল্পগুলো কি প্রেমের? গল্পগুলোয় প্রেম আছে এটা সত্যি। তবে প্রেমের গল্প বলতে যা বোঝায় গল্পগুলো ঠিক যেন তা নয়। অবশ্য এখন "জীবনমরণ প্রেম" এরও সময় নয়। তাই গল্পে ছাপ পড়েছে সমকালের।
আলভী আহমেদের গদ্য স্বাদু ও মজলিশি। মনে হবে, সামনে বসিয়ে কেউ মজা করে গল্প বলে যাচ্ছে।
আপাত দৃষ্টিতে গল্পের বহিরাঙ্গ হালকা বা চপল।একটানা পড়ে ফেলা যায়।গল্পের চরিত্রদের বিচিত্র ও অভিনব জগতে বিচরণ করতে করতে মন ভালো হয়ে যাওয়ার বা উদাস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।লেখকের ভাষা কখনো কৌতুক ও হাস্যরসে ভরপুর, আবার কখনো কখনো তার গদ্য হয়ে উঠেছে কবিতা।
গল্পগুচ্ছের নব্বই ভাগ ঝলমলে হাসির আড়ালে লেখক খুব সাবধানে, প্রায় চোখে না পড়ার মতো করে মিশিয়ে দিয়েছেন বিষণ্ণতা। অল্প কিন্তু তীব্র। উজ্জ্বল আলোর মাঝে চোখে চিকচিক করতে থাকা সেই অশ্রুবিন্দু অনেকের চোখে না-ও পড়তে পারে।কিন্তু লুকানো সেই অশ্রুবিন্দুর জন্যেই "ফোর ইসটু ওয়ান" মনে থাকবে।
দ্য সার্কেল, আ জার্নি বাই প্যাশন, ফুলের ব্যাপারে আমার বিশেষ আগ্রহ নেই, টিশার্ট, ফোর ইসটু ওয়ান, মৃধা ভার্সাস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড গল্পগুলোর কোথাও না কোথাও আমরা আছি।এগুলো আমাদেরই গল্প।
এই বই সম্বন্ধে আমার প্রথম অভিব্যক্তি ছিলো নেতিবাচক। কারণ? ইংরেজি নামের প্রতি লেখকের অত্যাধিক দুর্বলতা।পড়া শেষ করে অবশ্য সবমিলিয়ে ভালোলাগার পরিমাণটাই বেশি।গল্পগুলো কি প্রেমের? গল্পগুলোয় প্রেম আছে এটা সত্যি। তবে প্রেমের গল্প বলতে যা বোঝায় গল্পগুলো ঠিক যেন তা নয়। অবশ্য এখন "জীবনমরণ প্রেম" এরও সময় নয়। তাই গল্পে ছাপ পড়েছে সমকালের।
আলভী আহমেদের গদ্য স্বাদু ও মজলিশি। মনে হবে, সামনে বসিয়ে কেউ মজা করে গল্প বলে যাচ্ছে।
আপাত দৃষ্টিতে গল্পের বহিরাঙ্গ হালকা বা চপল।একটানা পড়ে ফেলা যায়।গল্পের চরিত্রদের বিচিত্র ও অভিনব জগতে বিচরণ করতে করতে মন ভালো হয়ে যাওয়ার বা উদাস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।লেখকের ভাষা কখনো কৌতুক ও হাস্যরসে ভরপুর, আবার কখনো কখনো তার গদ্য হয়ে উঠেছে কবিতা।
গল্পগুচ্ছের নব্বই ভাগ ঝলমলে হাসির আড়ালে লেখক খুব সাবধানে, প্রায় চোখে না পড়ার মতো করে মিশিয়ে দিয়েছেন বিষণ্ণতা। অল্প কিন্তু তীব্র। উজ্জ্বল আলোর মাঝে চোখে চিকচিক করতে থাকা সেই অশ্রুবিন্দু অনেকের চোখে না-ও পড়তে পারে।কিন্তু লুকানো সেই অশ্রুবিন্দুর জন্যেই "ফোর ইসটু ওয়ান" মনে থাকবে।
দ্য সার্কেল, আ জার্নি বাই প্যাশন, ফুলের ব্যাপারে আমার বিশেষ আগ্রহ নেই, টিশার্ট, ফোর ইসটু ওয়ান, মৃধা ভার্সাস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড গল্পগুলোর কোথাও না কোথাও আমরা আছি।এগুলো আমাদেরই গল্প।
February 19, 2023
সাড়ে তিন তারা। লেখায় বেশ নাজুক, ভঙ্গুর একটা ব্যাপার আছে, যেটা ভালো লেগেছে। তবে কিছু গল্পের বিষয় ও লেখনী অতি-পরিচিত লাগায় সামান্য হতাশ হয়েছি। এছাড়া-
যা ভালো লেগেছে:
আধুনিক বাংলা গল্পে একদম সহজ, প্রতিদিনের ভাষায় প্রতিদিনের জীবনকে দেখা আর জীবনকে বড়ো মাপের ন্যারেটিভে ধরার চেষ্টাটা আমার বেশ ভালো লাগে। এই বইয়ের গল্পগুলোতেও তেমন একটা চেষ্টা আছে। লেখকের মতো আমিও একসময় বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কাজ করতাম, কপিরাইটার ছিলাম। সে জগতের মানুষগুলো এবং তাদের কথা বলার ধরন যথেষ্ট নিখুঁতভাবে এই বইয়ে এসেছে।
গল্পগুলোতে একাকীত্ব শব্দটা বারবার ব্যবহৃত না হলেও থিমটা অনেকবার এসেছে। ঢাকার মানুষের নির্দিষ্ট একধরনের নিঃসঙ্গতা আছে। যা আসে মূলতঃ যোগাযোগের অভাবে, নিজের এক্সপেকটেশন আর বাস্তবতার মধ্যে ফারাক না বোঝার কারণে। নিজের ভেতর বন্দী আমরা, তাই কোটি কোটি মানুষের শহরেও কাউকে আপন মনে হয় না। সেই একাকীত্ব দেখেছি ফোর ইসটু ওয়ান-এর অনেকগুলো গল্পতে।
রিভিউয়ের শুরুতে যে নাজুক ব্যাপারটা বললাম, সেটাও আছে প্রায় প্রতি গল্পে। আমি যা পারি না, এই লেখক তা পারেন। নিজের প্রায় প্রতিটা চরিত্রের প্রতি তার মায়া আছে। সেটা লেখায় বেশ সুন্দর একটা আবহ নিয়ে আসে।
যা ভালো লাগেনি
এটা ঠিক লেখকের দোষ নয়। তবে আমার ধারণা তার লেখা নিয়ে যথেষ্ট প্রশংসা শোনার সৌভাগ্য তার এখনও হয়নি। তাই নিজের লেখার বিষয়ে তার আত্মবিশ্বাস একটু নড়বড়ে। বা হয়তো পাঠককে নিয়ে তার আশা কম। তাই বেশ কিছু গল্পের ধরন বেশ পরিচিত, গতানুগতিক। যেখানে ঝুঁকি নিয়ে লেখাটাকে আরেকটু দূরে ঠেলা যেতো (যেমন মৃধার গল্পটা), সেখানে তিনি নিরাপদ রাস্তা বেছে নিয়েছেন।
ঢাকা শহরে বসবাসকারী বোহেমিয়ান চরিত্রগুলো গল্পে সবাই কেমন যেন একরকম হয়ে যায়। এখানে কবিসত্বা মানে আলসেমী, চাকরিতে ব্যর্থতা, টাকাপয়সার টানাটানি। এখানে ছন্নছাড়ারা পাপ বলতে যা করে, তা মদ-গাঁজা খাওয়া আর মেয়েদের সাথে ঢলাঢলি করার বেশি কিছু হয় না। এখানে কবিরা অস্ত্র পাচারকারী হয় না, ডিপ্লোম্যাট হয় না, এখানে শিল্পীরা শুধু ছবিতে আঁকা মানুষের কান কাটে। এগুলো বেশ বস্তাপচা স্টেরিওটাইপ মনে হয় আজকাল। হিমু না হলে কি কবি-সাহিত্যিক হওয়া সম্ভব না? হিমু তো আছেই, আমরা অন্য কিছু টাইপের বোহেমিয়ান দেখি এবার?
সব মিলিয়ে বইটা বেশ ঝরঝরে আর লেখা অত্যন্ত আধুনিক। সুযোগ পেলে লেখকের একটা অন্তত উপন্যাস পড়ার ইচ্ছা আছে।
যা ভালো লেগেছে:
আধুনিক বাংলা গল্পে একদম সহজ, প্রতিদিনের ভাষায় প্রতিদিনের জীবনকে দেখা আর জীবনকে বড়ো মাপের ন্যারেটিভে ধরার চেষ্টাটা আমার বেশ ভালো লাগে। এই বইয়ের গল্পগুলোতেও তেমন একটা চেষ্টা আছে। লেখকের মতো আমিও একসময় বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কাজ করতাম, কপিরাইটার ছিলাম। সে জগতের মানুষগুলো এবং তাদের কথা বলার ধরন যথেষ্ট নিখুঁতভাবে এই বইয়ে এসেছে।
গল্পগুলোতে একাকীত্ব শব্দটা বারবার ব্যবহৃত না হলেও থিমটা অনেকবার এসেছে। ঢাকার মানুষের নির্দিষ্ট একধরনের নিঃসঙ্গতা আছে। যা আসে মূলতঃ যোগাযোগের অভাবে, নিজের এক্সপেকটেশন আর বাস্তবতার মধ্যে ফারাক না বোঝার কারণে। নিজের ভেতর বন্দী আমরা, তাই কোটি কোটি মানুষের শহরেও কাউকে আপন মনে হয় না। সেই একাকীত্ব দেখেছি ফোর ইসটু ওয়ান-এর অনেকগুলো গল্পতে।
রিভিউয়ের শুরুতে যে নাজুক ব্যাপারটা বললাম, সেটাও আছে প্রায় প্রতি গল্পে। আমি যা পারি না, এই লেখক তা পারেন। নিজের প্রায় প্রতিটা চরিত্রের প্রতি তার মায়া আছে। সেটা লেখায় বেশ সুন্দর একটা আবহ নিয়ে আসে।
যা ভালো লাগেনি
এটা ঠিক লেখকের দোষ নয়। তবে আমার ধারণা তার লেখা নিয়ে যথেষ্ট প্রশংসা শোনার সৌভাগ্য তার এখনও হয়নি। তাই নিজের লেখার বিষয়ে তার আত্মবিশ্বাস একটু নড়বড়ে। বা হয়তো পাঠককে নিয়ে তার আশা কম। তাই বেশ কিছু গল্পের ধরন বেশ পরিচিত, গতানুগতিক। যেখানে ঝুঁকি নিয়ে লেখাটাকে আরেকটু দূরে ঠেলা যেতো (যেমন মৃধার গল্পটা), সেখানে তিনি নিরাপদ রাস্তা বেছে নিয়েছেন।
ঢাকা শহরে বসবাসকারী বোহেমিয়ান চরিত্রগুলো গল্পে সবাই কেমন যেন একরকম হয়ে যায়। এখানে কবিসত্বা মানে আলসেমী, চাকরিতে ব্যর্থতা, টাকাপয়সার টানাটানি। এখানে ছন্নছাড়ারা পাপ বলতে যা করে, তা মদ-গাঁজা খাওয়া আর মেয়েদের সাথে ঢলাঢলি করার বেশি কিছু হয় না। এখানে কবিরা অস্ত্র পাচারকারী হয় না, ডিপ্লোম্যাট হয় না, এখানে শিল্পীরা শুধু ছবিতে আঁকা মানুষের কান কাটে। এগুলো বেশ বস্তাপচা স্টেরিওটাইপ মনে হয় আজকাল। হিমু না হলে কি কবি-সাহিত্যিক হওয়া সম্ভব না? হিমু তো আছেই, আমরা অন্য কিছু টাইপের বোহেমিয়ান দেখি এবার?
সব মিলিয়ে বইটা বেশ ঝরঝরে আর লেখা অত্যন্ত আধুনিক। সুযোগ পেলে লেখকের একটা অন্তত উপন্যাস পড়ার ইচ্ছা আছে।
January 28, 2023
ছোট্টবেলায় একটাকায় চারটা লজেন্স পাওয়া যেতো। হলুদ লাল কাগজে মুরানো সেই কমলা রঙের লজেন্স কখনো কামড়ে খেতাম না। অনেকক্ষণ মুখে পুরে বসে থাকতাম।
গল্পের বা কবিতার বই আমার কাছে অনেকটা সেই কমলা রঙের লজেন্সের মতন। হুরমুর করে পড়তে নেই। একটা গল্প বা কবিতা পড়ে সেটার রেখে যাওয়া অনুভূতিকে উপভোগ করতে হয়। মনের ভেতর নাড়াচাড়া করতে হয়।
'ফোর ইসটু ওয়ান' গল্পের বই। ১২ টা গল্প নিয়ে। ছোটখাটো বই চাইলে একটানে পড়ে ফেলা যায়। তবে গল্পের বই নিজেই সময় ডিমান্ড করে। একটা গল্প পড়ি ঝিম ধরে থাকি তারপর আবার আরেকটা পড়ি... ঝিম...পড়ি...ঝিম...
আলভী ভাইয়ের গল্পের চরিত্রগুলোকে আমার কাছে বেশ নির্লিপ্ত ধরনের লাগে। অথচ ভেতরে কি অদ্ভুত রকমের ঝটফটানি থাকে। যেন কাচের বোতলে ভরা কোকাকোলা। সবটুকু প্রাণশক্তি নিয়ে বোতলে আটকে আছে।
'দ্য সার্কেল' গল্পের ছেলেটির মতন আমাদেরও মনের একটা খুঁটি দরকার হয়। এমন একজনকে লাগে দুনিয়া অন্ধকার হয়ে গেলেও যাকে মনে করে আলোর সন্ধান করা যায়। হতে পারে সে বন্ধু বা প্রেমিকা অথবা বউ, মা অথবা বাবা, বোন বা ভাই। মোটকথা যার কাছে আত্মা শান্তি পায়।
'রোদ মেখো সূর্যমুখী' বইয়ের মেয়েটিকে বিন্দাস লেগেছে যদিও সমাজ তাকে বিন্দাস থাকতে দিচ্ছে কই! এ যেন আমাদেরই গল্প।
'টি শার্ট' গল্পে যে চলে গেছে তার জন্য ছেলেটি কষ্টে মরে যাচ্ছে না তবে আজকাল সব সময় তার দেয়া টি শার্টটাই পরে থাকে। আহা! মায়া।
'মালাই চা'য়ের মেয়েটি বেঁচে আছে তাতেই ছেলেটি খুশি। যাকে ভালোবাসি তার ভালো চাই। এটাই ত ভালোবাসা নাকি?
'মৃধা ভার্সাস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড' গল্পটিকে আমার কাছে বুদ্ধিমানের গল্প মনে হয়েছে। লেখক মৃধাকে দিয়ে যা বলার তা বলিয়ে নিয়েছেন এবং তার কোন দায় কাধে না নিয়ে। সবগুলো থেকে এই গল্পটাকে একটু অন্য রকম লেগেছে। এই অন্যরকম লাগাটাও অবশ্য পজিটিভ দিকে।
'প্রাইস ট্যাগ' আশ্চর্য আমিও অনেকটা এই ছেলেটার মতন করে জিনিসের দামকে দেখি।
আলভী ভাইয়ের লেখার সাথে পরিচয় একটা ছোটগল্প দিয়ে। তার গল্পগুলো সমসাময়িক জেনারেশনকে ধরে। এই সময়ের গল্প বলে। গল্পগুলো বেশি প্যাচানো নয় তবে তাতে ভাবনার খোরাক থাকে। এমন ধারাই চলতে থাকুক...
বইয়ের প্রচ্ছদ ভালো লেগেছে। রঙিন হলেও কটকটে নয়। চোখে আরাম লাগে দেখতে। আর বইয়ের বাঁধাই দারুন। ধরতেও আরাম আরাম লাগে। কাগজের নাম জানি না তবে এই হলুদাভ কাগজটা ভালো লাগে ভীষন।
লেখনী, প্রচ্ছদ, বাঁধাই, কাগজ সব মিলিয়ে চমৎকার একটা বই হয়েছে।
গল্পের বা কবিতার বই আমার কাছে অনেকটা সেই কমলা রঙের লজেন্সের মতন। হুরমুর করে পড়তে নেই। একটা গল্প বা কবিতা পড়ে সেটার রেখে যাওয়া অনুভূতিকে উপভোগ করতে হয়। মনের ভেতর নাড়াচাড়া করতে হয়।
'ফোর ইসটু ওয়ান' গল্পের বই। ১২ টা গল্প নিয়ে। ছোটখাটো বই চাইলে একটানে পড়ে ফেলা যায়। তবে গল্পের বই নিজেই সময় ডিমান্ড করে। একটা গল্প পড়ি ঝিম ধরে থাকি তারপর আবার আরেকটা পড়ি... ঝিম...পড়ি...ঝিম...
আলভী ভাইয়ের গল্পের চরিত্রগুলোকে আমার কাছে বেশ নির্লিপ্ত ধরনের লাগে। অথচ ভেতরে কি অদ্ভুত রকমের ঝটফটানি থাকে। যেন কাচের বোতলে ভরা কোকাকোলা। সবটুকু প্রাণশক্তি নিয়ে বোতলে আটকে আছে।
'দ্য সার্কেল' গল্পের ছেলেটির মতন আমাদেরও মনের একটা খুঁটি দরকার হয়। এমন একজনকে লাগে দুনিয়া অন্ধকার হয়ে গেলেও যাকে মনে করে আলোর সন্ধান করা যায়। হতে পারে সে বন্ধু বা প্রেমিকা অথবা বউ, মা অথবা বাবা, বোন বা ভাই। মোটকথা যার কাছে আত্মা শান্তি পায়।
'রোদ মেখো সূর্যমুখী' বইয়ের মেয়েটিকে বিন্দাস লেগেছে যদিও সমাজ তাকে বিন্দাস থাকতে দিচ্ছে কই! এ যেন আমাদেরই গল্প।
'টি শার্ট' গল্পে যে চলে গেছে তার জন্য ছেলেটি কষ্টে মরে যাচ্ছে না তবে আজকাল সব সময় তার দেয়া টি শার্টটাই পরে থাকে। আহা! মায়া।
'মালাই চা'য়ের মেয়েটি বেঁচে আছে তাতেই ছেলেটি খুশি। যাকে ভালোবাসি তার ভালো চাই। এটাই ত ভালোবাসা নাকি?
'মৃধা ভার্সাস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড' গল্পটিকে আমার কাছে বুদ্ধিমানের গল্প মনে হয়েছে। লেখক মৃধাকে দিয়ে যা বলার তা বলিয়ে নিয়েছেন এবং তার কোন দায় কাধে না নিয়ে। সবগুলো থেকে এই গল্পটাকে একটু অন্য রকম লেগেছে। এই অন্যরকম লাগাটাও অবশ্য পজিটিভ দিকে।
'প্রাইস ট্যাগ' আশ্চর্য আমিও অনেকটা এই ছেলেটার মতন করে জিনিসের দামকে দেখি।
আলভী ভাইয়ের লেখার সাথে পরিচয় একটা ছোটগল্প দিয়ে। তার গল্পগুলো সমসাময়িক জেনারেশনকে ধরে। এই সময়ের গল্প বলে। গল্পগুলো বেশি প্যাচানো নয় তবে তাতে ভাবনার খোরাক থাকে। এমন ধারাই চলতে থাকুক...
বইয়ের প্রচ্ছদ ভালো লেগেছে। রঙিন হলেও কটকটে নয়। চোখে আরাম লাগে দেখতে। আর বইয়ের বাঁধাই দারুন। ধরতেও আরাম আরাম লাগে। কাগজের নাম জানি না তবে এই হলুদাভ কাগজটা ভালো লাগে ভীষন।
লেখনী, প্রচ্ছদ, বাঁধাই, কাগজ সব মিলিয়ে চমৎকার একটা বই হয়েছে।
February 27, 2023
আলভি আহমেদের সাথে পরিচয় ঘটে মুরাকামির বইগুলোর করা অনুবাদের মাধ্যমে। এবার পরিচয় ঘটলো লেখক এবং গল্পকার আলভি আহমেদের সাথে।
'ফোর ইসটু ওয়ান' গল্পগ্রন্থে মলাট বদ্ধ হয়েছে বারোটি গল্প। তার লেখা গল্পে যে জিনিসটা প্রথমে চোখে পড়ে তা হলো খুব সহজ এবং সাবলীল গদ্য। কোনো জটিল মারপ্যাঁচ নেই, সুখপাঠ্য। আর লেখকের লেখা পড়ার সময়ে আরেকটা অনুভূতি ঠোকর দিতে থাকে। পড়তে পড়তে মনে হবে এসব গল্প আমার আপনার চারপাশের গল্প। চারপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী অথবা আপনার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলীর অকপট বিবৃতি। সত্যি বলতে প্রথম গল্প 'দ্য সার্কেল' পড়ে মাত্রই এমন মনে হয়েছে। কারণ এইরকম অহরহ সুন্দর এবং বিষন্নতা মাখানো গল্প আমাদের চারপাশে ঘুরছে। আরেকটা কথা স্বীকার করতে হবে, তা হলো লেখক প্রতিটা গল্পের সাথে যেন বিষন্নতা মিশিয়েছেন পরিমিত ভাবে। মানুষের না পারার গল্প, ব্যর্থতার গল্প অথবা চাকরিচ্যুত কোন মানুষের গল্পকে নিয়ে এসেছেন চমৎকার ভাবে।
তবে কিছু কিছু জায়গায় মনে হয়েছে কিছু একটা মিস করে যাচ্ছি। গল্পগুলো সাবলীল এবং প্রাঞ্জল হলেও একটা শূন্যতা মাঝে মাঝে পাতা মোচড়ে বের হয়ে আসে। আর একই নাম দুই-তিনটা গল্পে ব্যবহার এবং কিছু সুক্ষ্ম বিষয়ের পুনরুক্তিও দেখা যায়।
তবুও দ্য সার্কেল, রোদ মেখো সূর্যমুখী ফুল, আ জার্নি বাই প্যাশন, ফোর ইসটু ওয়ান, 'মৃধা' ভার্সাস 'রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড', অন্ধকারের গান, সুখপাখির খোঁজে এর মতো গল্পগুলোর রেশ রয়ে যায় অনেকক্ষণ। বিশেষ ভাবে বললে 'সুখপাখির খোঁজে' গল্পটার কথা বলতে হয়। এই গল্পটি পুরো গল্পগ্রন্থের অন্যান্য গল্পগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী। গল্পের মেটাফোর আপনাকে নীরবে বলে যায় অনেক কথা। সেইরকমই, 'মৃধা' ভার্সাস 'রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড' গল্পটিও অন্যধর্মী এবং পছন্দের।
৩.৫/৫
'ফোর ইসটু ওয়ান' গল্পগ্রন্থে মলাট বদ্ধ হয়েছে বারোটি গল্প। তার লেখা গল্পে যে জিনিসটা প্রথমে চোখে পড়ে তা হলো খুব সহজ এবং সাবলীল গদ্য। কোনো জটিল মারপ্যাঁচ নেই, সুখপাঠ্য। আর লেখকের লেখা পড়ার সময়ে আরেকটা অনুভূতি ঠোকর দিতে থাকে। পড়তে পড়তে মনে হবে এসব গল্প আমার আপনার চারপাশের গল্প। চারপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী অথবা আপনার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলীর অকপট বিবৃতি। সত্যি বলতে প্রথম গল্প 'দ্য সার্কেল' পড়ে মাত্রই এমন মনে হয়েছে। কারণ এইরকম অহরহ সুন্দর এবং বিষন্নতা মাখানো গল্প আমাদের চারপাশে ঘুরছে। আরেকটা কথা স্বীকার করতে হবে, তা হলো লেখক প্রতিটা গল্পের সাথে যেন বিষন্নতা মিশিয়েছেন পরিমিত ভাবে। মানুষের না পারার গল্প, ব্যর্থতার গল্প অথবা চাকরিচ্যুত কোন মানুষের গল্পকে নিয়ে এসেছেন চমৎকার ভাবে।
তবে কিছু কিছু জায়গায় মনে হয়েছে কিছু একটা মিস করে যাচ্ছি। গল্পগুলো সাবলীল এবং প্রাঞ্জল হলেও একটা শূন্যতা মাঝে মাঝে পাতা মোচড়ে বের হয়ে আসে। আর একই নাম দুই-তিনটা গল্পে ব্যবহার এবং কিছু সুক্ষ্ম বিষয়ের পুনরুক্তিও দেখা যায়।
তবুও দ্য সার্কেল, রোদ মেখো সূর্যমুখী ফুল, আ জার্নি বাই প্যাশন, ফোর ইসটু ওয়ান, 'মৃধা' ভার্সাস 'রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড', অন্ধকারের গান, সুখপাখির খোঁজে এর মতো গল্পগুলোর রেশ রয়ে যায় অনেকক্ষণ। বিশেষ ভাবে বললে 'সুখপাখির খোঁজে' গল্পটার কথা বলতে হয়। এই গল্পটি পুরো গল্পগ্রন্থের অন্যান্য গল্পগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী। গল্পের মেটাফোর আপনাকে নীরবে বলে যায় অনেক কথা। সেইরকমই, 'মৃধা' ভার্সাস 'রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড' গল্পটিও অন্যধর্মী এবং পছন্দের।
৩.৫/৫
July 4, 2023
আলভী আহমেদের কোনো কাজ বা অনুবাদ আগে পড়া হয়নি। রাজশাহী বাতিঘরে ফোর ইসটু ওয়ান নাড়াচাড়া করতে গিয়ে প্রথম কয়েক লাইন পড়ে ভালো লাগায় কিনে ফেললাম। ওখান থেকে কেনা প্রথম বই এটাই।
যাইহোক, ফোর ইসটু ওয়ান বেশ কিছু গল্পের সংকলন। বইয়ের শুরুতেই লেখক বলে দিয়েছেন উনি গল্প বলেন না,নিজের অনুভূতিগুলো শেয়ার করেন। পড়তে গিয়ে তার কথার সত্যতা মিলেছে। ট্র্যাডিশনাল ছোট গল্পের মত গৎবাঁধা নয় গল্পগুলো। গল্পগুলোর থিম অনেকটা একাকীত্ব, ব্যাচেলর জীবন, কিছুক্ষেত্রে প্রেম-বিরহ। দুয়েকটা গল্পে পরাবাস্তব ভাবটাও লক্ষ করা গিয়েছে। তবে সেটা জোর করে ঢোকানো নয়। তেমন কোনো এক্সপেরিমেন্টের সাহস দেখাননি লেখক। বলতে গেলে সাবলীলভাবে লিনিয়ার গল্পই বলে গিয়েছেন। গদ্য সাবলীল, একটানা পড়ে আরাম পাওয়া যায়। তবে একটা কথা না বলে পারছি না, গল্পগুলোয় মুরাকামির ছাপ কিছুটা লেখকের অবচতনেই চলে এসেছে হয়তো। তবে ব্যাপারটা মন্দ লাগেনি।
যাইহোক, ফোর ইসটু ওয়ান বেশ কিছু গল্পের সংকলন। বইয়ের শুরুতেই লেখক বলে দিয়েছেন উনি গল্প বলেন না,নিজের অনুভূতিগুলো শেয়ার করেন। পড়তে গিয়ে তার কথার সত্যতা মিলেছে। ট্র্যাডিশনাল ছোট গল্পের মত গৎবাঁধা নয় গল্পগুলো। গল্পগুলোর থিম অনেকটা একাকীত্ব, ব্যাচেলর জীবন, কিছুক্ষেত্রে প্রেম-বিরহ। দুয়েকটা গল্পে পরাবাস্তব ভাবটাও লক্ষ করা গিয়েছে। তবে সেটা জোর করে ঢোকানো নয়। তেমন কোনো এক্সপেরিমেন্টের সাহস দেখাননি লেখক। বলতে গেলে সাবলীলভাবে লিনিয়ার গল্পই বলে গিয়েছেন। গদ্য সাবলীল, একটানা পড়ে আরাম পাওয়া যায়। তবে একটা কথা না বলে পারছি না, গল্পগুলোয় মুরাকামির ছাপ কিছুটা লেখকের অবচতনেই চলে এসেছে হয়তো। তবে ব্যাপারটা মন্দ লাগেনি।
October 14, 2023
নির্লিপ্ত ১. /বিশেষণ পদ/ সংস্রবশূন্য, উদাসীন, অনুসক্ত
পুরো বইজুড়ে এক ধরণের শীতল নির্লিপ্ততার আভাস আমরা খুঁজে পাই। আপাত সাধারণ চরিত্রগুলোর গভীরে গেলে বোঝা যায় লেখক বেশ কসরত করে তাদের সাধারণ রূপ দিয়েছেন। চরিত্রদের প্রতি তার মায়া কিন্তু ভীষণ। পাঠকদের প্রায়শই মনে হবে, লেখক বুঝি তাদের নিয়েই লিখেছেন। কিছু গল্পে মিলবে সেই 'শেষ হইয়াও হইল না শেষ' এর রেশ। ১২ টা গল্প, আমার কাছে ১২ টাই ভালো লেগেছে। আলভি আহমেদের পড়া আমার প্রথম বই এটাই।
পুরো বইয়ে আরেকটা কমন থিম হচ্ছে একাকীত্ব। এই একাকীত্ব আবার নানা ধরণের। কখনো প্রচণ্ড ভিড়ে, কখনো চার দেয়ালের মাঝে, কখনো শপিং মলে বা কখনো অফিসে। একমাত্র ব্যতিক্রম 'সুখপাখির খোঁজে'। গল্পটা দারুণ, কিন্তু একটু আউট অফ প্লেস মনে হয়েছে আমার কাছে। কোন গল্পেই কিন্তু সেরকম কোন মোচড় নেই, তবুও স্টোরিটেলিংয়ের জোরে তরতর করে পড়ে ফেলা যায়।
ব্যক্তিগতভাবে আমার সবচেয়ে পছন্দের 'দ্য সার্কেল' এবং 'প্রাইস ট্যাগ'। কয়েকটা গল্পের প্রধান চরিত্রের 'ভাঙবো কিন্তু মচকাবো না মনোভাব' দেখে তাদের মত হতে ইচ্ছে করে।
সর্বোপরি, দারুণ একটা সংকলন। রঙিন প্রচ্ছদটাও বেশ।
পুরো বইজুড়ে এক ধরণের শীতল নির্লিপ্ততার আভাস আমরা খুঁজে পাই। আপাত সাধারণ চরিত্রগুলোর গভীরে গেলে বোঝা যায় লেখক বেশ কসরত করে তাদের সাধারণ রূপ দিয়েছেন। চরিত্রদের প্রতি তার মায়া কিন্তু ভীষণ। পাঠকদের প্রায়শই মনে হবে, লেখক বুঝি তাদের নিয়েই লিখেছেন। কিছু গল্পে মিলবে সেই 'শেষ হইয়াও হইল না শেষ' এর রেশ। ১২ টা গল্প, আমার কাছে ১২ টাই ভালো লেগেছে। আলভি আহমেদের পড়া আমার প্রথম বই এটাই।
পুরো বইয়ে আরেকটা কমন থিম হচ্ছে একাকীত্ব। এই একাকীত্ব আবার নানা ধরণের। কখনো প্রচণ্ড ভিড়ে, কখনো চার দেয়ালের মাঝে, কখনো শপিং মলে বা কখনো অফিসে। একমাত্র ব্যতিক্রম 'সুখপাখির খোঁজে'। গল্পটা দারুণ, কিন্তু একটু আউট অফ প্লেস মনে হয়েছে আমার কাছে। কোন গল্পেই কিন্তু সেরকম কোন মোচড় নেই, তবুও স্টোরিটেলিংয়ের জোরে তরতর করে পড়ে ফেলা যায়।
ব্যক্তিগতভাবে আমার সবচেয়ে পছন্দের 'দ্য সার্কেল' এবং 'প্রাইস ট্যাগ'। কয়েকটা গল্পের প্রধান চরিত্রের 'ভাঙবো কিন্তু মচকাবো না মনোভাব' দেখে তাদের মত হতে ইচ্ছে করে।
সর্বোপরি, দারুণ একটা সংকলন। রঙিন প্রচ্ছদটাও বেশ।
February 6, 2023
হারুকি মুরাকামির বইয়ের অনুবাদ কর্মের কারণে আলভী আহমেদ পরিচিত এক নাম। তাঁর গল্প সংকলন গ্রন্থ 'ফোর ইসটু ওয়ান'।
গল্প অথবা ছোটগল্প আমার বরাবরের মতই প্রিয়। যদি লেখক ঠিকঠাক মতো লিখেন আর কি। আলভী আহমেদ ঠিকঠাক লিখেছেন কিনা কিভাবে বলি?
উল্লেখিত বই ১২ টি গল্পের সমন্বয়ে তৈরি। লেখকের মতে তিনি আমাদেরই বিভিন্ন অনুভূতিকে গল্পের ক্যামোফ্লাজে লিখেছেন। বইটি পাঠ শেষে মনে হলো খারাপ বলেন নি লেখক।
সবাই এক একজন গল্পকার। মনের কল্পনা বা আলভীর ভাষায় ইউটোপিয়াকে লেখায় সার্থক রূপান্তর ঘটানো অবশ্য একটু কঠিনই। 'ফোর ইসটু ওয়ান' এ প্রায় প্রতিটি গল্প তীব্র গতিসম্পন্ন, আমাদের অনেকেরই জীবনের কোন না কোন অংশকে স্পর্শ করে ছুটে যায়। প্রাঞ্জল ভাষায় লিখিত এ সমস্ত স্টোরিতে হয়তো পাওয়া যাবে আমাকে বা আপনাকেই।
গল্পকথনে আমার মনে হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পাঠকের সাথে ক্রমাগত যোগাযোগ রক্ষা করে চলা। আলভী আহমেদের লেখনী বেশ ইন্টারেক্টিভ। তাঁর গল্পে প্রায় প্রতিনিয়ত চলে এসেছে বিভিন্ন চরিত্রের মনোলোগ বা স্বগোক্তি। মানুষ সম্ভবত নিজের সাথেই চেতনে বা অবচেতনে সবচেয়ে বেশি কথা বলে। নিজেকে শুনায় অপূর্ব সব গল্প।
গল্প সংকলনটি পড়ার সময় অবশ্য ভিন্ন ভিন্ন কিছু স্টোরিকে একই সূত্রে গাঁথা মনে হয়েছে। গল্পের মধ্যেই ঔপন্যাসিক বা গল্পকার হওয়ার বাসনা, বিচ্ছেদ, কমিউনিকেশন প্রব্লেম এবং একটি নির্দিষ্ট নামের মেয়ের নাম ঘুরেফিরে এসেছে। তবে ঝরঝরে ভাষায় রচিত এ সকল গল্পে আলভী আহমেদ চমৎকার স্টোরিটেলিং করে গেছেন। আমার কাছে প্রায় প্রতিটি আখ্যানই ভালো লেগেছে।
এর পূর্বে আলভী আহমেদের অনুবাদে 'হারুকি মুরাকামি : সাক্ষাৎকার, বক্তৃতা ও স্মৃতিকথা' পড়া হয়েছে শুধু। যা খুব ভালো লেগেছিলো। 'ফোর ইসটু ওয়ান' এর সুন্দর গল্প যাত্রার পর তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের ব্যাপারেও আগ্রহ সৃষ্টি হলো।
ব্যক্তিভেদে মানুষ অনেকটা ভিন্ন রকমের হলেও প্রায় সবাই নিজেকে গল্প শুনিয়ে রাখে আরো উজ্জ্বলতর ভবিষ্যতের আশায়। ভালোবাসার কাঙাল মানুষের বিচিত্র কিন্তু কমন বেশ কিছু অনুভূতির দেখা পাওয়া যায় লেখকের 'ফোর ইসটু ওয়ান' এ। যেখানে পাঠকের সাথে লেখকের যোগাযোগ কিন্তু ওয়ান ইসটু ওয়ানেই হয়েছে।
বই রিভিউ
ফোর ইসটু ওয়ান
লেখক : আলভী আহমেদ
প্রথম প্রকাশ : জানুয়ারি ২০২৩
প্রকাশনা : বাতিঘর
প্রচ্ছদ : আরাফাত করিম
জনরা : গল্প সংকলন
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
গল্প অথবা ছোটগল্প আমার বরাবরের মতই প্রিয়। যদি লেখক ঠিকঠাক মতো লিখেন আর কি। আলভী আহমেদ ঠিকঠাক লিখেছেন কিনা কিভাবে বলি?
উল্লেখিত বই ১২ টি গল্পের সমন্বয়ে তৈরি। লেখকের মতে তিনি আমাদেরই বিভিন্ন অনুভূতিকে গল্পের ক্যামোফ্লাজে লিখেছেন। বইটি পাঠ শেষে মনে হলো খারাপ বলেন নি লেখক।
সবাই এক একজন গল্পকার। মনের কল্পনা বা আলভীর ভাষায় ইউটোপিয়াকে লেখায় সার্থক রূপান্তর ঘটানো অবশ্য একটু কঠিনই। 'ফোর ইসটু ওয়ান' এ প্রায় প্রতিটি গল্প তীব্র গতিসম্পন্ন, আমাদের অনেকেরই জীবনের কোন না কোন অংশকে স্পর্শ করে ছুটে যায়। প্রাঞ্জল ভাষায় লিখিত এ সমস্ত স্টোরিতে হয়তো পাওয়া যাবে আমাকে বা আপনাকেই।
গল্পকথনে আমার মনে হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পাঠকের সাথে ক্রমাগত যোগাযোগ রক্ষা করে চলা। আলভী আহমেদের লেখনী বেশ ইন্টারেক্টিভ। তাঁর গল্পে প্রায় প্রতিনিয়ত চলে এসেছে বিভিন্ন চরিত্রের মনোলোগ বা স্বগোক্তি। মানুষ সম্ভবত নিজের সাথেই চেতনে বা অবচেতনে সবচেয়ে বেশি কথা বলে। নিজেকে শুনায় অপূর্ব সব গল্প।
গল্প সংকলনটি পড়ার সময় অবশ্য ভিন্ন ভিন্ন কিছু স্টোরিকে একই সূত্রে গাঁথা মনে হয়েছে। গল্পের মধ্যেই ঔপন্যাসিক বা গল্পকার হওয়ার বাসনা, বিচ্ছেদ, কমিউনিকেশন প্রব্লেম এবং একটি নির্দিষ্ট নামের মেয়ের নাম ঘুরেফিরে এসেছে। তবে ঝরঝরে ভাষায় রচিত এ সকল গল্পে আলভী আহমেদ চমৎকার স্টোরিটেলিং করে গেছেন। আমার কাছে প্রায় প্রতিটি আখ্যানই ভালো লেগেছে।
এর পূর্বে আলভী আহমেদের অনুবাদে 'হারুকি মুরাকামি : সাক্ষাৎকার, বক্তৃতা ও স্মৃতিকথা' পড়া হয়েছে শুধু। যা খুব ভালো লেগেছিলো। 'ফোর ইসটু ওয়ান' এর সুন্দর গল্প যাত্রার পর তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের ব্যাপারেও আগ্রহ সৃষ্টি হলো।
ব্যক্তিভেদে মানুষ অনেকটা ভিন্ন রকমের হলেও প্রায় সবাই নিজেকে গল্প শুনিয়ে রাখে আরো উজ্জ্বলতর ভবিষ্যতের আশায়। ভালোবাসার কাঙাল মানুষের বিচিত্র কিন্তু কমন বেশ কিছু অনুভূতির দেখা পাওয়া যায় লেখকের 'ফোর ইসটু ওয়ান' এ। যেখানে পাঠকের সাথে লেখকের যোগাযোগ কিন্তু ওয়ান ইসটু ওয়ানেই হয়েছে।
বই রিভিউ
ফোর ইসটু ওয়ান
লেখক : আলভী আহমেদ
প্রথম প্রকাশ : জানুয়ারি ২০২৩
প্রকাশনা : বাতিঘর
প্রচ্ছদ : আরাফাত করিম
জনরা : গল্প সংকলন
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
February 28, 2023
হারুকি মুরাকামির নাম শুনেছিলাম অনেক আগে। বেশ জনপ্রিয়, এটাও জেনেছিলাম। মনে তীব্র বাসনা,আমি মুরাকামি পড়ব। কিন্তু বাঁধ সেধেছিল দুইটা জিনিস,১. আমি ইংরেজিতে ভীষণ রকম দুর্বল এবং একটানা ইংরেজি পড়ে যাওয়ার দক্ষতা আমার নেই। ২. অনুবাদ আমার পছন্দ না,আরো পরিষ্কার ভাবে বলতে গেলে, অনুবাদ পড়ার পর আমার মনে হয়,আসল বইটার টেস্ট টা বোধহয় আমি মিস করে গেছি। এসব দ্বিধা দ্বন্দ্বের কারণে আমি সহজে অনুবাদ পড়ি না। ফলে আমার স্বাদের মুরাকামি আর আমার পড়া হয়ে ওঠে না।
এরপর একদিন বাতিঘরে গিয়ে জানলাম "আলভি আহমেদ" নামের এক ভদ্রলোক, মুরাকামির দুই/তিন বই অনুবাদ করেছেন। আমি যখন মাত্র জানলাম,এই ভদ্রলোক মুরাকামি অনুবাদ করেছেন,এর অনেক আগেই আমার বন্ধু "অনিক" সব কয়টা বই শেষ করে বসে আছে। সে ভীষণ পড়ে,সব কিছু আগে ভাগে পড়ে ফেলা তাকেই মানায়। তাই আমার সুহৃদয় বন্ধুর পরামর্শে, তার থেকে বই ধার নিয়ে আমি পড়লাম,আমার স্বাদের মুরাকামি, আলভি সাহেবের অনুবাদে। প্রথম পড়েছিলাম "হিয়ার দ্য উইন্ড সিং", পড়েই ফিদা! দারুণ লেগেছে। সাথে সাথেই " পিনবল" পড়লাম,তাও মুগ্ধ করল আমাকে। এর পর থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম,ভদ্রলোক মুরাকামি অনুবাদ করলে,আমি পড়ব। এভাবে আমার পরিচয় "জীবন অপেরার" লেখকের সাথে...
এবারের বইমেলার যে বইগুলো একবার চেখে দেখার প্রবল ইচ্ছে, তার মধ্যে দুইটা ছিল আলভি আহমেদের। ১.ফোর ইসটু ওয়ান ২.লোনলি অক্টোবর।
ফোর ইসটু ওয়ান পড়ে শেষ করলাম। সব কয়টি গল্পই ভালো লেগেছে। প্রিয় গল্প "মৃধা ভার্সাস রেস্ট অফ দ্য ওয়াল্ড এবং প্রাইস ট্যাগ। লেখক একটা প্রবল ঘোরের মধ্যে নিয়ে যান, তারপর হঠাৎ হাত ছেড়ে দিয়ে নিজে হারিয়ে যান,ব্যাপারটা খুব উপভোগ করেছি।
এবার আসি,কয়েকটা জিনিস আমার একটু দৃষ্টি কটু লেগেছে, সেগুলো বলি। লেখক কেমন জানি বিষন্নতা বেশিই পছন্দ করেন, ব্যাপারটা সুন্দর। কিন্তু একটা বইয়ে সব গুলো গল্পই যখন এক বৃত্তের মধ্যে ঘুরে,তখন বিষয়টা কেমন জানি হয়ে যায়। তাই লেখক চায়লে,আমার মত আবেগী পাঠকের কথা ভেবে,কয়েকটা সুখী গল্প দিতে পারতেন। হিহি। আর বাংলা গল্পের ইংরেজি নাম টা কেমন জানি বিতিকিচ্ছিরি দেখাই,এখন দেখি প্রায় লেখক-ই এটা করেন। আমি নিতান্ত আলাভোলা লোক,সাহিত্যের অলিগলি চিনি না,তাই জন্য হয়তো " বাংলা গল্পের ইংরেজি নাম" ব্যাপারটা ঠিক মানতে পারি না। মনের মধ্যে কেমন জানি খচখচ করে।
এরপর একদিন বাতিঘরে গিয়ে জানলাম "আলভি আহমেদ" নামের এক ভদ্রলোক, মুরাকামির দুই/তিন বই অনুবাদ করেছেন। আমি যখন মাত্র জানলাম,এই ভদ্রলোক মুরাকামি অনুবাদ করেছেন,এর অনেক আগেই আমার বন্ধু "অনিক" সব কয়টা বই শেষ করে বসে আছে। সে ভীষণ পড়ে,সব কিছু আগে ভাগে পড়ে ফেলা তাকেই মানায়। তাই আমার সুহৃদয় বন্ধুর পরামর্শে, তার থেকে বই ধার নিয়ে আমি পড়লাম,আমার স্বাদের মুরাকামি, আলভি সাহেবের অনুবাদে। প্রথম পড়েছিলাম "হিয়ার দ্য উইন্ড সিং", পড়েই ফিদা! দারুণ লেগেছে। সাথে সাথেই " পিনবল" পড়লাম,তাও মুগ্ধ করল আমাকে। এর পর থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম,ভদ্রলোক মুরাকামি অনুবাদ করলে,আমি পড়ব। এভাবে আমার পরিচয় "জীবন অপেরার" লেখকের সাথে...
এবারের বইমেলার যে বইগুলো একবার চেখে দেখার প্রবল ইচ্ছে, তার মধ্যে দুইটা ছিল আলভি আহমেদের। ১.ফোর ইসটু ওয়ান ২.লোনলি অক্টোবর।
ফোর ইসটু ওয়ান পড়ে শেষ করলাম। সব কয়টি গল্পই ভালো লেগেছে। প্রিয় গল্প "মৃধা ভার্সাস রেস্ট অফ দ্য ওয়াল্ড এবং প্রাইস ট্যাগ। লেখক একটা প্রবল ঘোরের মধ্যে নিয়ে যান, তারপর হঠাৎ হাত ছেড়ে দিয়ে নিজে হারিয়ে যান,ব্যাপারটা খুব উপভোগ করেছি।
এবার আসি,কয়েকটা জিনিস আমার একটু দৃষ্টি কটু লেগেছে, সেগুলো বলি। লেখক কেমন জানি বিষন্নতা বেশিই পছন্দ করেন, ব্যাপারটা সুন্দর। কিন্তু একটা বইয়ে সব গুলো গল্পই যখন এক বৃত্তের মধ্যে ঘুরে,তখন বিষয়টা কেমন জানি হয়ে যায়। তাই লেখক চায়লে,আমার মত আবেগী পাঠকের কথা ভেবে,কয়েকটা সুখী গল্প দিতে পারতেন। হিহি। আর বাংলা গল্পের ইংরেজি নাম টা কেমন জানি বিতিকিচ্ছিরি দেখাই,এখন দেখি প্রায় লেখক-ই এটা করেন। আমি নিতান্ত আলাভোলা লোক,সাহিত্যের অলিগলি চিনি না,তাই জন্য হয়তো " বাংলা গল্পের ইংরেজি নাম" ব্যাপারটা ঠিক মানতে পারি না। মনের মধ্যে কেমন জানি খচখচ করে।
January 28, 2023
একটানে শেষ করার মতো বই। গল্পগুলো বিকালের নরম আলোর মতো...
সুন্দর। লেখক হারুকি মুরাকামি অনুবাদ করছেন প্রচুর, আমার কোথাও কোথাও মনে হয়েছে হারুকি মুরাকামির মতো শব্দ চয়ন হয়েছে বইয়ে।
সুন্দর। লেখক হারুকি মুরাকামি অনুবাদ করছেন প্রচুর, আমার কোথাও কোথাও মনে হয়েছে হারুকি মুরাকামির মতো শব্দ চয়ন হয়েছে বইয়ে।
January 27, 2023
১২ টা সুন্দর গল্প নিয়ে বইটা। এর মধ্যে বেশ কয়েকটা আগেই পড়া ছিল। আবারও পড়লাম। এত সুন্দর গল্প বারবার পড়াই যায়। "মৃধা ভার্সাস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড" আমার মতে বইয়ের শ্রেষ্ঠতম গল্প। গল্পটা গেল বছর প্রথম আলো ঈদসংখ্যায় প্রকাশিত হইছিল। এছাড়া নামগল্প "ফোর ইসটু ওয়ান", "আ জার্নি বাই প্যাশন", "প্রাইস ট্যাগ", "দ্য সার্কেল" দুর্দান্ত লেগেছে। এরকম একটা গল্প সংকলন হালকা আমেজে পড়ার জন্য বেশ।
November 1, 2024
দ্য সার্কেল, টিশার্ট,প্রাইস ট্যাগ,মালাই চা,অ্যা জার্নি বাই প্যাশন
বোহেমিয়ান জীবনে ব্যক্তিগত হাহাকারমিশ্রিত বাস্তবতার নিরিখে পরাবাস্তবের কথকতার প্রায় এক ডজন গল্পের মধ্যে উপরের শিরোনামের শব্দ গুলোই সবচেয়ে ভালো লেগেছে।
বোহেমিয়ান জীবনে ব্যক্তিগত হাহাকারমিশ্রিত বাস্তবতার নিরিখে পরাবাস্তবের কথকতার প্রায় এক ডজন গল্পের মধ্যে উপরের শিরোনামের শব্দ গুলোই সবচেয়ে ভালো লেগেছে।
January 26, 2023
মোটামুটি 🙂
May 12, 2024
নিশাত আপু বলেন, "Monologues are our most uncelebrated friends"। ব্যক্তিগতভাবে মনোলগের ভক্ত হওয়ায়, আর 1st person এর জবানিতে প্রায় সবগুলো গল্প বলায় মোটামুটি ভালো লেগেছে বইটা। হারুন ভাইয়ের উপদেশে কিনেছিলাম বন্ধু অরিত্রকে জন্মদিনে দিব বলে, কিন্তু তার আগেই একদিনে পড়ে ফেললাম। দস্তয়ভস্কি, কাফকা, মুরাকামি ইত্যাদি গুণী লেখকদের কোনকিছু না পড়ার আফসোস তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। আশা করি ভালো লাগবে। অনেকগুলো কনটেক্সট বর্তমান প্রেক্ষাপটকে সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন।
September 19, 2023
ছোট গল্প আমাকে খুব একটা টানে না, দুই চার পৃষ্ঠা পড়ার পরই টুপ করে শেষ হয়ে যায় ব্যাপারটা এই কারনে।
লেখক আলভী আহমেদ এর ১২ টি ছোট গল্প নিয়ে " ফোর ইসটু ওয়ান"।
লেখক যে সময়ে অবস্থান করেন মূলত সেই সময়টা তিনি তারা লেখায় বেঁধে রাখেন। সেই হিসাবে এই বইয়ের গল্পগুলো খুব চেনা আমাদের এই সময় কে ঘিরে, আছে চিরপরিচিত কিছু চরিত্র, যে চরিত্রে হয়তো আপনি নিজেও আছেন।
হতাশা, না পাওয়ার যে গল্প জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে তাই লেখক গল্পে রুপ দিয়েছেন।
এই সময়ের লেখকদের লেখা নিয়ে নান কথা হয়-ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে।
লেখকের লেখা প্রথম পড়লাম। শুধু ভালো লেগেছে বললে কম বলা হবে, চমৎকার কিছু গল্প দিয়েই এই " ফোর ইসটু ওয়ান"।
লেখক তাঁর অনুভূতি গুলো গল্পে প্রকাশ করবেন এটা স্বাভাবিক তবে নিজের কিছু কথা দায় এড়িয়ে চরিত্রে র মুখ থেকে প্রকাশ করেছেন এটা বেশ অন্য রকম লেগেছে।
যেটা একটু খারপ লেগেছে, বইটাতে সুন্দর কিছু গল্প ছিল তার নামে নাম হইতে পারতো, বাংলা বইয়ের ইংরেজি নাম দেখে প্রথমে আগ্রহ হারায় ফেলছিলাম।
যাইহোক, চমৎকার প্রচ্ছদের ভালো একটা গল্প সংকলন।
লেখক আলভী আহমেদ এর ১২ টি ছোট গল্প নিয়ে " ফোর ইসটু ওয়ান"।
লেখক যে সময়ে অবস্থান করেন মূলত সেই সময়টা তিনি তারা লেখায় বেঁধে রাখেন। সেই হিসাবে এই বইয়ের গল্পগুলো খুব চেনা আমাদের এই সময় কে ঘিরে, আছে চিরপরিচিত কিছু চরিত্র, যে চরিত্রে হয়তো আপনি নিজেও আছেন।
হতাশা, না পাওয়ার যে গল্প জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে তাই লেখক গল্পে রুপ দিয়েছেন।
এই সময়ের লেখকদের লেখা নিয়ে নান কথা হয়-ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে।
লেখকের লেখা প্রথম পড়লাম। শুধু ভালো লেগেছে বললে কম বলা হবে, চমৎকার কিছু গল্প দিয়েই এই " ফোর ইসটু ওয়ান"।
লেখক তাঁর অনুভূতি গুলো গল্পে প্রকাশ করবেন এটা স্বাভাবিক তবে নিজের কিছু কথা দায় এড়িয়ে চরিত্রে র মুখ থেকে প্রকাশ করেছেন এটা বেশ অন্য রকম লেগেছে।
যেটা একটু খারপ লেগেছে, বইটাতে সুন্দর কিছু গল্প ছিল তার নামে নাম হইতে পারতো, বাংলা বইয়ের ইংরেজি নাম দেখে প্রথমে আগ্রহ হারায় ফেলছিলাম।
যাইহোক, চমৎকার প্রচ্ছদের ভালো একটা গল্প সংকলন।
April 10, 2023
গল্পগুলো পড়লাম। কেমন লাগলো ঠিক যেন বুঝতে পারলাম না। কখনো ভালো কিছু পড়লে যেমন কিছু বলতে ইচ্ছে করে, তেমন কিছুও অনুভব করলাম না। মনে হলো না গল্পগুলো বা চরিত্রগুলো নিয়ে কারো সাথে আলাপ করি। কোন ধরনের বিশেষ ভাবনা, বিস্ময় কিংবা ভালো লাগার অনুভূতির জন্ম দেয়নি কোন গল্পই।
August 18, 2023
বৃত্তবন্দি মানুষের গল্প ফোর ইসটু ওয়ান।
বইটি কিনেছিলাম মূলত বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে। তবে পড়ার পরে বুঝলাম বইয়ের গল্পগুলো প্রচ্ছদকেও ছাপিয়ে গেছে। আলভী আহমেদের ফোর ইসটু ওয়ান বইতে মোট ১২ টি গল্প আছে। গল্পগুলো আমাদের সকলেরই চেনা। এখানে প্রেম আছে, বিচ্ছেদ আছে, বাস্তবতা আছে, পরাবাস্তব জগতও আছে।
তবে লেখক যেখানে সফল তা হলো এখানে প্রেম-বিচ্ছেদ থাকলেও কোনো আদিক্ষেতাপণা নেই। একটা উদাহরণ দিই:
“মালাই চা” গল্পে পূজা নামের মেয়েটি যে হারিয়ে যায়নি, সে যে অন্তত বেঁচে আছে এতেই সুমন খুশি।
এমনই তো হওয়া উচিত ভালোবাসা। Love For Imperfect Things বইতে Haemin Sunim বলেছিলেন, “Your existence is already enough.”
বইতে পরাবাস্তব নিয়ে কথা বলা হলেও এমন কিছু বলা হয়নি যা আমার আপনার মাথার ওপর দিয়ে যাবে। সুন্দর ও সহজ বাচ্য ও লেখনীতে বইটি হয়ে উঠেছে সাধারণের ভেতরই অসাধারণ।
“ব্ল্যাকহোল” গল্পের একটা লাইন আমার খুবই ভালো লেগেছে, “এখনো আমি হারাই —যা যা পেতে পারতাম সবকিছু।”
“প্রাইস ট্যাগ” গল্পের মূলভাবের সাথে আমার নিজের কিছু আত্মোপলব্দির মিল আছে। যা বইটির সাথে আমাকে আরও বেশি সংযুক্ত করেছে।
এছাড়া বইয়ের বাকি গল্পগুলোও দারুণ। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো বই এটি!
পার্সোনাল রেটিং: ৩.৬/৫
বইটি কিনেছিলাম মূলত বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে। তবে পড়ার পরে বুঝলাম বইয়ের গল্পগুলো প্রচ্ছদকেও ছাপিয়ে গেছে। আলভী আহমেদের ফোর ইসটু ওয়ান বইতে মোট ১২ টি গল্প আছে। গল্পগুলো আমাদের সকলেরই চেনা। এখানে প্রেম আছে, বিচ্ছেদ আছে, বাস্তবতা আছে, পরাবাস্তব জগতও আছে।
তবে লেখক যেখানে সফল তা হলো এখানে প্রেম-বিচ্ছেদ থাকলেও কোনো আদিক্ষেতাপণা নেই। একটা উদাহরণ দিই:
“মালাই চা” গল্পে পূজা নামের মেয়েটি যে হারিয়ে যায়নি, সে যে অন্তত বেঁচে আছে এতেই সুমন খুশি।
এমনই তো হওয়া উচিত ভালোবাসা। Love For Imperfect Things বইতে Haemin Sunim বলেছিলেন, “Your existence is already enough.”
বইতে পরাবাস্তব নিয়ে কথা বলা হলেও এমন কিছু বলা হয়নি যা আমার আপনার মাথার ওপর দিয়ে যাবে। সুন্দর ও সহজ বাচ্য ও লেখনীতে বইটি হয়ে উঠেছে সাধারণের ভেতরই অসাধারণ।
“ব্ল্যাকহোল” গল্পের একটা লাইন আমার খুবই ভালো লেগেছে, “এখনো আমি হারাই —যা যা পেতে পারতাম সবকিছু।”
“প্রাইস ট্যাগ” গল্পের মূলভাবের সাথে আমার নিজের কিছু আত্মোপলব্দির মিল আছে। যা বইটির সাথে আমাকে আরও বেশি সংযুক্ত করেছে।
এছাড়া বইয়ের বাকি গল্পগুলোও দারুণ। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো বই এটি!
পার্সোনাল রেটিং: ৩.৬/৫
April 3, 2023
চেনা গল্পের চেনা স্বাদ ভিন্ন আঙ্গিকে যেমনটা বলা হয় থাকে আজকে মেন্যুটা চেনা স্বাদও চেনা কিন্তু সির্ফ সেফের ভিন্ন পরিবেশনে নতুন আঙ্গিক তৈরি করেছে। মোট বারটি গল্প প্রতিটি গল্পের গদ্য অন্তত নরম কমল মোলায়েম। ঝরঝরে লেখা। খামছে ধরে রাখার একটা ব্যাপার আছে। প্রেম আছে বটে। গল্পগুলো প্রেমেরই তবে ঠিক যেন প্রেম নয় পুরোপুরি। মানে প্রেমপ্রেম ভাব যেমন হয় তেমনই। অনেকটা "ভালোবাসি ভালোবাসা" টাইপ। উডি এ্যালেনের সিনেমা যেমনটা দেখি!
গল্পের ভেতরে থাকা গল্পগুলোই বলে গেছেন।
ভালো লেগেছে।
গল্পের ভেতরে থাকা গল্পগুলোই বলে গেছেন।
ভালো লেগেছে।
April 3, 2025
অবশ্যই বইটা আমি কিনেছি কভার দেখেই। যেসব বই আমি প্রচ্ছদ দেখে কিনি, বেশিরভাগ বইয়ের ক্ষেত্রেই আমি কোনো আশা রাখি না কারণ দেখা যায় প্রায়ই সেসব বই অখাদ্য হয়। তবে এই বইটা ব্যতিক্রম। টোটাল ১২ টা ছোট গল্পের ঝরঝরে একটা বই। যদি গল্প গুলো কি নিয়ে তবে বলবো অনেকগুলোই প্রেমের গল্প তবে ঠিক আবার প্রেমেরও না। বেশ ভালো লাগলো বইটা পড়ে, অনেক দিন পর এমন ধরনের একটা বই পড়লাম যা এক বসায় পড়ে উঠার মতো।
আমার পছন্দের গল্প গুলো হচ্ছে :"রোদ মেখো সূর্যমুখী, টিশার্ট আর মালাই চা"
আমার পছন্দের গল্প গুলো হচ্ছে :"রোদ মেখো সূর্যমুখী, টিশার্ট আর মালাই চা"
March 8, 2023
আমাদেরই গল্প...
June 4, 2023
৪.৫/৫
বৃত্তবন্দী মানুষের গল্প।
বৃত্তবন্দী মানুষের গল্প।
December 28, 2024
আলভী আহমেদের গদ্য সুন্দর। ছোটগল্পের জন্য মানানসই। প্লটগুলোও বেশিরভাগ আকর্ষণীয়। কিন্তু ঘটনা হলো সমাপ্তিগুলো কাঁচা লাগছে আমার কাছে। বিশেষ করে মৃধা ভার্সাস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড গল্পটা গ্রেট কাজ হতে পারতো, কিন্তু মাঠে মারা গেছে শেষমেশ। এমন গল্প পড়তে তাই বেশ খারাপ লাগে।
২.৫/৫
২.৫/৫
January 31, 2026
প্রচণ্ড শীতল, নির্লিপ্ত টাইপের একটা বই। আলভী আহমেদের বই নিয়ে সম্পূর্ণরূপে সন্তুষ্ট আমি কখনোই হতে পারিনি। তবে এই বইটা আগের পড়া বইগুলোর চাইতে ভালো লেগেছে বেশি। হতে পারে কয়েকদিন সময় নিয়ে অল্প অল্প করে পড়েছি তাই। আলভী আহমেদের লেখার ধাঁচটা আমার ভালো লাগে। খুব সুন্দর একটা রিদমিক ব্যাপার আছে লেখায়। তবে, তা অতিরঞ্জিত নয়। বরং কেমন যেন পরিচিত লাগে সমস্তকিছুই। প্রতিনিয়ত আনমনে বয়ে চলা আমাদের সকলের বিষণ্নতা। ঝকঝকে তকতকে। সাবলীল। প্রচণ্ড চেনা পরিচিত মনে হয় চরিত্রগুলকে। তাদের ভাবনা, তাদের কনভারসেশন। সবকিছুই। কখনো কখনো মনে হয় আমি যেন আসলে আমাকেই পড়ছি। প্রতিটা বই শেষেই আরো ভালোভাবে উপলব্ধি হয় এ বিষয়গুলো।
সাথে এবারে, আর একটা ব্যাপার বুঝলাম, উপন্যাস লেখবার আগে খুব সম্ভবত ছোট গল্প লেখেন তিনি আর পরবর্তীতে সেটার বর্ধিত রূপ হিসেবে আসে উপন্যাস। কিংবা এও হতে পারে, একেকটা চ্যাপ্টার ইচ্ছে করেই ছোটগল্প হিসেবে রেখে দেন। যেমন, "আফরিন" এ পড়া "তিওমান" গল্পটার বর্ধিত রূপ ছিল " গোস্টরাইটার" আবার এই বইটাতেও "সুখপাখির খোঁজে " গল্পটা আসলে "লোনলি অক্টোবর " বইয়ের একটা অধ্যায়! ঠিক মনে নেই, তবে " টি শার্ট " গল্পের প্যাটার্নের সাথেও কোথাও না কোথাও লোনলি অক্টোবরের একটা মিল পাচ্ছিলাম। তাই গল্পগুলো পড়তে গিয়ে দেজা ভ্যু টাইপ অনুভূতি হচ্ছিল একটু আধটু।
পছন্দের কয়েকটা গল্প - রোদ মেখো সূর্যমুখী, দ্য সার্কেল, ব্ল্যাকহোল, ' মৃধা ' ভার্সাস ' রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড '...
সাথে এবারে, আর একটা ব্যাপার বুঝলাম, উপন্যাস লেখবার আগে খুব সম্ভবত ছোট গল্প লেখেন তিনি আর পরবর্তীতে সেটার বর্ধিত রূপ হিসেবে আসে উপন্যাস। কিংবা এও হতে পারে, একেকটা চ্যাপ্টার ইচ্ছে করেই ছোটগল্প হিসেবে রেখে দেন। যেমন, "আফরিন" এ পড়া "তিওমান" গল্পটার বর্ধিত রূপ ছিল " গোস্টরাইটার" আবার এই বইটাতেও "সুখপাখির খোঁজে " গল্পটা আসলে "লোনলি অক্টোবর " বইয়ের একটা অধ্যায়! ঠিক মনে নেই, তবে " টি শার্ট " গল্পের প্যাটার্নের সাথেও কোথাও না কোথাও লোনলি অক্টোবরের একটা মিল পাচ্ছিলাম। তাই গল্পগুলো পড়তে গিয়ে দেজা ভ্যু টাইপ অনুভূতি হচ্ছিল একটু আধটু।
পছন্দের কয়েকটা গল্প - রোদ মেখো সূর্যমুখী, দ্য সার্কেল, ব্ল্যাকহোল, ' মৃধা ' ভার্সাস ' রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড '...
March 18, 2026
ঋষিল গদ্য !
সাধুবাদ আলভী আহমেদ ।
সাধুবাদ আলভী আহমেদ ।
March 11, 2023
খানিকটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া নিয়ে শেষ করলাম 'ফোর ইসটু ওয়ান'। বইয়ের অর্ধেকটা এভারেজ লেগেছে। বাকিটা পড়ে বুঝলাম এই লেখক চাইলেই অসম্ভব রকমের ভালো কিছুও সৃষ্টি করতে পারে। প্রেম বিষয়ক ব্যাপার-স্যাপার উঠে এসেছে বেশিরভাগ গল্পে, সাথে মেলানকোলিক এম্বিয়েন্স। বেশ হালকা মেজাজের বই!
'মৃধা ভার্সেস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড' ব্যতিক্রমধর্মী গল্প, এ ধরনের গল্প এই প্রথম পড়লাম। 'সুখপাখির খোঁজে' মেটাফোরিক্যাল; স্টোরিটেলিং ছিমছাম, ছোটগল্প হিসেবে দারুণ! 'প্রাইস ট্যাগ' গল্পের ফিলোসোফি ভালোলেগেছে, অল্পকথায় সুন্দর ফিনিশিং।
'ফোর ইসটু ওয়ান', 'টি-শার্ট', 'আ জার্নি বাই প্যাশন', 'ফুলের ব্যাপারে আমার বিশেষ আগ্রহ নেই', 'দ্য সার্কেল', 'ব্লাকহোল', 'মালাই চা', 'রোদ মেখো সূর্যমুখী' কিংবা 'অন্ধকারের গান' এ গল্পগুলোর বেশিরভাগই আশেপাশের জানাশোনা ঘটনার প্রতিচ্ছবি। যা হুটহাট এদিক সেদিক মোড় নেয় কিংবা অসমাপ্ত থেকে যায়!
'মৃধা ভার্সেস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড' ব্যতিক্রমধর্মী গল্প, এ ধরনের গল্প এই প্রথম পড়লাম। 'সুখপাখির খোঁজে' মেটাফোরিক্যাল; স্টোরিটেলিং ছিমছাম, ছোটগল্প হিসেবে দারুণ! 'প্রাইস ট্যাগ' গল্পের ফিলোসোফি ভালোলেগেছে, অল্পকথায় সুন্দর ফিনিশিং।
'ফোর ইসটু ওয়ান', 'টি-শার্ট', 'আ জার্নি বাই প্যাশন', 'ফুলের ব্যাপারে আমার বিশেষ আগ্রহ নেই', 'দ্য সার্কেল', 'ব্লাকহোল', 'মালাই চা', 'রোদ মেখো সূর্যমুখী' কিংবা 'অন্ধকারের গান' এ গল্পগুলোর বেশিরভাগই আশেপাশের জানাশোনা ঘটনার প্রতিচ্ছবি। যা হুটহাট এদিক সেদিক মোড় নেয় কিংবা অসমাপ্ত থেকে যায়!
March 28, 2023
আলভী আহমেদের সঙ্গে পরিচয় কালের খেয়া ধরে। হারুকি মুরাকামিকে নিয়ে তার লেখা একটি রচনা পড়েছিলাম। সেখানে তিনি ছোটো ছোটো বাক্যে, এত সুন্দর করে বর্ণনা করেছিলেন যে তার লেখার ওপর আমার আগ্রহ হয়। তিনি একজন অভিনব অনুবাদ সাহিত্যিক। এই প্রথম তার মৌলিক লেখা পড়লাম। 'ফোর ইসটু ওয়ান' আমার বইমেলার ২য় সংগ্রহ। যাহোক বইয়ের বিষয়ে আসি।
বইটি সমকালীন বারোটি গল্পে সাজানো হয়েছে। গল্পনামগুলি সুন্দর। লেখক ভূমিকায় লেখেছেন, আমি মূলত গল্প লিখি না। অনুভূতি লিখি। অনুভূতিগুলি গল্পের ছদ্মবেশে আত্মপ্রকাশ করে।— এতটুক পড়বার পর আমিও অনুভূতি দিয়ে গল্পগুলি শুরু করি।
প্রথম গল্প 'দ্য সার্কেল' পড়বার পর লাগলো, রিডার ব্লক থেকে বেরুচ্ছি। দ্বিতীয় গল্পও তরতর করে পড়ছিলাম। কোনো বাঁধা নাই, কাঁটা নাই। লেখকের লেখনী এমনিতেই আমার ভালো লাগতো। এবার আরো বেড়ে গেল। এ বছরের যতগুলি গল্পের বই পড়বো, এটি সেসবের প্রথম দিকে থাকবে।
বইটি সমকালীন বারোটি গল্পে সাজানো হয়েছে। গল্পনামগুলি সুন্দর। লেখক ভূমিকায় লেখেছেন, আমি মূলত গল্প লিখি না। অনুভূতি লিখি। অনুভূতিগুলি গল্পের ছদ্মবেশে আত্মপ্রকাশ করে।— এতটুক পড়বার পর আমিও অনুভূতি দিয়ে গল্পগুলি শুরু করি।
প্রথম গল্প 'দ্য সার্কেল' পড়বার পর লাগলো, রিডার ব্লক থেকে বেরুচ্ছি। দ্বিতীয় গল্পও তরতর করে পড়ছিলাম। কোনো বাঁধা নাই, কাঁটা নাই। লেখকের লেখনী এমনিতেই আমার ভালো লাগতো। এবার আরো বেড়ে গেল। এ বছরের যতগুলি গল্পের বই পড়বো, এটি সেসবের প্রথম দিকে থাকবে।
March 13, 2023
লেখকের লেখার স্টাইলে ভিন্নতা আছে। পড়তে গিয়ে বেশ ভালোই লেগেছে। তবে কেন যেন শেষ হয়ে যাওয়ার পর গল্পগুলো খুব একটা আহামরি লাগে নাই, আবার খারাপ যে লাগছে তাও না। দীর্ঘদিন মনে রাখার মতো বা খুব উচ্চমার্গীয় ধরণের লেখা মনে হয় নাই আমার কাছে। প্রতিটা লেখাতেই বিষণ্ণতার ব্যাপারটা গাঢ়ভাবে উপস্থিত ছিল। অনেকগুলো প্লটে সিমিলারিটি আছে। চরিত্রের নামে রিপিটেশন ছিল চোখে পড়ার মতো।
সব মিলিয়ে, গল্পগুলো মোটামুটি। তবে লেখা ভালো! 😐
মৃধা ভার্সাস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড আর টি শার্ট গল্প দুইটা অবশ্য আমার কাছে ভালো লাগছে।
রেটিং: ৩.৫★
সব মিলিয়ে, গল্পগুলো মোটামুটি। তবে লেখা ভালো! 😐
মৃধা ভার্সাস রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড আর টি শার্ট গল্প দুইটা অবশ্য আমার কাছে ভালো লাগছে।
রেটিং: ৩.৫★
November 13, 2023
মুরাকামির অনুবাদ দিয়ে আলভী আহমেদের সাথে পরিচয়। অনুবাদের মতোই তার প্রত্যেকটি মৌলিক গল্প সাবলীল এবং সহজপাঠ্য। ফোর ইস্টু ওয়ান গল্পগ্রন্থ আমাকে অভিভূত করেছে এক অন্য মাত্রায়। ১২ টি গল্পের প্রতিটির সাথে কোন না কোন ভাবে রিলেট করতে পারার ব্যপারটা বেশ দারুণ লেগেছে।
April 18, 2023
কভার দেখে বই কেনার বাতিকটা দেখছি গেলোনা!
March 5, 2023
রং, তুলির সঠিক ব্যবহার করে স্বপ্নকে একজন শিল্পী ক্যানভাসে জীবন দেন। সেই শিল্পকে তখন দেখতে নানন্দিক রূপে। অনুধাবন করা যায়, স্বাপ্নিকের শিল্পকে। তেমনই আলভী আহমেদের নতুন ' ফোর ইসটু ওয়ান', এই বইটি।
আলভী আহমেদের 'ফোর ইসটু ওয়ান' বইটি ছোটগল্পের বই। গল্পের গল্প চরিত্র সবসময় ই স্বপ্নলোকে থাকবে। মানুষ স্বভাবতই কল্পনা করে বেশি সুখ পায়। স্বপ্ন দেখার সবারই হক আছে। আর হক ই আমার আদায় করে বাস্তবতার জীবনে আনন্দে থাকি। কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা সবসময় স্বপৃন জগতে থাকে। দুঃখ থেকে বাঁচতে, সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে কিংবা কখনো বাস্তবতার জন্যেই আমাদের স্বপ্ন দেখতে হয়, স্বপ্নজগতে বাস করা লাগে। আবার এই স্বপ্ন দেখলেই হবে না, স্বপ্ন কে আনন্দময় করে তুলতেও হবে সেইসব নিয়েই আলভী আহমেদের এই 'ফোর ইসটু ওয়ান' বইটি। লেখকের মতো করে বললে, গল্প গুলো আমাদের নিজেদের জীবনেরই। আমাদের আপন। আমাদের চেনা। আমাদের পরিচিত। এই চেনা পরিচিত গল্পেই আপনি গল্পের মধ্যে, স্বপ্নের মধ্যে ডুবে থাকবেন , কথা দিচ্ছি।
বইয়ের একটা মজার অংশ তুলে ধরার লোভ সামলাতে পারছি না। হুবহু তুলে ধরছি,
“এক কবি গতকাল রাত দুইটায় মেসেজ দিছে,কেমন আছেন?
আমি সিন করে রিপ্লাই দেই নি।
সকালে আবারও লিখেছে, কেমন আছেন, বললেন না তো।
দুইবার জানতে চাইছে।এরপরও রিপ্লাই না দিলে খারাপ দেখায়।লিখলাম,ভালো। আপনি কেমন আছেন?
সে উত্তর দিছে,কুসুম কুসুম ভালো।
মনে হইতেছিল, পায়ের চপ্পল খুইলা শালার বিচির মধ্যে একটা মারি। ডিম দুইটা ফাইটা কুসুমে মাখামাকি হয়ে যাক। আমার সাথে ‘ কুসুম কুসুম ভালো’ মারাচ্ছে।আবাল একটা "
বইটির প্রত্যেক গল্পেরই গতিময়তা দারুণ। আমার কাছে সেইসব বইকে বেশি অসাধারণ লাগে যার শব্দ শৈলী কারুকার্জের মতন সহজ ভাবে বোঝা যায় মানে হচ্ছে পরিচিত শব্দের সদ্য ব্যবহার করে কোনো গল্পকে অতি সহজ স্বাভাবিকতার সাথে আমাদের নিজেদের গল্প ফুটে ওঠে।
আমার কাছে বইটি অনবদ্য সুন্দর লেগেছে। পড়ার সময় বেশ এনজয় করে পড়েছি। ১১১ পৃষ্ঠার ঝরঝরে লেখা এই বই। এক বসায় দু'কাপ গ্রিন সহযোগে শেষ করতে পারাটা পাঠক হিসেবে আমার কাছে বেশ তৃপ্তির ও সুখকর। আলভী আহমেদের মৌলিক বই পড়ার ইচ্ছে পোষণ করলাম।
বইটি বের হয়েছে প্রিয় বাতিঘর হতে। মলাটের সারসংক্ষেপ তুলে ধরছি-
“ বেঁচে থাকতে হলে মানুষের কল্পনার দরকারহয়। ইউটোপিয়া বলাই ভালো। অসম্ভব কিছু কল্পনা আছে আমাদের। থাকতেই হয়। না হলে বেঁচে থাকা কঠিন। এখন যে জীবন কাটাচ্ছি, তার চেয়ে অনেক ভালো একটা জীবন কোথাও না কোথাও অপেক্ষা করছে—এ কথা ভাবতে আমরা ভালোবাসি। বইয়ের গল্পগুলো এই সব বৃত্তবন্দী মানুষের গল্পগুলো চেনা। কিন্তু মনোজগতের একেবারে ভেতরে ঢুকে অনুভূতিগুলো টেনে বের করে আনার প্রক্রিয়াটা নতুন, ঝকঝকে পাঠক, ফোর ইসটু ওয়ান-এর জগতে আপনাকে স্বাগত । গল্পগুলো পড়ুন, চোখ বন্ধ করুন। দেখবেন এগুলো আপনারই গল্প, কোথাও না কোথাও আপনি নিজেই এর চরিত্র । ইউটোপিয়াগুলো আপনা ভেতরেই
লুকিয়ে ছিল ।”
আলভী আহমেদের 'ফোর ইসটু ওয়ান' বইটি ছোটগল্পের বই। গল্পের গল্প চরিত্র সবসময় ই স্বপ্নলোকে থাকবে। মানুষ স্বভাবতই কল্পনা করে বেশি সুখ পায়। স্বপ্ন দেখার সবারই হক আছে। আর হক ই আমার আদায় করে বাস্তবতার জীবনে আনন্দে থাকি। কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা সবসময় স্বপৃন জগতে থাকে। দুঃখ থেকে বাঁচতে, সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে কিংবা কখনো বাস্তবতার জন্যেই আমাদের স্বপ্ন দেখতে হয়, স্বপ্নজগতে বাস করা লাগে। আবার এই স্বপ্ন দেখলেই হবে না, স্বপ্ন কে আনন্দময় করে তুলতেও হবে সেইসব নিয়েই আলভী আহমেদের এই 'ফোর ইসটু ওয়ান' বইটি। লেখকের মতো করে বললে, গল্প গুলো আমাদের নিজেদের জীবনেরই। আমাদের আপন। আমাদের চেনা। আমাদের পরিচিত। এই চেনা পরিচিত গল্পেই আপনি গল্পের মধ্যে, স্বপ্নের মধ্যে ডুবে থাকবেন , কথা দিচ্ছি।
বইয়ের একটা মজার অংশ তুলে ধরার লোভ সামলাতে পারছি না। হুবহু তুলে ধরছি,
“এক কবি গতকাল রাত দুইটায় মেসেজ দিছে,কেমন আছেন?
আমি সিন করে রিপ্লাই দেই নি।
সকালে আবারও লিখেছে, কেমন আছেন, বললেন না তো।
দুইবার জানতে চাইছে।এরপরও রিপ্লাই না দিলে খারাপ দেখায়।লিখলাম,ভালো। আপনি কেমন আছেন?
সে উত্তর দিছে,কুসুম কুসুম ভালো।
মনে হইতেছিল, পায়ের চপ্পল খুইলা শালার বিচির মধ্যে একটা মারি। ডিম দুইটা ফাইটা কুসুমে মাখামাকি হয়ে যাক। আমার সাথে ‘ কুসুম কুসুম ভালো’ মারাচ্ছে।আবাল একটা "
বইটির প্রত্যেক গল্পেরই গতিময়তা দারুণ। আমার কাছে সেইসব বইকে বেশি অসাধারণ লাগে যার শব্দ শৈলী কারুকার্জের মতন সহজ ভাবে বোঝা যায় মানে হচ্ছে পরিচিত শব্দের সদ্য ব্যবহার করে কোনো গল্পকে অতি সহজ স্বাভাবিকতার সাথে আমাদের নিজেদের গল্প ফুটে ওঠে।
আমার কাছে বইটি অনবদ্য সুন্দর লেগেছে। পড়ার সময় বেশ এনজয় করে পড়েছি। ১১১ পৃষ্ঠার ঝরঝরে লেখা এই বই। এক বসায় দু'কাপ গ্রিন সহযোগে শেষ করতে পারাটা পাঠক হিসেবে আমার কাছে বেশ তৃপ্তির ও সুখকর। আলভী আহমেদের মৌলিক বই পড়ার ইচ্ছে পোষণ করলাম।
বইটি বের হয়েছে প্রিয় বাতিঘর হতে। মলাটের সারসংক্ষেপ তুলে ধরছি-
“ বেঁচে থাকতে হলে মানুষের কল্পনার দরকারহয়। ইউটোপিয়া বলাই ভালো। অসম্ভব কিছু কল্পনা আছে আমাদের। থাকতেই হয়। না হলে বেঁচে থাকা কঠিন। এখন যে জীবন কাটাচ্ছি, তার চেয়ে অনেক ভালো একটা জীবন কোথাও না কোথাও অপেক্ষা করছে—এ কথা ভাবতে আমরা ভালোবাসি। বইয়ের গল্পগুলো এই সব বৃত্তবন্দী মানুষের গল্পগুলো চেনা। কিন্তু মনোজগতের একেবারে ভেতরে ঢুকে অনুভূতিগুলো টেনে বের করে আনার প্রক্রিয়াটা নতুন, ঝকঝকে পাঠক, ফোর ইসটু ওয়ান-এর জগতে আপনাকে স্বাগত । গল্পগুলো পড়ুন, চোখ বন্ধ করুন। দেখবেন এগুলো আপনারই গল্প, কোথাও না কোথাও আপনি নিজেই এর চরিত্র । ইউটোপিয়াগুলো আপনা ভেতরেই
লুকিয়ে ছিল ।”
Displaying 1 - 30 of 41 reviews






























