Jump to ratings and reviews
Rate this book

পৃ

Rate this book
পৃথিবীগামী বিশাল এক মহাকাশযানের শীতনিদ্রায় থাকা মানুষদেরকে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই জাগিয়ে তোলা হচ্ছে। জেগে ওঠা মানুষদের একজন কিহা, তার বুদ্ধিমত্তা নিনীষ স্কেলে আট। কিহা আবিষ্কার করলো তার মহাকাশযানের সহযাত্রীরা প্রাচীন পৃথিবীর অধিবাসীদের মত সমস্ত মানবিকতা বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতা আর জবরদখলের লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে। কিন্তু সুনিয়ন্ত্রিত মহাকাশযানে কে তৈরি করেছে এই কৃত্রিম সংকট?

80 pages, Hardcover

Published February 1, 1997

3 people are currently reading
160 people want to read

About the author

Muhammed Zafar Iqbal

402 books1,608 followers
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (Bengali)

Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.

Birth and Family Background:
Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.

Education:
Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.

Personal Life:
Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.

Academic Career:
After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.

Literary career:
Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.

Other Activities and Awards:
Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
233 (21%)
4 stars
386 (35%)
3 stars
354 (32%)
2 stars
85 (7%)
1 star
24 (2%)
Displaying 1 - 17 of 17 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,114 reviews1,093 followers
December 28, 2020
মানুষ সামাজিক জীব, কিন্তু হলে কী হবে? তার ইতিহাস জুড়ে রয়েছে অসংখ্য যুদ্ধের তরতাজা স্মৃতি। সেই প্রাচীনকাল থেকেই মানুষে মানুষে, গোত্রে গোত্রে যুদ্ধ চলে আসছে। কিন্তু এই যুদ্ধের কারণ গুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় অনেকটা যেন ঠুনকো কারণেই যুদ্ধ বেধে গেছে। একটু গণতান্ত্রিকভাবে উভয় পক্ষ মিলেই আলোচনা করলে যেখানে যুদ্ধের সম্ভাবনা এড়ানো যেত, সেখানে কে শ্রেষ্ঠ নিরুপণ করার জন্য মানুষ যেন নিজে থেকেই যুদ্ধকে টেনে নিয়ে আনে। অনেকটা এই সব বিষয়গুলোকে বিশ্লেষণ করেই সমাজের উচু স্তরের শাসকরা নীচু স্তরের মানুষ কে নিয়ে খেলতে থাকে। বাধিয়ে রাখে যুদ্ধাবস্থা। কারণ উলুখাগড়ার প্রাণ গেলেই রাজারই বা কী? সায়েন্স ফিকশন নির্ভর এই উপন্যাসে যেন মানব সভ্যতার সেই চিরন্তন সত্যই ফুটে উঠেছে।

এ কাহিনী আবর্তিত হয়েছে একটি মহাকাশযানকে কেন্দ্র করে। পৃথিবীর মানুষ গ্রহ থেকে গ্রহে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ধরনের একটি গ্রহ থেকে অসংখ্য মানুষ তাদের আদিগ্রহ পৃথিবীতে একটি মহাকাশযান করে ফিরে আসছিলেন। সে মহাকাশযানের ডিজাইন করেছে আধা মানব আধা রোবোটিক এক সত্তা, নাম তার গ্রাউল। যার ঘুম নেই, নিদ্রা নেই। সেও মহাকাশযানটির মাধ্যমে পৃথিবীতে ফিরে আসছিল। কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক ভাবে সকল কাজ সুনির্দিষ্টভাবে চলতে থাকায় সে নি:সঙ্গ অনুভব করে। সে নি:সঙ্গতাকে দূরকরণের জন্যই সে গোটা মহাকাশযানের মধ্যেই তৈরী করে এক যুদ্ধাবস্থা। পৃথিবীর মানুষ পৃথিবীতে যাওয়ার আগেই অতিকায় মহাকাশযানে হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে পড়ে। এই চরম যুদ্ধাবস্থাকে পাল্টে দিতে এগিয়ে আসে কিহা নামক এক যুবক। কিন্তু এজন্য তাকে মুখামুখি হতে হয় প্রখর বুদ্ধিমান আধা জৈবিক আধা যান্ত্রিক মানব গ্রাউলের সাথে।

কিহা কি পারবে অসম্ভব বুদ্ধিমান সেই সত্তাকে বুদ্ধির খেলায় পরাজিত করতে??? নাকি কৃত্তিমভাবে তৈরী এক বুদ্ধিমান সত্তার কাছে পরাজিত হবে শত বছরের বিবর্তনের ফসল, মানবসভ্যতার? এটা জানতে হলে আপনাকে পড়তে হবে এই উপন্যাসটি। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ কিহার নায়িকা লেন পুরো উপন্যাসে সহযোগী হিসেবে থাকলেও শেষ মুহুর্তে এসে তার মানবিক দিকটাই হয়ে উঠে মুখ্য।যা উপন্যাসটিকে করে তুলেছে আরো সুন্দর আরো অর্থবহ।
Profile Image for Sazedul Waheed Nitol.
87 reviews33 followers
June 16, 2013
মানুষের সভ্যতার ইতিহাসের প্রায় পুরো অংশটাই যুদ্ধ,সংঘাত এবং হানাহানিতে পূর্ণ। বুদ্ধিমান প্রজাতি হিসেবে এমন আচরণ মানুষকে মানায় কিনা তা নিয়ে দার্শনিকদের মধ্যে বিতর্ক আছে প্রচুর। ‘সারভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট’- তত্ত্বকে সঠিক প্রমাণ করতেই যেন মনুষ্য প্রজাতি ব্যতিব্যস্ত। হয়ত বুদ্ধিমান প্রাণীর অস্তিত্বের গভীরেই আছে আত্ম-ধ্বংসী প্রবণতা। আমরা কেন আজও পৃথিবীতে অন্য গ্রহের বুদ্ধিমান প্রাণীর দেখা পাইনি- তা নিয়ে বিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মির কিছু মন্তব্য “ফার্মির বিভ্রান্তি’’ নামে বিখ্যাত হয়ে আছে। এ বিভ্রান্তির সমাধান হিসেবে অনেক বিজ্ঞানী বুদ্ধিমান প্রাণীর আত্ম-ধ্বংসী প্রবণতাকেই মেনে নিয়েছেন। মুহম্মদ জাফর ইকবালের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ‘পৃ’ পড়তে পড়তে এসব কথাই মাথায় ঘুরছিল।


“পৃ” উপন্যাসের প্লট একটি মহাকাশযানকে ঘিরে-যা কোনো এক সুদূর গ্রহ থেকে মহাকাশ পাড়ি দিয়ে ভ্রমণ করছে বহুদিন আগে মানুষের ছেড়ে আসা আদি-গ্রহ পৃথিবীর উদ্দেশে, পৃথিবীতে বাস করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু সঠিক সময় আসার আগেই মহাকাশযানের মানুষকে জাগিয়ে তোলা শুরু হয়। কারণ হিসেবে সবাইকে বলা হয় যে, পৃথিবীতে মানুষ একে-অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে যা তারা যে উন্নত সমাজ থেকে এসেছে তা থেকে পুরোপুরি ভিন্ন। তাই মহাকাশযানের মানুষকে এমন সমাজে যোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য জাগিয়ে তোলা হয়েছে এবং মহাকাশযানের নিয়ন্ত্রণ সরিয়ে নেয়া হয়েছে যাতে মানুষ নিজেরা বোঝাপড়ার মাধ্যমে নেতৃত্ব বেছে নেয় এবং মহাকাশযানকে কক্ষপথে ফিরিয়ে আনে। কিন্তু দেখা যায় মানুষ জড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধে, বিভিন্ন অঞ্চল দখল করার জন্য গড়ে তুলেছে সশস্ত্র বাহিনী। শুরু হয়েছে দাসপ্রথা। এমন একটি প্রেক্ষাপটে উপন্যাসের নায়ক কিহার আগমন ঘটে। এরপরে কী ঘটে কিহার জীবনে, মহাকাশযান এবং এর অধিবাসীদের ভাগ্যেই বা কী ঘটে তা নিয়েই এগিয়েছে গল্প।

মুহম্মদ জাফর ইকবালের এই সায়েন্স ফিকশন জাতের দিক থেকে ‘Space Opera’। তবে এতে কিছুটা ‘Post- apocalyptic’ জাতের ফিকশনের ছোঁয়াও পাওয়া যায়। মুহম্মদ জাফর ইকবাল সব জাতের সায়েন্স ফিকশনে সিদ্ধহস্ত। তিনি সাধারণত ‘সায়েন্স ফ্যান্টাসি’তে অভ্যস্ত নন, বিজ্ঞানের সূত্রগুলো তাঁর কাহিনীতে খুব কঠিনভাবে মেনে চলেন। “পৃ” উপন্যাসেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি।

উপন্যাসে সমাজবিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞানের কিছু জটিল বিষয়ও ঢুকে গেছে; যেমন- নৈতিকতা, নেতৃত্ব, স্বার্থপরতা, দাসপ্রথা। এসব বিষয় লেখক সচেতনভাবে প্রবেশ করিয়েছেন কিনা তা জানার উপায় নেই, কিন্তু এসব বিষয়ের আগমন খুব প্রাসঙ্গিক-ভাবেই ঘটেছে। নেতৃত্বের জন্য মানুষের যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা তা খুব নগ্ন-ভাবে ফুটে উঠেছে এ উপন্যাসে। উপন্যাসের নায়িকা ‘লেন’এর কিছু উক্তি শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না- “ এই যে নেতৃত্বের কথা বলছে সেটা নিয়ে আমার খুব কৌতূহল। আমার খুব জানতে ইচ্ছে যে মানুষ যদি খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয় তাহলে সত্যিই কি স্বার্থপর হয়ে যায়? নিজের সিদ্ধান্ত- সেটা ভালো হোক আর খারাপ হোক- অন্যের ওপর চাপিয়ে দেয়? অন্যেরা সেটা মুখ বুজে মেনে নেয়?”

উপন্যাসে কাহিনী বর্ণিত হয়েছে প্রথম পুরুষে, নায়কের দৃষ্টিতে। উপন্যাসের প্লট এবং এর বিস্তার লক্ষ্য করলে বোঝা যায় যে এটি একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত ছিলো লেখকের। রহস্য বজায় রাখার স্বার্থে এটি খুবই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে এই উপন্যাসের ক্ষেত্রে।

মুহম্মদ জাফর ইকবালের গল্পগুলোতে দেখা যায়- শুভ-অশুভের দ্বন্দ্বে সবসময় পরাজিত হয় অশুভ শক্তি। ব্যাপারটি নিয়ে কিছু সমালোচনা হয়েও লেখক তাঁর লেখার স্টাইল পাল্টান নি। সম্ভবত তাঁর পাঠক-শ্রেণীর (যাদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু-কিশোর) দিকে তাকিয়েই। লেখক শিশু-কিশোরদের কাছে অশুভ শক্তিকে শুভ শক্তির চেয়ে শক্তিশালী হিসেবে উপস্থাপন করতে চান নি। তিনি সর্বদা আশাবাদীর দলে থাকবেন বলেই ঘোষণা দিয়েছেন। এই আশাবাদ তিনি ছড়িয়ে দেন তাঁর লেখায়। উপন্যাস শেষ হয়েছে এভাবে- “এ শিশুরা আমাদের জন্যে নতুন পৃথিবী গড়ে তুলবে। ভালোবাসাময় আনন্দের একটা পৃথিবী”। এ প্রত্যাশা আমাদের সবারই।
Profile Image for Jonny Star.
11 reviews14 followers
February 17, 2023
জীবনের প্রথম পড়া সায়েন্স ফিকশন বই। বইটা পড়ার পরে আরও সায়েন্স ফিকশন বই পড়ার জন্য আগ্রহ কাজ করে। অনেক আগের পড়া যদিও, অনেক ভালোবাসা জড়িয়ে আছে।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 24 books1,868 followers
March 4, 2023
আপাতদৃষ্���িতে চেনাজানা কাঠামোর মধ্যে এ এক রোমাঞ্চকর এবং চিন্তা-জাগানিয়া কাহিনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তার বিবর্তন তথা উদ্বর্তন এবং মানবজীবনে তার প্রভাব নিয়ে ভাবার জন্য বেশ কয়েকটি সূত্র দেওয়া আছে এই ছোট্ট লেখায়।
ভালো লাগল।
Profile Image for Faria Faisal.
13 reviews
November 22, 2021
মানুষ যে কখনো এতটা জটিল ভাবে কোনো কিছু চিন্তা করতে পারে তা ভাবতে পারিনি। এই কারণেই ইকবাল স্যারের ফিকশন গুলা আমার সবচেয়ে প্রিয়। একটা বিশাল মহাকাশযান কে ঘিরে যে এত লোভ লালসার ফাঁদ এক্সিস্ট করতে পারে এটা পুরাই আমার চিন্তার বাইরে ছিল। বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এক দানবকে পরাজিত করে এই যন্ত্র আর মানুষের মিক্সাপ একটি বিশাল মিথ্যে জগতের সমাপ্তি ঘটিয়ে দুটি হৃদয়ের মিলনের মাধ্যমে একটা নতুন পৃ শুরু করার এই অভিনব চিন্তাধারা উপন্যাসটিকে করে তুলেছে আরো সুন্দর আরো অর্থবহ।
Profile Image for Arefin.
25 reviews35 followers
August 3, 2016
দুই তারার দুইটি কারণঃ
১। বইটি পড়তে হলিউডি বি গ্রেডেড সাই ফাই ফ্লিকের মতন। মুখস্থ প্লটলাইন, বিরক্তিকর চরিত্র, ন্যাকা ডায়লগ সবই আছে এতে। লেখকের বইগুলো PG রেটেড হয়না বলেই সম্ভবত কোন রগরগে বর্ণনা নেই।
২। বানানের তেমন কোন বালাই টালাই নেই। কিছু কিছু জায়গায় বাতিঘরকেও হার মানিয়ে দেবে মনে হয়েছে।
Profile Image for Salman Mahmud Rasel.
60 reviews29 followers
February 18, 2017
বইটি পড়তে পড়তে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম মহাকাশে।
Profile Image for Ishra Maria.
101 reviews
June 25, 2021
বইটিতে এমন সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যেখন পৃথিবী থেকে অন্য গ্রহে চলে যাওয়া মানুষরা আবার পৃথিবীতে ফেরত আসছে।কথা ছিলো ক্যাপসুল বা শীতল কক্ষে ঘুমন্ত মানুষদের মহকাশযান পৃথিবীর খুব কাছাকাছি এলে জাগানো হবে কিন্তু কোনো এক বিচিত্র কারণে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সবাইকে জাগিয়ে তুলা হয়। কারণ হিসেবে মহাকাশচারীদের বলা হয়, পৃথিবীতে মানুষ একে অন্যকে ধ্বংস করার জন্য যুদ্ধ করছে।মহাকাশচারীদের পৃথিবীতে খাপ খাওয়াতে হলে তাদের ব্যবহার আয়ত্ত করতে হবে যার জন্য তাদের জাগ্রত করা হয়েছে।শুরু হয় মহাকাশযানে বিভিন্ন স্তরে দখল নেওয়ার জন্য যুদ্ধ।গল্পের নায়ক কিহার বুদ্ধিমত্তা নিনীষ স্কেলে আট।কিহাকে প্রথমে মিয়ারার কাছে বিক্রি করা হয়।একসময় কিহা আর তার সঙ্গী লেন আট জন শিশু যাদের রাখা হয়েছিলো মহাকাশযাবের স্রষ্টা গ্রাউলের হৃদপিণ্ডের প্রয়োজনে তাদের নিয়ে মিয়ারার আস্তানা থেকে পালায় ।তখন লী নামক বৃদ্ধ তাদের সাহায্য করে শক্তি কেন্দ্রে নিজের আস্তানায় নিয়ে যায়।একপর্যায়ে কিহা আর লেনকে এই মহাকাশযানের স্রষ্টা গ্রাউলের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।গ্রাউলের চোখ ,কান,ও অন্য কোনো ইন্দ্রিয় না থাকায় সে সরাসরি সংবেদন জাতীয় যন্ত্র দিয়ে বাইরের জগতের সাথে যোগাযোগ করেন।কিহা জানতে পারে মহামান্য গ্রাউলের খেয়ালে তাদের জাগ্রত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্তরে নির্বাচিত নেতাদের মস্তিষ্ক তিনি নিজের সাথে যুক্ত করে নিয়েছেন।শেষ পর্যন্ত লেনের কথায় গ্রাউল মানুষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে।মহাকাশচারীরা আবার ফিরে যায় তাদের ক্যাপসুলে।
Profile Image for Chowdhury Arpit.
188 reviews5 followers
December 26, 2022
"আমি সাবধানে একটা নিঃশ্বাস ফেললাম। এই শিশুরা আমাদের জন্যে নতুন পৃথিবী গড়ে তুলবে। ভালোবাসাময় আনন্দের একটা পৃথিবী।
নতুন পৃ।"

পৃ - 'পৃথিবী'র ক্ষুদ্র সংস্করণ। শিশুদের মুখের আধো বুলি। পুরো নভেলাটিই শিশুময়।
সেইসাথে আছে নিষ্পাপ ভালোবাসা। কালো চোখের ঝকঝকে চেহারার মা মা ভাবের একটি মেয়ের জন্য।

আর আছে যন্ত্রের সাথে মানুষের চিরায়ত লড়াই। এবং সেই বুদ্ধির লড়াইয়ে মানুষের জয় অবশ্যম্ভাবী।

মহাকাশযানের নিষ্ঠুর নিয়ন্তা সর্বশক্তিমান গ্রাউল - তার বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছে নগন্য কটি মানুষ -নিনিষ স্কেলে আট বুদ্ধিমত্তার কিহা, আটটি নিষ্পাপ শিশু আর ধীরে ধীরে তাদের মা হয়ে ওঠা লেন নামের এক কালো চোখের তরুণী।

আপাতদৃষ্টিতে অসম লড়াই। কিন্তু সেই লড়াইটিও জিতে এসেছে কিহা ও লেন।

সম্ভবত মানুষ বলেই। অসম্ভবকে সম্ভব করা কেবল মানুষের পক্ষেই সম্ভব।
Profile Image for Md Tazri.
103 reviews8 followers
March 14, 2020
১ দেওয়ার কারন আছে।শেষ দিকে নায়ক কিহা বুদ্ধির শক্তি সরি অনুমানের শক্তি দেখেতো আমি তো অবাক🐸🐸

তার পরের কারন অনেক শক্তিশালী গ্রাউল মারার জন্য নায়িকা লেন গ্রাউলের সাথে যেভাবে সাহসের সাথে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ করেছে তার বিবরন পড়ে তো আমি...... 🐸🐸🐸
Profile Image for Ratan Parai.
58 reviews6 followers
September 5, 2020
Generic Zafar Iqbal's science fiction book. The story is too short to get deep into it and ended suddenly. As usual, no real character development.

But if I think myself as a teen reading this book, then it becomes a fantastic science fiction!
Profile Image for Shrabon Khan.
40 reviews
April 2, 2023
খুব সুন্দর একটি বই,পড়ে ভালো লাগবে।
Profile Image for Anisur Rahman.
8 reviews9 followers
January 19, 2018
জাফর ইকবাল এর সায়েন্স ফিকশন, ১০০% ভালো হবেই। তারপরো "পৃ" বইটা আমার তার লেখা অন্য বইগুলোর মত ভালো লাগেনি। হয়তোবা বইটি আমি শান্তিতে পরতে পারিনি এজন্যই এরকমটা মনে হচ্ছে।
এটা আধুনিক যুগের কাহিনি নিয়ে লেখা হয়েছে। যখন মানুষের মেধার মূল্য টাকার মতো হবে। যার কাছে যত ডাটা আছে, সেই তত ধনী। একজন মেধাবী লোকের অ্যাডভেঞ্জার এর গল্প।
তারপরও আমার যথেষ্ট ভালো লেগেছে।
Displaying 1 - 17 of 17 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.