৯-১০ এর বাংলা বইতে প্রবাস বন্ধু গল্পটি পড়েছে কিন্তু সহজ-সরল আব্দুর রহমান, মুজতবা আলীর হাস্যত্নক লেখনী এবং কাবুল বর্ণনা ভালো লাগে নাই এমন মানুষ নেহাত কম অথবা নাইইইই আমার বিশ্বাস। আমি যতবারই প্রবাস বন্ধু পড়তাম ততবারই মাথায় ঘুরতো যে মুজতবা কি শেষে গেছিলো পানশীর? আব্দুর রহমানের মতো দ্বিতীয় নরদানবটি কে? প্রবাস বন্ধু পড়ে মনে যে ভালো লাগা কাজ করতো সেটাকে পুঁজি করেই পড়া শুরু করলাম দেশে বিদেশে।
বইটি শুরুতে যথেষ্ট কমেডিক্যাল কিন্তু হাজার হোক বাস্তব জীবনের উপর রচিত এবং মানব জীবন মাত্রই ট্র্যাজেডি। ফলস্বরূপ, কাহিনী শেষের দিকে এই গলি - ওই গলি ঘুরে ঠিকই ট্র্যাজেডিতে গিয়ে ঠেকলো। এটি শেষ করার পর সবার আগে খুব খারাপ লাগলো আব্দুর রহমানের জন্য। সে কি জানে তার বেহায়া মনিব তার নামে প্রশংসার গীত গেয়ে গেছেন? জানলে হয়তো তার মনের সব দুঃখ কষ্ট নিমিষেই লাঘব হয়ে যেতো। কিন্তু পাঞ্জাবদের আতিথেয়তা, আফগানদের ভোজনরসিকতা এবং আমলাদের বলদামি, সবকিছুই বেশ উপভোগ করেছি। আমার মতে, মনের উপর দিয়ে যদি ঝড় যায় তাহলে তার ভ্রমণে যাওয়া উচিত আর যে ভ্রমণে যেতে পারতেছে না তার দেশে বিদেশে পড়া উচিত!
খুব খুব খুব ইচ্ছা করতেছে অফুরন্ত রসদ এবং বই নিয়ে দুই নরদানব আব্দুর রহমান এবং বলশফের কে নিয়ে অনেককককক দূরে কোথাও পাড়ি জমাতে। আব্দুর রহমান রান্না কষাবে, বলশফের দাবার ঘুটি সাজাবে আর আমি বই পড়বো। হয়তো সেখানে আমি খুঁজে পাবো প্রকৃত শান্তি। :3
Good book but I mainly love to read sicenceand islamic story as well as love story everyone has his own personality so in my opinion you can read this book but varies from person to person
ভ্রমণ করার বাসনা দিনকে দিন বেড়েই যাচ্ছে। কিন্তু তীব্র গরমের এই সময়ে বাহিরে বের হতেও ভয় করে।তাই নিজের রুমে আরাম কেদারায় বসে চায়ের কাপে ডুব দিয়ে সৈয়দ মুজতবা আলীর সাথে দেখা করতে গেলাম অতীতে। সেই ১৯২৭ সালের দিকে! যখন সৈয়দ মুজতবা আলী শান্তিনিকেতন থেকে পাশ দিয়ে জার্মানিতে উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের আশা বুকে নিয়ে কিছু অর্থ সঞ্চয়ের জন্য আফগানিস্তানের কাবুল শহরে গিয়েছিলেন অধ্যাপনা করতে। কিন্তু বিধিবাম! সেখানে গিয়ে পড়ে গেলেন তৎকালীন আফগানিস্তানের রাজনৈতিক বিপ্লবের মুখে। যার ফলে মাত্র দেড় বছরের মতো অধ্যাপনা জীবন শেষ করে প্রাণ নিয়ে ফিরতে হয় দেশে। এই দেড় বছরের মতো সময়ে আফগানিস্তানের ইতিহাস, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, আচার-আচরণ, পোশাক এবং খাবারের বর্ণনা তুলে এনেছেন বাংলা সাহিত্যে সহজ, সরস, মজলিসি ঢঙে রম্যরচনার অনবদ্য রূপকার সৈয়দ মুজতবা আলী।
সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশে-বিদেশে’ অর্থাৎ আফগানিস্তানের ভ্রমণকাহিনীর যাত্রা শুরু হয় কলকাতার হাওড়া স্টেশন থেকে আর শেষ হয় কলকাতা ফেরার উদ্দেশ্যে হাওয়াই জাহাজে চাপার মাধ্যমে। এই আফগানিস্তানে যাওয়া আসার সময়ের হাস্যরসাত্মক ও হৃদয়বিদারক বর্ণনা সবার ভালো লাগবে বলে আশা রাখি। তাই এবিষয়ে আর কিছু বলার নেই। তবে একটা বিষয় না বললেই নয় আফগানিস্তানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, খাবার, পোশাক, যাত্রা পথে পাঠানদের অতিথিপরায়ণতাকে ছাপিয়ে সৈয়দ মুজতবা আলীর বান্ধব (ভৃত্য) আবদুর রহমান লেখকের মতো সবার মনে জায়গা করে নিবে এটা নিশ্চিত। একজন মনিব আর ভৃত্যের মধ্যে যে মিতালী হয় তার চমৎকার চিত্ররূপ দিয়েছেন সৈয়দ মুজতবা আলী। সৈয়দ মুজতবা আলী যখন দেশে ফিরবেন বলে জানান তখন আবদুর রহমান বারবার তাকে অনুনয় করে বলেছিলেন যেন তাকেও তার সাথে নেয়। কিন্তু নিরুপায় মনিব সৈয়দ মুজতবা আলী। শেষ পর্যন্ত আবদুর রহমানকে রেখেই দেশে ফিরতে হয় তাকে। এর ন্যায় সঙ্গত কারণ যে ছিল তা বইটি পড়লেই জানা যাবে। কিন্তু যা না বললেই নয় তা হলো, একজন মনিব আর ভৃত্যের বিদায় বেলা যে এত করুণ হতে পারে তা হয় তো এই বইটি না পড়লে জানতামই না!
A Travelogue but more than that a history of Afghanistan by an outsider! With the writing one can picture the depiction of How a plain land native survived the road to Afghanistan, how he perceived the welcome, what vehicles they run, people from their and change in regime! Oh, I still think about Abdur Rahman: the house help. This book took more time to complete than other books I read of the same size. Why: the language here is not the regular one, neither similar to Sharat Chandra not Pramath Choudhury! writer used riddles, simile frequently which modern writing lacks. but once I finished, I wondered why I finished it so early!
5 star rating doesn’t do justice to this book for me . I fell in love with Syed mujtaba ali’s writing , the characters of these books … i read this book very slowly over a month and i enjoyed every single second and every single page …
রাজা-রাজড়ার সব কাহিনীর থেকে আমাকে সবথেকে আবেগমথিত করেছে আবদুর রহমানই, এবং বারংবার। জীবনে আবদুর রহমানের মত কোনো বন্ধু পাবো কিনা জানিনা, নিজে হতে চাই অন্তত, কারও না কারও জীবনে!