নীল সুতির শাড়ি পরা হালকা-পাতলা আপার কাছ থেকে বিদায় নেওয়া হলো না, সে চেষ্টা করেছিল কিন্তু কাছে যেতেই পারল না। পুলিশ-মিলিটারি আপাকে ঘিরে রেখেছিল। সে বলতে পারল না বাড়িতে গিয়ে সে আপার জন্য দোয়া করবে যেন তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে ওঠে। পীর সাহেবের দরগায় টাকা দিয়ে আসবে। ইমাম সাহেবকে বলবে যেন খাস দিলে দোয়া করে। আপার কাছে থেকে ঠিকানাটাও নেওয়া হলো না। আল্লাহর ইচ্ছায় সে যদি ডিভি পেয়ে যায়, বিলকিস নামের সুন্দর মেয়েটার সঙ্গে যদি বিয়েটা হয়েও যায়, আর দুইজন মিলে যদি নিউইয়র্কে যায়, সে কি আপাকে খুঁজে বের করতে পারবে? সেখানে নাকি লাখ লাখ মানুষ। মানুষটা ধীরে ধীরে তার পা ছাড়িয়ে দেয়। কোথায় জানি খুব ব্যথা করছে, বুঝতে পারছে না। তার সুবজ ভেলভেটের প্যান্টটা ময়লা হচ্ছে । হোক ।
Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.
Birth and Family Background: Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.
Education: Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.
Personal Life: Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.
Academic Career: After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.
Literary career: Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.
Other Activities and Awards: Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.
লোকটার নাম কি? জানা হলো না! শেষ পর্যন্ত তার কি হয়? সে কি শেষ পর্যন্ত বিলকিস নামের সুন্দর মেয়েটিকে নিয়ে বিদেশ যেতে পারবে? তার কি আবার শারমিনের সাথে দেখা হবে?
বইটা ভালোলাগার বেশ কিছু কারণ আছে। পরে কখনো গুছিয়ে লিখবো। আপাতত একটা কারণ বলি। তা হলো বইটার ডিটেলিং। ছোট ছোট খুটিনাটি বিষয়ের দিকে এমনভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে যে তা এড়ানো যায় না এবং সেগুলো ভাবিয়েছে খুব।
আমাদের আশেপাশের সবকিছু খুবই সাধারণ মনে হলেও, কোনোকিছুই কিন্তু আসলে সাধারণ নয়। সবারই আলাদা আলাদা গল্প আছে। এই বইটা এমন একটা বই যেটা আমাকে এরকম আশেপাশে দেখতে, ভাবতে আর গল্পগুলো খুঁজে বের করতে শিখতে সাহায্য করেছিল। বইটা প্রথম পড়ি ২০০৮ সালে। আমজাদ আঙ্কেলদের বাসায় গিয়ে। এরপর কতবার পড়া হয়েছে ইয়ত্তা নেই। প্রতিবারই মনেহয়, আচ্ছা, এরপর কী হলো?
প্রবাসী এক মেয়ের দেশে ফিরে এসে অনেক দিন পর ট্রেন জার্নি দিয়ে গল্পের শুরু। তারপর ট্রেনের ভিতরকার হাঙ্গামা, স্টেশনে থামলে যাত্রীদের ব্যস্ততা আর পাশে বসা সবুজ ভেলভেট কাপড়ের পেন্ট পরা এক যাত্রীর গল্পেই শেষ। ফাঁকে ফাঁকে শুধু কিছু পুরনো স্মৃতি ভেবে নস্টালজিক হওয়া।
বাংলাদেশের সাধারন মানুষ তাদের জীবন, স্বপ্ন, কল্পনা ও বাস্তব - সব কিছুর সংক্ষেপে এক চমৎকার বর্ণনা, আর্থ সামাজিক পরিস্থিতির প্রভেদে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির প্রভেদ ও লক্ষের প্রভেদ নিপুন ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সব মিলিয়ে অসাধারণ...
গল্পটি অত্যন্ত সাধারণ একটা ট্রেন জার্নির হতে পারতো। তবে তা হলে এটা অন্যরকম ভালোলাগার এক আবহ তৈরি করতে পারতো না। জাফর ইকবাল স্যারের কাছ থেকে এরকম আরো কিছু গল্প হয়তো আশা করাই যায়। কেনো যে আর আগের মতো এতো সুন্দর করে লেখেন না...
খুব আহামরি কোনো কাহিনী বা সংলাপ নেই।কিন্তু শেষ কয়েক পৃষ্ঠা পড়ে কেনো জানি কান্না পেয়েছিলো,যেনো স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম ট্রেনের বগি পড়ে যাওয়ার পরের মুহুর্তগুলো।বিদেশ বিভুইয়ে মানুষ পড়লে আরো বেশ কিছু জায়গায় কান্না পাবে,গল্পের তীব্রতার জন্য না,শুধু দেশের প্রতি গভীর মায়ার জন্য। ১১ জানুয়ারী,২০২২
When I read it first during my childhood - I did not like the ending. Now that I have read it again in middle age - I guess I have no choice but to keep searching for the man with green velvet pants.
১.ধানমন্ডি যাচ্ছি একটা কাজে, বাসে উঠে গিয়ে বসলাম এক বৃদ্ধের সাথে। হেল্পার যখন ভাড়া নিতে আসলো বৃদ্ধ নিচু গলায় বললো "ড্রাইভার গাড়ি চালাতে জানেনা"। হেল্পার শুনে কিছু বললো না। সে নিজেই বললো আমি এই দেশে গাড়ি চালাতাম ৩০ বছর আগে। তারপর সে কোনো কারণে আমাকে রাস্তা চিনিয়ে নিয়ে যেতে লাগলো। আমিও আজাইরা,করার ক���ছু নেই,বৃদ্ধ মানুষের কথাগুলো শুনছি। সে যা বলেছিলো তার সারমর্ম এই যে সে ঢাকা থেকে অন্য জেলায় যে বাসগুলো যায় সেগুলো চালাতো। তারপর সে দেশের বাইরে চলে যায় আর সেখানে ১৭-১৮ বছর সে বাস চালিয়েছে।এরচেয়ে বেশি আমার মনে নেই সে কি বলছিলো।
এরকম মানুষদের সাথে আমাদের বাস্তবেই দেখা হয়।এই উপন্যাসেও সেরকম একটি চরিত্র আমরা দেখতে পাই।
২.বইটা যখন শুনছিলাম তখন আমি বাসে। উপন্যাসটা ট্রেনের।কিন্ত আমরা সেই ছাত্র যারা জার্নি বাই বাস মুখস্ত করেই জার্নি বাই ট্রেন,বোট,রিকশা,প্লেন বানিয়ে লিখতাম। তাই বইটার সাথে সরাসরি রিলেট করতে পারছি বললেও মিথ্যা বলা হয়না।মালিবাগ রেলক্রসের রেলে হাটছি আমি, জ্যাম, বৃষ্টির পানি জমেছে।কানে ইয়ার ফোন। আশেপাশে আমার সাথে অনেক মানুষ হাটছে সে ভরসায় আমি কান থেকে ইয়ারফোন খুলছি না। ট্রেন আসলে টের পাব নিশ্চয়ই।এরকম একটা সময়ে ট্রেন আসলো ঠিকই। পেছন থেকে না, সামনে দিয়েই।ট্রেনটাকে দেখে নিরাপদ দুরত্বে সরে এলাম।কানে শুনছি ট্রেনের গল্প,পাশ দিয়ে গেলোও ট্রেন। সে ট্রেনে হয়তো বিদেশ থেকে আসা কোনো বাঙালীর বাচ্চাও আছে যে কিনা অবাক চোখে দেখছে বাসের পর বাস দাঁড়িয়ে আছে।এটাকে বলে জ্যাম। যা সে বিদেশে দেখতে পায়নি।
গল্পটার চারপাশ নিয়ে কিছু বলতে গেলে মোটামুটি ভালোই লেগেছে। ক্লাস নাইনে থাকতে সময় পড়লে ৫ স্টার বই হতো নিশ্চয়ই।এখন কেমন যেন গল্পটা পুরোপুরি ছুয়ে যেতে পারেনি আমাকে। গল্পে সদ্য ব্রেক-আপ হওয়া মেয়ের কথায় কথায় এক্স-কে মনে করার বিষয়টার মতো কিছু দিকও বিরক্ত লেগেছে। তাছাড়া সবমিলিয়ে, ছোট আর সুন্দর একটা উপন্যাস বলা যায়। এরকম উপন্যাস অনেক পড়লেও,আরও পড়া যায়।
গল্পটি ড.শারমীন সিদ্দক নামক এক নারীর,যে কিনা নিউইয়ক এ ইনাইটেড নেশন এর বাংলাদেশ বংশ্যভুত কর্মকর্তা। একটি কাজ এর জন্য সে বাংলাদেশ এ এসেছে।যাওয়ার পথে তার ইচ্ছে হলো ট্রেন এ করে ঢাকায় যাবে। যেই ইচ্ছা সেই কর্ম, তারপর ট্রেন এ পরিচিত হয় তার পাশের সিটে বসা এক ব্যাক্তি। যে পরেছিল সবুজ ভেলভেট প্যান্ট। লোকটির খুব প্রিয় প্যান্ট ছিল এটি। ট্রেনে বসে এই বিচিত্র ব্যক্তির সাথে শারমীন এর কথপোকথন আর বিচিত্র ঘটনা নিয়েই এই গল্প।
পাঠপ্রতিক্রিয়া:
গল্পটিতে শারমীন আর সবুজ ভেলভেট এর স্মৃতিচারণ নিয়ে, বিচিত্র কিছু ঘটনা আর দুজনের অতিত নিয়েই গতিশীলতা। তাই বলা যায় ভালো লেগেছে,আবশ্য জাফর ইকবাল স্যারের বই খারাপ লাগার ত কোন কথাই না।।।। ছোট একটি গল্প পুরোপুরি উপন্যাস বলা যায় না, একবসায় শেষ করা যায়,,।।।
এই গল্প সম্পর্কে আপনার মতামত চাচ্ছি কারন গল্পটি একটু সমালোচিত তাই আপনার মতামত চাচ্ছি।।।।
অনেক সুন্দর একটা বই। সহজ সরল কাহিনী। যদিও শেষে ঐ লোকের সাথে কী হলো সেইটা অজানায় থেকে গেল। সমাপ্তিটা এভাবে হবে আশা করি নাই। লেখকের এমন বই আরও লেখা উচিত ছিল।