ভাগ্য বড় বিচিত্র। বেনিটার ব্যাপারটাই ভেবে দেখুন। দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মেছে সে। কিন্তু অর্ধেক জীবনই কাটাতে হয়েছে ইংল্যান্ডে। ফিরে এল বাবার কাছে, ভালবাসার মানুষটাকে হারানোর দুঃখ বুকে নিয়ে। হৃদয়ের ক্ষতে সান্তনার প্রলাপ দিল পর্তুগিজদের অভিশপ্ত গুপ্তধনের গল্প। বুড়ো বাবা আর তার পার্টনার অর্থপিশাচ মেয়ারকে নিয়ে গুপ্তধন উদ্ধার করতে রওনা হলো সে। ঘুনাক্ষরেও টের পেল না, কি চলছে মেয়ারের মনে। চলছিল খোঁজ, এমন সময় হামলা করল মাটাবিলিরা। রহস্যময় এক শ্বেতাঙ্গ পুরুষ ধরা পড়ল তাদের হাতে। ঝোপ বুঝে কোপ মারল মেয়ার। মরতে বসল বেনিটার বাবা। এবার? নিজে বাচবে না বাবাকে বাচাবে? এমন একজনের সাহায্য পেল যাকে কোনদিন দেখেইনি সে।
Sir Henry Rider Haggard, KBE was an English writer of adventure novels set in exotic locations, predominantly Africa, and the creator of the Lost World literary genre. His stories, situated at the lighter end of the scale of Victorian literature, continue to be popular and influential. He was also involved in agricultural reform and improvement in the British Empire.
His breakout novel was King Solomon's Mines (1885), which was to be the first in a series telling of the multitudinous adventures of its protagonist, Allan Quatermain.
Haggard was made a Knight Bachelor in 1912 and a Knight Commander of the Order of the British Empire in 1919. He stood unsuccessfully for Parliament as a Conservative candidate for the Eastern division of Norfolk in 1895. The locality of Rider, British Columbia, was named in his memory.
সেবার অনুবাদ নিয়ে কথা হবে না। সায়েম সোলায়মান রওশন পরীক্ষিত অনুবাদক।
প্রায় তিনশ বছর আগে যুদ্ধের কারণেএক দুর্গে না খেতে পেয়ে মারা যায় দু'শ পর্তুগিজ। পর্তুগিজদের দলপতি কন্যা বেনিটা ডি ফেরেইরা আত্মহননের পথ বেছে নেয়। আর অভিশাপ দিয়ে যায় তাদের লুকিয়ে রাখা সোনাদানার ভান্ডার বিশেষ এক নারী ছাড়া কেউ উদ্ধারের চেষ্টা করলে মারা পড়বে দুর্গের পাশের উপজাতি গোষ্ঠী মাকালাঙ্গারা। সেই থেকে দুর্গের ও গুপ্তধনের প্রহরী মাকালাঙ্গারা। কেউ কি পারবে মাকালাঙ্গাদের এড়িয়ে সেই গুপ্তধন আনতে?
মদারু স্বামীকে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফেলে কন্যা বেনিটাকে নিয়ে ইংল্যান্ড চলে এলেন বেনিটার মা। বেনিটা বড় হয়ে গেল। হঠাৎ চলে গেল বেনিটার মা। মেয়ে বেনিটা চললো বাবা ক্রিফোর্ডের কাছে। জাহাজে প্রণয়ের সূত্রপাত হল যুবক সিমারের সাথে। এদিকে ঘটনাচক্রে জাহাজডুবি হল। পত্রিকায় খবর বেরুল মারা গেছে রবার্ট সিমার।
ভগ্নহৃদয়ে বেনিটা বাবার কাছে এল। এখানে বাবার ব্যবসার পার্টনার জার্মান ইহুদি মেয়ার এক অর্থপিশাচ, ধুর্ত। বেনিটাসহ বাবা ক্রিফোর্ড আর মেয়ার মিলে বেরুলেন পর্তুগিজদের সোনা উদ্ধারে। এদিকে মাকালাঙ্গাদের বিরোধী গোত্র মাটাবিলিরা হামলা করতে চলেছে মাকালাঙ্গাদের ওপর। এদিকে অস্ত্রের জন্য মাকালাঙ্গা রাজপুত্র বেনিটাদের পর্তুগিজদের দুর্গে নিয়ে যেতে রাজি। চললো ওরা। মিস্টার মেয়ার কেমন যেন অদ্ভুত দৃষ্টিতে দেখে রূপবতী বেনিটাকে ।
বেনিটারা গেল আর গুপ্তধন নিয়ে চলে এল- ঘটনাকি এতই সরল? না। ভালোবাসার জন্য পাগলামি আছে, লোভ, হিংস্রতা যেমন আছে তেমনি আছে হ্যাগার্ড সাহবের সাদা মানুষদের কেরামতি, আছে হ্যাগার্ডের আফ্রিকার কালোরা যারা সবসময়ই স্যার হাগার্ডের বইতে অশিক্ষিত, হিংস্র, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। এই বইতে স্যার হ্যাগার্ডের নতুন একটা উপসর্গ পেয়েছিঃ এখানে ভিলেন মেয়ার কেবলই ভিলেনই নয় সে জার্মান ইহুদি, অর্থপিশাচ, খুবই খারাপ এবং বড়ধরনের নাস্তিক।এই নাস্তিক আবার অন্যদের ধর্ম নিয়ে কটূক্তিও করে। শেক্সপিয়ার সাহেবের ইহুদি শাইলক ভালো ছিল না, হ্যাগার্ড সাবের জার্মান ইহুদি আরো পাজি। তাই এগো শিক্ষা দিল হিটলার সাব। উল্লেখ্য, হ্যাগার্ড বইটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের ঢের আগে লিখেছিলেন। তাতেও বড়সড় ভিলেনের জায়গাটি দখল করল এক ইহুদি তায় জার্মান! এরেই কয় জাত্যাভিমানে ভদ্রলোকের বন্ধু ভদ্রলোক। স্যার হ্যাগার্ড শত্তুর চিনতে পারছিলেন হিটলারের আগেই।
This all-but-forgotten work by the master of the "lost race" adventure story has just about everything a reader could possibly hope for in a book: a treasure hunt, battles between savage African tribes, a plucky heroine, a shipwreck, an insane Jewish villain, the ghost of a 17th century Portuguese woman, mesmerism and even a nice romantic love story. It is a shame that this wonderful fantasy has been out of print for 20 years, as it is a book that can be enjoyed by anyone, young or old, with a love of fantastic adventure. It's well worth seeking out.
গল্পের নায়িকা বেনিটা ক্লিফোর্ডর জন্ম আফ্রিকায়। বাবা মদ্যপ আর জুয়ারি হওয়ার ফলে বেনিটার মা তাকে নিয়ে চলে আসেন আফ্রিকা থেকে লন্ডনে। লন্ডনে আসার বার বছর পর মারা যায় বেনিটার মা। মায়ের মৃত্যুর পর বাবার অনুরোধে আফ্রিকায় যেতে রওনা হয় বেনিটা। যে জাহাজে করে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাবার কাছে যাচ্ছিল বেনিটা তার নাম যানযিবার। সেখানে রবার্ট সিমার নামক এক যুবক এর সাথে পরিচয় হয় তার। গল্পে গল্পে সিমার এর কাছেই বেনিটা জানতে পারে পর্তুগীজ দের অভিশপ্ত গুপ্তধন এর কথা। প্রায় চার বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় তার দেখা হয়েছিলো ক্লিফোর্ড নামের এক লোকের সাথে। শিকার করতে গিয়েছিলো রবার্ট সেখানে। আর ক্লিফোর্ড গিয়েছিলেন গুপ্তধন খুঁজতে। পরবর্তীতে জানা যাবে এই ক্লিফোর্ডই বেনিটার বাবা।
একটা সময় বেনিটাকে ভালোবেসে ফেলে রবার্ট। কিন্তু বেনিটার জবাব শোনার আগেই ডুবো পাথর এর ধাক্কাতে ভেঙ্গে যায় জাহাজ। বেনিটাকে বাঁচাতে তাকে নিয়ে একটা নৌকায় উঠে পড়ে রবার্ট, কিন্তু অন্য একজন মহিলাকে বাঁচাতে গিয়ে তাকে নেমে পড়তে হয় সাগরের বুকে। এবং পরে পত্রিকা মারফত জানা যায়, মারা গেছেন রবার্ট। এ ঘটনায় বেশ ভেঙ্গে পড়েন বেনিটা।
বাবার কাছে থাকার সময়েই ব্যামব্যাটসি গ্রামের কিছু লোক তাঁদের কাছে আসে সাহায্যের জন্য। তাঁরা জানায়, তাদের যদি শখানেক অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করা হয় তাহলে তাঁরা তাদের পুর্তগীজদের গুপ্তধন খুঁজতে দিবে। বেনিটার বাবার অর্থলোভী পার্টনার জেকব মেয়ার এর চোখ লোভে চকচক করতে থাকে। তাঁরা তিনজন সেই লোকদের নিয়ে হাজির হন সেই গ্রামে। এর পরই ঘটতে থাকে নানা রকম ঘটনা।
ব্যামব্যাটসি গ্রামের অধিবাসীরা বেনিটা কে "শ্বেতকুমারী" হিসেবে গ্রহণ করে, এর পেছনের ইতিহাসটাও অদ্ভূত। বেনিটারা কি শেষ পর্যন্ত পেয়েছিল সে গুপ্তধন। কি ঘটেছিল তাদের আর ব্যামব্যাটসিদের ভাগ্যে। পড়তে পড়তে হারিয়ে যাবেন এক অন্য রাজ্যে।
অনেকদিন পর সেবার কোন অনুবাদ বই পড়লাম। হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড লেখক হিসেবে এবং সায়েম সোলায়মান অনুবাদক হিসেবে কেন এত জনপ্রিয় নতুন করে অনুধাবন করলাম। পর্তুগিজ গুপ্তধন উদ্ধারের কাহিনীতে চলে এসেছে বাবা-মেয়ের পুনর্মিলন, লোভ, প্রতিশোধ, নৃশংসতা এবং প্রেমের কাহিনী। বেনিটা এক দুঃসাহসী, বুদ্ধিমতী এবং কোমলমতি চরিত্র আর রবার্ট সিমারের উদারতা এবং বিশালতা মনে থাকবে দীর্ঘদিন। কাহিনীতে উত্তেজিত সময়টুকুতে সত্যি সত্যিই উত্তেজিত হয়েছি, যুদ্ধ কিংবা কালো গুহার মধ্যে অন্ধকার সময়গুলো বিচলিত করেছে খুবই। কিছু অতিপ্রাকৃত ব্যাপার যেমন ছিল, তেমনি ছিল এডভেঞ্চার এবং বুদ্ধি দিয়ে পারিপার্শ্বিক প্রতিকূলতাকে ঘায়েল করার চেষ্টা। সব মিলিয়ে ভালো একটা বই পড়লাম।
Had an old 1906 hardback copy of this book for years and finally got around to reading it. Classic H. Rider Haggard African adventure story that tick all the required boxes!
কাহিনীর কেন্দ্রীয় চরিত্রের নামই বেনিটা। পুরো নাম বেনিটা ক্লিফোর্ড। মা মারা যাওয়ার পর বাবা মিস্টার ক্লিফোর্ডের কাছেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে।জাহাজে করে ইংল্যান্ড থেকে দক্ষিন আফ্রিকায় বাবার কাছে রওনা হয় বেনিটা।জাহাজের নাম যানযিবার। এ জাহাজে করেই যাচ্ছে এক শক্ত সমর্থ যুবক রবার্ট সিমার। এরা দু জন দুজনকে ভালবেসে ফেলে। কিন্তু প্রকৃতির উদাসীনতা আর বর্বরতার কারণে ডুবে যায় যানযিবার । বেনিটা হারায় রবার্টকে। মন ভরা দুঃখ নিয়ে পৌছায় বাবার কাছে। সেখানে তার বাবার সাথে আরেকজন আছেন অতি ধূর্ত জেকব মেয়ার , সম্পর্কে মিস্টার ক্লিফোর্ডের খামারের পার্টনার। বেনিটার কাছে লোকটাকে সুবিধার মনে হয় ���ি। আর তার বাবাও বলে দিয়েছে যাতে সে মেয়ারের থেকে সাবধানে থাকে। কিছু দিন পরে বেনিটা ওর বাবার কাছ থেকে পর্তুগীজদের আজব গুপ্তধনের ব্যাপারে জানতে পারে যার আংশিক সে শুনেছিল প্রিয়তম রবার্টের কাছে । ব্যামব্যাটসি গ্রামেই আছে এমন জায়গা। কিন্তু সেটা নাকি অভিশপ্ত, শুধুমাত্র বিশেষ একজন নারীই নাকি এ গুপ্তধন উদ্ধারের ক্ষমতা রাখে। একদিন দুজন ব্যামব্যাটসি এল ওদের খামার বাড়িতে, মাটাবিলিরা তাদের উপর হামলা করছে ব্যাপক। তারা এসে বেনিটাকে দেখেই অবাক হয়ে যায়। এক ঘেয়েমি জীবনের ক্লান্তি দূর করতেই সে বাবার সাথে রওনা হয় পুনরায় গুপ্তধন এর সন্ধানে। সাথে থাকেন ধূর্ত জেকব মেয়ার। ব্যামব্যাটসি গ্রামের অধিবাসীরা বেনিটা কে "শ্বেতকুমারী" হিসেবে গ্রহণ করে। তাদের সবার ধারণা এই সেই নারী , মহিয়সী "বেনিটার" অংশ যে পুনরায় ধরায় এসেছে নিজেদের সম্পদের উদ্ধারের জন্য।
এখানে এসে এক রকম আটকা পরে যায় বেনিটা। বেনিটা বুঝে যায় মেয়ারের কুটিল আর খারাপ দৃষ্টি। বেনিটা কি পারবে এসব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে , পারবে গুপ্তধন উদ্ধার করতে???
BENITA is a fun adventure novel that recycles a lot of ideas from the other two H. Rider Haggard novels I have read, KING SOLOMON'S MINES and SHE. Once again, we have a hidden temple, lost treasure, a shipwreck, reincarnation, savage African tribes who revere the titular character as a goddess, and, last but not least, a heroic big game hunter. This adventure goes one step further, though, by also throwing in ghosts and mind control. Everything about BENITA feels a little silly (and don't get me started on the cheesy romance bits), but it's certainly an amusing enough way to pass an afternoon. Faster paced than the other Haggard stuff I've read, BENITA is probably best enjoyed by tweens who are more interested in something along the lines of INDIANA JONES than in TWILIGHT or HARRY POTTER.
I love it. বেনিটার বাবার অর্থলোভী পার্টনার জেকব মেয়ার এর চোখ লোভে চকচক করতে থাকে। তাঁরা তিনজন সেই লোকদের নিয়ে হাজির হন সেই গ্রামে। এর পরই ঘটতে থাকে নানা রকম ঘটনা।
A shipboard romance blossoms between Benita Clifford and Richard Seymour. But just off the coast of Africa disaster strikes, the ship sinks, and separate events take Benita away from Seymour. So begins a story that seems to be epic in scope, just as with many Haggard novels. That impression grows when Benita, thinking Seymour dead, retreats to her father's horse ranch, where she's convinced to follow him and his partner Jacob to search for lost Portuguese gold, hidden among a lost tribe of people descended from the Phoenicians. Then, the nature of the story changes. Surrounded by an enemy African army, the story of Benita, her father, and Jacob plays out against a siege, where the hunt for gold takes place simultaneously. Instead of epic journeys and broad landscapes, Haggard takes his tale into the caverns beneath an isolated tower fortress. A fascinating psychological study then plays out, as Jacob plots not only to take the gold but abduct and marry Benita as well.
Here, you have Haggard operating within one of his better approaches to storytelling. Often, he lets himself wander into philosophizing and preaching. But with Benita he allows the natural conflicts and mysteries of the story to maintain their prominence. His thoughts about fate and the role of spirit beings from the past become subjugated to the intriguing surface quandary of just how Benita and her father will escape the cage which now holds them and the gold. Seymour appears once more. But I'll not spoil things by explaining how he fits in--although anyone having read Haggard before can easily guess.
I should mention, by the way, that as I read along in Haggard, it becomes clear that he has a problem with Jews. Jacob the Jew in this story is not only a madman but an atheist without scruples who exists merely for material gain. Haggard allows nothing to redeem him. And I've seen Haggard write similarly in other novels, where in most instances, even among his bitterest enemies and opponents he finds honor and bravery, in the case of a lost tribe descended from Jews they are nothing but cowards deserving an ignoble death. Even for its time, Haggard's work has a nasty edge when including Jews in the story.
বইয়ের বাইশটি অধ্যায়ের মধ্যে প্রায় প্রথম চার অধ্যায় পড়লে মনে হবে টাইটানিক ছবির জাহাজ ভেঙ্গে যাওয়ার দৃশ্যের বর্ণনা তুলে ধরেছেন লেখক একটু মোডিফাই করে। :'3
গল্পের নায়িকা বেনিটা ক্লিফোর্ডের চেয়ে জেকব মেয়ারের চরিত্র বেশি জোরদার মনে হয়েছে আমার কাছে।
প্রায় তিনশ বছর আগে যুদ্ধের কারণেএক দুর্গে না খেতে পেয়ে মারা যায় দু'শ পর্তুগিজ। পর্তুগিজদের দলপতি কন্যা বেনিটা ডি ফেরেইরা আত্মহননের পথ বেছে নেয়। আর অভিশাপ দিয়ে যায় তাদের লুকিয়ে রাখা সোনাদানার ভান্ডার বিশেষ এক নারী ছাড়া কেউ উদ্ধারের চেষ্টা করলে মারা পড়বে দুর্গের পাশের উপজাতি গোষ্ঠী মাকালাঙ্গারা। সেই থেকে দুর্গের ও গুপ্তধনের প্রহরী মাকালাঙ্গারা। কেউ কি পারবে মাকালাঙ্গাদের এড়িয়ে সেই গুপ্তধন আনতে?
সেবার বই পড়ে বড় হয়ে হওয়া উঠলেও অন্যান্য বইয়ের তুলনায় অনুবাদ কেন যেন তেমন একটা পড়াই হয়নি। সেজন্যই বুঝি একটু দেরীতে পড়া হল বেনিটা। ওভারঅল ভালোই আছে, সেবার ট্রেডমার্ক কিছু ব্যাপার স্যাপার খুব ভালোভাবেই উপস্থিত আছে। তবে আরেকটু কম বয়সে পড়লে হয়ত আরেকটু বেশি উপভোগ করতে পারতাম। বয়স হবার সাথে সাথে সবকিছু পাশে সরিয়ে শুধু গল্প উপভোগের মন্ত্রটাও কেমন হারিয়ে যাচ্ছে!!
হ্যাগার্ডের সেরা বইগুলোর মধ্যে হয়ত "বেনিটা"র কোন স্থান হবে না, তবে গল্পের গতিশীলতা আর সায়েম সোলায়মানের অনুবাদ যেভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে গেছে তাতে পড়াটা যে বেশ উপভোগ্য ছিল সেটা স্বীকার করতেই হবে।
টাইটানিক মুভি তো প্রায় সবায় দেখেছেন,তাই না? জাহাজ ভেঙ্গে যাওয়ার সেই দৃশ্যের কথা কি মনে পড়ে? "বেনিটা " গল্পের শুরুতে আমরা আবার সেই দৃশ্যের মুখোমুখি হবো।
গল্পের নায়িকা বেনিটা ক্লিফোর্ড। জন্ম আফ্রিকায়।বেনিটার বাবা ছিলো মদ্যপ আর জুয়ারি।ফলে বেনিটার মা ফেরেইরা বেনিটার সাথে বাবার বনিবনা না হওয়ায় তার মা তাকে নিয়ে চলে আসেন আফ্রিকা থেকে লন্ডনে।লন্ডনে আসার বার বছর পর মারা যায় বেনিটার মা।মায়ের মৃত্যুর পর বাবার অনুরোধে আফ্রিকায় যেতে রওনা হয় বেনিটা।
জাহাজে করে ইংল্যান্ড থেকে দক্ষিন আফ্রিকায় বাবার কাছে যাচ্ছে বেনিটা।জাহাজের নাম যানযিবার। সেখানেই একই জাহাজে করে যাচ্ছে রবার্ট সিমার।বেনিটার নায়ক।জাহাজেই তাদের পরিচয়। সিমার খাঁটি ইংরেজ।ঘুরে বেড়ানো যার শখ।গল্পে গল্পে সিমার এর কাছেই বেনিটা জানতে পারে পর্তুগীজ দের অভিশপ্ত গুপ্তধন এর কথা।রবার্ট জানায় প্রায় চার বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় তার দেখা হয়েছিলো ক্লিফোর্ড নামের এক লোকের সাথে।শিকার করতে গিয়েছিলো রবার্ট সেখানে। আর ক্লিফোর্ড গিয়েছিলেন গুপ্তধন খুঁজতে। পরবর্তীতে জানা যাবে এই ক্লিফোর্ডই বেনিটার বাবা।
এক পর্যায়ে রবার্ট বেনিটার প্রতি তার দুর্বলতার কথা প্রকাশ করে।কিন্তু বেনিটার জবাব শোনার আগেই এক ডুবো পাথর এর সাথে ধাক্কাতে ভেঙ্গে যায় জাহাজ। আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায় বেনিটা।অজ্ঞান বেনিটাকে নিয়ে নৌকায় উঠে রবার্ট। এই নৌকা গুলোতে করেই জাহাজের লোকদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছিলো।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস!বেনিটাকে রেখে মহানুভবতার পরিচয় দিয়ে এক মহিলাকে বাঁচাতে সাগরে নেমে যায় রবার্ট।সেখানে জীবন দিয়ে সে গড়ে তুলে এক দৃষ্টান্ত।
বেনিটা সুস্থ হয়ে বাবার কাছে ফিরে আসে। কিন্তু ক্যাপ্টেনের কাছে রবার্ট এর পরিণতি আর পত্রিকায় রবার্ট এর মৃত্যু সংবাদ এ ভেঙ্গে যায় বেনিটার মন।কারণ সেও তো ভালোবেসে ছিলো রবার্ট কে।
বাবার খামারে অতি মানসিক কষ্টের দিন যাপন করতে করতেই সে জানতে পারে তার বাবার পর্তুগীজ দের গুপ্তধন এর সন্ধান এবং ব্যর্থতার কথা।এক ঘেয়েমি জীবনের ক্লান্তি দূর করতেই সে বাবার সাথে রওনা হয় পুনরায় গুপ্তধন এর সন্ধানে।সাথে যায় বাবার পার্টনার অর্থলোভী জেকব মেয়ার।পরবর্তীতে যে হবে বেনিটার জীবনের সবচেয়ে বড় হুমকি।কিভাবে বেনিটা মোকাবেলা করবে সেই পরিস্থিতি?
ব্যামব্যাটসি গ্রামের অধিবাসীরা বেনিটা কে "শ্বেতকুমারী" হিসেবে গ্রহণ করার পেছনের ইতিহাসটা কি? কেন সবায় বলছে বেনিটাই এই গুপ্তধনের উত্তরাধিকারী!!কে সাহায্য করবে বেনিটাকে? বইয়ের শেষে অদ্ভুত এক চমক অপেক্ষা করছে পাঠক দের জন্য।বই পড়ে জেনে নিন এই বিম্ময়কর তথ্য।
This is another African adventure novel wrapped around the romance between African born England raised Benita who is returning to Africa to be reunited with father and Englishman Jim Seymour who she meets on board a ship as she returns and the legend of a great treasure buried a party of Portuguese hundreds of years before in a remote hill top fortress built thousands of years earlier.
After being separated from Seymour, Benita, her father and, the novel's villain and her father's partner, Jacob Meyer search for the legendary treasurer. The story involves supernatural events.
Юному читателю «Бенита» понравится: множество приключений в духе романтизма, отвага действующих лиц и постоянное продвижение вперёд. Взрослый читатель ничего примечательного не отметит: действие хоть и развивается, но медленно, герои вверяют судьбу ложным путям, что дополнительно удлиняет повествование. Одно событие сменяет другое, словно меняются декорации. Цель приключения, как обычно, находится ближе, нежели персонажам кажется. Меньше бы им отвлекаться, чего Райдер допустить не мог.