Jump to ratings and reviews
Rate this book

Days and Nights in the Forest

Rate this book
He lay flat against the bed of wet earth and fallen leaves and stared at the sky. He felt euphoric, lying totally naked inside the forest. Baring the body had achieved baring of the soul. Set in the turbulent 1960s Days and Nights in the Forest (Aranyer Dinratri) was the second novel that a young Sunil Gangopadhyay wrote. Largely autobiographical, it is the story of a whimsical, impromptu journey that four city youths Ashim, Sanjoy, Shekhar and Robi take into the forests of Palamau. The four friends blithely imagine that their escapade into the wilderness will distance them from civilization and take them closer to pristine nature. In reality, the solitude and austere majesty of the forest force them to look deeply into themselves and confront their all-too-human follies and civilized foibles in new, unexpected and frightening ways. As they hear the ominous sound of one tree after another being felled, encounter mercenary traders bent on milking the forest for all it is worth, and see the simmering unrest flickering in the eyes of the tribal inhabitants, they are compelled to look well beyond their own time to a plundered and violated world where the forest can never be a pastoral utopia a world that is, inexorably and inescapably, our own. They return to Calcutta ineffably changed sadder, older, more introspective.

200 pages, Paperback

First published January 1, 1968

34 people are currently reading
933 people want to read

About the author

Sunil Gangopadhyay

736 books974 followers
Sunil Gangopadhyay (Bengali: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়) was a famous Indian poet and novelist. Born in Faridpur, Bangladesh, Gangopadhyay obtained his Master's degree in Bengali from the University of Calcutta, In 1953 he started a Bengali poetry magazine Krittibas. Later he wrote for many different publications.

Ganguly created the Bengali fictional character Kakababu and wrote a series of novels on this character which became significant in Indian children's literature. He received Sahitya Academy award in 1985 for his novel Those Days (সেই সময়). Gangopadhyay used the pen names Nil Lohit, Sanatan Pathak, and Nil Upadhyay.

Works:
Author of well over 200 books, Sunil was a prolific writer who has excelled in different genres but declares poetry to be his "first love". His Nikhilesh and Neera series of poems (some of which have been translated as For You, Neera and Murmur in the Woods) have been extremely popular.

As in poetry, Sunil was known for his unique style in prose. His first novel was Atmaprakash (আত্মপ্রকাশ) and it was also the first writing from a new comer in literature published in the prestigious magazine- Desh (1965).The novel had inspiration from ' On the road' by Jack Kerouac. His historical fiction Sei Somoy (translated into English by Aruna Chakravorty as Those Days) received the Indian Sahitya Academy award in 1985. Shei Somoy continues to be a best seller more than two decade after its first publication. The same is true for Prothom Alo (প্রথম আলো, also translated recently by Aruna Chakravorty as First Light), another best selling historical fiction and Purbo-Paschim (পূর্ব-পশ্চিম, translated as East-West) a raw depiction of the partition and its aftermath seen through the eyes of three generations of Bengalis in West Bengal, Bangladesh and elsewhere. He is also the winner of the Bankim Puraskar (1982), and the Ananda Puraskar (twice, in 1972 and 1989).

Sunil wrote in many other genres including travelogues, children's fiction, short stories, features, and essays. Though he wrote all types of children's fiction, one character created by him that stands out above the rest, was Kakababu, the crippled adventurer, accompanied by his Teenager nephew Santu, and his friend Jojo. Since 1974, Sunil Gangopadhyay wrote over 35 novels of this wildly popular series.

Death:
Sunil Gangopadhyay died at 2:05 AM on 23 October 2012 at his South Kolkata residence, following a heart attack. He was suffering from prostate cancer for some time and went to Mumbai for treatment. Gangopadhyay's body was cremated on 25 October at Keoratola crematorium, Kolkata.

Awards & Honours:
He was honored with Ananda Award (1972, 1979) and Sahitya Academy Award (1984).

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
204 (23%)
4 stars
366 (41%)
3 stars
249 (28%)
2 stars
49 (5%)
1 star
14 (1%)
Displaying 1 - 30 of 85 reviews
Profile Image for Rubell.
191 reviews23 followers
October 3, 2022
"A gentleman is simply a patient wolf." (কার কথা জানিনা)

মানুষের মধ্যে যে নেকড়ে প্রবৃত্তি আছে, সেটা অরণ্যের দিনরাত্রিতে হালকার ওপর ঝাঁপসা দেখা গিয়েছে।

বন্ধুদের সাথে বনে-জঙ্গলে, রিমোট গ্রামাঞ্চলে ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা সুনীলের মাথায় এই উপন্যাসের আইডিয়া ঢুকিয়েছে। সাঁওতাল পল্লী সুনীলের খুব প্রিয়, সেখানকার ব্যাপারও গল্পে আছে।

অরণ্যের দিনরাত্রি উপন্যাসের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে যৌবনের যে আদিম রূপ লোকালয়ে অবদমিত থাকে, এখানে natural habitat এ আসতে পেরে তা নিঃসংকোচে উন্মোচিত হয়েছে।
Profile Image for Manzila.
167 reviews159 followers
April 16, 2022
প্রথমকথা, বইটা খুবই relatable কাহিনীর। মানে, এসব কি আমাদের সবার সাথেই কম বেশি হয় নাই? খুব hype নিয়ে বাকবাকুম করে কোথাও ঘুরতে গেসি এরপর সেই একই মানসিক মধ্যবিত্ততা, মনের সংকীর্ণতা, ঘুষ দিয়া কাজ হয়া যাবে, রুমের মধ্যে ঘুমাই ঘুমাই দিনরাত কাবার করা, সুযোগ পাইলে একটু ফষ্টি-নষ্টি করা, ট্যুরে যায়ে ফ্রেন্ডে-ফ্রেন্ডে কাজিয়া এগুলা কি কমবেশি সবারই ঘটে না? অসীম, শেখর, রবি, সঞ্জয়রাও যে mundane, petty, একঘেয়ে ব্যাপারগুলা এড়াইতে মূলত ধলভূমগড় আসছে, ঘুরেফিরে এই জঙ্গলেও ওই একই জিনিস ফিরা ফিরা আসছে। দেখা গেল, যে সঞ্জয় লেবার ইউনিয়নের বিশ্রী ঘটনাটা ভুলতে আসছে, সে এখানে রতিলালের উপর কর্তৃপক্ষের শোষণ-শাসনে কষ্ট পাইতেসে। রবি আসছে তপতীকে ভুলতে, এখানে আবার অপর্ণার সাথে পরে দুলির সাথে (শরীর দিয়াই মূলত) এনকাউন্টারে আরও বেশি তপতীকে মনে করতেছে, পরে তো ভালই মাইরটাইর খাইল বেচারা। শেখরকে আমার তুলনামূলক ভালই লাগছে, সবচেয়ে ভাল্লাগসে যখন সেই পাতা নাই, শুধু সাদা ফুল আছে যে গাছটা, সেটারে ও পাড়া দিয়া মড় মড় কইর‍্যা ভাইংগা দেয় - অনেকটা যেন বলতেছে "দুর্বাল আর আসমুই না মারাইতে জঙ্গলে"। অসীমও লোক খারাপ না তবে মেয়ে দেখলে মাথা ঠিক রাখতে পারে না। সেটা অবশ্য রবিরও পারে না তবু রবিরে আমার যথেষ্ট অনেস্ট মনে হইসে। তবে আমার খুবই মজা লাগসে অসীম-অপর্ণার বনের মধ্যে বেড়াইতে যাওয়ার বর্ণনাগুলি। এরকম একটা ব্যাপার থাকে যে অসীম অপর্ণার চেয়ে প্রায় ১০-১২ বছরের বড় তাই ওদের কালের প্রেম আর অপর্ণাদের কালের প্রেম এক না - অপর্ণারা পোলামাইয়া নির্বিশেষে "আই লাভ ইউ দোস্ত, এত্তোগুলা ভালো তুই, আমার বেস্ট ফেরেন" বলা জেনারেশন, তাই অসীম যতই তোমারে ভালো-টালোবাসি বলতেসে, মেয়ের কোনই বিকার নাই। এমনি ভালই লাগল বইটা, খুব খারাপ বলব না। সিনেমা দেখার আগে বইয়ের রিভিউ দিতে আসলাম, নাইলে একটার প্রভাব আরেকটায় পড়তারে।

অসীম, শেখর, রবি, সঞ্জয় ওদের জন্য তো বটেই, সবার জন্যই আমার রেকমেন্ডেশন থাকবে Alain de Botton এর The Art of Travel বইটা। যেকোন ট্যুরে যাওয়ার আগে এই বই ধর্মগ্রন্থের মত নিষ্ঠার সাথে পড়লে খুব hype নিয়াও কোন জায়গাতে গেলে কখনও হতাশ হইতে হবে না।
Profile Image for Farzana Raisa.
533 reviews240 followers
September 7, 2020
অসীম, শেখর, রবি, সঞ্জয়-চার তরুণ। কলকাতার বাঁধাধরা যান্ত্রিক জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছে। আচ্ছা! আপনারাই বলুন তো, শহুরে জীবনে আদৌ কি সুখ আছে? হ্যা, মানছি... এখানে স্বাচ্ছন্দ্য আছে, নানান সুবিধা আছে, চারপাশের সবকিছু ঝকমকে, রঙ্গিন, কিন্তু কেমন যেন বড্ডবেশী কৃত্রিম। জঙ্গলে সেসবের বালাই নেই। সেখানকার প্রকৃতি যেমন স্পষ্ট, মানুষগুলোও ঠিক তেমনি। সহজ-সরল, কেমন নির্বিরোধী। যা বলছিলাম... শহরে থাকতে থাকতে ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে এবং জীবনে চলার পথের বিশ্রি সমস্যাগুলো ভুলে থাকবার জন্য একদিন হুট করে চার বন্ধু ট্রেনে চেপে বসে। কোথায় যাবে ওরা? তা জানে না। যেতে যেতে যেখানটাতে ভালো লাগবে, নেমে যাবে সেখানেই। প্রকৃতির কোলে বোহেমিয়ান হয়ে কাটিয়ে দেবে কয়েকটা দিন।

কী রোমান্টিক!

এমনি করে ট্রেনের সহযাত্রীর মাধ্যমে ওরা খোঁজ পায় ধলভূমগড়ের। একটা ডাক বাংলোও আছে। শহরের কোলাহল থেকে দূরে নির্জন, শান্ত-শিষ্ট একটা গ্রাম। অধিবাসী অধিকাংশই সাঁওতাল। গ্রামটাকে ঘিরে রয়েছে শাল-মহুয়ার বন। শাল গাছের পাতায় সড়সড় শব্দ তুলে বাতাস বয়ে যায়। মেঠো পথ ধরে হেঁটে যায় কালো কালো সাঁওতাল মেয়ে-পুরুষ। সন্ধ্যা হলে শুঁড়িখানায় ভিড় জমিয়ে মহুয়া খায়। অদূর থেকে ভেসে আসে মাদলের শব্দ.. পিড়কা পিটাং পিড়কা পিটাং পিড়কা পিটাং। রহস্যময় জ্যোৎস্না ভাসিয়ে নিয়ে যায় চারপাশ। প্রকৃতির এই অপরূপ রূপের মাঝে হতভম্ব হয়ে যায় চারটে শহুরে যুবক। তারা নেমে পড়ে নিয়ম ভাঙ্গার খেলায়।

জঙ্গলের বর্ণনা আর তারুণ্যের পাগলামি নিয়ে লেখা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'অরণ্যের দিনরাত্রি'।


ছোট্ট করে বলে রাখি, এই বইটার সিনোপসিস পড়ে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় আগ্রহী হোন বইটাকে সিনেমায় পরিণত করতে। ইয়ে... বলছি কী দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানোর চিন্তা করে লাভ নেই :3 কারণ মূল থিমটা এক থাকলেও সিনেমায় পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছুর। (সম্পর্ক, চরিত্র, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডিটেইলিং এই সব আর কী) তবে আমার মনে হয়, বইয়ের মজা পেতে হলে আগেভাগে বই পড়ে ফেলাটাই বেটার :3 সিনেমা আগে দেখা থাকার কারণে বইটা পড়তে যেয়ে বারে বারে হোঁচট খাচ্ছিলাম। (ক্যারেক্টারাইজেশনে সমস্যা হচ্ছিল। আমার চোখ আর অন্তর জুড়ে ছিল শর্মিলা ঠাকুর, সৌমিত্র, রবি ঘোষ ইনারা)

সে যাকগে! বন্দী জীবনে কিছুক্ষণ অরণ্যের স্বাদ পেতে হলে বই কিংবা সিনেমাটা পড়ে কিংবা দেখে নেয়াই যায় ^_^
Profile Image for Ummea Salma.
126 reviews124 followers
February 20, 2021
যে সময় সৌমিত্র চ্যাটার্জি মারা গেলো সে সময়ের কথা, একদিন ইউটিউবে হঠাৎ সত্যজিৎ রায় পরিচালিত "অরণ্যের দিনরাত্রি" মুভিটা সাজেশন আসে এবং আমি একবসাতে এই মুভি দেখে শেষ করি। তখন ও জানতাম না এটা সুনীলের লেখা বই। মুভি শেষে গুগল করে জানছি (আমাকে দিয়ে বিসিএস হবে না ব্রো!)
ছবির দেশে কবিতার দেশে পড়ে মূলত সুনীলের ভক্ত হই আমি। এরপর তার অনেকগুলো বই পড়েছি এবং উনার লেখার প্রতি মুগ্ধতা বেড়েই চলেছে।
বিভূতিভূষণের 'আরণ্যক' পড়লে যেরকম অরণ্য বা বনভূমি নিয়ে একটা অবসেশন কাজ করে এই বইটা পড়েও আমার সেরকম অনুভূতি হচ্ছিলো কিছুটা সময়ের জন্য। যদিও লবটুলিয়ার জঙলকে কোনভাবেই ধলভূমগড়ের সাথে তুলনা করা যায় না তবুও শুরুর দিকের কয়েকটা পাতা পড়ে খুব soothing একটা অনুভূতি কাজ করে।

"ডান দিকে যতদূর দেখা যায় ঢেউ খেলানো মাঠ ও ছোট ছোট টিলা, বহুদূরে আবছা একটা পাহাড়, বাঁ দিকে জঙ্গল শুরু হয়েছে, জঙ্গল কেটে চলে গেছে রেল লাইন- এই মাত্র ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটা এখনো অস্পষ্ট ভাবে দেখা যায়। সামনেই বাজার, গোটা তিরিশেক পাকা বাড়ি একটু দূরে দূরে ছড়ানো, তারপর একপাশে মাঠ আর একপাশে জঙ্গল। মাথার ওপরের আকাশ গভীর সমুদ্রের মত নীল। এক ছিটে মেঘ নেই তাতে।" এই হচ্ছে ধলভূমগড় যেখানে চার বন্ধু শহুরে যান্ত্রিক জীবন থেকে মুক্তি পেতে অজানার উদ্দেশ্য পাড়ি জমিয়ে অবশেষে এখানে এসে পৌঁছে এবং ঘটনাচক্রে দেখা পায় অনেক আগের পরিচিতা দুজনকে। সেখান থেকেই ঘটনার শুরু মূলত।

বই পড়ার আগে মুভি দেখে ফেললে এই এক অসুবিধা। সারাক্ষণ মাথার মধ্যে মুভির কাহিনী ঘুরতে থাকে। বই আর মুভির শুধুমাত্র চরিত্র আর কিছু বেসিক জিনিসে মিল আছে আর কাহিনী পুরোটাই ভিন্ন। সিনেমা আগে দেখা থাকার কারনে বইটা পড়তে যেয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছিলাম কারন মাথার মধ্যে সারাটাক্ষন ই সৌমিত্র চ্যাটার্জি, শর্মিলা ঠাকুর, রবি ঘোষ, শুভেন্দু চ্যাটার্জি এরা ঘুরছিলো।
তবে বইয়ের শেষটা আরো একটু যত্ন করে লেখা যেতো বলে মনে হয়েছে আমার।
সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে এসব বই পড়লে সব ছেড়েছুড়ে অরণ্যে বা জঙ্গলে চলে যাওয়ার তীব্র একটা ইচ্ছে কাজ করে ভিতরে :3
Profile Image for জাহিদ হোসেন.
Author 20 books477 followers
April 7, 2024
কালবৈশাখী ঝড়ে প্রায় দু'দিন বিদ্যুৎ ছাড়া ছিলাম। মোবাইলে চার্জ ছিল না। এতে একদিক দিয়ে ভালো হয়েছে। বইপত্তর পড়া গেছে। কিন্ডেল কেনার সুফল অবশেষে পাওয়া গেল।

সত্যজিতের ছবিটা আগেই দেখেছিলাম। তাই গল্প সম্বন্ধে আগে থেকেই একটা ধারণা ছিল।

চার কলকাত্তা নিবাসী বন্ধু জঙ্গলের কাছে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে আসে। তাদের নিয়েই গল্প। ফিল্মের সাথে ভালোই পার্থক্য। ফিল্ম একরকম, বই আরেক রকম। তবে দুটোই দুই রকম ভাবে ভালো।
Profile Image for Sanowar Hossain.
282 reviews25 followers
July 9, 2023
মানুষ একসময় অরণ্যে বাস করতো। আদিম স্বভাব তার রক্তেই বর্তমান। অরণ্য ছেড়ে নগরের গোড়াপত্তন করে যান্ত্রিকতায় ডুবে গেল তারা। আবার সেই যান্ত্রিকতার যাঁতাকল থেকে বাঁচতে অরণ্যকেই বেছে নিতে হয়। অরণ্য আপন করে নেয় মানুষকে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'অরণ্যের দিনরাত্রি' উপন্যাস শহরের যান্ত্রিকতা থেকে বাঁচতে চাওয়া চার যুবকের অরণ্যভ্রমণ নিয়ে রচিত।

সঞ্জয়, অসীম, শেখর ও রবি চার বন্ধু। কলকাতা শহরের যান্ত্রিক জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছিল তারা। তাই হুট করেই সিদ্ধান্ত নেয় দূরে কোথাও যাবে। যেই ভাবা সেই কাজ। তবে নির্দিষ্ট করে কোনো স্থান নির্বাচন করেনি। ট্রেনে উঠার পর এক ভদ্রলোকের সাথে পরিচয় হয় তাদের এবং সেই লোকটিই ধলভূমগড়ের ঠিকানা দেন। তারাও আর চিন্তা না করে ধলভূমগড় স্টেশনে নেমে পড়ে। স্টেশনকে দেখে নির্জন শ্মশানের মতো মনে হয় তাদের কাছে। জনারণ্য এলাকা তেমন লোকজন নেই। স্টেশনমাস্টারের থেকে তথ্য নিয়ে জানতে পারেন সেখানে থাকার জন্য হোটেল নেই। তবে বনের বাংলোতে থাকা যেতে পারে যদি রিজার্ভ করা থাকে। কিন্তু তাদের রিজার্ভেশন ছিল না। পরিচয় হয় স্থানীয় লখার সাথে। লখার সাহায্য নিয়ে ডাক বাংলোতে মিথ্যা কাগজ দেখিয়ে উঠে তারা।

চার বন্ধুর সকলেরই বেদনাদায়ক অতীত আছে। তারা কেউই সেই বিষয়ে মুখ খুলতে চায় না। ঘটনাচক্রে অরণ্য ভ্রমণকালেই শেখরের সাথে পরিচয় হয় কলেজের সহপাঠী জয়া ও তার বোন অপর্ণার সাথে। জয়ার স্বামী মারা গিয়েছে এবং এই সময়ে জয়া শেখরের নিকটবর্তী হয়। সঞ্জয় একটি কারখানায় চাকরি করে এবং শ্রমিকদের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন। আবার মালিকপক্ষের সাথেও তার সম্পর্ক ভালো। ফলে দোটানায় পড়ে থাকে সবসময়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কলমে অরণ্যের পরিবেশের অপরূপ বর্ননা কাগজের পৃষ্ঠায় উঠে এসেছে। পাঠক চার বন্ধুর সাথে সেই অরণ্যে চলে যাবেন এবং তাদের সাথে ভ্রমণের আনন্দ নিতে আগ্রহী হয়ে উঠবেন।

বইটিতে ভালো লাগার বিষয় হলো বনের অপরূপ বর্ননা। লেখকের বর্ননা পাঠককে অরণ্যের সৌন্দর্যের মাঝে নিয়ে দাঁড় করাবে। গল্পের ক্ষেত্রে হয়তো খুব একটা নতুনত্ব পাবেন না; তবে এক বসায় পড়ে ফেলা যায়। হ্যাপি রিডিং।
Profile Image for Zunaed.
54 reviews120 followers
June 28, 2017
নাগরিক চার বন্ধু শহুরে জীবনের একঘেয়েমি থেকে মুক্তি পেতে রেলে করে বেরিয়ে পড়ে অজানা গন্তব্যে। গন্তব্য হয়ে যায় এক ছোটো শহর, আর তার পাশের অরণ্য। সেই অরণ্যের পাশে গিয়ে দেখা পায় আরো পরিচিতা দুজনের। তাদের জীবনের সাথে জড়ায় স্থানীয় কিছু জীবন। এই নিয়েই গল্প।

উপন্যাসটা ষাটের দশকের। যদ্দূর জানি সেসময় সাঁওতাল পরগণায় বেশ কয়েকবার ঘুরতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে সুনীলের। সে অভিজ্ঞতা থেকেই সম্ভবত বইটা লেখা।

আমার মনে হয়, আমাদের প্রত্যেকের সভ্য জীবন আসলে অভিনয়। আমাদের পূর্বপুরুষের আদিমতা আমরা আজো রক্তে বয়ে চলেছি। সেই আদিমতা বে-আব্রু হয়ে পড়ে এসব জায়গায় গেলে। শহুরে ছয়জনের জীবনেও তা হয়েছে। তাদের জীবনের নানা জটিলতা, নিজস্ব জীবনদর্শন আর আশা-হতাশাকে ঘিরেই এগিয়েছে উপন্যাসটা। সেই দর্শন কখনও ভাবিয়েছে, কখনও আবার আশাবাদী বা হতাশ করেছে তার দার্শনিকটির মতই। সব মিলিয়ে ভালই লেগেছে।
Profile Image for Tiyas.
473 reviews127 followers
August 17, 2022
হঠাৎ ভেবে দেখলাম, কাকাবাবু-সন্তুর গল্পগুলো বাদে সুনীলের একক উপন্যাস সেই অর্থে পড়া হলো কই? সত্যি তো। অগত্যা, নতুন করে শুরুর তাগিদে হঠাৎ অরণ্যে পুনঃপদার্পণ। তবে এ জিনিসের রিভিউ লিখব না আর। এ বই, সাংঘাতিক বই। খুঁজতে বসলে, নাই নাই করে চল্লিশ-পঞ্চাশখানা পাঠ প্রতিক্রিয়া চারিদিকে পাবেন। পাবেন কারণ, খোদ সত্যজিৎ রায় নিজ দায়িত্বে সেটা সম্ভব করে রেখে গিয়েছেন। তবে এতে দোষের কিছু নেই, আমি নিজেও সেই ধর্মে দীক্ষিত। 'অরণ্যের দিনরাত্রি' আমার খুবই প্রিয় ছবি। মূল উপন্যাসখানা পড়ার ইচ্ছে সেই বহুদিন ধরে লালন করে ছিলাম।

তবে স্রেফ সিনেমা রিলিভ করতে চাইলে এ যাত্রায় ঠকে যাবেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রবি ঘোষ, শমিত ভঞ্জদের নিয়ে শুরুটা করেছিলাম বটে, তবে কিছুটা এগিয়েই যেন সকল চেহারা আবছা হয়ে ঘেঁটে যায়। শর্মিলা ঠাকুর, শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়রা আকস্মিক হারিয়ে যায় অরণ্যের অন্তরীনে। বদলে পড়ে রয় একদঙ্গল তরুণ-তরুণীদের ঘোলাটে অবয়ব। আর থাকে জঙ্গুলে পরিবেশে তাদের শহুরে মরালিটির করুন অবক্ষয়। দোসর হিসেবে মেলে, তারুন্যের লাগামহীন উগ্রতা ও নারী-পুরুষের সম্পর্কের রূপকধর্মী সমীকরন।

এই বই পড়তে বসলে তাই পরামর্শ দেব, শেখর, রবি, অসীমদের মত কতকটা বেআব্রু হয়েই প্রবেশ করুন এই জঙ্গলমাঝে। চটি, জুতো, জামা ছেড়ে রেখে এগিয়ে যান অরণ্যের আহ্বানে। আর পারলে ভুলে থাকুন কালজয়ী একটি ছবির কথা। দেখবেন, উপভোগ করছেন এই কাহিনীর একটি ভিন্ন, স্বতন্ত্র স্বত্তা। যা অসাধারন না হলেও, ভীষণ উপভোগ্য। উপন্যাস হিসেবে ভীষণ সার্থক। এবং যথার্থ অর্থে আদিম!
Profile Image for Titu Acharjee.
258 reviews34 followers
July 11, 2023
ভালো লেগেছে। বর্ণনা, গল্প দুটোই ছিল মারাত্মক উপাদেয়।
Profile Image for Momin আহমেদ .
112 reviews49 followers
July 1, 2020
সুনীলের শুরুর দিকে এই লেখা গুলোতে মানুষের মনের ভাব অনেক নগ্ন ভাবে প্রকাশ পায়।কি রকম যেন একটা যৌবনের উগ্রতা থাকে।নারী পুরুষ এর মধ্যে সাবলীল মেলামেশা যা এই লেখা প্রকাশ হওয়ার ৫০ বছর পরেও অস্বাভাবিক লাগে।সুনীলের অ্যামেরিকা থাকাকালীন জীবনের প্রভাব হতে পারে।
গল্পের শুরুটা অনেক ভালো লেগেছিল।চার বন্ধু হঠাৎ কোন কিছু ঠিক না করে টিকেট না করেই রেলে উঠে পরে।যে স্টেশন দেখে ভালো লাগবে সেখানেই নেমে যাবে।এরপর এমন এক আদিবাসি অঞ্চলে চলে যায় যেখানে দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও পাওয়া যায় না।শেষ পর্যন্ত প্রেমদর্শন নিয়ে গভীর আলোচনা একটু বিরক্তই করলো। এছারা আদিবাসীদের আঞ্চলিক ভাষা টা ভালো লাগছে।
Profile Image for Chinmoy Biswas.
175 reviews64 followers
April 9, 2022
গুটিকয়েক মানুষের লেখা আমার হৃদয়কে ছুঁ��়ে দিতে পারে। তাঁদের একজন হলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। আমার জীবনে সবচেয়ে বেশি পড়া বইয়ের লেখকের নাম যদি বলতে যাই,সেখানেও প্রথমে থাকবেন সুনীল। এই মানুষটার প্রতিটা লেখা আমাকে এত টানে। মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়ি। এত মোহময় লাগে। সুনীলের অনেক বই পড়লেও কিছু মাস্টারপিস বই এখনো পড়া হয়ে উঠেনি,তার মধ্যে "অরণ্যের দিনরাত্রি " একটা। একটানা যাতে পড়ে শেষ করা যায়, তাই শুক্রবার সকালে হাতে নিয়েছিলাম। একদিনে প্রায় ১২০ পৃষ্ঠা পড়েছি,বাকিটুকু আজকে শেষ করলাম। ১৬২ পৃষ্ঠার বই।

মূল কাহিনী : শহুরে জীবনে ক্লান্ত হয়ে পড়া চারটি যুবক বেরিয়েছে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে অজানা কোন পরিবেশে। সে সূত্রে তারা এসে পড়ে ধলভূমগড় জঙ্গলে। এটা মূলত সাঁওতালদের জঙ্গল। এই জঙ্গলে এসেই তাদের পরিচয় হয় একটা সম্ভ্রান্ত বাঙালি পরিবারের সাথে। ঐ পরিবারের একটি মেয়ে তাদের বন্ধু ছিল কলেজ জীবনে। গল্পের শুরু এখানে। এরপর ঘটনা নানান দিকে বাক নেয়৷ সেখানে জড়িয়ে পড়ে সাঁওতাল কন্যা দুলি, লখা সহ আরো অনেকে...!

অসাধারণ একটি গল্প। লেখকের বর্ণনা এত দারুণ ছিল মনে হচ্ছিল পুরো জঙ্গলটা আমার সামনে,সব ঘটনা আমার সামনে ঘটছে। তবে শেষের দিকে গিয়ে বেশি নাটুকে হয়ে গেছে,সেটা আরেকটু সুন্দর হতে পারতো। কিন্তু আমি সন্তুষ্ট, আমার অসাধারণ লেগেছে। গল্প পড়া শেষ, এবার বাঙলার আরেক মহারথীর বানানো সিনেমা দেখতে বসব,যেটা এই গল্প থেকেই বানানো।
Profile Image for Arif Zaman.
15 reviews36 followers
September 1, 2018
এই অবকাশ এর মোটামুটি পুরোটা সময় আমি তীব্র সুনীলিত হয়ে ছিলাম। ভালো বাংলা কি হবে জানিনা, অর্থাৎ যাকে বলে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কে নিয়ে ‘অবসেসড’ হয়ে ছিলাম।

অনেকগুলো বই পড়েছি ওঁর। তন্মধ্যে পায়ের তলায় শর্ষে ১, ২ নামক দুইখানা বই রয়েছে, যা কিনা মূলত তার ভ্রমণ জনিত লেখাগুলোর সংকলন। সুনীল যাকে বলে কিনা, ‘দীর্ঘ’ নয় একেবারে বিস্তৃত জীবন পেয়েছিলেন। তার জীবন বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতায় পরিতৃপ্ত।

সুনীলের অরণ্যের জীবনের প্রতি তীব্র আকর্ষণের একধরনের বহিঃপ্রকাশ হল অরণ্যের দিনরাত্রি বইখানা।
কয়েকজন কোলকাতা নিবাসী শহুরে যুবক কিছুদিনের জন্য অচেনা এবং খুব বেশি পরিচিত নয় এমন এক অরণ্যে বেড়াতে যায়।

অরণ্যের আদিমতায় একেবারে উদ্দাম হতে গিয়েও তারা ঘটনাচক্রে নাগরিক জীবনের নাটকীয়তা থেকে খুব বেশি দূরে যেতে পারেনা, শহুরে জীবনের অন্তর্ঘাত তাদের তাড়া করে ফেরে সেই নির্জন বন পর্যন্ত। যাতে নতুন মাত্রা যোগ করে বন সংলগ্ন এক জাঁকজমকপূর্ণ বাড়ির অধিবাসী এক পূর্বপরিচিত মেয়ের পরিবার।

একেবারেই ছোট কলেবরের এই উপন্যাসটি খুব নিপুণ ভাবে কিছু আপাত দৃষ্টিতে উহ্য বিষয় তুলে এনেছে, যার বাহ্যিক বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় সত্যজিৎ রায়ের একই নামে পরিচালিত ফিল্মে। নাগরিক জীবনের কনফ্লিক্টস এবং যান্ত্রিকতার যে রেশ চরিত্রগুলোর সাথে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনায় উঠে আসে, তা নিছক-ই উপন্যাসটির সাধারণ গঠন কে অলঙ্কৃত করবার জন্য নয়- বরং, ফিল্মের সাথে এই বইয়ের এবং সেই সময়ের ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে- তার জের ঔপনিবেশিক আমল পর্যন্ত যায়।

একই কলেবরে পাশাপাশি চলা সাঁওতাল কন্যার সরল আকাঙ্ক্ষা “বাবু, তুই আমাকে কোলকাতায় নিয়ে যাবি?” আর রুণিকে বলা শেখরের উক্তি “তোমাদের আজকালকার মেয়েদের হয়েছে এক ফ্যাশন, সরল কিংবা নিষ্পাপ শুনলে খুশি হওনা, নিজেকে জটিল ও রহস্যময়ী ভাবতে খুব ভালো লাগে তাইনা?”
কিংবা, “এখন কি রকম যেন মনে হচ্ছে, পৃথিবীর একটা নিজস্ব নিয়ম আছে - সেই নিয়ম অনুযায়ীই সব কিছু চলছে, রবির মার খাওয়াটাও তার মধ্যে পরে” এরকম কিছু লাইন নাগরিক জীবনের জটিলতা ও বৈদগ্ধতার দিকেই ইঙ্গিত করে।

এবং, যদিও নাগরিক জীবনের এসব জটিলতা আমার ব্যাক্তিগত ভাবে খুব আগ্রহের বিষয় নয়, কিন্তু, আমি মনে করি এখানেই সুনীলের সার্থকতা। এই ধাঁচের উপন্যাসে এখানেই তিনি হুমায়ুন আহমেদের মত লেখক থেকে আলাদা হয়েছেন- একেবারে সাধারণ গল্পের মাঝেও জীবনের গভীরতার দিকে প্রচ্ছন্ন ইংগিত করে।

তবে যে কারনে বইটি আমার চোখে খুব অসাধারন বই নয়, তার প্রথম কারন যেমনটি বলেছি নাগরিক জীবনের এসব অন্তঘাত আমাকে টানেনা, বরং জীবনের আদিমতাই আমার প্রথম পছন্দ, তাছাড়া দ্বিতীয় কারন হল, এই লেখাটি আরও যত্ন করে আরো একটু বড় কলেবরের করা যেত, এবং ভাষার ও কাহিনীর দুর্বলতা কাটাতে অনেক কাজ করা যেত।

তাহলে এটি ‘আর‍ণ্যক' এর মত মাস্টারপিস হলেও হতে পারতো!
Profile Image for Nabil Muhtasim.
Author 23 books275 followers
January 5, 2019
সুনীলদার প্রথমদিকের লেখাগুলোর একটা প্যাটার্ন আছে। একপাল যুবক, তাদের উশৃঙ্খল লাইফস্টাইল। এ-ই আসল উপজীব্য। এবারও শুরুতেই চার যুবককে দেখে দমে গেছিলাম। কিন্তু পড়তে পড়তে শিরদাঁড়া খাড়া করে বসতে হয়েছে। না, অন্য ক্লিশে বইগুলোর মত তো এ নয়! ওই চারজনের মনের অনেক গভীরে ঢুকে গেছেন সুনীলদা। সাথে ঘটনার ঘনঘটা তো আছেই, আর আছে অরণ্যের বুনো ঘ্রাণ।

এমনি কি আর সত্যজিৎ এই বই নিয়ে সিনেমা বানিয়েছিলেন?
Profile Image for Abhishek Saha Joy.
191 reviews56 followers
July 1, 2020
চার বন্ধু - অসীম,শেখর,রবি আর সঞ্জয়।শহরের কোলাহল ছেড়ে একদিন তারা এসে নামলো ধলভূমগড় নামের এক ছোট্ট গ্রামে।চারজনেরই আছে দুঃসহ অতীত।ধলভূমগড়ের জঙ্গলের ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে,সাঁওতালদের জীবনযাত্রা দেখতে দেখতে তাদের বারবার মনে হতে থাকে তাদের অতীতের দুঃখের কথা।অথচ তারা ভেবেছিলো ইট-পাথরের শহর কলকাতার জঞ্জাল কলকাতাতেই ফেলে আসবে,সাথে করে বয়ে নিয়ে আসবে না।কিন্তু বিভিন্ন ঘটনায় কলকাতা ফিরে আসে বারবার।পরিবর্তন আসে তাদের মাঝে।মাঝেমাঝে আমাদের সবারই তো ইচ্ছে করে সব ছেড়ে ছুঁড়ে বেরিয়ে পড়ি কোথাও নিরিবিলিতে।কিন্তু অতীতের দাগ মোছা খুবই মুশকিল।সুনীলের রচনাশৈলী নিয়ে বলার কিছু নেই।প্রাকৃতিক দৃশ্যের বর্ণনাও ভালো।নাম শুনে ভেবেছিলাম অরণ্যের সাথে জীবনের মিল দেখতে পাবো কিন্তু পেয়েছি জীবনের সাথে জীবনের মিল!
Profile Image for Farhana Lüba.
225 reviews16 followers
November 12, 2025
কী আবোলতাবোল জিনিস পড়লাম -_-
যা বুঝলাম, ছেলেদের ন্যারেটিভে লেখা বই পড়তে আমার একেবারে অসহ্য লাগে।
২ তারা দিয়েছি সুনীল কষ্ট করে এতগুলো পৃষ্ঠা লিখেছে, তাই।
Profile Image for Preetam Chatterjee.
7,191 reviews387 followers
April 22, 2025
#এক্কেবারে পাতে দেওয়ার যোগ্য নয়, gimmik আর hype-এর ডানায় ভর দিয়ে ভেসে থাকা ওভাররেটেড বইয়ের তালিকা :

বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : Overrated মানেই খারাপ না। অনেক সময় বইগুলো cultural বা emotional value-র জন্য বড় হয়ে ওঠে, অথচ সাহিত্যমান হয়তো তেমন উঁচু নয়।

‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ – নাম শুনলেই একটা থমথমে ঝিঁঝিঁধ্বনি বাজে কানে, মাদল বেজে ওঠে কোথাও... কিন্তু গল্পটার ভেতরে ঢুকলে — সে তো যেন আধুনিক বাঙালি পুরুষের বুদ্ধিদীপ্ত midlife crisis-এর সাহিত্যমার্কা পিকনিক, যেখানে introspection আছে, কিন্তু দায়বদ্ধতা নেই।

চলুন, খুঁটিয়ে দেখি, কেমন করে এই "Forest of Existential Bros" বানিয়ে ফেলেছিলেন সুনীল।

১. ‘মেন্টাল পিস’ নামক মুখোশের আড়ালে পুরুষালি গড়বড়: তিনজন educated যুবক (আসলে confused নরজাতি): আশিম, সঞ্জয়, হরি — প্রত্যেকেই চেতনায় আধুনিক, কিন্তু মননে ভীষণ ইনসিকিওর

একটা ছুটি, একটা গাড়ি, একটা জঙ্গল আর কিছু মেয়েকে টুকটাক ঘাঁটাঘাঁটি।

এই হ্যাংআউটটা যেন একদম Calcutta Boys’ Club Retreat – ভাবটা এমন যে জীবনের জট খুলতে এসেছে, অ���চ নিজের ভেতরের জটই চিনতে পারছে না।

“আমরা মেয়েদের বুঝি না, তাই মেয়েরা কী চায় সেটা আমরা ঠিকঠাক অসুস্থ কল্পনায় তৈরি করি।” এই প্রবণতা পুরো উপন্যাসজুড়ে দাপিয়ে বেড়ায়।

২. মেয়েরা কি ‘character’, না ‘catalyst’? দোলা, জয়া, শমী — কেউ আসলে flesh-and-blood character না, বরং পুরুষদের আত্মসমালোচনার মেঝেতে পাতা ছিটে দেওয়া গালিচা। তিনজন পুরুষের তিনরকম মনের সমস্যা — কিন্তু প্রতিটা সমস্যার ‘trigger’ হিসেবেই ব্যবহার হয় একেকটা নারী চরিত্র।

তাদের নিজস্ব মত, ইতিহাস, বা ভয়-লজ্জা-প্রেমের স্পেস কোথায়?

চরিত্রগুলো যেন "যেখানে পুরুষ থামছে, সেখানেই মেয়েরা একটা চোখের পাতা ঝাপটিয়ে তাকে চালিয়ে দিচ্ছে" – অথচ নিজেরা কোনো দিকেই এগোয় না।

৩. নকল বুদ্ধিমানদের সত্যি দুঃখ: ওরা জঙ্গলে আসে নিজেকে খোঁজার জন্য — অথচ প্রতিটা কথোপকথন এতটা ‘quotable’ হয়ে উঠতে চায়, যে আত্মা যেন হাঁপিয়ে ওঠে।

এই উপন্যাসের সবচেয়ে overrated দিক হলো তার pseudo-intellectual murmurings — সুনীলদা যেন চেয়েছেন, প্রত্যেকটা ছেলের কথায় জীবনদর্শনের গন্ধ থাকুক।

কিন্তু বাস্তবে যা দাঁড়ায়, তা হলো – “আমি কষ্ট পাই, তুই কষ্ট পাস, আমরা সবাই urbane, কিন্তু broken.” হায়রে উদাসীন শ্রেণিচ্যুতি – শব্দ বড় বড়, কিন্তু পায়ের নিচে জোর কম।

৪. জঙ্গল: রূপক না wallpaper? : উপন্যাসের নাম ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’, কিন্তু জঙ্গল কেবল একটা backdrop — যেন মধুচন্দ্রিমার হোটেল, যেখানে মোহ ভুলে থাকা যায়।

আমরা আশা করেছিলাম, অরণ্য এখানে একটা চরিত্র হবে — জীবন আর সভ্যতার বাইরের প্রশ্ন তুলে দেবে।

কিন্তু সেটা হয়ে দাঁড়ায় যেন একটা Instagrammable isolation zone, যেখানে হালকা existentialism, হালকা flirting আর একটা দুই লাইনের অনুভূতি।

একটা real “মুকুটমনিপুর” টাইপ weekend getaway যেভাবে চলে, এ উপন্যাস প্রায় তাই — কেবল একদম লাস্টে একটা ঘটনা দিয়ে তাকে 'serious' বানানো হয়েছে।

৫. শেষের পরিণতি: shallow water pretending to be deep: উপন্যাস শেষ হয় হরির এক শকিং অভিজ্ঞতায় — কিন্তু তার প্রতিক্রিয়া, আত্মবিশ্লেষণ, বা পরিবর্তন — সবই যেন মৃদু ঢেউয়ের মতো পড়ে গিয়ে উঠে না।

Yes, সুনীলচন্দ্র এখানে একটা গভীর মুহূর্ত তৈরি করতে চেয়েছেন — যেখানে আমাদের বুঝি “Everything changes now!” মনে হয়।
কিন্তু যেভাবে হরির অভিজ্ঞতা আসে, তা একটা এক্সপোজিশনের মত — না আছে বেদনার ওজন, না আছে নৈতিক দ্বন্দ্বের দগদগে অনুভব।

একদমকদম যেন "এ যেন shallow water pretending to be deep." দেখতে কালো, কিন্তু ছুঁতেই বোঝা যায় — তল তো অনেক আগেই চলে এসেছে।

শেষকথা: শহরের দুঃখ আর যৌবনের মনখারাপ — এই দুয়ের ফিউশন দিয়েই সুনীল লেখেন কিন্তু সব fusion সমান soulful হয় না।

এই উপন্যাসটা যেন একটা ক্যাফে কনভারসেশনের মতন — সুন্দর, স্মার্ট, কিন্তু শেষমেশ বেল বাজলে মনে পড়ে যায়, “আরে, কিছু শিখলাম না তো!”

এটা ভালো লেখা, কিন্তু অতিরিক্ত মর্যাদাপ্রাপ্ত, কারণ এটা এমন একটা সময়ের কথা বলে, যখন বাঙালি middle class যুবকের দুঃখ ছিল সবচেয়ে romantic জিনিস।
Profile Image for Sahadat Hossain.
82 reviews24 followers
November 1, 2019
২০১০-২০১১ সালের দিকে একবার পড়েছিলাম...
তারপর গত ৩ বছর মাঝে মাঝেই মনে পড়ত বইটার কথা...
কিন্তু কার লেখা, কি নাম কিছুতেই মনে করতে পারতাম না...
কিছুক্ষন খোঁজাখুঁজি করতাম, বিফলে যেতাম...
আজ আবার মনে পড়ল... ভাগ্যক্রমে আজকে খুজে পেলাম আবার...
এবং এক সিটিং এই পড়ে শেষ...


বইটা প্রথমবার পড়ার সময় আমার ইচ্ছা হচ্ছিল, তখনই জঙ্গলে চলে যাই।। এবারো ইচ্ছা হচ্ছে চলে যাই কোন জঙ্গলে...
হয়তো যাওয়া হবে না... কখনো জংগলে যাওয়া হয়নাই।। ইচ্ছাটা হয়তো অপূর্নই থেকে যাবে...
যাকুক না ইচ্ছা হয়ে...

কয়েক বছর পর হয়তো আবার মনে পড়বে এই বইটার কথা...
তখন আবার খুঁজে বের করব, আবার পড়ব।।
আবারো জঙ্গলে যাওয়ার ইচ্ছাটা তীব্র হবে...
হয়তো তখন চলে যাবো...

অথবা তার-ও অনেক বছর পর,
কোন এক জঙ্গলে বসেই আবার পড়ব এই বইটা...
Profile Image for Habiba Kamrun.
36 reviews17 followers
July 12, 2021
কলকাতার শহরে জীবনের কোলাহলে হাপিয়ে পড়া চারজন যুবক ছুটি কাটাতে জঙ্গলে এসেছে। এলাকা টা মূলত সাওতাল আদিবাসীদের, শহুরে হাওয়া যেখানে ছিটেফোঁটা পরিমাণই লেগেছে। ফলস্বরূপ পথিমধ্যে এক ভদ্রলোকের থেকে একটা বাংলোর খোঁজ পাওয়া গেলো। উপরি হিসেবে পরিচয় হলো আরেকটি সম্ভ্রান্ত বাঙালি পরিবারের সাথে, সে পরিবারের পুত্রবধূ আবার তাদের একজনের কলেজের পুরোনো বন্ধু। তারুণ্যের রক্তে সবসময় এডভেঞ্চারের নেশা, অজানাকে জানার অদম্য কৌতুহল। হোক সে অচেনা জঙ্গল, আদিবাসী সমাজ / মানুষ এসবের মধ্যেই একেকজন নিজের মতো করে অনন্দ খুঁজে নেয় তারা।
ভ্রমণ কাহিনী পড়তে সবসময়ই ভালো আমার, এই বইটাও এই ব্যতিক্রম নয়৷ শুরু থেকে বইটা যতটা ভালো লাগছিলো, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেরকম ভালো লাগেনি। আরেকটু পরিণতি যেন আশা করছিলাম।
Profile Image for Kumkum Ghosh.
19 reviews5 followers
January 26, 2022
চারজন যুবক একদিন ধলভূমগড় স্টেশনে ট্রেন থেকে নামলো....তারপর...........জন অরণ্য ছেড়ে সত্যিকারের অরণ্যে এসে খসে যায় মুখোশের কারুকাজ.... উন্মুক্ত প্রকৃতি উদ্দাম যাপনের ফুটপাত বদল হতে হতে একসময় ক্লান্ত আত্মার ও যেমন ক্ষণিক বিশ্রামের দরকার হয়; তেমনই এই চার যুবকের ও..অসীম শেখর সঞ্জয় ও রবি...
Profile Image for Monisha Mohtarema.
86 reviews2 followers
January 7, 2024
অরণ্যের দিনরাত্রি । সেখানে একদল যুবক, যারা একেকটি ক্ষেত্রের টাইপ চরিত্র হিসেবে অবস্থান করে। শহরের ব্যস্ততা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিজেদের অরণ্যের মাঝে ডুবিয়ে রাখে। পেছনে ফেলে আসা জীবনের জন্য সদ্য আবির্ভূত গ্লানিগুলো তাদের কুঁড়ে কুঁড়ে খায়; কিন্তু তাদের সেখানেই ফিরতে হয়!
Profile Image for হাসান নাহিয়ান নোবেল.
105 reviews168 followers
February 23, 2018
Screenshot from Aronyer Dinratri

সিলভিয়াদের বাসায় আমার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ হল আড়চোখে বারবার বুকশেলফটার দিকে তাকানো। যদিও ঝুলে থাকা নোটিশটা বেরসিকের মত বলতে থাকে—‘I can lend you money, not books, whoever you are,’ তবু সেই বইয়ের টান এড়ানো কঠিন।

একুশে ফেব্রুয়ারি ওদের বাসায় গিয়েছিলাম একটা কাজে, বুকশেলফটার পাশে মোড়া পেতে বসে ছিলাম। খানিকটা অন্যমনস্কভাবেই সুনীলের এই বইটা টেনে নিয়েছিলাম, যতক্ষণ কাজ নেই ততক্ষণ বই উল্টেপাল্টে দেখা যায়—এই ভেবে। তাই করতে গিয়ে আমি নিজেই উল্টে গেলাম। দুদিন আগে বাপ মরলে রাইফেলটা বাঁচতো দেখে যখন ছেলে আফসোস করতে থাকে, তখন সদ্য ত্রিশ পার করা একটা মানুষের ভেতরের অস্থিরতা খুব সহজেই টের পাওয়া যায়। সুনীলের অনেক উপন্যাসেই এই ব্যাপারটা দেখেছি। অস্থিরতা আমার প্রিয় না, সুতরাং এই উপন্যাসগুলো আমার ভালো লাগার কথা না। তবু যে লাগছে তার কারণ, এবং সম্ভবত একমাত্র কারণ, গল্প বর্ণনায় সুনীলের দক্ষতা। জঙ্গলের মাঝে আদিবাসী একটা মেয়ে রুদ্র চোখে চেয়ে যখন জিজ্ঞেস করে, শহুরে বাবুরা নাচ দেখতে চায় কিনা—তখন আমরা কেবল তার রুদ্র চাহনির কথা ‘পড়ি’ না, সেই কটাক্ষ আমাদের চোখে এসেও ধরা দেয়, ভেতরে গিয়ে একটা ধাক্কাও দেয় বটে।

উফ, সুনীল, সুনীল! ত্রিপুরার রাজকুমারের হাতে কাকাবাবুকে বন্দী করে যেই মানুষটা দশ বছর আগে আমাকে জাদুগ্রস্ত করেছিলেন—সেই একই মানুষের হাত দিয়ে এতখানি অস্থিরতা বের হয়েছে? আবার তিনিই সেই সময়ের মত উপন্যাস লিখেছেন? একটা মানুষের ভেতরে কতগুলো বোধ একসাথে খেলা করতো?
Profile Image for Vishy.
811 reviews287 followers
March 6, 2024
I got Sunil Gangopadhyay's 'Days and Nights in the Forest' many years back when it first came out in English translation. I loved the description of the book on the back cover and that is why I got it. I finally got around to reading it.

Four friends board a train and get down at a small station in the middle of nowhere. There is forest all around. These four friends are all from the big city. They want to stay in the forest for a while and enjoy the quiet and the solitude. But things don't go according to plan. What happens during their stay in the forest is told in the rest of the story.

There is good news and bad news. The good news first. The story sounds quite realistic. The characters in the story feel real. There is no attempt to make the tribal folks, the santals, look exotic. They look like real people. Also Sunil Gangopadhyay's prose is simple and spare and moves the story at a good pace. The pages just flew by!

More good news. There is a beautiful introduction by the translator at the beginning of the book. It is very interesting to read. And the final piece of good news. The description of the book on the back cover. It is exceptional. If you don't believe me, I'll show you. Here is how it reads.

"Set in the turbulent 1960s, 'Days and Nights in the Forest' ('Aranyer Dinratri') was the second novel that a young Sunil Gangopadhyay wrote. Largely autobiographical, it is the story of a whimsical, impromptu journey that four city youths – Ashim, Sanjoy, Shekhar and Robi – take into the forests of Palamau.

The four friends blithely imagine that their escapade into the wilderness will distance them from 'civilization' and take them closer to pristine nature. In reality, the solitude and austere majesty of the forest force them to look deeply into themselves and confront their all-too-human follies and 'civilized' foibles in new, unexpected and frightening ways. As they hear the ominous sound of one tree after another being felled, encounter mercenary traders bent on milking the forest for all it is worth, and see the simmering unrest flickering in the eyes of the tribal inhabitants, they are compelled to look well beyond their own time to a plundered and violated world where the forest can never be a pastoral utopia – a world that is, inexorably and inescapably, our own. They return to Calcutta ineffably changed – sadder, older, more introspective.

'Days and Nights in the Forest' was made into a celebrated film by Satyajit Ray very soon after its publication. Now translated for the first time from the original Bengali into English, this prescient and sophisticated novel remains as sharply relevant more than forty years after it was first written."

It is good, isn't it?

Now, the bad news. I didn't see all these coming out in the book. The story in the way it is told, is not satisfying, there is no conflict between the tribals and civilization (it seems to be a product of the blurb-writer's imagination), I don't remember any scene where trees were felled in the forest or any mercenary traders milking the forest for all it is worth (again seems to be a product of the blurb-writer's imagination). The blurb seems to imply that this story is about the clash between civilization and the pure, pristine, primitive way of living, and it is about how our modern civilization has destroyed the environment. That is a beautiful plot, and I love that plot, and that is the reason I got this book. But this book doesn't have that plot. How there is such a big gap between what the story is and how the blurb writer understood it – I don't know. I remember Amy Tan once telling this story. She said that sometimes she wrote in one of her stories that a character wore a blue shirt. When she later went and read the Cliff Notes of her novel, the Cliff Notes said that this character wore a blue shirt, and that indicates that the character is feeling 'blue', that is she is depressed. Amy Tan said that this was not what she meant at all. She just meant that her character wore a blue shirt. There is no interpretation there, there is no subtext there. It is just a simple case of WYSIWYG (What you see is what you get). The same problem seems to be there in Sunil Gangopadhyay's book. It is a simple story of four young men going to the forest and doing questionable things, but this has been interpreted as a case of the clash of civilizations and environmental devastation. Even if I stretch my imagination, I'm not able to make that leap.

This book was made into a movie by Satyajit Ray. Maybe the movie is better. Maybe all the subtext is there in the movie. Maybe people saw the movie and enjoyed it and projected that interpretation into the text. Who knows. But I'm hoping to watch the movie sometime. It is a Satyajit Ray movie after all. It will be good.

Reading 'Days and Nights in the Forest' was an underwhelming experience for me. Probably because I came with high expectations. I know now that we can't trust the blurb anymore. And if we can't trust the blurb, the only thing we can do is jump blindly into a book, and hope that the risk pays off. It is like jumping into the river and hoping that we'll learn swimming on the way. But reading is less risky. And there are worse ways of spending your time. And you have an opportunity of writing a review like this. So all things considered, it is not that bad.

Have you read 'Days and Nights in the Forest'? What do you think about it?
Profile Image for Ayesha Siddiqua.
87 reviews46 followers
April 3, 2025
প্রথম বর্ষের ফিল্ডওয়ার্ক ছিলো টাঙ্গাইল মধুপুরের গারো অঞ্চলে! জঙ্গল ঘেরা সেই অঞ্চল, আর সহজ জীবনযাপন করা আদিবাসীদের স্মৃতি বারবার মনে পড়ছিলো এই বই পড়ে!
Profile Image for Rashed.
127 reviews27 followers
May 31, 2021
মানুষ জঙ্গল ছেড়ে নগর গড়েছে কিন্তু মনের ভিতরে সে জঙ্গলে থাকতেই পছন্দ করে।

যাহা তাঁর দান,তাহাই আসল। পরিবর্তন করলেই লাগে মেকি।
Profile Image for Jihad Islam Niloy .
43 reviews
March 7, 2025
প্রথম হাফে গল্পটা কতো সুন্দর ছিল।কিছু বন্ধুরা মিলে শহরের কোলাহল ছেড়ে অজানা জঙ্গলে গেল।বিভিন্ন উদ্ভট কান্ড করলো।যেমন :লেংটা হয়ে শুয়ে থাকা ইত্যাদি। তারপরে লেখক কিছু মেয়ে নিয়ে আসলো আর গল্পটার পাইন মেরে দিল।
Profile Image for Puspita.
4 reviews
May 29, 2025
"Aranyer Din Ratri" is not just a story of a forest trip. It’s a subtle, layered novella that reflects on modern Bengali identity, questions the fragility of urban sophistication, and explores human connection in its rawest, most unguarded moments.
Each character faces internal dilemmas and quiet confrontations, where the themes circle around Urban vs. Rural Life, Self-Discovery, Relationships and Sexuality, Alienation and Modernity, and Class and Cultural Gaps.

And of course, Sunil Gangopadhyay’s writing is fluid, introspective, and filled with philosophical undertones here. His dialogues feel strikingly real — laced with wit, sarcasm, and emotional tension... capturing the silent chaos within the human soul.
Profile Image for Hasanul Ferdous.
14 reviews5 followers
May 22, 2020
অরণ্যের দিনরাত্রি- চার বন্ধুর গল্প। নিজেদের অতীতকে ভুলে বর্তমানে বাঁচার গল্প। অতীত থেকে দূরে থাকতে তারা বের হয় অজানার উদ্দেশ্যে, ঘটনাক্রমে পৌঁছে যায় অরণ্যে। শহরের আধুনিকতা সেখানে আঁচ লাগেনি, আদিবাসী বেষ্টিত এক অরণ্য-গ্রাম সেটা। উদ্দেশ্যহীন ভাবে থাকতে গেলেও তাদের জীবনে ঘটে চলে ছোট ছোট ঘটনা, সেসব তাদেরকে নাড়া দেয়। নাড়া দেয় তাদের সংস্পর্শে আসা অন্যান্য চরিত্রদেরও। নতুন করে ভাবতে শেখায়।
বই পড়তে যেয়ে মনে হয়েছে, এরকম একটা জঙ্গলে যেয়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে সব পিছুটান ফেলে থাকতে পারলে ভালোই লাগতো। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের এ উপন্যাসটি সহজ ভাষায় লেখা, পাঠকের জন্যে আরামপাঠ্য। খুব বেশি বড় না, তাই হাতের কাছে বইটি থাকলে যেকোনো সময় পড়া শুরু করে দিতে পারেন, সময়টা ভালোই কাটবে।
এবার এই উপন্যাসের ওপরে বানানো সত্যজিৎ রায়ের সিনেমাটা দেখতে হবে আমার।
Profile Image for Pritha.
99 reviews13 followers
October 31, 2019
ধলভূমগড়ে বেড়াতে আসে চার বন্ধু - সঞ্জয়, রবি, শেখর, অসীম। অরণ্যের গভীরতায় নিজেদের জীবনের সব ঘটনা পিছনে ফেলে হারিয়ে যেতে চেয়েছিল সবাই কয়েকদিনের জন্যে। কিন্তু অরণ্যের ঘটনাবলি যেন ওদেরকে বার বার টেনে নিয়ে যাচ্ছিল ওদের পেছনের দিকে; গ্লানি, দু:খ আর অপ্রাপ্তি থেকে মুক্তি দিতে।

কাহিনী সুন্দরভাবে এগিয়ে গেলেও লিখাটা পূর্ণ মনে হয়নি। খাপছাড়া ভাবটা চোখে লেগেছে বার বার, এড়িয়ে যাওয়া যায়নি কোনো ভাবেই।
Profile Image for Suraeeya.
50 reviews3 followers
December 15, 2023
"যেনো শব্দ শুনতে পাচ্ছে রবি, পট পট করে ওর এক-একটা বাঁধন ছিঁড়ে যাচ্ছে। কলকাতা, তপতী, অফিস, বাবা-মা - সব ছিঁড়ে যাচ্ছে!"

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে আমি লেখক হিসেবে বড়ই ভালোবাসি। সুতরাং সেই ভালোবাসার জায়গা থেকে আমার এক অতৃপ্তির জায়গা হিসেবে দাগ কাটলো "অরণ্যের দিনরাত্রি"।

কোথাও একবার পড়েছিলাম, প্রকৃতির অতি কাছে গেলে মানুষের মেকি সামাজিক আবরণ খসে পরতে চায়। ভেতরের নগ্ন সত্ত্বা বেরিয়ে এসে নকল আস্তরকে গ্রাস করতে চায়, সকল বাঁধন আলগা হয়ে ছিন্ন হতে উদগ্রীব হয়। এই তিনটি লাইন-ই এই বইটির সারমর্ম।

যেই বিষয়টি ভালো লাগেনি, গল্পটি অত্যন্ত চলচ্চিত্রের দৃশ্য স��থানান্তরিত হওয়ার ন্যায় সাজানো। একাধারে বই পড়ার বিষয়টি অনুভব হয়নি। দ্বিতীয়ত, নারী চরিত্রের আবেগের অস্পষ্টতা।

তবুও, প্রকৃতি আমাকে টানে। প্রকৃতির বর্ণনা, রূপ আমাকে বিমোহিত করে। যতবারই প্রকৃতি নিয়ে বিস্তর কোনো লেখা পড়ি ততবারই মনে হয়, “A walk in nature walks the soul back home.”

পড়ছিলাম,
"অরণ্যের দিনরাত্রি"
-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
Displaying 1 - 30 of 85 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.