ইউক্রেনের কিভ শহরে ডাক্তারি পড়তে গেছে অহম। সে দেশের টার্নোপিল শহরে ডাক্তারি পড়তে গেছে রুহি আর আয়েশা। মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার সময় অহমের সঙ্গে আলাপ হয় সিনিয়র দাদা সমুদ্রের, যে নিজের বাবা-মা এবং বাড়ি সম্পর্কে মুখ খোলে না। সমুদ্রের ইউক্রেনীয় প্রেমিকার নাম নাতাশা। প্রেমে পড়ছে অহম আর রুহিও। ঠিক এই সময়ে যুদ্ধ ঘনিয়ে উঠছে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে। সবার প্রথমে বন্ধ হচ্ছে আন্তর্জাতিক উড়ান, তারপর সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে মেডিকেল কলেজও পড়ে। অহম, সমুদ্র, রুহি আর আয়েশা জীবনে প্রথমবার বিমানহানা, ড্রোন হামলা, ক্ষেপণাস্ত্রের আক্রমণের সম্মুখীন হয়। আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রনেতাদের দাবা খেলায় বোড়ে হয়ে যাওয়া এই ছেলেমেয়েরা কি মৃত্যু এড়িয়ে ভারতে ফিরতে পারবে?
ইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি, পিজি হাসপাতাল থেকে।সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্থ ক্যাম্পে।বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশকুড়ি’ পত্রিকায়।শখ: বই পড়া, ফেসবুকে ফার্মভিল এবং হ্যাপি অ্যাকোয়ারিয়াম খেলা, সুদোকু সমাধান।
"...আমাদের সবাই মিলে একে অপরকে জাপটে ধরে থাকলে ওদের নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড উড়ে যাবে, চুমুর অভিঘাতে ধ্বংস হবে বোমারু বিমান। আমাদের আনন্দ-হরমোনের বন্যায় সমস্ত ওয়াচ টাওয়ার, অস্ত্রশস্ত্র, যুদ্ধ-পরিকল্পনা বানচাল হবে। ও পুতিন, আপনি বরং একটা বরফপুতুল বানান। ও জ়েলেনস্কি, আপনি আজ রাতে স্ত্রীকে ডিনার রেঁধে খাওয়ান।বিশ্বাস করুন, খুব আনন্দ পাবেন। আপনাদের মনের মধ্যে ভালবাসার যে গাছটা মরে যাচ্ছে, তাতে জল দিন। প্লিজ...”