What do you think?
Rate this book


Sanskrit Messenger poems evoke the pain of separated sweethearts through the formula of an estranged lover pleading with a messenger to take a message to his or her beloved. The plea includes a lyrical description of the route the messenger will take and the message itself. The first was the Cloud Messenger, composed by Sanskrit's finest poet, Kali-dasa, in the fifth century CE. This inspired the next, the Wind Messenger, composed in praise of King Lakshmana-sena of Gauda (Bengal) in the twelfth century by Dhoyi, one of his court poets. Numerous more followed, including the third in the CSL selection, the sixteenth-century Swan Messenger, composed in Bengal by Rupa Go-svamin, a devotee of Krishna.
Co-published by New York University Press and the JJC Foundation
For more on this title and other titles in the Clay Sanskrit series, please visit http: //www.claysanskritlibrary.org
440 pages, Hardcover
First published January 1, 400
“প্রিয়সহবাসে সুখি প্রেমিকের মন
জলধর দরশনে যদি বিচলিত হয়;
কণ্ঠ-আলিঙ্গনকামী দূরবাসী জন
হইবে বিকলচিত্ত-তাহে কী বিস্ময়!”
“বিলোল-অপাঙ্গ তথা পুরললনার
চপলাচমকত্রস্ত নয়ন চঞ্চল
যদি চিত্ত বিনোদন না করে তোমার
তবে তব জন্ম নিতান্তই বিফল!”
“ললিতললনাপদ অলক্তে অঙ্কিত
কুসুমসুরভি যত অট্টালিকাশিরে
অবন্তীর সুখলক্ষ্মী হেরি বিরজিত
পথশ্রান্তি নিবারণ করিবে অচিরে।”
“শ্রান্তি করি’ দূর সেথা করিও গমন
বননদীতীরজাত কুসুমকাননে
যুথিকোরকে সেচি নব জলকণ,
ছায়াদানে আর যত মালিনীবদনে।”
“নিশায় সেথায় যবে নিবিড় আঁধারে
রুদ্ধালোক রাজপথে প্রণয়-আবেশে
প্রেমিকা যুবতী যত যাবে অভিসারে
নিজ নিজ বল্লভের ভবন-উদ্দেশে,
দেখাইয়ো তো সবারে পথনিদর্শন
নিকষে কনকজ্যোতিঃ বিকাশি' চপলা;
ঢালিয়ো না বারিধারা, কোরো না গর্জন-
অবলা রমণী তারা আতঙ্কে বিহ্বলা।"
“ওগো জলধর, তোমারই মতো সে কাম্য অলকাপুরী,
বিদ্যুৎসম ললিত ললনা শোভে তার বুক জুড়ি!
ইন্দ্রচাপের মতো বিরাজিছে চিত্রসৌধরাশি,
মেঘবারিসম স্বচ্ছ মানিক ওঠে সেথা পরকাশি!
প্রাসাদকক্ষে সংগীতধ্বনি মেঘমৃদঙ্গসম,
আকাশচুম্বী অভ্রেরই মতো সে পুরী তুঙ্গতম!
সেথা, নারীর হস্তে লীলাউৎপল, চিকুরে কুন্দফুল,
কর্ণে তাদের শোভে নিরুপম শিরীষ-কুসুম দুল!
আনন তাহার করিছে শুভ্র লোধ্ররেণুকা মাখি
মাধবীবনের নব কুরুবকে চূড়াপাশ দেছে ঢাকি!
সীঁথিসীমন্ত সাজায়েছে বালা হেম কদম্ব দিয়া,
প্রিয়ের সঙ্গে বিহার করিছে সেথায় যক্ষপ্রিয়া!
তরুরাজি সদা পুষ্পফুল্ল- মদবিহ্বল অলি!
মধুগুঞ্জনে নিত্য রহিছে মধুর বনস্থল,
সেই অলকার সরোরুহে সদা কমল রয়েছে ফুটে,
মেখলার মতো চারুচঞ্চল মরাল যেতেছে ছুটে!
মনোরম সেথা ময়ূরকলাপ-পোষা ময়ূরের কেকা-তিমিরবিহীন যামিনী জুড়িয়া জ্যোৎস্না দিতেছে দেখা!
অশ্রু সেথায় ক্ষরে আনন্দে নাহিক বিষাদভার,
মদনশরের দাহন ব্যতীত পীড়ন নাহি রে আর!
প্রণয়কলহ ব্যতীত সেথায় বিরহ কভু না ঘটে,
সেই সে সুদূর কামনার পুর -কল্পলোকের তটে!
জরার প্রহারে অঙ্গ কখনও জর্জর নাহি হয়-
নরনারী সেথা প্রমোদমুখর- চিরযৌবনময়!”
। [অলকা~জীবনানন্দ দাশ]
“জনৈক যক্ষের কর্মে অবহেলা ঘটলো বলে শাপ দিলেন প্রভু,
মহিমা অবসান, বিরহ গুরুভার ভোগ্য হলো এক বর্ষকাল;
বাঁধলো বাসা রামগিরিতে, তরুগণ স্নিগ্ধ ছায়া দেয় যেখানে,
এবং জলধারা জনকতনয়ার স্নানের স্মৃতি মেখে পুণ্য।
যখন আট মাস কাটলো সে-পাহাড়ে কান্তাবিরহিত কামুকের,
সোনার কঙ্কণ স্খলিত হয়ে তার শূন্য হলো মণিবন্ধ।
দেখলো মেঘোদয় ধূমল গিরিতটে একদা আষাঢ়ের প্রথম দিনে”
“আষাঢ়ের অশ্রুপ্লুত সুন্দর ভুবন।
দেখা দিল চারি দিকে পর্বত কানন
নগর নগরী গ্রাম- বিশ্বসভামাঝে
তোমার বিরহবীণা সকরুণ বাজে।”
[চৈতালী]
"Yaksha, a demigod wishes to send a letter saying 'I am good. Are you, too? Coming home soon. Bye.' to his wife in his home from a hilly jungle where he has been banished for a year due to some misdeeds."