What do you think?


মিতিনমাসি #9
হাতে মাত্র তিনটে দিন
150 pages, Hardcover
Published January 1, 2011
About the author
Suchitra Bhattacharya
164 books254 followersHer writing focuses on contemporary social issues. She is a perceptive observer of the changing urban milieu and her writing closely examines the contemporary Bengali middle class. Crisis in human relationships and the changing values of the present era along with degeneration of the moral fibre of the society in the backdrop of globalisation and consumerism are depicted in her prose. Exploitations and sufferings of women regardless of their social or economic identities find a distinct voice in her writing. While she is famous for her writing on women's issues, she does not consider herself as a feminist. She took up many odd jobs in her early youth and finally joined the public service which she left in 2004 to become a fulltime writer. Her long career is reflected in many of her stories and novels.
Over the past two decades, Suchitra has written about 24 novels and a large number of short stories in different leading Bangla literary magazines. Some of her acclaimed novels are Kachher Manush (Close to Me), Dahan (The Burning), Kacher Dewal(The Wall Of Glass), Hemonter Pakhi(Bird of Autumn), Neel Ghurni, Aleek Shukh(Heavenly happiness), Gabhir Ashukh (A Grave Illness), Uro Megh(Flying Cloud), Chhera Taar, Alochhaya(Shadows Of Light), Anyo Basanto(Another Spring), Parabas, Palabar Path Nei, Aami Raikishori, Rangin Pritibi and Jalchhobi among others. Her novels and short stories have been translated into many Indian languages such as Hindi, Tamil, Telugu, Malayalam, Oriya, Marathi, Gujarati, Punjabi and English. She also writes novels and short stories for children. Her novel Dahan was made into a movie by famous Bengali director, Rituparno Ghosh.
Over the past two decades, Suchitra has written about 24 novels and a large number of short stories in different leading Bangla literary magazines. Some of her acclaimed novels are Kachher Manush (Close to Me), Dahan (The Burning), Kacher Dewal(The Wall Of Glass), Hemonter Pakhi(Bird of Autumn), Neel Ghurni, Aleek Shukh(Heavenly happiness), Gabhir Ashukh (A Grave Illness), Uro Megh(Flying Cloud), Chhera Taar, Alochhaya(Shadows Of Light), Anyo Basanto(Another Spring), Parabas, Palabar Path Nei, Aami Raikishori, Rangin Pritibi and Jalchhobi among others. Her novels and short stories have been translated into many Indian languages such as Hindi, Tamil, Telugu, Malayalam, Oriya, Marathi, Gujarati, Punjabi and English. She also writes novels and short stories for children. Her novel Dahan was made into a movie by famous Bengali director, Rituparno Ghosh.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
May 1, 2026
মাসি এবার যা জব্বর একখান রহস্যভেদ করলো! একদম খাসা। এই গল্প পড়ার পরও মিতিনমাসিকে ভালো লাগবে না এইটা প্রায় অসম্ভব। এইটা নিয়ে নাকি আবার সিনেমাও হয়েছে। তা দেখার একটা বাসনাও এদিকে মনের মধ্যে উঁকি ঝুঁকি মারব মারব করছে। থাক দেখেই ফেলি বরং।
September 15, 2023
"হ্যালো, আমি কী প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জীর সাথে কথা বলতে পারি?"
"আমিই প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জী বলছি। আপনি কে?"
"জ্বি আমি রুস্তমজি জরিওয়ালা।"
কথোপকথনটা অনেকটা এরকমই ছিলো। একজন রুস্তমজি জরিওয়ালা নামের ভদ্রলোক খুঁজছেন প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জীকে। কে এই প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জী? এবং রুস্তমজি তাঁকেই কেনো খুঁজছে? শুরুতেই মনের মধ্যে অনেক প্রশ্ন দিয়ে দিলাম তো! বাংলার বাঘা বাঘা সব গোয়েন্দারা কিন্তু সাহিত্যের পাতায় বেশ জনপ্রিয়।
এবং সবাই ছেলে বা পুরুষ। কিন্তু একটা নারীর পক্ষে কী গোয়েন্দা হওয়া সম্ভব? উত্তরটা হয়তো নব্বই ভাগ মানুষ বলবেন অসম্ভব। গোয়েন্দারা কত মারাত্মক সব কাজ করে ফেলে। পুরুষ হয়ে যা সম্ভব একটা নারী কী করে তা পারবে! আচ্ছা বাংলায় একটা প্রবাদ আছে না?
" যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে "
তাহলে প্রখর বুদ্ধিমত্তা যে নারীর আছে তাঁর সাহস কিন্তু ঠিক তেমনি বিধাতা দিয়ে দেন উপহার। এবং বিশেষ করে বিয়ের পরে সংসার সামলাতে গিয়ে হয়তো বেশিরভাগ মেয়েই হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জী কিন্তু দমে যাননি। ওহ্ প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জী বড্ড কঠিন নাম। তাঁর একটা ডাক নাম আছে মিতিন। বোনঝি টুপুরের প্রিয় মিতিন মাসী।
// কাহিনী সংক্ষেপঃ ইদানিং মিতিন বলা যায় একদম ঘরেই বেশি থাকে। হাতে তেমন কেস নেই। প্রাইভেট ডিকটেকটিভ বা গোয়েন্দা হিসেবে মিতিনের বেশ পরিচিতি হয়েছে। ছেলে বুমবুমকে তাই এই সময়গুলোতে সামলাচ্ছে নিজ হাতে। স্বামী পার্থ বেশ রসিক মানুষ। দিনরাত্রি মিতিনকে কেস নেই বলে মিতিনকে বেশ খেপাচ্ছে।
গরমের ছুটি পড়েছে বলে বোনঝি টুপুর এসে মাসির বাড়ি বেড়াতে। টুপুরের জন্য ভোজনরসিক পার্থ বেশ জমিয়ে খাওয়া দাওয়ার আয়োজনের কথা ভাবছেন। ঠিক তখনই ফোনটা বেজে উঠলো।
ফোন করেছেন কোলকাতার বেশ ধনী ব্যবসায়ী শেঠ রুস্তমজি জরিওয়ালা। তিনি কোলকাতার পার্সি সম্প্রদায়ের মধ্যেও বেশ সম্ভ্রান্ত একজন পার্সি।
রুস্তমজি বেশ চিন্তিত হয়ে কথা বললেন মিতিনের সাথে যে তাঁর একমাত্র ছেলে রৌনক মানে রনি কিডন্যাপ হয়েছে স্কুল থেকে। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার তাঁকে গার্ডিয়ান কার্ড দেখিয়ে তাঁদেরই কালো গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অথচ রুস্তমজি এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। নিজস্ব গাড়ি কীভাবে না জানিয়ে রনিকে আনতে গেলো জানা নেই। ওদিকে কিডন্যাপাররা তিনদিনের সময় দিয়েছে এবং মুক্তিপণ চেয়েছে এক কোটি টাকা।
রুস্তমজির জন্য এই টাকা অবশ্য ব্যাপার না তিনি চান কিডন্যাপাররা ধরা পড়ুক। কিন্তু স্ত্রী লীনা বেশ অখুশি এই ক্ষেত্রে। শত হলেও মায়ের মন, যদি ছেলের কোনো ক্ষতি হয়ে যায়।
রুস্তমজির নাম শুনে পার্থ পর্যন্ত চমকে উঠলো। যে বিরাট ব্যবসায়ী রুস্তমজির কেস নিলে মিতিনের ভালোই লাভ হবে তাই পার্থও বেশ উত্তেজিত।
মিতিন টুপুরের সাথে রনির স্কুলসহ কয়েক জায়গায় তদন্ত করলো। কথা বললো রুস্তুমজির ভাইয়ের সাথেও।
ভাই বেশ অখুশি রুস্তমজিকে নিয়ে। ঝামেলা চলছে। ওদিকে কিডন্যাপাররা তিনদিনের সময় দিয়েছে আবার প্রশ্ন সামনে অনেকগুলো।
তাঁর মধ্যে মিতিন আবিষ্কার করলো যে গাড়িতে রনিকে তুলে নেয়া হয়েছে সেটা আসলে ওদের নিজেদের গাড়ির মতো দেখতে একটা ভাড়া করা গাড়ি। গাড়ির শোরুমের মালিকের আচরণ বেশ সন্দেহজনক। মিতিন বেশ ভাবনায় আছে।
একদিকে তিনদিন সময় মাত্র সাথে অনেকগুলো প্রশ্নের জট পাকিয়ে গেছে। মিতিন কী পারবে ছোট্ট রনিকে বাঁচাতে নাকি তাঁর আগেই সব...............!!
// পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ মিতিন মাসী আমার বেশ পছন্দের একটা সিরিজ। নারীরাও যে গোয়েন্দা হিসেবে মানানসই তা সুচিত্রা ভট্টাচার্য বেশ চেষ্টা করেছেন তুলে ধরতে এবং আমার কাছে চেষ্টা মোটামুটি সফল বলেই মনে হলো।
অনেককে দেখলাম অতিরিক্ত খাবারের বর্ননা দেয়ায় বেশ বিরক্ত প্রকাশ করেছেন। কিন্তু পার্থ যেহুতু খুব ভোজনরসিক তো খাবারের কথা আসলে বোধহয় খুব একটা অপরাধ নেই।
আর গোয়েন্দা গল্প খটখটে রসকষহীন না হয়ে মাঝে মাঝে যদি এরকম দুই একটা উপাদান আসে তো খারাপ কিছু না।
মেয়েরা সাহসী হতে পারে, বুদ্ধিমতী দুটোই হতে পারে। একসাথে ঘর সামলাবে আবার রহস্যভেদ ও করবে। সব মিলিয়ে খারাপ লাগলো না আমার।
ওহ্ এই গল্পটা নিয়ে সম্প্রতি তৈরি হয়েছে সিনেমাও। তবে পরামর্শ থাকবে অবশ্যই আগে বইটা পড়ার।
বইয়ের নামঃ "হাতে মাত্র তিনটে দিন "
লেখিকাঃ সুচিত্রা ভট্টাচার্য
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৩.৯/৫
"আমিই প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জী বলছি। আপনি কে?"
"জ্বি আমি রুস্তমজি জরিওয়ালা।"
কথোপকথনটা অনেকটা এরকমই ছিলো। একজন রুস্তমজি জরিওয়ালা নামের ভদ্রলোক খুঁজছেন প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জীকে। কে এই প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জী? এবং রুস্তমজি তাঁকেই কেনো খুঁজছে? শুরুতেই মনের মধ্যে অনেক প্রশ্ন দিয়ে দিলাম তো! বাংলার বাঘা বাঘা সব গোয়েন্দারা কিন্তু সাহিত্যের পাতায় বেশ জনপ্রিয়।
এবং সবাই ছেলে বা পুরুষ। কিন্তু একটা নারীর পক্ষে কী গোয়েন্দা হওয়া সম্ভব? উত্তরটা হয়তো নব্বই ভাগ মানুষ বলবেন অসম্ভব। গোয়েন্দারা কত মারাত্মক সব কাজ করে ফেলে। পুরুষ হয়ে যা সম্ভব একটা নারী কী করে তা পারবে! আচ্ছা বাংলায় একটা প্রবাদ আছে না?
" যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে "
তাহলে প্রখর বুদ্ধিমত্তা যে নারীর আছে তাঁর সাহস কিন্তু ঠিক তেমনি বিধাতা দিয়ে দেন উপহার। এবং বিশেষ করে বিয়ের পরে সংসার সামলাতে গিয়ে হয়তো বেশিরভাগ মেয়েই হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জী কিন্তু দমে যাননি। ওহ্ প্রজ্ঞা পারমিতা মুখার্জী বড্ড কঠিন নাম। তাঁর একটা ডাক নাম আছে মিতিন। বোনঝি টুপুরের প্রিয় মিতিন মাসী।
// কাহিনী সংক্ষেপঃ ইদানিং মিতিন বলা যায় একদম ঘরেই বেশি থাকে। হাতে তেমন কেস নেই। প্রাইভেট ডিকটেকটিভ বা গোয়েন্দা হিসেবে মিতিনের বেশ পরিচিতি হয়েছে। ছেলে বুমবুমকে তাই এই সময়গুলোতে সামলাচ্ছে নিজ হাতে। স্বামী পার্থ বেশ রসিক মানুষ। দিনরাত্রি মিতিনকে কেস নেই বলে মিতিনকে বেশ খেপাচ্ছে।
গরমের ছুটি পড়েছে বলে বোনঝি টুপুর এসে মাসির বাড়ি বেড়াতে। টুপুরের জন্য ভোজনরসিক পার্থ বেশ জমিয়ে খাওয়া দাওয়ার আয়োজনের কথা ভাবছেন। ঠিক তখনই ফোনটা বেজে উঠলো।
ফোন করেছেন কোলকাতার বেশ ধনী ব্যবসায়ী শেঠ রুস্তমজি জরিওয়ালা। তিনি কোলকাতার পার্সি সম্প্রদায়ের মধ্যেও বেশ সম্ভ্রান্ত একজন পার্সি।
রুস্তমজি বেশ চিন্তিত হয়ে কথা বললেন মিতিনের সাথে যে তাঁর একমাত্র ছেলে রৌনক মানে রনি কিডন্যাপ হয়েছে স্কুল থেকে। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার তাঁকে গার্ডিয়ান কার্ড দেখিয়ে তাঁদেরই কালো গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অথচ রুস্তমজি এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। নিজস্ব গাড়ি কীভাবে না জানিয়ে রনিকে আনতে গেলো জানা নেই। ওদিকে কিডন্যাপাররা তিনদিনের সময় দিয়েছে এবং মুক্তিপণ চেয়েছে এক কোটি টাকা।
রুস্তমজির জন্য এই টাকা অবশ্য ব্যাপার না তিনি চান কিডন্যাপাররা ধরা পড়ুক। কিন্তু স্ত্রী লীনা বেশ অখুশি এই ক্ষেত্রে। শত হলেও মায়ের মন, যদি ছেলের কোনো ক্ষতি হয়ে যায়।
রুস্তমজির নাম শুনে পার্থ পর্যন্ত চমকে উঠলো। যে বিরাট ব্যবসায়ী রুস্তমজির কেস নিলে মিতিনের ভালোই লাভ হবে তাই পার্থও বেশ উত্তেজিত।
মিতিন টুপুরের সাথে রনির স্কুলসহ কয়েক জায়গায় তদন্ত করলো। কথা বললো রুস্তুমজির ভাইয়ের সাথেও।
ভাই বেশ অখুশি রুস্তমজিকে নিয়ে। ঝামেলা চলছে। ওদিকে কিডন্যাপাররা তিনদিনের সময় দিয়েছে আবার প্রশ্ন সামনে অনেকগুলো।
তাঁর মধ্যে মিতিন আবিষ্কার করলো যে গাড়িতে রনিকে তুলে নেয়া হয়েছে সেটা আসলে ওদের নিজেদের গাড়ির মতো দেখতে একটা ভাড়া করা গাড়ি। গাড়ির শোরুমের মালিকের আচরণ বেশ সন্দেহজনক। মিতিন বেশ ভাবনায় আছে।
একদিকে তিনদিন সময় মাত্র সাথে অনেকগুলো প্রশ্নের জট পাকিয়ে গেছে। মিতিন কী পারবে ছোট্ট রনিকে বাঁচাতে নাকি তাঁর আগেই সব...............!!
// পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ মিতিন মাসী আমার বেশ পছন্দের একটা সিরিজ। নারীরাও যে গোয়েন্দা হিসেবে মানানসই তা সুচিত্রা ভট্টাচার্য বেশ চেষ্টা করেছেন তুলে ধরতে এবং আমার কাছে চেষ্টা মোটামুটি সফল বলেই মনে হলো।
অনেককে দেখলাম অতিরিক্ত খাবারের বর্ননা দেয়ায় বেশ বিরক্ত প্রকাশ করেছেন। কিন্তু পার্থ যেহুতু খুব ভোজনরসিক তো খাবারের কথা আসলে বোধহয় খুব একটা অপরাধ নেই।
আর গোয়েন্দা গল্প খটখটে রসকষহীন না হয়ে মাঝে মাঝে যদি এরকম দুই একটা উপাদান আসে তো খারাপ কিছু না।
মেয়েরা সাহসী হতে পারে, বুদ্ধিমতী দুটোই হতে পারে। একসাথে ঘর সামলাবে আবার রহস্যভেদ ও করবে। সব মিলিয়ে খারাপ লাগলো না আমার।
ওহ্ এই গল্পটা নিয়ে সম্প্রতি তৈরি হয়েছে সিনেমাও। তবে পরামর্শ থাকবে অবশ্যই আগে বইটা পড়ার।
বইয়ের নামঃ "হাতে মাত্র তিনটে দিন "
লেখিকাঃ সুচিত্রা ভট্টাচার্য
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৩.৯/৫
February 27, 2025
মিতিনকে খুব ভালো লাগে। এখনকার "আমি শুধু আমারটাই বুঝি এবং আমারটাই আগে বুঝব" ভাবধারার সলিটিউডের পূজারিণী গোছের চরিত্র মিতিন নয়। সে আধুনিকা কিন্তু তবুও সবাইকে নিয়েই চলে। বর্তমানের বাস্তব কোন চরিত্র হলে মিতিন বোধহয় পার্থর করা ইয়ার্কিগুলোকে ইস্যু করে ডিভোর্স ফাইল করে ফেলত কিংবা ফেসবুকে আত্মসম্মান নিয়ে হ্যাজ নামাত।
আকাশকুসুম কথা অনেক হল।
কাহিনিটি এককথায় - দারুণ দারুণ দারুণ। মিতিনমাসির আরেকটি দুর্দান্ত কলকাত্তাইয়া অ্যাডভেঞ্চার। ভ্রমণ কম অ্যাকশন বেশি। ঝাও-ঝিয়েন হত্যারহস্যে যেমন কলকাতার চিনা কমিউনিটি আলোকিত হয়েছে তেমনই এই কাহিনিতে কলকাতার পারসী কমিউনিটি'কে নিয়ে কারবার।
রুস্তমজি নামক এক পারসী ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর ছেলে অপহৃত। হাতে সময় ৭২ঘন্টা বা তিনটে দিন। পুলিশের শরণাপন্ন না হয়ে মিতিনের কাছে সাহায্য চায় রুস্তমজি। অতঃপর স্টেপ বাই স্টেপ ইনভেস্টিগেশন, অ্যানালিসিস, সন্দেহভাজনের তালিকা প্রস্তুতি, ট্রায়াল এন্ড এরর, খোঁজখবর, কিছু গ্রাউন্ড অ্যাকশন এবং মধুরেণসমাপয়েৎ।
তবে বুদ্ধিমান পাঠক শেষের কিছু আগেই ধরে ফেলতে পারবে কে আসল কালপ্রিট।
কলকাতার বুকে খাস লালবাজার অঞ্চলে পারসীদের অগ্নিমন্দির রয়েছে তা জানা গেল এতদিনে! অথচ, নিজে ২৫ বছর কলকাতায় থেকেও জানতে পারিনি। ইনফো ডাম্পিং বলা হোক আর যাই হোক, এগুলোই কাহিনির বাস্তব সার্থকতা।
আকাশকুসুম কথা অনেক হল।
কাহিনিটি এককথায় - দারুণ দারুণ দারুণ। মিতিনমাসির আরেকটি দুর্দান্ত কলকাত্তাইয়া অ্যাডভেঞ্চার। ভ্রমণ কম অ্যাকশন বেশি। ঝাও-ঝিয়েন হত্যারহস্যে যেমন কলকাতার চিনা কমিউনিটি আলোকিত হয়েছে তেমনই এই কাহিনিতে কলকাতার পারসী কমিউনিটি'কে নিয়ে কারবার।
রুস্তমজি নামক এক পারসী ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর ছেলে অপহৃত। হাতে সময় ৭২ঘন্টা বা তিনটে দিন। পুলিশের শরণাপন্ন না হয়ে মিতিনের কাছে সাহায্য চায় রুস্তমজি। অতঃপর স্টেপ বাই স্টেপ ইনভেস্টিগেশন, অ্যানালিসিস, সন্দেহভাজনের তালিকা প্রস্তুতি, ট্রায়াল এন্ড এরর, খোঁজখবর, কিছু গ্রাউন্ড অ্যাকশন এবং মধুরেণসমাপয়েৎ।
তবে বুদ্ধিমান পাঠক শেষের কিছু আগেই ধরে ফেলতে পারবে কে আসল কালপ্রিট।
কলকাতার বুকে খাস লালবাজার অঞ্চলে পারসীদের অগ্নিমন্দির রয়েছে তা জানা গেল এতদিনে! অথচ, নিজে ২৫ বছর কলকাতায় থেকেও জানতে পারিনি। ইনফো ডাম্পিং বলা হোক আর যাই হোক, এগুলোই কাহিনির বাস্তব সার্থকতা।
October 17, 2023
হাতে মাত্র তিনটে দিন,অনেক দিন পরে একটি সুন্দর বই পড়লাম।গল্পের শুরু থেকে শেষ অবধি পাঠককে মোহিত করার ক্ষমতা আছে,এই জন্য লেখিকা প্রশংসার দাবীদার। এই গল্পে মিতিন মাসি কেস সলভ করার জন্য যে কর্মযজ্ঞ চালিয়েছেন, তা সত্যি প্রশংসনীয়।
মূলত এটি গোয়েন্দা ধাঁচের বই কিন্তু এইখানে অন্যান্য জ্ঞান যেমন,কলকাতাতে পারসিকদের অবস্থান এবং জরথ্রুস্ট ধর্ম এর আচার-আচরণ নিয়ে অনেক ইনফরমেশন পাওয়া যায়।
রনি নামের এক পারসিক বালকের অপহরণ নিয়ে এই গোয়েন্দা গল্পটি।
লেখিকা যথেষ্ট সাসপেন্স রেখেছেন পুরো গল্প জুড়ে, এইজন্য গল্পটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
#গোয়েন্দা গল্প বা কাহিনি যেমন হলে,পাঠক উপভোগ করবেন,গল্পটি ঠিক তেমনই।আমার তো ভালোই লেগেছে।#
মূলত এটি গোয়েন্দা ধাঁচের বই কিন্তু এইখানে অন্যান্য জ্ঞান যেমন,কলকাতাতে পারসিকদের অবস্থান এবং জরথ্রুস্ট ধর্ম এর আচার-আচরণ নিয়ে অনেক ইনফরমেশন পাওয়া যায়।
রনি নামের এক পারসিক বালকের অপহরণ নিয়ে এই গোয়েন্দা গল্পটি।
লেখিকা যথেষ্ট সাসপেন্স রেখেছেন পুরো গল্প জুড়ে, এইজন্য গল্পটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
#গোয়েন্দা গল্প বা কাহিনি যেমন হলে,পাঠক উপভোগ করবেন,গল্পটি ঠিক তেমনই।আমার তো ভালোই লেগেছে।#
April 30, 2023
মিতিনমাসি ২০১৯ সিনেমাটি ওটিটিতে সম্প্রতি রিলিজ করেছে দেখে সিনেমাটি ডাউনলোড করলাম। তবে সিনেমার গল্পটি মিতিন মাসির 'হাতে মাত্র তিনটে দিন' থেকে নেওয়া হয়েছে জেনে আগে গল্পটি পড়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। এবং বলা বাহুল্য অসাধারণ লাগলো। মিতিনমাসির গল্প আগে কেন পড়িনি সেটা ভেবে এখন আফসোস হচ্ছে। এবারে দুই খন্ড মিতিন মাসি সমগ্র, পালাবার পথ নেই ও পাঁচ মিতিন পরপর পড়ে ফেলার পালা
August 21, 2020
মিতিন মাসি সিরিজের অন্যতম সেরা বই।
December 24, 2020
The movie 'Mitin Masi' cast by Koel Mollik and others is made based on it.
June 2, 2021
Suchitra Bhattacharya's Mitin Mashi never disappoints and that is the case with this story too.
February 1, 2018
এক্সামের পরের ছুটিতে মিতিন মাসির বাড়িতে বেড়াতে এসেছে টুপুর। বেশ অনেকদিন ধরে মিতিন মাসি কোনো কেস পায় নি বলে ক্ষ্যাপানো শুরু করেছে পার্থ মেসো। মিতিন মাসি নির্লিপ্ত থেকে বুমবুমকে নিয়ে খাটছে। সেদিন সন্ধ্যার পর পর মিতিন মাসির ফোন আসল। লোকটার নাম শুনে স্বয়ং পার্থ মেসো পর্যন্ত চমকে ওঠল। শেঠ রুস্তমজি জরিওয়ালা। কলকাতার সেরা ব্যাবসায়ীর একজন। সম্ভ্রান্ত পারসি।
ঘটনাচক্রে জানা গেল রুস্তমজির ছেলে রৌনক (রনি) কে কিডন্যাপ করা হয়েছে। কিডন্যাপার এক কোটি টাকা দাবি করছে। টাকাটা রুস্তমজির জন্য তেমন কিছু না, কিন্তু তিনি চাইছেন কিডন্যাপারর ধরা পড়ুক। এদিকে রুস্তমজীর স্ত্রী লীলা ডিটেকটিভদদের আগমনটা পছন্দ করেনি। হাজার হোক মায়ের মন।
রনি, সেন্ট পিটার্স স্কুলে ক্লাস ফোরে পড়ে। স্কুলের কড়া নিয়ম কানুনের মাঝখান থেকে সোজা হাপিশ হয়ে গেল যেন সে। স্কুলের কমিটি জানাল, কার্ড দেখিয়েই তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাদের কালো বি এম ডব্লিউ গাড়িতেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে কিডন্যাপাররা সময় দিয়েছে মাত্র তিনদিন। ফোনটা এসেছে একটা পাবলিক টেলিফোন বুঁদ থেকে। কাজে লেগে গেল মিতিন মাসি, জানা গেল আসলেই নিজেদের গাড়িতে করে রনি গিয়েছিল সেদিন। কিন্তু মজার একটা তথ্য হাতে পড়ল, গাড়িটা যদিও রনিদের গাড়ির মতোই দেখতে, কিন্তু আসলে গাড়িটা তাদের না!...
ভাইয়ের সাথে মনোমালিন্য চলছে রুস্তমজির। কিন্তু তার সাথে কেইসের কোনো সম্পর্ক করতে পারল না মিতিন মাসি। এদিকে জুটেছে দ্বিজেন হালদার, যার কোম্পানি থেকে কিডন্যাপেরর গাড়িটা ভাড়া করা হয়েছে। জানা গেল গাড়িটা ভাড়া করা হয়েছে রুস্তমজির অফিস থেকেই। কিন্তু রুস্তমজি এই সম্পর্কে ওয়াকিবহল না।
তবে কে আসল কিডন্যাপার? রুস্তুমজির ভাই? দ্বিজেন হালদার কি মিথ্যে বলছে? নাকি অন্য কেউ কলকাঠি নাড়ছে পেছন থেকে! মিতিন মাসি কি পারবে কিডন্যাপারকে ধরতে নাকি বেঘোরে প্রাণ যাবে রনির...? হাতে তিনটে মাত্র দিন!
#বইটার_ভালো_লাগা_যা_কিছু
মিতিন মাসি একটা ক্রাস😍😍.. টুপুর সঙ্গী হিসেবে বেশ ভাল। বইটাতে পারসিদের কলকাতার আগমন, শেকড় গেড়ে বসার কারণ এসব নিয়ে বেশ কড়া আলোচনা করা হয়েছে যা জ্ঞান বাড়াতে সহায়ক। মিতিন মাসি ঘোরালো পথে না গিয়ে স্বাভাবিক ভাবে হেঁটেছেন। পরিবার আর কাজ দুটিকেই সামলাতে পারে নারীরা। নারীবাদী চরিত্রটা একটা ভালোবাসা..💜💜💜 সুচিত্রার ভাষা অসাধারণ। সাধারণ জিনিসটাকে এত সুন্দর করে বলেন। বেশ আগ্রহ জাগায় সবটা জানতে। বইটার শেষদিকে একটা বড় ধরনের টুইস্ট আছে। সেটাি সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে।
#বইটার_ভালো_না_লাগা
বইটাতে এত বেশি খাবারের বর্ণনা দেয়া। তিন চার পেইজ পর পর তারা খায়.. বুমবুমকে বরাবরের মতোই দুই তিন লাইনের বেশি পুরো বই এ আনেনি। এই বইটার দুই তিনটা পেইজে শেঠরুস্তমজিসাহেব, পার্থমেসোররসিকতা এধরনের স্পেস ছাড়া কয়েকটা শব্দ পেয়েছি।
ঘটনাচক্রে জানা গেল রুস্তমজির ছেলে রৌনক (রনি) কে কিডন্যাপ করা হয়েছে। কিডন্যাপার এক কোটি টাকা দাবি করছে। টাকাটা রুস্তমজির জন্য তেমন কিছু না, কিন্তু তিনি চাইছেন কিডন্যাপারর ধরা পড়ুক। এদিকে রুস্তমজীর স্ত্রী লীলা ডিটেকটিভদদের আগমনটা পছন্দ করেনি। হাজার হোক মায়ের মন।
রনি, সেন্ট পিটার্স স্কুলে ক্লাস ফোরে পড়ে। স্কুলের কড়া নিয়ম কানুনের মাঝখান থেকে সোজা হাপিশ হয়ে গেল যেন সে। স্কুলের কমিটি জানাল, কার্ড দেখিয়েই তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাদের কালো বি এম ডব্লিউ গাড়িতেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে কিডন্যাপাররা সময় দিয়েছে মাত্র তিনদিন। ফোনটা এসেছে একটা পাবলিক টেলিফোন বুঁদ থেকে। কাজে লেগে গেল মিতিন মাসি, জানা গেল আসলেই নিজেদের গাড়িতে করে রনি গিয়েছিল সেদিন। কিন্তু মজার একটা তথ্য হাতে পড়ল, গাড়িটা যদিও রনিদের গাড়ির মতোই দেখতে, কিন্তু আসলে গাড়িটা তাদের না!...
ভাইয়ের সাথে মনোমালিন্য চলছে রুস্তমজির। কিন্তু তার সাথে কেইসের কোনো সম্পর্ক করতে পারল না মিতিন মাসি। এদিকে জুটেছে দ্বিজেন হালদার, যার কোম্পানি থেকে কিডন্যাপেরর গাড়িটা ভাড়া করা হয়েছে। জানা গেল গাড়িটা ভাড়া করা হয়েছে রুস্তমজির অফিস থেকেই। কিন্তু রুস্তমজি এই সম্পর্কে ওয়াকিবহল না।
তবে কে আসল কিডন্যাপার? রুস্তুমজির ভাই? দ্বিজেন হালদার কি মিথ্যে বলছে? নাকি অন্য কেউ কলকাঠি নাড়ছে পেছন থেকে! মিতিন মাসি কি পারবে কিডন্যাপারকে ধরতে নাকি বেঘোরে প্রাণ যাবে রনির...? হাতে তিনটে মাত্র দিন!
#বইটার_ভালো_লাগা_যা_কিছু
মিতিন মাসি একটা ক্রাস😍😍.. টুপুর সঙ্গী হিসেবে বেশ ভাল। বইটাতে পারসিদের কলকাতার আগমন, শেকড় গেড়ে বসার কারণ এসব নিয়ে বেশ কড়া আলোচনা করা হয়েছে যা জ্ঞান বাড়াতে সহায়ক। মিতিন মাসি ঘোরালো পথে না গিয়ে স্বাভাবিক ভাবে হেঁটেছেন। পরিবার আর কাজ দুটিকেই সামলাতে পারে নারীরা। নারীবাদী চরিত্রটা একটা ভালোবাসা..💜💜💜 সুচিত্রার ভাষা অসাধারণ। সাধারণ জিনিসটাকে এত সুন্দর করে বলেন। বেশ আগ্রহ জাগায় সবটা জানতে। বইটার শেষদিকে একটা বড় ধরনের টুইস্ট আছে। সেটাি সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে।
#বইটার_ভালো_না_লাগা
বইটাতে এত বেশি খাবারের বর্ণনা দেয়া। তিন চার পেইজ পর পর তারা খায়.. বুমবুমকে বরাবরের মতোই দুই তিন লাইনের বেশি পুরো বই এ আনেনি। এই বইটার দুই তিনটা পেইজে শেঠরুস্তমজিসাহেব, পার্থমেসোররসিকতা এধরনের স্পেস ছাড়া কয়েকটা শব্দ পেয়েছি।
Displaying 1 - 11 of 11 reviews












