Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following W.B.Yeats.
Showing 1-3 of 3
“যখন তুমি বুড়ো
যখন তুমি জীর্ণ এবং ধূসর ঘুমে পরিপূর্ণ,
এই আগুনের পাশে অল্প সময়ের জন্য,
বইটা হাতে ধরো,
এবং
ধীরে ধীরে পড়ো,
যে কোমল সুরৎ (বর্ণ) স্বপ্ন দেখো তুমি-
উপচে পড়েছিল চোখ থেকে চুমি,
অতঃপর, তাদের প্রতিচ্ছায়াও গভীর;
কতলোক আহ্লাদের চটুলতায় ভেসে গিয়ে ভালোবাসতো তোমাকে,
সত্যের মিথ্যার সাথে মিথ্যার কপট সততায়-
ভালোবাসতো স্রেফ তোমার রূপকে,
কিন্তু একজন, তোমার নবাগত আত্মাকে তীর্থযাত্রী রূপে
ভালোবাসায় লিপ্ত,
তোমার মুখের বাঁকে বাঁকে যে দুঃখ (যা আমারও অচেনা)-
তাকেও ভালোবাসতো নির্লিপ্ত;
প্রদীপ্ত কারাগারের পাশে নুয়ে পড়া গুঞ্জন,
ফ্যাসাদ, একটু দুঃসময়, (যাই-হোক) পালিয়ে গেলো প্রেম
উদ্ভাসিত পর্বতে
এবং
তারার ভিড়ে সে তাঁর মুখ লুকালো।”
―
যখন তুমি জীর্ণ এবং ধূসর ঘুমে পরিপূর্ণ,
এই আগুনের পাশে অল্প সময়ের জন্য,
বইটা হাতে ধরো,
এবং
ধীরে ধীরে পড়ো,
যে কোমল সুরৎ (বর্ণ) স্বপ্ন দেখো তুমি-
উপচে পড়েছিল চোখ থেকে চুমি,
অতঃপর, তাদের প্রতিচ্ছায়াও গভীর;
কতলোক আহ্লাদের চটুলতায় ভেসে গিয়ে ভালোবাসতো তোমাকে,
সত্যের মিথ্যার সাথে মিথ্যার কপট সততায়-
ভালোবাসতো স্রেফ তোমার রূপকে,
কিন্তু একজন, তোমার নবাগত আত্মাকে তীর্থযাত্রী রূপে
ভালোবাসায় লিপ্ত,
তোমার মুখের বাঁকে বাঁকে যে দুঃখ (যা আমারও অচেনা)-
তাকেও ভালোবাসতো নির্লিপ্ত;
প্রদীপ্ত কারাগারের পাশে নুয়ে পড়া গুঞ্জন,
ফ্যাসাদ, একটু দুঃসময়, (যাই-হোক) পালিয়ে গেলো প্রেম
উদ্ভাসিত পর্বতে
এবং
তারার ভিড়ে সে তাঁর মুখ লুকালো।”
―
“তিন ঝাড়
বলল রমণী একদা প্রিয়েরে তার,
‘হায়, সেই প্রেমে আস্থা রাখে না কেউ
যে-প্রেমে সঠিক খাদ্য অপ্রতুল;
আর, যদি তুমি হারাও সে-প্রেমকেই
গাইবে কীভাবে আর ও-প্রেমের গান?
ত্রুটি যে আমার সত্যিই অতিকায়।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘কক্ষে তোমার প্রদীপ রেখো না জ্বেলে,’
বলে রমণীয়া রমণী সে পুনরায়,
‘গোপনে, যখন রাত্রি দ্বিপ্রহর,
আসব তোমার অপেক্ষ শয্যায়,
নিজেকেই নিজে যদি তা করতে দেখি,
মনে হয়, আমি ম’রে যাব লজ্জায়।’
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘গোপনে গোপনে ভালবাসি আমি তাকে,
দাসী রে আমার, বলি তোকে, বলল সে,
‘আমি জানি, আমি ম’রে যাব বুক ফেটে
যদি সে তিলেক আমাকে ভালো না বাসে,
কিন্তু আমার শুচিতা নিছনি দিলে
তখনই-বা প্রাণ ধরব কীভাবে, কীসে?
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘কাজেই, তোকেই শুতে হবে তার পাশে,
ও যেন ভাবতে পারে যে আমিই সেটা।
আর, মনে হয়, আমরা সবাই একই
জ্বলে না যখন কোনোই প্রদীপ সেথা,
আর, মনে হয়, আমরা সবাই একই
যখন শরীর- ঢাকা নয় পোশাকে তা।’
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
না-ডাকতে কোনো কুকুর, ঘণ্টা-ধ্বনি
মধ্যরাতের- শুনে সে বলত নিজে,
‘ভাগ্যে মাথায় এসেছিল চিন্তাটা,
কী-সুখী আমার প্রিয়েরে দেখাচ্ছে যে’;
অথচ যখন দাসীটিকে সারাদিন
ঝিমাতে দেখত- ব্যথা কি উঠত বেজে?
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘না, আর কোনোও গান নয়,’ বলল সে,
‘কেননা প্রেয়সী এসেছিল চুপিসারে
এক-সাল আগে পয়লাবারের মতো
দুপুর-রাতের প্রহরে আমার ঘরে,
এবং ঘড়ির ঘণ্টাটি বাজলেই
শুতে যে হবেই আমাকে চাদর মুড়ে।’
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘হাসি-কান্নার গান, পবিত্র গান,
কামনার গান’- বলেছিল লোকগুলো।
কেউ কি কখনও শুনেছে অমোন গান?
না- কেবল তারা সেইদিনই শুনেছিল।
কেউ কি অমোন হাঁকিয়েছে ঘোড়া আর?
না- শুধু সেদিন সে-ই তা হাঁকিয়েছিল।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
কিন্তু যেমনি ঘোড়াটির এক খুর
ইঁদুর-গর্তে গেল বিলকুল ঢুকে,
মাথা নীচে দিয়ে প’ড়েই সে ম’রে গেল
তার প্রেয়সীর চ’ক্ষের সম্মুখে-
হায় সে-ও ম’রে গেল যে তৎক্ষণাৎ,
এমনই আঘাত বেজেছিল তার বুকে।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
দাসীটি কেবল বহুদিন বেঁচে তার
কবর-দু’টির তদারকি করে, আর
দু’-কবরে দু’টি বুনেছিল সে যে ঝাড়;
যখন সেগুলি বড় হ’ল, তো সবার
মনে হ’ত, একই শিকড়ে তাদের বাড়,
গোলাপও তাদের মিলেমিশে একাকার।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
যখন দাসীর মরণের এল কাল,
পুরুত এসেছে তার পাপ-নিরাময়ে,
গোপন যা-কিছু ক’য়ে দিল বুড়ি তায়।
তাকিয়ে থাকল মুখে তার মূক হ’য়ে
পুরোহিত, আর সে ছিল সমঝদার,
বুড়িটার কথা শুনেছিল সে হৃদয়ে।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
কবর দিতে সে বলল সে-দাসীটার
তার কর্ত্রীর প্রিয়ের অপর পাশে,
তার কবরেও লাগাল গোলাপঝাড়,
আর তারপর যে-কেউ সেখানে আসে
গোলাপ তুলতে ঝাড়গুলি থেকে, কার
শিকড় কোথায়, জানতেই পারে না সে।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।”
― Irish Fairy Tales
বলল রমণী একদা প্রিয়েরে তার,
‘হায়, সেই প্রেমে আস্থা রাখে না কেউ
যে-প্রেমে সঠিক খাদ্য অপ্রতুল;
আর, যদি তুমি হারাও সে-প্রেমকেই
গাইবে কীভাবে আর ও-প্রেমের গান?
ত্রুটি যে আমার সত্যিই অতিকায়।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘কক্ষে তোমার প্রদীপ রেখো না জ্বেলে,’
বলে রমণীয়া রমণী সে পুনরায়,
‘গোপনে, যখন রাত্রি দ্বিপ্রহর,
আসব তোমার অপেক্ষ শয্যায়,
নিজেকেই নিজে যদি তা করতে দেখি,
মনে হয়, আমি ম’রে যাব লজ্জায়।’
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘গোপনে গোপনে ভালবাসি আমি তাকে,
দাসী রে আমার, বলি তোকে, বলল সে,
‘আমি জানি, আমি ম’রে যাব বুক ফেটে
যদি সে তিলেক আমাকে ভালো না বাসে,
কিন্তু আমার শুচিতা নিছনি দিলে
তখনই-বা প্রাণ ধরব কীভাবে, কীসে?
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘কাজেই, তোকেই শুতে হবে তার পাশে,
ও যেন ভাবতে পারে যে আমিই সেটা।
আর, মনে হয়, আমরা সবাই একই
জ্বলে না যখন কোনোই প্রদীপ সেথা,
আর, মনে হয়, আমরা সবাই একই
যখন শরীর- ঢাকা নয় পোশাকে তা।’
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
না-ডাকতে কোনো কুকুর, ঘণ্টা-ধ্বনি
মধ্যরাতের- শুনে সে বলত নিজে,
‘ভাগ্যে মাথায় এসেছিল চিন্তাটা,
কী-সুখী আমার প্রিয়েরে দেখাচ্ছে যে’;
অথচ যখন দাসীটিকে সারাদিন
ঝিমাতে দেখত- ব্যথা কি উঠত বেজে?
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘না, আর কোনোও গান নয়,’ বলল সে,
‘কেননা প্রেয়সী এসেছিল চুপিসারে
এক-সাল আগে পয়লাবারের মতো
দুপুর-রাতের প্রহরে আমার ঘরে,
এবং ঘড়ির ঘণ্টাটি বাজলেই
শুতে যে হবেই আমাকে চাদর মুড়ে।’
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
‘হাসি-কান্নার গান, পবিত্র গান,
কামনার গান’- বলেছিল লোকগুলো।
কেউ কি কখনও শুনেছে অমোন গান?
না- কেবল তারা সেইদিনই শুনেছিল।
কেউ কি অমোন হাঁকিয়েছে ঘোড়া আর?
না- শুধু সেদিন সে-ই তা হাঁকিয়েছিল।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
কিন্তু যেমনি ঘোড়াটির এক খুর
ইঁদুর-গর্তে গেল বিলকুল ঢুকে,
মাথা নীচে দিয়ে প’ড়েই সে ম’রে গেল
তার প্রেয়সীর চ’ক্ষের সম্মুখে-
হায় সে-ও ম’রে গেল যে তৎক্ষণাৎ,
এমনই আঘাত বেজেছিল তার বুকে।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
দাসীটি কেবল বহুদিন বেঁচে তার
কবর-দু’টির তদারকি করে, আর
দু’-কবরে দু’টি বুনেছিল সে যে ঝাড়;
যখন সেগুলি বড় হ’ল, তো সবার
মনে হ’ত, একই শিকড়ে তাদের বাড়,
গোলাপও তাদের মিলেমিশে একাকার।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
যখন দাসীর মরণের এল কাল,
পুরুত এসেছে তার পাপ-নিরাময়ে,
গোপন যা-কিছু ক’য়ে দিল বুড়ি তায়।
তাকিয়ে থাকল মুখে তার মূক হ’য়ে
পুরোহিত, আর সে ছিল সমঝদার,
বুড়িটার কথা শুনেছিল সে হৃদয়ে।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।
কবর দিতে সে বলল সে-দাসীটার
তার কর্ত্রীর প্রিয়ের অপর পাশে,
তার কবরেও লাগাল গোলাপঝাড়,
আর তারপর যে-কেউ সেখানে আসে
গোলাপ তুলতে ঝাড়গুলি থেকে, কার
শিকড় কোথায়, জানতেই পারে না সে।
ও প্রিয় আমার, ও প্রিয় আমার।”
― Irish Fairy Tales
“Before us lies eternity our souls
are love and a continual farewell”
―
are love and a continual farewell”
―




