Goodreads helps you follow your favorite authors. Be the first to learn about new releases!
Start by following মোহনা সেতু.
Showing 1-8 of 8
“একটি শিশুর জন্মের মুহূর্ত থেকেই জীবন সহজাতভাবেই একটি বন্দীশালা, দাসত্ব ও পীড়ন (দুর্ভোগ)। এজন্য একজন শিশুকে অস্তিত্বে আনা হবে চরম অনৈতিক।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
“যদি নতুন শিশু (সত্তা) সৃষ্টি করা না হয় তাহলে যথেষ্ট দাস বা কর্মী থাকবে না এবং এটা দ্বিতীয় ধরনের (স্বার্থপর) মানুষদের জন্য জীবনকে আরো কঠিন ও উপভোগ অযোগ্য করে তুলবে।
এর ফলে সমাজ,সম্প্রদায়, দেশ এবং বাকি সকল সিস্টেম ভেঙে পড়বে ( টিকে থাকবে না)।
আর দ্বিতীয় ধরনের লোকেরা এমনটা হওয়ার ভয়েই থাকে।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
এর ফলে সমাজ,সম্প্রদায়, দেশ এবং বাকি সকল সিস্টেম ভেঙে পড়বে ( টিকে থাকবে না)।
আর দ্বিতীয় ধরনের লোকেরা এমনটা হওয়ার ভয়েই থাকে।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
“মানুষ চায় ক্রমাগত মানুষের জন্ম হতে থাকুক, যাতে তাদের পরোক্ষ কাজের দাস হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
মানুষ আরো চায়,
(ক) এমন একটি অব্যর্থ সিস্টেম যাতে কেউ চাকরি ছাড়তে না পারে তা নিশ্চিত করা যায়।
(খ) তাদেরকে মগজধোলাই করা হোক যাতে তারা বিশ্বাস করে, আত্মহত্যা করা উচিৎ নয়। আর এই মগজধোলাই এতোটা গভীর হবে যে, তারা বুঝতেই পারবে না তাদের মগজধোলাই করা হয়েছে। এমনটা করা জরুরি নয়তো লোকেরা আত্মহত্যা করতে চাইবে। কেননা যদি একজন মানুষ দুর্ভোগ থেকে দীর্ঘস্থায়ী মুক্তি চায় তাহলে সে জীবন থেকেই মুক্তি চাইবে।
(গ) একটি অব্যর্থ সিস্টেম যা নিশ্চিত করবে, কেউ যেন সহজে আত্মহত্যা করতে না পারে। যদি মগজধোলাই ব্যর্থ হতে শুরু করে তবে তারা হয়তো আত্নহত্যা করতে চাইবে। কিন্তু অনেকেই এমনটা করতে পারবে না যদি তারা বেদনাহীনভাবে আত্মহত্যার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ বা ঔষধ না পায়। এসব উপকরণ বা ঔষধ পাওয়া যায় না কেননা এসব অবৈধ করে রাখা হয়েছে।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
মানুষ আরো চায়,
(ক) এমন একটি অব্যর্থ সিস্টেম যাতে কেউ চাকরি ছাড়তে না পারে তা নিশ্চিত করা যায়।
(খ) তাদেরকে মগজধোলাই করা হোক যাতে তারা বিশ্বাস করে, আত্মহত্যা করা উচিৎ নয়। আর এই মগজধোলাই এতোটা গভীর হবে যে, তারা বুঝতেই পারবে না তাদের মগজধোলাই করা হয়েছে। এমনটা করা জরুরি নয়তো লোকেরা আত্মহত্যা করতে চাইবে। কেননা যদি একজন মানুষ দুর্ভোগ থেকে দীর্ঘস্থায়ী মুক্তি চায় তাহলে সে জীবন থেকেই মুক্তি চাইবে।
(গ) একটি অব্যর্থ সিস্টেম যা নিশ্চিত করবে, কেউ যেন সহজে আত্মহত্যা করতে না পারে। যদি মগজধোলাই ব্যর্থ হতে শুরু করে তবে তারা হয়তো আত্নহত্যা করতে চাইবে। কিন্তু অনেকেই এমনটা করতে পারবে না যদি তারা বেদনাহীনভাবে আত্মহত্যার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ বা ঔষধ না পায়। এসব উপকরণ বা ঔষধ পাওয়া যায় না কেননা এসব অবৈধ করে রাখা হয়েছে।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
“মানুষ নিজের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে চায় অন্যরা বেঁচে থাকুক।
এই উদ্দেশ্য হলো, নতুন জন্ম নেওয়া শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাদের ব্যক্তিগত বা কাজের দাস করা।
আর এটা করা তখনই সম্ভব হবে যদি মানুষকে তাদের মৌলিকতম অধিকার (অস্তিত্বহীন থাকার) না দেওয়া হয়।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
এই উদ্দেশ্য হলো, নতুন জন্ম নেওয়া শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাদের ব্যক্তিগত বা কাজের দাস করা।
আর এটা করা তখনই সম্ভব হবে যদি মানুষকে তাদের মৌলিকতম অধিকার (অস্তিত্বহীন থাকার) না দেওয়া হয়।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
“যখন একজন ব্যক্তি কোনো শিশুর জন্ম দেয় তখন সে জন্ম দেওয়ার অপরাধের অংশ হয়ে যায়। আর এজন্য ওই ব্যক্তিকে প্রতিনিয়ত নিজেকে এবং সবাইকে এটা বিশ্বাস করাতে মগজধোলাই করতে হয় যে,
- সন্তানধারণ করা ভালো, নৈতিক, নিঃস্বার্থ, গুরুত্বপূর্ণ ইত্যাদি।
- সন্তানধারণ করা আপনার জন্য সুখ, আনন্দ এবং ভালোবাসা বয়ে নিয়ে আসবে।
- কষ্ট বা দুর্ভোগ গ্রহণযোগ্য ও প্রয়োজনীয়।
- দুর্ভোগ জীবনের একটা অংশ (আর এজন্য আপনাকে, আমাকে, সকলকে এটা মেনে নিতে হবে)।
- মানুষকে ব্যবহার করা কিংবা দাস করে রাখা (ব্যক্তিগত বা পুঁজিবাদের দাস) গ্রহণযোগ্য এবং প্রয়োজনীয়।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
- সন্তানধারণ করা ভালো, নৈতিক, নিঃস্বার্থ, গুরুত্বপূর্ণ ইত্যাদি।
- সন্তানধারণ করা আপনার জন্য সুখ, আনন্দ এবং ভালোবাসা বয়ে নিয়ে আসবে।
- কষ্ট বা দুর্ভোগ গ্রহণযোগ্য ও প্রয়োজনীয়।
- দুর্ভোগ জীবনের একটা অংশ (আর এজন্য আপনাকে, আমাকে, সকলকে এটা মেনে নিতে হবে)।
- মানুষকে ব্যবহার করা কিংবা দাস করে রাখা (ব্যক্তিগত বা পুঁজিবাদের দাস) গ্রহণযোগ্য এবং প্রয়োজনীয়।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
“অনুভূতি, সংবেদনশীলতা, চেতনা ইত্যাদি অমঙ্গলকর। কেননা যদি কোনো কিছু মঙ্গলকর উদ্দেশ্যে করা হতো তাহলে তা হতো মানুষ বা সত্তা যেন কোনো যন্ত্রণা বা দুর্ভোগ না ভোগ করে সে উদ্দেশ্যে।
আর দুর্ভোগ বা যন্ত্রণা থাকে না একমাত্র অস্তিত্বহীনতায়। তাই আপনি যদি মঙ্গলকর হন তবে যা একমাত্র সৃষ্টি করতে পারেন তা হলো অস্তিত্বহীনতা। কিন্তু কোনো কিছু সৃষ্টি বা অস্তিত্বশীল না করাই তো অস্তিত্বহীনতা।
এজন্য আপনি যদি মঙ্গলকর হন তবে আপনি সহজাতভাবেই -
১. কোনো অস্তিত্বকে সৃষ্টি করবেন না।
২. কোনো অস্তিত্বকে দীর্ঘস্থায়ী করবেন না।
৩. সমস্ত অস্তিত্বকে তাৎক্ষণিক, বেদনাহীন উপায়ে বিলীন করে দিবেন।
আর যা কিছু এই তিনটি কাজের বাইরে তা-ই অমঙ্গলকর।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
আর দুর্ভোগ বা যন্ত্রণা থাকে না একমাত্র অস্তিত্বহীনতায়। তাই আপনি যদি মঙ্গলকর হন তবে যা একমাত্র সৃষ্টি করতে পারেন তা হলো অস্তিত্বহীনতা। কিন্তু কোনো কিছু সৃষ্টি বা অস্তিত্বশীল না করাই তো অস্তিত্বহীনতা।
এজন্য আপনি যদি মঙ্গলকর হন তবে আপনি সহজাতভাবেই -
১. কোনো অস্তিত্বকে সৃষ্টি করবেন না।
২. কোনো অস্তিত্বকে দীর্ঘস্থায়ী করবেন না।
৩. সমস্ত অস্তিত্বকে তাৎক্ষণিক, বেদনাহীন উপায়ে বিলীন করে দিবেন।
আর যা কিছু এই তিনটি কাজের বাইরে তা-ই অমঙ্গলকর।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
“অস্তিত্বও আপনাকে বন্দী, দাস, নির্যাতন করার একটি হাতিয়ার বা কৌশল। তাই অস্তিত্ব আপনাকে সবসময় দুর্ভোগ দিবে।
অর্থাৎ দুর্ভোগ কমাতে বা প্রতিরোধ করতে অস্তিত্ব বিলীন করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
অর্থাৎ দুর্ভোগ কমাতে বা প্রতিরোধ করতে অস্তিত্ব বিলীন করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
“মানুষ যদিও জন্ম দেয় তাদের দাস তৈরির উদ্দেশ্যে কিন্তু মানুষ এই উদ্দেশ্যের নাম দেয়: 'ভালোবাসা', 'যত্ন', 'নৈতিকতা', 'নিঃস্বার্থতা' ইত্যাদি।
প্রায় সকল মানুষই মনে করে, জন্ম দেওয়া গ্রহণযোগ্য বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। (এমনকি যাদের নিজেদের সন্তান নেই তাদের অনেকেই)”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি
প্রায় সকল মানুষই মনে করে, জন্ম দেওয়া গ্রহণযোগ্য বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। (এমনকি যাদের নিজেদের সন্তান নেই তাদের অনেকেই)”
― অস্তিত্বহীনতার শান্তি



